| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক সংকটে একটা কেন্দ্রীয় অবস্থানে আছে পেট্রল বোমা। কি রাজনীতিবিদ, কি আমজনতা, সকলে পেট্রল বোমা নিয়ে কথা বলছে। রাজনীতিবিদরা কেন এ বিষয়ে আগ্রহী তা' সহজেই বোঝা যায়- বিএনপি'র জন্য রাজপথে না-থেকেও আন্দোলন চালানো আর দাবী আদায়ের সুবিধাজনক উপায় হল জনসাধারণের মধ্যে পেট্রল বোমাতঙ্ক জারি রাখা। আবার আওয়ামীলীগের জন্য পেট্রল বোমাতঙ্ক বিএনপি'কে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক সমস্যাকে নিছক আইন-শৃংখলার সমস্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উপায়। কিন্তু পেট্রল বোমা কি আসলেই বিদ্যমান রাজনীতিতে এতোটা গুরুত্বপূর্ণ যতোটা রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক ডিস্কোর্সে দেখা যাচ্ছে?
আমার মতে, পেট্রল বোমা নিজে কোন সমস্যা নয়, বরং এটি অন্য আরেকটি সমস্যার বহিঃপ্রকাশ, যেমন সর্দি-জ্বর শরীরে ভাইরাস (বা অন্যান্য) সংক্রমণের বহিঃপ্রকাশ। ক্রমাগতঃ পেট্রল বোমার আঘাত এবং এর ফলে নিরপরাধ আম-জনতার দুঃখজনক অকাল মৃত্যু আমাদের নৈতিকতাকে বিরাট প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। মানুষ হিসেবে আমরা প্রাণীকূলে শ্রেষ্ঠ শুধুমাত্র উন্নত নৈতিকতার গুণে। নৈতিকতা আমাদেরকে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে হলেও অন্যান্য মানুষ এবং এমনকি যেকোন জীবের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে বাধ্য করে। একারণেই কোন মানুষকে যথাযথ আইনী-প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্বিচারে হত্যা করা সকল মতাদর্শে (ধর্মে, নিধর্মেও) কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অথচ, বর্তমানে আমরা দেখছি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ বোমা হামলাকে মামুলী রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছি!!
বিএনপি বোমাহামলার ঘটনাগুলোকে আওয়ামী সরকারের শাসনকার্যে ব্যর্থতা হিসেবে দেখাতে চাইছে, এবং সেই কারণে নিজেরাও এইসব ন্যাক্কারজনক ঘটনায় শামিল হচ্ছে। পত্রিকাগুলোতে অহরহ আমরা এমনই দেখছি। আবার আওয়ামীলীগ বোমা হামলার মাধ্যমে বিএনপিকে সন্ত্রাসী এবং গণবিরোধী দেখাতে চাচ্ছে। ফলে এদেরকেও দেখছি বোমা হামলায় অংশ নিতে। যদিও পত্রিকাগুলো আওয়ামী বোমা হামলাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে (যারা এটা মানতে চান না, তারা আজকের যুগান্তর, আমাদের সময় আর মানবজমিন দেখেনঃ নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে ছাত্রলীগের ৪ জন বোমা বানাতে গিয়ে আহত)।
আমরা সকলেই একবাক্যে মেনে নিই যে বোমা হামলা করে যেকোন মানুষকে হত্যা করা গুরুতর অপরাধ, মহাপাপ। - তাই কি? আরেকবার এই বাক্যটা পড়ুন- বোমা মেরে যেকোন মানুষকে হত্যা করা মহাপাপ।
- আমি বাজী ধরে বলতে পারি, আমাদের অনেকেই এই ধারণা থেকে সড়ে এসেছেন। অনেকেই মনে করেন কিছু কিছু মানুষকে বিনা বিচারে মারা ঠিকই আছে, যেমন- চিহ্নিত সন্ত্রাসী, ডাকাত, পকেটমার, ধর্ষক, ইত্যাদি। ইদানিং এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষও। এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের অনেকেই র্যাবের কথিত "বন্দুক যুদ্ধ" এবং "ক্রস ফায়ার"কে সমর্থন দিয়ে আসছেন। একবারও কি একান্ত নিজের সাথে কখনো বসেছেন, নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে আপনি নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিপক্ষ থেকে পক্ষে দাঁড়িয়ে গেছেন? -
এখন আর নির্বিচারে মানুষ হত্যা দেখলে আর আমাদের মানবাত্মা কেঁপে ওঠে না। বরং আমরা সাথে সাথে বিকৃত রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে হিসেব-নিকেশ শুরু করে দিই যে, লাশগুলোকে কিভাবে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে- বিএনপির সমর্থকরা বলবে যে সরকার নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, আর আওয়ামীলীগ সমর্থকরা বলবে যে বিএনপি গণহত্যা করে জনবিরোধী অবস্থান নিয়েছে।
কিসের স্বার্থে আপামর জনতা নিজেদের স্বভাবজাত নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে এইরূপ অমানবিক আচরণ করতে পারে? এমন ত' নয় যে আমরা একেকজন মানবীর গর্ভে জন্ম নেইনি, একেকটা মানব পরিবারে বামা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবের স্নেহ-ভালোবাসায় সিক্ত হইনি?
