| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সারাবিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি আদিবাসী বাস করে। তাদের মধ্যে আমেরিকার ইন্ডিয়ান, ইনুইট বা এস্কিমোস, উত্তর ইউরোপের সামী, অষ্ট্রেলিয়ার আদিবাসী, নিউজিল্যাণ্ডের মাওরি অন্যতম। বলিভিয়ার মোট জনসংখ্যার ৬০ ভাগই আদিবাসী। গুয়াতেমালা ও পেরুর জনগণের অর্ধেক আদিবাসী। চীন ও ভারতে মোট ১৫ কোটি আদিবাসী রয়েছে। প্রায় এক কোটি আদিবাসীর বাস মায়ানমারে। বাংলাদেশে ৪৫টি আদিবাসী জাতিসত্তা মিলে আদিবাসী জনসংখ্যা আনুমানিক ২০ লাখ। সরকার ১৯৯১ সালে ২৭টি আদিবাসী জাতিসত্তা এবং “অন্যান্য” মিলে আদিবাসী জনসংখ্যা দেখিয়েছে ১২,০৫,৯৭৮ জন। কিন্তু সরকারী শুমারীতে অনেক জাতিসত্তার নাম উল্লেখ নেই এবং কিছু কিছু জাতিসত্তার নাম দু’বার লেখা হয়েছে। আবার এমন জাতিসত্তার নামও আছে, যে নামে কোনো জাতিসত্তা নেই।
বাংলাদেশের আদিবাসী
ক্রমিক নং জাতিসত্তার নাম বাসভূমি, জেলার নাম
১. গারো ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, শেরপুর, নেত্রকোনা, গাজীপুর, রংপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার
২. খিয়াং বান্দরবান
৩. ম্রো বান্দরবান
৪. বম বান্দরবান
৫. চাকমা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান
৬. চাক বান্দরবান, কক্সবাজার
৭. পাংখু বান্দরবান
৮. লুসাই রাঙ্গামাটি, বান্দরবান
৯. মারমা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান
১০. ত্রিপুরা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, সিলেট, খাগড়াছড়ি, রাজবাড়ী, চাঁদপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম
১১. তঞ্চঙ্গ্যা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান
১২. রাখাইন কক্সবাজার, বরগুনা, পটুয়াখালী
১৩. খাসি মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ
১৪. মণিপুরী মৌলভীবাজার, সিলেট
১৫. খুমি বান্দরবান
১৬. হাজং ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, সিলেট, সুনামগঞ্জ
১৭. বানাই ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর
১৮. কোচ ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, শেরপুর, নেত্রকোনা, গাজীপুর
১৯. ডালু ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর
২০. সাঁওতাল দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নাটোর, ঠাকুরগাঁও, সিলেটের চা বাগান
২১. পাহাড়িয়া দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নাটোর, ঠাকুরগাঁও, পাবনা
২২. মুন্ডা দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নাটোর, ঠাকুরগাঁও, সিলেটের চা বাগান
২৩. মাহাতো রাজশাহী, দিনাজপুর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জয়পুরহাট
২৪. সিং পাবনা
২৫. খারিয়া সিলেট
২৬. খন্ড সিলেট
২৭. আসাম (অহমিয়া) রাঙ্গামাটি, সিলেট
২৮. গোর্খা রাঙ্গামাটি
২৯. কর্মকার রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ
৩০. পাহান রাজশাহী
৩১. রাজুয়াড় রাজশাহী
৩২. মুসহর রাজশাহী, দিনাজপুর
৩৩. রাই রাজশাহী, দিনাজপুর
৩৪. বেদিয়া সিরাজগঞ্জ, চাপাইনবাবগঞ্জ
৩৫. বাºি কুষ্টিয়া, নাটোর, ঝিনাইদহ, খুলনা, যশোর
৩৬. কোল রাজশাহী, সিলেট
৩৭. রাজবংশী ময়মনসিংহ, রাজশাহী, গাজীপুর, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, খুলনা, যশোহর, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, শেরপুর
৩৮. পাত্র সিলেট
৩৯. মুরিয়ার রাজশাহী, দিনাজপুর
৪০. তুরী রাজশাহী, দিনাজপুর
৪১. মাহালী রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া
৪২. মালো দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নাটোর, ঠাকুরগাঁও, পাবনা
৪৩. উরাঁও দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, পঞ্চগড়, নাটোর, ঠাকুরগাঁও, পাবনা
৪৪. ক্ষত্রিয় বর্মন দিনাজপুর, রাজশাহী, গাজীপুর
৪৫. গন্ড রাজশাহী, দিনাজপুর
* সূত্র ঃ ন্যাশনাল আদিবাসী কোঅর্ডিনেশিন কমিটি, বাংলাদেশ, সংহতি ২০০০।
২|
২৭ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৯
অনিক আহসান বলেছেন: আদিম জীবন যাপন করলেই কেউ সে ভুখন্ডের আদিবাসী হয়ে যায় না ...।
একটা ভু খন্ডের আদিবাসী তারাই যারা স্মরনাতীত কাল থেকে ঐ ভু খন্ডে বাস করে আসছে ...।বাংলাদেশের কথিত আদিবাসীরা সবাই অনধিক ৩৫০ থেকে ৪৫০ বছরের মধ্যে এই ভু খন্ডের বাইরে থেকে আগত...কাজেই আস্ট্রেলিয়ান, রেড ইন্ডিয়ান বা মাউরিরা যে অর্থে আদিবাসী তারা কোন ভাবেই সেই অর্থে আদিবাসী না..।
কেউ নিজেকে আদিবাসী দাবি করেই সে আদিবাসী হয়ে যায় না...।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৪
বন্ধু তুহিন প্রাঙ্গনেমোর বলেছেন: জুম্মা নামে একটা উপজাতি আছে যারা সিতাকুন্ডের পাহাড়ে থাকে। মনে হয় বাদ পরেছে।