| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু ঠান্ডা হয়।যে ব্যাক্তির এক ওয়াক্ত নামাজও ছুটে গেলো সে পুলসিরাত থেকে পরে গেলো।জীবনটাকেই পুলসিরাত মনে করো।সিরাত্বল মুসতাকিম হলো পুলসিরাত।এই পুল অনেক বিশাল লম্বা,কেউ এক সেকেন্ডে আবার কেউ সত্তুর বছরে এই পুল পারি দেয়।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম
পরিচয়
হাঁস পাখী জাতীয় প্রানী,কিন্তু শরীরের ওজনের কারনে বেশিদূর উড়তে পারনা।হাঁস খুবই সুন্দর,বিনয়ী এবং ভীতু প্রানীদের অন্তরভুক্ত।পৃথিবীতে অনেক প্রজাতির হাঁস দেখা যায়।এরাও মুরগীর মতো ডিম পারে।হাঁসের ছোট ছোট ছানাগুলো খুবই সুন্দর।
বিস্ময়
দেখো,আল্লাহ তায়ালা হাঁসকে কিভাবে সৃষ্টি করেছেন।তার জীবন সহজ সরল হলেও বৈচিত্রে ভরপুর।হাঁস পানি খুবই পছন্দ করে।প্রচন্ড শীতের মধ্যেও সে পানির মধ্যে দ্বীর্ঘসময় সাঁতার কাটতে পারে।হাসের শরীর অত্যান্ত গরম থাকে।শক্ত শামুক ঝিনুক খেয়েও হজম করে ফেলতে পারে।
দেখো আল্লাহ তায়ালা হাঁসকে কত সুন্দর একটি ঠোঁট দিয়েছেন যা দ্বারা সে খাবার বাছাই করে খেতে পারে।হাঁস পানিতে দলবদ্ধ হয়ে চলতে ভালোবাসে।
মায়ারিফ
হ্যা।হাঁসের মধ্যেও আল্লাহর বিস্ময়কর নিদর্শন রয়েছে। সে বেশিদুর উড়তে না পারলেও উড়ার জন্য তার দুটো পাখনা রয়েছে।সুন্দর দুটো চোখ রয়েছে। চোখের গঠনও বিস্ময়কর।তারপর সে খাবারের মুখাপেক্ষি।শত্রুর জ্ঞানও তার রয়েছে।শত্রু দেখলে সে উড়াল দিয়ে অনেকদূর চলে যেতে পারে আত্মরক্ষার জন্য।পৃথিবীতে এমন অনেক প্রজাতির হাঁস রয়েছে যারা উড়তে পারে।আবার অনেক প্রজাতির হাঁস উড়তে পারেনা।
হাঁসের ডিম খুবই পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু।হাঁসের মাংসও তেমন।হাঁস গৃহপালিত প্রানী,তবে বন-জঙ্গলে বুনো হাঁসও দেখা যায়
©somewhere in net ltd.