আমাদের অধিকাংশই মনে করি নিজেদের স্বার্থেই আমরা রাজনৈতিক দলগুলোকে সমর্থন করি। কথা সত্য। কিন্তু দলকে সমর্থন করার মানে ত' এই নয় যে আমাদের মানবসত্বাকে বিসর্জন দিয়ে হবে, আমাদের স্বভাবজাত নৈতিকতাকে পরিত্যাগ করতে হবে। দুনিয়ার বুকে এমন কোন মতবাদ কি আছে যা'র জন্য মানবতাকে বিসর্জন দিতে হবে?
শিরোনামে বলেছি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট। আসলে এই সংকট আমাদের নিজেদের ব্যক্তিগত সংকট, যা' ক্রমাগত রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যকলাপে প্রকাশিত হয়ে চলেছে। আমরা নিজেরা নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছি, অমানবিক হয়েছি। কিন্তু কখনও নিজেদের আত্মার দিকে, উপলব্ধির দিকে, মানব চেতনার দিকে না-তাকিয়ে অন্যদের দোষ খোঁজায় নিজেদের যাবতীয় শক্তি অপচয় করছি। এরই অনিযার্য পরিণতিতে এখন আমরা এমন এক অমানবিক সময়ে এসে পড়েছি যখন কিছু নিরীহ-অভাগা-নিরপরাধ মানুষের মৃতদেহও আমাদের মানবিকতাকে জাগাতে পারেনা।
অনেকে হয়তো বলবেন, লেকচার ত' বহুৎ দিয়ে গেলেন। কিন্তু এই সংকট থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে ত' কিছু বললেন না। - ভাই এবং বোন, উত্তর আপনি অবশ্যই জানেন, আমাকে বলতে হবে না। শুধু একান্ত নিরিবিলিতে গিয়ে নিজের মনকে জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনি উত্তরণ চান কি না। তাহলে আপনার মনই বলে দিবে কি করতে হবে। যদি এইটুকু চেষ্টা করতে না-চান, তাহলে জেনে নিন যে আপনার মানব সত্বার মৃত্যু হয়েছে।
২|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৮:০১
গাঁও গেরামের মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বিদ্রোহী বাঙালী। ভালো লাগল যে আমার বক্তব্য একজনকে বোঝাতে পেড়েছি।
আমি বিশ্বাস করি, আমরা বাঙ্গালীরা আবেগপ্রবণ, এবং এর মূলে রয়েছে আমাদের মানবিকতাবোধ। আমি মনে প্রাণে কামনা করি সাধারণ মানুষ এই আমাদের মধ্যে দ্রুত সুবুদ্ধি আসুক, সকলে মিলে ধুকে ধুকে মরে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আগেই।
৩|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:০৫
রাফা বলেছেন: মিথ্যা জিহাদের কথা বলে যে দেশে মানুষকে আত্মহত্যা করতে উদ্ভুদ্ধ করা হয় সেই দেশে অন্য মানুষকে হত্যা করার জন্য মানুষ নামের জানোয়ারতো পাওয়া যাবেই।
কোন বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডই সমর্থন যোগ্য নয়।অথচ বিচিত্র এই দেশে সরকারি বাহিনী ব্যাবহার করা হয় এই কাজে ঘোষণা দিয়ে সন্ত্রাস দুর করার নামে।ক্লিন হার্টের কথা ভুলে যাবেন-না।
কারনটা হচ্ছে বিচার ব্যাবস্থা।এখানে হাত দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৩৫
গাঁও গেরামের মানুষ বলেছেন: রাফা, আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে একমত নই।
বলেছেন "কারনটা হচ্ছে বিচার ব্যাবস্থা। এখানে হাত দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।"- আমি সবিনয়ে দ্বিমত করি আপনার সাথে। কারণটা আপনার বাক্যেই আছে- কর্তার অনুপস্থিতি। বলেছেন বিচার ব্যবস্থায় হাত দিলেই ঠিক হবে, কিন্তু হাতটা কে দিবে? আপনাকেই, আমাকেই, সম্মিলিতভাবে আমাদেরকেই, যারা মনে করছি বিচার ব্যবস্থা ঠিকমত চলছে না, প্রশাসন ঠিক মত চলছে না।
