| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইব্রাহীম হক
আমি ইব্রাহীম,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের একজন ছাত্র। আমি কক্সবাজারে বাস করি।
ইব্রাহীম: গ্রাম হল একটি দেশের শিকড়। গ্রামকে বাদ দিয়ে শহর জীবনের নাগরিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা সমতার দৃস্টি সহ সব ক্ষেত্রে মূল ছাড়া বৃক্ষের ন্যয়। শহরের অধিকাংশ মানুষতো গ্রাম থেকে আসা। উন্নত নাগরিক সুযোগ সুবিদা ও কর্মের আশায় স্তানান্তরিত হয়ে গ্রামের মানুষরাইতো প্রয়োজনের তাগিদে শহরে বসবাস করে।তাই আমাদর জীবনে গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্তা থুবই গুরুত্বপুর্ন।প্রসঙ্গ হল এই গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্তায় ইমাম সমাজের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপুর্ন কিংবা কতটুকু পালন করছে তা এখন খুব পরিতাপেরে বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। বর্তমান গ্রামীণ সমাজে
ইমামদের/খতীবদের ভুমিকা সংকির্ন বলা চলে।চাকরি হারার কিংবা সমালোচিত হবার ভয়ে সমাজের চলমান পরিস্তিতির সংকট উত্তরনপূর্বক আলোচনা থেকে তারা বিরত থাকে।কোরআন হল বিশ্ব মানবতার মুক্তির সনদ, জ্ঞনের ভান্ডার যা মহান আল্লার কাছ থেকে প্রেরিত।তাই কোরআন শুধু তেলোয়াত করলে হবে না,তাতে যে পালনীয় ও বর্জনীয় দিক রয়েছে তা বিশ্লেষিতভাবে আলোকপাত করতে হবে। ইসলাম ও কোরআনের আলোকে বর্তমান সমাজ ব্যবস্তা কিরুপ হওয়া উচিত এবং বর্তমানে কিরুপ অবস্তা বিরাজমান তা বিষদভাবে বিবেচনা করতে হবে। স্বাভাবিক ভাবে শূক্রবারে মসজিদে জুমার থুতবায় ইমাম/খতীবদের মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার থাকে, যা পুরো সমাজকে বদলে দিতে পারে।কিন্তু এখানে ইমাম/খতীবদের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ব।খুতবায় চলমান পরিস্তিতি কিংবা গতসপ্তায় ঘঠে যাওয়া সামাজিক,পারিবারিক,রাষ্ট্রীয় ঘটনাবলি আলোচনা এবং কোরআন ও হদিসের আলোকে এর সমাধান কি হতে পারে তা আলোচনা করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু ইমামরা এর কতটুকু পালন করছে তাই এখন চিন্তার বিষয়।এখন গ্রামের ন্যায় শহরেও অধিকাংশ ইমাম/খতীবরা মসজিদ ভিত্তিক অর্থাৎ মসজিদের বাউন্ডারী ভিতরে আলোচনা সীমাবদ্ব রাখে।প্রায় দেখা যায়, গ্রামের ইমামরা/খতীবরা রিচার্চ বা গবেষনা ছাড়া বয়ান করে।রিচার্চ/বিশ্লেষন ছাড়া কোরআনের অর্থ সঠিক ভাবে বুঝে উঠা কষ্টসাধ্য হবে এবং যেহেতু গ্রামের অধিকাংশ লোকেরা অশিক্ষত তাই এতে করে ইসলামী জ্ঞানের প্রসারে বিঘ্ন ঘটে।সমাজকে আলোকিত করতে হলে এই ইমাম সমাজকে সমসাময়িক জ্ঞান রাখতে হবে।সমাজের মানুষের চলাফেরা,নারী সমাজের পর্দা ইত্যাদি ইসলামী নৈতিক শিক্ষার কোন অবক্ষয় হচ্ছে কিনা, হলে কোরআন ও হাদিসের আলোকে এর সামাধান কি হতে পারে তা নিয়ে অবশ্যই অলোচনা করতে হবে।