| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়া নুসল্লি আলা রসূলিহীল কারীম
প্রানীকূলের বিস্ময়[বাদুর এবং চামচিকা]
বাদূর এবং চামচিকা পৃথিবীর একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রানী যারা উড়তে পারে।এদের দৃষ্টিশক্তি খুবই ক্ষীন,কিন্তু শ্রবনশক্তি খুবই শক্তিশালী।এদের মুখোমন্ডল কাটবিড়ালীর মতো।বাদুর নিশাচর প্রানী।দৃষ্টিশক্তি ক্ষীন হওয়ার কারনে দিনের আলো এদের চোখ সহ্য করতে পারেনা।
বংশ বিস্তার
বাদুর যৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটায়।বড় বড় গাছে উপর হয়ে ঝুলে থাকে।
খাদ্য
পৃথিবীতে প্রায় ১১০০ প্রজাতির বাদুর রয়েছে।চামচিকাও বাদুরেরই একটা প্রজাতি তবে আকারে ছোট।প্রায় ৭০ %প্রজাতি পোকা-মাকড়, কীটপতঙ্গ খায়।বাকি ৩০% প্রজাতি ফল-মূল খেয়ে বেঁচে থাকে।এরা রাতের বেলায় খাবার সংগ্রহ করে।সুপারীর ছোবা,আম,জাম, পেয়ারা ইত্যাদি ফল বাদুরের প্রিয় খাবার।
আল্লাহর নিদর্শন
বাদুরের মধ্যেও অন্তরদৃষ্টি সম্পন্নদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।দেখো পাখী নয়,একটি স্তন্যপায়ী প্রানী কিন্তু তবুও উড়তে পারে।এখান থেকে বোঝা যায় আল্লাহ তায়ালা সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।তিনি পাখী ছাড়া অন্যদেরকেও উড়াতে সক্ষম।তারপর তারা মানুষের মতো প্রজননও ঘটায়।বাচ্চা প্রসব করে,বাচ্চাদেরকে দুধ পান করায়।গাছে ঝুলে ঝুলে ঘুমায় তবুও পরে যায়না,খুব ক্ষীন তরঙ্গের শব্দও শুনতে সক্ষম,মানুষ যা শুনতে সক্ষম নয়।দৃষ্টি শক্তি খুবই দুর্বল।মানুষের দৃষ্টি শক্তি তুলনামূলক শক্তিশালী কিন্তু আল্লাহকে দেখার মতো শক্তিশালী নয়। এগুলো মহান রব্বুল কারীম আল্লাহর নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক তত্ত্বজ্ঞান অন্বষেির জন্য।
মনে পরে ছোটবেলার সেই কাহীনি
ছোটবেলায় গরমের দিনে রাতের বেলায় পরিবারের সবাই খেজুর গাছের পাটি বিছিয়ে ঘরের সামনের দুয়ারে শুয়ে শুয়ে বড়দের মুখে গল্প শুনতাম। দুয়ারের সামনেই বিশাল এক পেয়ারা গাছ ছিল।সেখানে বাদুর আসত, পেয়ারা খেত,অর্ধেক খাওয়া পেয়ারা নিচে ফেলে দিত।গল্প শোনার থেকে সেই বাদুরের দৃশ্যই আমার নিকট বেশি রোমাঞ্চকর ছিলো।চাঁদের আলো পেয়ারা গাছের উপর পরায় পেয়ারার পাতা আলো ঝলমল করত,বাদুর এলে স্পষ্ট দেখা যেত।সেই দৃশ্য এতটাই মুগ্ধকর ছিল যে কোনোদিনও ভুলতে পারবোনা।আমাদের ঘরের উপর বিশাল বিশাল আমগাছ ছিলো,সেখানে রাত্রে বাদুর এসে আম খাওয়ার সময় কিছু আম টিনের চালের উপর পরত এবং ঘুম ভেঙে যেত।

©somewhere in net ltd.