নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অধিকার ও প্রতিবাদ

আমি ইব্রাহীম ,আমি চাই প্রত্যেক মানুষ তার নাগরিক অধিকার ভোগ করুক এবং সাধীনভাবে মতামত ব্যক্ত করার সুযোগ পাক। কেউ যেন মিথ্যার আশ্রয় না নেয় এবং সবায় যেন মিথ্যার প্রতিবাদ করে ও দেশকে ভালবাসে।

ইব্রাহীম হক

আমি ইব্রাহীম,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের একজন ছাত্র। আমি কক্সবাজারে বাস করি।

ইব্রাহীম হক › বিস্তারিত পোস্টঃ

তারাও মানুষ

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:২৭

ইব্রাহীম:

বৈচিত্রময় এই পৃথিবীতে জীবিকার তাগিদে মানুষ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত।সবায় চায় নিজের অধিকার সবটুকু ভোগ করতে স্বধীনভাবে জীবনজাপন করতে।এতে কেউ সফল হয় কেউ অবার আহার সম্বল যোগালেই কোন রকম বেচে যায়।এই দুই শ্রেনীর মানুষ ছাড়া আরো মানুষ আছে যারা অর্ধহারে অনাহারে জীবনজাপন করে পড়ে থাকে রাস্তায়।যাদেরকে আমরা টুকায় বলে সম্মোধন করে থাকি,আমি তাদের কথাই বলছি।অর্ধহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে মনে হয় তারা যেন অন্য প্রজাতির মানুষ।সবচায়তে বড় সত্য হল,অমরাও তাদের ঘরে জম্নগ্রহন করতে পারতাম তখন আমাদেরকেও ক্ষুধা কষ্টে দিনানিপাত করতে হত এবং তাদের মত হতে পারতো।তার জন্য আল্লাহর কাছে কোটি শুকরিয়া আদায় করছি এবং পাশাপাশি এই কষ্টের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য আমাদের অবশ্যই কিছু করা দরকার।অতচ আমাদের প্রায় প্রত্যেক সমাজে বিত্তশালীৱা বসবাস করে।তাই বিত্তশালীদের বিলাশী ব্যয়ের একটি ক্ষুদ্র অংশ ক্ষুদার্তদের জন্য ,পথের শিশুদের জন্য ব্যয় করলে সমষ্টিগত ভাবে বাংলাদেশ একটি ক্ষুদা মুক্ত দেশে পরিনত হতে বেশি সময় লাগবেনা।সরকারি ও বেসরকারিভাবে এই পথশিশুদের (টুকায়)সমাজের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য থেমন একটা অতীতে হয়েছে বলে মনে হয়না।তাই সরকারের এই বিষয়ের বিশেষভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন।ইসালামী রীতি অনুযায়ি দেশে সমাজের মানুষ যদি সুষ্টভাবে যাকাত আদায় করে তাহলেও এই ক্ষুদার্ত সমাজ থাকে না।সরকারের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মানুষ ও বিত্তশালী ব্যক্তিরা যদি একটু এগিয়ে আসে তাহলে এই পথশিশু(টুকায়),ক্ষুদার্ত মানুষের অন্ন চিন্তা দুর করা ও তাদের মুখে হাসি ফুটানো কোন ব্যপার হবে বলে মনে করি না। তাই অসুন আমরা অসহায় মানুষগুলোর জন্য কিছু করি,আমাদের আয়রোজগারের মধ্য অবশ্যই তাদের অধিকার রয়েছে।আর এই কাজগুলো করা যদি সময়ের ব্যপার হয় তাহলে সমাজে বৈসম্য বেড়ে যাবে,সন্ত্রাস বেড়ে যাবে,সমাজে নানা অসংঙ্গতি লেগেই থাকবে যা আমরা এখন প্রত্যেক্ষ করছি।কারন অভাব ঘরে আসলে তখন আর ভালবাসা,ন্যায়-সততা,শৃঙ্খলা লোপ পেয়ে অপরাধ প্রবনতা বাড়তে থাকে।আজকে টুকায় সমাজ থেকে অনেক সন্ত্রাসীর সৃষ্টি,যাদের ঘর-বাড়ির কোন ঠিক ঠিকানা নাই।তারা সমাজের বিভিন্ন অপরাধমুলক কাজের সাথে জড়িত।আর একটি বিষেশ মহল তাদের ব্যবহার করে নিজেদের সার্থ হাসিল করে থাকে।কারণ তারা জীবনকে অর্থহীন মনে করে থাকে এবং থাকেনা তাদের কোন সুন্দর পরিচয় তাই তারা দেশ ততা সমাজের ক্ষতিসাধনমুলাক কাজ করতে কুন্ঠবোধ করে না।তাই আসুন আমরা জাতি,দল,মত,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে অসহায় এই মানুষগুলোর জন্য কিছু করি এবং দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যায়।আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে অর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার তৌফিক দান করুক।আমিন।।।।।।।।।।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৪০

ইব্রাহীম হক বলেছেন: এখন আমরা শুধু নিজে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত,যারা অসহায়,ক্ষুদার্থ,তাদের কথা আমরা ভাবি না। অতচ একটু সহযোগিতার হাত বাড়ালে তারাও সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.