একবার ভেবে দেখুন, মন্ত্রীগণ প্রকাশ্য জনসভায় বলে চলেছেন বিচার ছাড়াই সন্ত্রাসীদের গুলি করে মেরে ফেলা হবে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান বলছেন 'আইনগত প্রতিশোধ নেওয়া হবে'। এরপরেও তারা বহাল তবিয়তে নিজ নিজ পদে সদর্পে বহাল রয়েছেন, এমনকি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের বাহবা পাচ্ছেন! এহেন অবস্থায় আপনি কোন ধরণের বিচার ব্যবস্থার আশা করেন। বিচারালয় থেকে ক্রমশঃ সুবিচার বিতারিত হতে হতে এখন নামকাওয়াস্তে বিচারও নির্বাসনে যেতে বসেছে। এখন রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী বন্ধুকের নল দিয়ে রাস্তাঘাটে গোপনে প্রকাশ্যে বিচার সেড়ে নিচ্ছে। এবং আমাদের কাছে এগুলো মেনে নিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না।
এজন্যই বলেছি যে, রাজনীতির নামে দলগুলোর সন্ত্রাস, আর সেই সন্ত্রাস দমনের নামে সরকারী আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর রাজনীতি এগুলো আসলে সমস্যা নয়, বরং আরেকটা গভীর সমস্যার বহিঃপ্রকাশ। সেই সমস্যা আমাদের নৈতিকতার উল্টো পথে যাত্রা। সারা পৃথিবী ক্রমশঃ নৈতিকতার মাপকাঠিতে নিজেদেরকে সামনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, আর আমরা দশ বছর আগে যেখানে ছিলাম, তা'র থেকেও আরো শত বছর পেছনে যাচ্ছি। আমি নিশ্চিত বৃটিশ কলোনিয়াল পুলিশও এতোটা বেপরোয়া হতে পারেনি যা' এখন দেখছি। এবং এর বিরুদ্ধে তেমন কোন গণপ্রতিবাদও দেখলাম না!!!
অন্যের মধ্যে দোষ না-খুঁজে তাই দরকার নিজের মধ্যে ফিরে দেখা, নিজেকেই প্রশ্ন করা যে, আমি কি এইসব অনৈতিকতা সমর্থন করি। যদি না-করি, তাহলে এ' থেকে পরিত্রাণ পেতে আমি নিজে কতটুকু করতে পারি, আর কি করেছি।
৪|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৫১
রাফা বলেছেন: আপনি মনে হয় বুঝতে পারেন নাই,আমার কথা।আমি কোন আজ্ঞাবহ বিচার ব্যাবস্থার কথা বলি নাই।ভুলে যাবেন-না এই দেশে আইন করে খুনের বিচার বন্ধ করা হয়েছিলো।সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি আমরা।এটলিস্ট ভুলত্রুটিযুক্ত হলেও বিচার এখন চাইতে পারেন আপনি।হয়তো ন্যায় বিচার হচ্ছেনা সর্বক্ষেত্রে।কিন্তু কিছুটা যে এগিয়েছি এতে আমার সন্দেহ নাই।
আর হ্যা সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে ও শিক্ষার আলোর মাধ্যমে পরিবর্তনটা আনতে হবে সাধারণ মানুষকেই।আমরা সোচ্চার না হলে এভাবেই চলতে থাকবে।
ধন্যবাদ।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৪
গাঁও গেরামের মানুষ বলেছেন: রাফা,
আপনার প্রথম মন্তব্যটা আসলেই বুঝতে পারিনি। এখন ক্লিয়ার হলো যে
"আর হ্যা সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে ও শিক্ষার আলোর মাধ্যমে পরিবর্তনটা আনতে হবে সাধারণ মানুষকেই।আমরা সোচ্চার না হলে এভাবেই চলতে থাকবে।"- পুরো সহমত।
যা' করার এই আমাদেরকেই করতে হবে। বিএনপি বলেন, আওয়ামীলীগ বলেন সকলেই আমাদের উপরই নির্ভরশীল। আজ এইসব দলকে ইচ্ছেমত যা' খুশি তাই করার ক্ষমতা আমরা আমজনতাই দিছি। কাজেই, এদেরকে দিয়ে যা' কিছু করারনো দরকার, সেটাও আমাদেরকেই করতে হবে। এরা এমনি এমনি করে দিবে না; মুখে তারা যতই জনতার স্বার্থের কথা বলুক।
৫|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: হরতাল অবরোধে আর কেউ প্রেট্রোল বোমায় মারা যাবে না। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে দিব আজ।
জুম’আর দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, তা-ই তাকে দেওয়া হয়। আর এ সময়টি হল জুম’আর দিন আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৮
