| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু ঠান্ডা হয়।যে ব্যাক্তির এক ওয়াক্ত নামাজও ছুটে গেলো সে পুলসিরাত থেকে পরে গেলো।জীবনটাকেই পুলসিরাত মনে করো।সিরাত্বল মুসতাকিম হলো পুলসিরাত।এই পুল অনেক বিশাল লম্বা,কেউ এক সেকেন্ডে আবার কেউ সত্তুর বছরে এই পুল পারি দেয়।
হাকিক্বতুল মায়ারিফ ২২
(আগের পর্বে চ্যাট জিপিটি থেকে হরিণ সম্পর্কে বিস্ময়কর তথ্য জেনেছি)
কাফেররা আফসোস করবে, হায়!যদি চোখ বুজে মেনে নিতাম।দুনিয়াতে আল্লাহকে বোঝার, উপলব্ধি করার কোনো যোগ্যতা ক্ষমতা ছিলোনা।
এই পর্বে হরিণ সম্পর্কে আমার সাধারন আলোচনা থাকবে।
হরিণ বন্য প্রানী।খুবই সুন্দর,বিনয়ী,দেখলে চক্ষু জুড়ায়।হরিণের শিং ও গজায়,এরা তৃণভোজী হওয়ায় ঘাসই এদের প্রধান খাবার।
মারিফত অথবা বিস্ময়
শুধু হরিণ নয়।সব প্রানীদের মধ্যেই রয়েছে আল্লাহর ক্ষমতার প্রকাশ,জ্ঞান এবং হেকমতের প্রকাশ,গুনাবলীর প্রকাশ।
শিং হরিণ এমন প্রানী যাদের শিং গজায়।শুধু হরিণ নয় আো অনেক প্রানীর শিং গজায়।যেমন গরু,ছাগল,মহিষ,ঘোরা, জিরাফ ইত্যাদি।শিং গজানো প্রানীগুলো তৃণভোজী ঘাস খেকো হয়ে থাকে।
চোখ
চোখের মধ্যেও রয়েছে আল্লাহর মারিফত লাভের উপকরন।হরিণের চোখ ৩১০ ডিগ্রি পর্যন্ত দেখতে পারে।যা তাকে শিকারী থেকে আত্মরক্ষার জন্য সাহায্য করে।হরিণের ও চোখ আছে মানুষের ও চোখ আছে।এই উভয় প্রানীর চক্ষু আল্লাহর একত্বের প্রমান প্রত্যেক অন্তরদৃষ্টি সম্পন্নদের জন্য।
কান
হরিণের কান রয়েছে।এবং এই কান আল্লাহর সত্যতা এবং একত্বের প্রমান বা দলিল।প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আলাদা আলাদা কাজ বা বৈশিষ্ট্য আল্লাহর সত্যতা এবং একত্বের প্রমান।
হরিণের দৌড়ের গতি
হরিণ প্রায় ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে দৌড়াতে পারে।এই গতি তাকে শত্রু থেকে আত্মরক্ষায় সাহায্য করে।
আরো অনেক মারিফত রয়েছে হরিণের মধ্যে,তবে চিন্তাশীলদের জন্য এটুকুই যথেষ্ট
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:২৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: বাহিরে নয়, ভিতরের দিকে ভ্রমণ করো । আল্লাহ তায়ালা বলেন আমি তাদের শাহ রগ থেকে অধিক নিকটবর্তী ।