| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম
গরু এবং ছাগল পরিচিতি:
গরু এবং ছাগল গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু।এরা তৃণভোজী স্তন্যপায়ী প্রানী।গরু এবং ছাগল মানুষের জন্য খুবই উপকারি প্রানী।এদের মাংস,দুগ্ধ এবং চামড়া ব্যাবহারযোগ্য।পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই গরু ছাগল পাওয়া যায়।তবে এশিয়া,আফ্রিকা,অষ্ট্রেলিয়া মহাদেশে বেশি গরু-ছাগল চাষ করা হয়।
মারিফত বা বিস্ময়:
আকৃতি বা গঠন:
পৃথিবীতে প্রানীদের আকৃতি বা গঠন আল্লাহর বড় প্রমাণ।কোনো আকৃতি বা গঠনই আল্লাহর সৃষ্টি করা ব্যাতিত হতে পারেনা।একেক প্রানীর একেক ধরনের আকৃতিও আল্লাহর সত্যতার প্রমাণ।গরুর আকৃতি নিয়ে চিন্তা করো।এই আকৃতিটা আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি না করলে কিভাবে হয়ে যেতে পারে।প্রথমত,গরুর রয়েছে দুটো কান এবং কানের জন্য ছিদ্র,তারপর নাক এবং নাকের জন্য দুটো ছিদ্র।তারপর রয়েছে মুখ গহ্বর। তারপর দেখো,মুখের ভিতরে রয়েছে জিহ্বা। তারপর মুখ থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত একটি খাদ্যনালী।দেখ!যদি আল্লাহ তায়ালা মুখ না দিতেন তাহলে বাছুর কিভাবে তার মায়ের দুধ পান করত?
উত্তর যদি হয়,মানুষ মুখ কেটে বানিয়ে নিত।ধরলাম মানুষ মুখ কেটে বের করে নিত!কিন্তু মুখ থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত যে খাদ্যনালী,এটা কিভাবে তৈরি করা যেত।তারপর ক্ষুদ্রান্ত বৃহদান্ত্র এবং তাদের আলাদা আলাদা কাজ আল্লাহর বড় প্রমাণ।
তারপর পেটের ভিতরে গোবর তৈরি হওয়া,দুধ তৈরি হওয়া,এগুলোও আলাদা আলাদা বিস্ময় এবং নিদর্শন।
তারপর দেখো,গরুর রয়েছে চারটি পা।যার উপর ভর করে সে চলাফেরা করে।তারপরচারপায়ে চারটি খুর রয়েছে যা তাকে চলাফেরা করতে সাহায্য করে
বাছুরের বিস্ময়
©somewhere in net ltd.