| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন
(পোস্ট দেওয়ার মতো অবস্তায় আজকে নাই,মন-মানষিকতা খারাপ অবস্তায় রয়েছে।তবুও নিয়ম অনুযায়ী অল্প কিছু হলেও লিখছি,প্রতিদিন একটা করে পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছা থেকে)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আসসালাতু আসসালামু আলা রসূলিহিল কারীম
হুতুম পেঁচা বলতে সাধারণত একধরনের নিশাচর শিকারী পাখি বোঝায় (যেমন: ইন্ডিয়ান ঈগল-আউল বা Bubo bengalensis অথবা ভুতুম পেঁচা Ketupa zeylonensis), কিংবা এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' (১৮৬১ সালে প্রকাশিত)-কে নির্দেশ করে।
হুতুম পেঁচা (পাখি) সম্পর্কিত তথ্য
• বৈজ্ঞানিক নাম: সাধারণত ভারতীয় হুতুম পেঁচার বৈজ্ঞানিক নাম Bubo bengalensis।
• আবাসস্থল: এরা গাছের কোটর, পুরোনো দালান বা পাথরের গর্তে বসবাস করে।
• খাদ্যাভ্যাস: এরা ক্ষতিকারক পোকামাকড়, টিকটিকি, পাখির ছানা এবং নেংটি ইঁদুর খায়।
• প্রজননকাল: নভেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে গাছের ফোকরে বা পুরোনো বাসায় ডিম পাড়ে। ডিম থেকে বাচ্চা হতে প্রায় ৩৫ দিন সময় লাগে।
(সূত্র:এ আই)
আমার সাধারন আলোচনা:
ভুতুম পেঁচা বা হুতুম পেঁচা নিশাচর প্রানী।এরা রাতের বেলায় বাসা থেকে বের হয় এবং শিকার খোজে।সাধারনতঃ পোকা-মাকড় ইত্যাদি খায়।
হুতোম পেঁচার মুখোমন্ডল খুবই সুন্দর, বিড়ালের মুখের কাছাকাছি।আর চোখ দুটো মানুষের চোখের কাছাকাছি।
মারিফত বা বিস্ময়:
এরা পাখী শ্রেনীর প্রানী।কিন্তু সাধারন পাখীদের মতো নয়।নিশাচর পাখী।আল্লাহর বিস্ময়কর কারীগরি এই পাখীটার মধ্যেও দেখতে পাওয়া যায়।এরা রাতের অন্ধকারেও চোখে খুব পরিষ্কার দেখতে পারে।এবং ছোট ছোট শিকারও খুঁজে বের করে।তারপর চোখদুটোর মধ্যেও বিস্ময় লক্ষ করা যায়।চোখের গঠন এমনভাবে তৈরি করা যে রাতের অন্ধকারেও পরিষ্কার দেখতে পারে।পাখী!অথচ চোখ অন্যন্য পাখীদের মতো নয়। তাহলে এই ভিন্নতাও আল্লাহর নিদর্শনের অন্তরভুক্ত।আরো অনেক নিদর্শন আছে,অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যাক্তিরা তা দেখতে পারে,আমাদের মতো অন্তরদৃষ্টিশূন্য ব্যাক্তিরা আর কি দেখবে
©somewhere in net ltd.