নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বারবার পরাজিত হয়েও বিজয়ের আশা এবং নেশা ছেড়ে না দেওয়াই প্রকৃত সৈনিকের আলামত

সুলাইমান হোসেন

আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাকিক্বতুল মায়ারিফ:পর্ব—১১[প্রানীকূলের বিস্ময় :পাখীর জগত]

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৫



বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম।


আমরা হাকিক্বতুল মায়ারিফ সিরিজে,প্রানীকূলের বিস্ময় অধ্যায়ে পাখী নিয়ে লিখছিলাম।

পাখীর বাসা



পাখী রাতে থাকার জন্য,ডিম পাড়ার জন্য বাসা তৈরি করে।এক্ষেত্রে তারা খড়কুটো, গাছেের পাতা ইত্যাদিকে কাজে লাগায়।কিছু পাখী আবার মাটি খুঁড়ে বাসা বানায়।যেমন মাছরাঙা।মাছরাঙার প্রধান খাবার হলো মাছ,এজন্য তারা পুকুর পাড়,নদীর ধার ইত্যাদি জায়গা বেছে নেয় এবং তুলনামূলক নরম মাটি নির্বাচন করে।মাছরাঙা মূলত সাপকে তার বাচ্চা খাওয়ার সুযোগ করে দেয়।

অধিকাংশ পাখীরাই গাছে বাসা তৈরি করে।সেখানেই ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফুটায়।



পাখীরা সকালে খাবারের খোঁজে বাসা থেকে বের হয়।সারাদিন খাবার খোঁজে সন্ধায় আবার বাসায় ফিরে।আর যদি বাসায় বাচ্চা থাকে তাহলে মাঝে মধ্যে বাসায় আসে এবং বাচ্চাকে খাবার খাওয়ায়।সাধারনত কীট-পতঙ্গ, পোকামাকড় পাখীর প্রধান খাবার।আবার কিছু পাখী ধান গম ইত্যাদি খায় যেমন বাবুই পাখী।



রাত্রে পাখী কোথায় থাকে?

অধিকাংশ পাখীরা রাত্রে বাসাতেই থাকে।আবার পাখী বাসার বাইরে থাকে। যেমন বাবুই পাখী।কিছু স্তন্যপায়ী পাখী দিনে ঘুমায় এবং রাত্রে খাবার সংগ্রহ করে যেমন বাদুড়,চামচিকা ইত্যাদি পাখী।

পাখী কিভাবে উড়ে?

পাখীর উড়ার জন্য রয়েছে দুটো ডানা।ডানাতেই ভর করে পাখীরা উরে।পাখীর শরীর সাধারনত হালকা এবং হাড় ফাঁপা।পাখীর গঠন আকৃতিও তাদেরকে উড়ার জন্য সাহায্য করে।






কেন পাখী শিকার করা উচিত নয়?

হ্যা।অবশ্যই পাখী শিকার করা উচিত নয়।বরং তাদেরকে স্বাধীনতার সহিত খোলা আকাশে উড়তে দেওয়া উচিত।এট্ই তার জীবন এটাই তার স্বাদ।তাকে খাঁচায় বন্দি করলে তার স্বাধীনতা নষ্ট করা হয়।যা অনুচিত কাজের অন্তর্ভুক্ত।পাখী শিকার আইনতঃ দণ্ডনীয়। পাখী প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ধনকারী প্রানী।

বন-জঙ্গল,গাছপালা,প্রকৃতি পাখীর জন্য জীবন এবং প্রান সরূপ।গাছপাল্ বনভূমি উজার করা কেটে ফেলা পাখীর জীবনের জন্য হুমকি সরূপ।এজন্য গাছপালা বনভূমি রক্ষা করা এবং বর্ধিত করা উচিত।



পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পাখী পাওয়া যায় ব্রাজিলের "আমাজন" জঙ্গলে।যেখানে হাজার হাজার প্রজাতির পাখী রয়েছে।তারপর আফ্রিকায়।এশিয়ার বন-জঙ্গলেও প্রচুর পাখী পাওয়া যায়।আমাদের বাংলাদেশের সুন্দরবন অঞ্চলেও অনেক প্রজাতির পাখী রয়েছে।



পরিশেষে,

পাখী আল্লাহর সৃষ্ট এক অপার বিস্ময়,সৌন্দর্য এবং চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শন।সুতরাং পাখীদের প্রতি মানুষের যত্নশীল হওয়া উচিত।পাখী রক্ষার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা গ্রহন করা উচিত।

পাপীর পাপকর্মের কারনে কি পাখীরাও কষ্ট পায়?

হ্যা, কিতাবে পড়েছিলাম পাপীর পাপকর্মের কারনে বাসায় পাখীরাও কষ্টে থাকে।এবং পাখীরা পাপীর জন্য বদ দোয়া করে।আর নেকআমলকারীর জন্য সমস্ত প্রানীরা রহমতের দোয়া করে।কারন নেক আমলকারীর ফয়েজ এবং বরকত থেকে তারাও ভাগ পায়।সুতরাং আমাদেরকে সতর্ক হওয়া উচিত।নেক আমল করে জাহেরি বাতেনী ভাবে পুরো পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা উচিত।

ইনশাআল্লাহ আগামী পর্বে লিখব বাদুড় এবং চামচিকা নিয়ে।পড়ার আমন্ত্রন রইল।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.