| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি বাকের বলছি
www.facebook.com/Iambakerbhai
IUBAT তে ইসলামী পোশাক তথা পান্জাবী-পায়জামা ও লং বোরখা পরিধানে বাধা দেয়া হচ্ছে, পান্জাবি-পায়জামা পরিহিত শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি গত মাস থেকেই। ইসলামী/সুন্নতি সুন্নতি পোশাকে ক্লাস করতে দেবার অনুরোধ আজ আন্দোলনে পরিনত হয়েছে। আজ প্রতিষ্ঠানটির সামনের রাস্তা (আব্দুল্লাহপুর-বেড়িবাধ সড়ক) অবরোধ করেছিল আল্লামাগন। ইসলামী পোশাক বাতিল করায় এম.এ আলিমুল্লাহকে ২৪ ঘন্টার দাবি এসেছে এবং আগামীকাল থেকে আবার ইসলামী পোশাকে ক্লাস করতে দেয়া না হলে কঠোর কর্মসুচীর হুশিয়ারী দেয়া হয়েছে। এর আগে ২০১২ সালে ইসলামী পোশাকে বাধা দেয়া হলে ছাত্ররা রাষ্টপতির কাছে আবেদন করে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি 'ইসলামী পোশাকে বাধা দেওয়া যাবে না' এমন নির্দেশ সম্বলিত একটি চিঠিতে সাক্ষর করেন।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০১
আমি বাকের বলছি বলেছেন: সেটাই
২|
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩০
চলন বিল বলেছেন: নাম আলিমুল্লাহ কামে জালিমুল্লাহ
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০২
আমি বাকের বলছি বলেছেন: হুম
৩|
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৩
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
পাজামী পাঞ্জাবী দাড়ি টুপি ইত্যাদী একজন মুসলিম চাইলে পড়তে বা রাখতে পারে। সেখানে বাঁধা দেয়া অনুচিত।
তবে পাজামা পাঞ্জাবিকে কিভাবে ইসলামিক পোষাক হিসাবে দাবি করা হচ্ছে, সেটা বোধগম্য হচ্ছে না।
পাঞ্জাবি, পাজামা ভারতীয় অঞ্চলের পোষাক। উপমহাদেশের বিভিন্ন ধর্মের অনুসারিরা এসব নর্মালি পরিধান করে।
ইসলামের অভুদ্যয়ের পর মোহাম্মদ (স) বেচে থাকার দির্ঘ সময় মুসলমানদের কোন পোষাক নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। সুধু কিভাবে সংযত ভাবে পরতে হবে সেটা উল্লেখ আছে।। পুরুষদের লম্বা কোর্তা, নারীদের চাদর জাতীয় বস্ত্র। ঐ আরব অঞ্চলের মুসলিম- ননমুসলিম সবারই ছিল প্রায় এই ধরনের পরিধেয় বস্ত্র।
পরে মক্কা বিজয়ের পরও কোন ছেলে মেয়েদের কাপড় পরিধানের স্টাইল পরিবর্তন করতে হুকুম দেয়া হয় নাই, ইসলাম গ্রহন করে নি এমন ইহুদি, খ্রীষ্টান বা কুরাইশ পুরুষ বা মহিলাদেরও কোন ড্রেসকোড বেধে দেয়া হয় নাই। আগে যা ছিল তাই। পোষাক নিয়ে কোথাও কোন বাড়াবাড়ি রকমের কিছু হয়নি, দাঙ্গা হাঙ্গামা হয়নি, ইতিহাসে নেই। আরব জাদুঘরে রসুলকন্যার একটি কোর্তা/জামা দেখা যায়, যা খুব লম্বা নয়, থ্রী কোয়াটার হাতা। সেটায় মাথা ঢাকা হুড (বোর্খা) জাতীয় কিছু নেই।
রসুল (স) মৃত্যুর পর উমাইয়া, আব্বাসিয় যুগেও পোষাক নিয়ে বারাবাড়ী হয় নি, বারাবাড়ী হয়েছিল আরো পরে । হানাহানি রত বিভিন্ন গোত্রপ্রধানরা কে কত বড় মোসলমান প্রমান করতে বিভিন্ন হাদিসের অপব্যক্ষা দিয়ে দাঙ্গা-হাংগামা আর মেয়েদের উপর একে একে কঠিন কঠিন পোষাক নিয়ম চাপানো হতে থাকে।
কোরান ও হাদিসে ছেলে বা মেয়েদের পোষাকের ব্যাপারে অনেকটা উদারতাই দেখানো হয়েছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০২
আমি বাকের বলছি বলেছেন: সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ
৪|
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৩
ধমনী বলেছেন: হাসান কালবৈশাখীর সাথে সহমত।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৩
আমি বাকের বলছি বলেছেন: ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৫
প্রামানিক বলেছেন: চিন্তার বিষয়