ইভটিজিং এরমত মারাত্বক সমস্যা থেকে রেহায় পাওয়ার জন্য ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।মিথ্যা কথা, মিথ্যা মামলা দেওয়া,মিথ্যা সাক্ষী দেওয়া,জায়গা জমির সীমা বর্ধিত করা সহ বিভিন্ন অন্ধ কুসংস্কারে বর্তমান গ্রমীন সমাজ জর্জরীত।এ সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে হলে ইমাম/থতীবদের ইসলামের আধুনিক দিক নির্দেশনামূলক শিক্ষা সমাজে মানুষর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। ইমাম সমাজকে এখন আমরা শুধু সমাজের একজন সদস্য হিসাবে মনে করি। কিন্তু তারা যে সমাজের বিশিষ্টজন কিংবা বিশিষ্টজনের মধ্যে অন্যতম না হয়ে বিশিষ্টজনের মধ্যে প্রথমজন তা আমরা বেমালুম ভুলে যায়।জম্ন ও মৃত্যু উভয় সময় আমাদের ইমাম কিংবা ইসলামী ব্যক্তিত্ব
ছাড়া গুরুত্বপূর্ন ইসলামী কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্পুর্ন অসম্ভব।তাহলে তারা অমাদের জীবনের কত গুরুত্বপূর্ন অংশ?এই গুরুত্বপূর্ন ইমামরা অতি সাধারন জীবন জাপন করতে বাধ্য হয়।তাদের বেতন খুব নিম্ন (বিষেশ করে গ্রামের)।এই নিম্ন বেতন নিয়ে তারা খুব কষ্টে জীবন জাপন করে।এমনও ইমাম আছে যাদের বেতন ১০০০ টাকার নিছে।সরকার যদি তাদের টাকা দিয়ে সাহায্য না করে শুধু আইন দিয়ে সাহায্য করে তাহলে তারা অন্তত পূর্বের ছেয়ে সস্তির জীবন ফিরে পাবে বরে আশা করা যায়।প্রায় মসজিদ পরিচালনা কমিঠি দূর্বল কাঠামোর উপর প্রতিষ্টিত। যদি যোগ্যতা অনুযয়ি সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো নির্ধরন এবং কর্মের নিশ্চিয়তা বিধান করে দেয় তাহলে তা তাদের জন্য সুফল বয়ে আনবে।যেহেতু মসজিদ পরিচালানার ব্যাপার, তাই এ ক্ষেত্রে একটু আইনের ভয় নিশ্চিত করা গেলে এই মসজিদ ভিত্তিক ইসলামিক কার্যক্রমের গতি আরো বৃদ্ধি পাবে।এই সার্বিক ইসলামি কার্যক্রমগুলো যদি পরিচালনা করা যায় তাহলে গ্রামীন সমাজ ততা শহর জীবনের সম্পুর্ন বদলে যেতে বাধ্য।কারণ পরবর্তিতে গ্রামের এই সচতন মানুষরাই শহরে বসবাস করবে, যা হবে একটি শুষনমুক্ত,নিরহংকার,কুসংস্কার মুক্ত সচেতন ইসলামী সমাজ। মনে রাখা দরকার যে, আমাদের অবশ্যই একদিন মৃত্যূর সাদ গ্রহন করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে প্রত্যেক কাজের হিসাব দিতে হবে। আল্লাহ্ আমাদের সকলকে কোরআন ও হাদিসের বিধি বিধান অনুযায়ি জীবন জাপন করার তৌফিক দান করুক, আমীন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:০২
ইব্রাহীম হক বলেছেন: এখন সবার কাছে একটি বিষয় প্রায় পরিষ্কার আর তা হল -ইসলামের বিরোদ্ধে কেউ কিছু লিখলে বা বললে তা ইলেকট্রনিক্স এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচার করা হয় এবয সে রাতারাতি হিরু হয়ে যায়। এর কারণ কি মুসলিমদের ইমেজ নষ্ট করা নাকি বিশ্বের কাছে সন্ত্রাসী জাতী হিসাবে প্রতিষ্টা করা? আমরা আশা করব অন্তত বিবিসি এর তিক্রম হোক সত্যকে প্রকাশ করুক এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত গুলোকে অগ্রাধিকার দিক।