গাঁও গেরামের মানুষ বলেছেন: শুধু প্রার্থনায় কোন কাজ হবে বলে মনে হয় না। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই- আপনি জুমআর নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে মুনাজাত শেষ করে রাস্তা পার হতে গিয়ে যদি দেখেন একটা গাড়ি আপনাকে চাপা দিতে আসতে, আপনাকে নিজে থেকেই দৌড়ে নিরাপদে সড়ে যেতে হবে। আল্লাহর কাছে যত দোওয়াই করেন, কাজটুকু আপনাকেই করতে হবে। এই জন্যই কুরআনে বলা আছে, 'মানুষের জন্য কিছুই নেই যা' সে চেষ্টা করে, তা' ব্যাতিত' (ক্লাস এইটের ইসলামিয়াত বইয়ে পড়েছিলাম)।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৬|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৩
চাঁদগাজী বলেছেন:
পেট্রোল বোমা একটা সমাধান এনেছে, খালেদা জিয়া আউট।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০২
গাঁও গেরামের মানুষ বলেছেন: এতে খুব একটা খুশি হওয়ার কারণ আছে কি?
নিজেদের নৈতিকতা ঠিক না-করলে আমরা আরেকজনকে বেছে নিব যে, "আপনার মতে" খালেদার মতোই বোমাবাজ নৈত্রী হিসেবে নাজেল হবেন; আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে যে শেখ হাসিনাও এবিষয়ে কম না সেটা ত' আমরা দেখেই ফেলেছি, তাই না?
৭|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:০০
চাঁদগাজী বলেছেন:
"নিজেদের নৈতিকতা ঠিক না-করলে আমরা আরেকজনকে বেছে নিব যে, "আপনার মতে" খালেদার মতোই বোমাবাজ নৈত্রী হিসেবে নাজেল হবেন; আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে যে শেখ হাসিনাও এবিষয়ে কম না সেটা ত' আমরা দেখেই ফেলেছি, তাই না? "
-খালেদার পতন হলে, শেখ হাসিনার পতন হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৭:৪২
বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: দলকানা বাঙালীর দলের জন্য আবেগের কোন অভাব নাই কিন্তু দেশের জন্য ন্যূনতম বিবেকও কাজ করে না।
আপনার বিশ্লেষণ চমৎকার হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে শুধু দোষ দিয়ে লাভ হবে না। কারণ যত রাজনৈতিক হত্যা কিংবা ধ্বংস হচ্ছে কোথাও কিন্তু দলীয় নেতাদের সরাসরি অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় না। অংশগ্রহণ করে সাধারণ মানুষ। তাই বলে রাজনৈতিক নেতারা দায়ী নয়? অবশ্যই তারা দায়ী এবং তারাই প্রধান আসামী। কিন্তু রাজনৈতিক নেতারা করছে ক্ষমতার লোভে? সাধারণ মানুষের সেখানে লাভটা কোথায়, এটা সাধারণ মানুষগুলো একবারও খতিয়ে দেখছে না। সাধারণ মানুষগুলো যে টিস্যুর মতো ব্যবহৃত হচ্ছে এটা বুঝেও বুঝতে চাচ্ছে না। কারণ আমরা এখনো মানবিক হয়ে উঠতে পারি নাই। আমাদের মধ্যে মনুষ্যত্বের চেয়ে পশুত্বের অগ্রাধিকার বেশী। নৈতিকতা, মূল্যবোধ এগুলো আমাদের কাছে পুঁথি পুস্তকের কথা বৈ অন্য কিছু না। পড়ার সময় যা আমরা অনুধাবন করি নাই, বাস্তবে তার ফল আসবে কী করে? আমরা যত তাড়াতাড়ি মানবিক হয়ে উঠতে পারবো, যত তাড়াতাড়ি আমরা পুঁথি পুস্তকের কথা অনুধাবন করতে শিখবো তত তাড়াতাড়ি আমাদের মঙ্গল বয়ে আসবে। যদি তা না পারি আজ পেট্রোল বোমার আঘাতে ধ্বংস হচ্ছি। ভবিষ্যতে আরও বড় কিছুর আঘাতে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হবে আমাদের দেশটা।
সুন্দর পয়েন্ট অব ভিউতে লেখাটা তুলে ধরার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ গাঁও গেরামের মানুষ। নিরন্তর শুভ কামনা রইলো।