নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বারবার পরাজিত হয়েও বিজয়ের আশা এবং নেশা ছেড়ে না দেওয়াই প্রকৃত সৈনিকের আলামত

সুলাইমান হোসেন

আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাকিক্বতুল মায়ারিফ:পর্ব—১৬প্রানীকূলের বিস্ময়[মুরগী]

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২১



বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম

আমরা হাকিক্বতুল মায়ারিফ সিরিজে মুরগী নিয়ে আজকে আলোচনা করব।আমরা প্রানীকূলের বিস্ময় অধ্যায়ে রয়েছি।আমরা প্রানীকূলের বিস্ময় অধ্যয়টি একশত পর্বে সমাপ্ত করব।পরবর্তী একশত পর্বে আমরা সমূদ্রের প্রানী নিয়ে আলোচনা করব।তারপর আমরা উদ্ভিদ জগতে প্রবেশ করব।এবং আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টিনৈপূর্ণ কারীগরি প্রত্যক্ষ করব।




প্রাথমিক আলোচনা:
মুরগী দ্বীপদি প্রানী,এরা দুপায়ে ভর করে চলাফেরা করে।মুরগী স্তন্যপায়ী নয়।এরা হল পাখী।কিন্তু শরীরের ওজনের কারনে উড়তে পারেনা।এরা ডিম পারে।ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে।এদের বাচ্চাকে দুধ পান করাতে হয়না,বাচ্চা ফোটার কয়েক ঘন্টার মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করতে পারে এবং খাবার খেতে পারে।মা মুরগী একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাচ্চাকে নিজের সাথে রাখে,শত্রুদের থেকে বাচ্চাদেরকে রক্ষা করে।মুরগীর বাচ্চার শত্রুদের মধ্যে রয়েছে বেজি,চিল,বাগডাসা,ঘড়িয়াল, সাপ ইত্যাদি।যখন মা মুরগী শত্রুর উপস্থিতি টের পায়,সে বিশেষ নিয়মে তার বাচ্চাকে সংকেত দেয়,সাথে সাথে তার বাচ্চারা কোলের মধ্যে গিয়ে লুকায়।নিচের ছবিতে দেখুন কিভাবে বাচ্চারা তার মায়ের কোলের মধ্যে গিয়ে লুকিয়েছে


তারপর যখন মুরগীর বাচ্চা বড় হয়,এবং নিজেই শত্রুদের থেকে আত্মরক্ষার যোগ্যতা অর্জন করে, তখন মা মুরগী তাদেরকে স্বাধীন বা আযাদ করে দেয়।
মোরগ

পুরুষ মুরগীকে মোরগ বলা হয়,এরা ডিম পারেনা,বাচ্চা ফুটায়না,এদের কাজ শুধু প্রজনন ঘটানো।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



মাশাল্লাহ , শুরু করেন পর্বাকারে লেখা । পাঠ করে যাব । জানিনা আপনি মুরগীর কী বিস্ময়ের কথা জানাবেন ।
আমি সাধারণ চর্মচোখে যা দেখি তা হল নিন্মলিখিত কিছু গুনাবলী যথা :০
মুরগি সৃষ্টিজগতের এক বিস্ময়কর প্রাণী, কারণ এর মধ্যে এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা সত্যিই
আশ্চর্যজনক।
১।ডিমের মধ্যে জীবন সৃষ্টি: একটি নিষিক্ত ডিমের ভেতরে উপযুক্ত তাপমাত্রায় মাত্র প্রায় ২১ দিনে একটি পূর্ণাঙ্গ
ছানা তৈরি হয়।
২। জীবনের পূর্ণাঙ্গ নকশা: ক্ষুদ্র ডিমের ভেতরেই ছানার মস্তিষ্ক, হৃদ্‌যন্ত্র, চোখ, ঠোঁট ও পালক গঠনের জৈবিক
নির্দেশনা থাকে।
৩্। মাতৃত্বের বিস্ময়: মুরগি ডিমে তা দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ছানাদের আগলে রাখে।
৪। খাদ্য থেকে জীবন: সাধারণ খাদ্য গ্রহণ করে মুরগি ডিম, মাংস ও নিজের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি
তৈরি করে।
৫।. প্রকৃতির ভারসাম্য: মুরগি খাদ্যশৃঙ্খল ও কৃষিব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সবচেয়ে বড় বিস্ময় একটি সাধারণ ডিমের ভেতর থেকে একটি সচল, অনুভূতিসম্পন্ন জীবের জন্ম
এটি জীববিজ্ঞানের এক অসাধারণ উদাহরণ।
আসলে, মুরগির এই বিস্ময় শুধু মুরগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি জীবনের জটিলতা ও প্রকৃতির অসাধারণ
সংগঠনেরও পরিচয়।
যাহোক আমার বিবেচনায় মানুষ হল জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রাণী । নীচের লিঙকটি ফলো করে আমার
লেখাটি পাঠ করে আসলে কিছুটা ধারণা হতে পারে ।
মহান আল্লাহর সৃষ্ট মানব হিসাবে আত্মপলব্দি। লেখাটি সকল ধর্মাবলম্বী এবং ধর্মে অবিশ্বাসিদের জন্যও উন্মোক্ত

শুভেচ্ছা রইল

১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৫

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মাশাআল্লাহ।আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।আমি সংক্ষিপ্ত আকারে প্রানীগুলো বর্ণনা করবো যতটুকো জানা আছে।আপনার সেই লেখাটা অনেক আগেই পাঠ করেছিলাম এবং বিস্মিত হয়েছিলাম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.