নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এই হলো শুরু

ক্ষমতা কেউ দিয়ে দেয় না, ক্ষমতা অর্জন করতে হয়।

নতুন জয়

রাজনীতি পছন্দ করি না তাই খবর দেখি ও না পরিও না।

নতুন জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজাকারের সাজা।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩০

কাল থেকে একটা জিনিশ খুব শোনা যাচ্ছে যে রাজাকারের ফাঁসি চাই। আমার পরিবার সব সময় একটা কথা বলে যে, যে যে কাজ করেছে তার তেমন শাস্তি, কিন্তু আমি সকলের দাবি দেখে একটু হতবাক এই ভেবে যে, ছোটো বেলা থেকে রাজাকার দের সম্পর্কে সুনে আসছি তারা নাকি গণহত্যা করেছে, মা বোনের ইজ্জত নিয়েছে, এবং কি দেশেরে সকল বুদ্ধি জীবীদের হত্যা করেছে নির্মম ভাবে। তারা সকলকে গুলি করে মেরেছে এবং আরও নির্মম ভাবে মেরেছে সব কি আর আমরা জানি। তাহলে এই বদমাইশ রাজাকার গুলার জন্য ফাসির দাবিতে সকলে রাস্তায় নেমেছে কেন, এগুলাকে তো পিটাইয়া, গুলি কইরা মারা উচিত, আন্দোলন হবে এই গুলাকে ছেরে দেওউয়া হোক জনগনের হাতে তারপর পিটাইয়া নির্মম ভাবে মারা উচিত এগুলাকে, ৭১ এ মারতে পারি নাই এখন পাইছি ছাইরা দেখ এগুলারে এরপর দেখামু বিচার কাহাকে বলে কতো প্রকার ও কি কি? এগুলা এমনে ফাঁসি দিয়া মারলে মনে শান্তি হইব না।



তারপর আরেকটা জিনিস দেখলাম যেটা আমারও খুব পছন্দ হয়েছে যে স্লোগান দিচ্ছে।

ক-তে কাদের মোল্লা, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।

স-তে সাইদি, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।

পছন্দ হলেও এই সয়তান গুলার নাম বাংলা বর্ণমালা মালা দিয়া ভাঙ্গাইয়া বললে বাংলা বর্ণমালার অপমান হয়।

কি বলব এই রাজাকার গুলারে নিয়া এইগুলা রে দেশের মাটিতে মারলে দেশের অপমান তাই এই গুলারে পিটাইয়া না মারলে শান্তি আসলেই হইব না। তাই যেমন কর্ম তেমন ফল দেওউয়া টাই হইব আসল রাজাকারের বিচার।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

মৃন্ময় বলেছেন: ক-তে কাদের মোল্লা, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।
স-তে সাইদি, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।
পছন্দ হলেও এই সয়তান গুলার নাম বাংলা বর্ণমালা মালা দিয়া ভাঙ্গাইয়া বললে বাংলা বর্ণমালার অপমান হয়।


২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪২

আগা খান বলেছেন: আজম-নিজামী-সাঈদীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখলেও ২ লক্ষ ইজ্জত হরণের শাস্তি যথেস্ট নয়ঃ

৭১ এ কথিত কুখ্যাত জামায়াতীদের এত অপরাধ! কিন্তু ৭১ পরবর্তী সার্বিক পরিসংখ্যান কি বলে!!??

কি এক ভয়াবহ ব্যাপার। ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। ৯ মাসের যুদ্বে ৩০ লাখ লোক শহীদ আর ২ লক্ষ নারী ধর্ষিতা! আরও অবাক ব্যাপার হলো ২ লক্ষ নারী ধর্ষনের মত ভয়াবহ ঘৃন্য কাজটি অবলিলায় সম্পাদন করেছে পাকিস্তানিদের শত্রু ভাষা সৈনিক গোলাম আযম,ভার্সিটির ছাত্র নিজামী, সাঈদী, কাদের মোল্লা এবং কামরুজ্জামান গংরা, তাও মাত্র ৯ মাসে! এদের গড় বয়স ছিল ৩০!!!
আসুন একটু বিশ্লেষনে যাইঃ ৯ মাস = ...২৭০ দিন মোট ধর্ষিতা = ২ লক্ষ গড়ে প্রতিদিন ধর্ষিতার সংখ্যা = ৭৪০.৭৪ জন নারী। তার মানে গিনেস বুকে নাম ওঠার কথা,উঠেছে কি?

৭০ এর নির্বাচনী ফলাফলে আওয়ামিলীগ ভোট পেয়েছিল ৯৯% এরও বেশী, তার মানে আওয়ামি ভাষায় এরা সবাই স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি (যদিও নির্বাচনি ইশতেহার অথবা ঐতিহাসিক ৬ দফার কোথাও স্বাধিনতার কথাটি ছিলনা একমাত্র ৭ই মার্চের ভাষন ছাড়া), তাহলে স্বধীনতা বিরোধীরা শতকরা হিসেবে গননার মধ্যেই আসেনা! আর মুস্টিমেয় কিছু লোকই যদি ৩০ লক্ষ খুন আর ২ লক্ষ নারী ধর্ষন করে থাকে তবে তাদের শৌর্য বীর্য্য, পৌরষত্বের প্রশংসা করতেই হয়। অবস্থাদৃস্টে মনে হচ্ছে তারা এক হাতে অস্ত্র কিংবা তলোয়ার অন্য হাতে লুঙ্গি উঁচিয়ে দিবা রাত্রি দেশময় দৌঁড়ে বেড়িয়েছে...! এবং জল-স্থলে বন-বাদাড়ে যেখানে যাকে যে অবস্থায় পেয়েছে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটি ঘেচাং করে সেঁদিয়ে দিয়েছে, ফলে আক্রান্ত ব্যাক্তি হয়তো নিহত নতুবা বীরাংগনা।

এই যদি হয় চিত্র তবে গোলাম আযম সাঈদীদের একবার ফাঁসি দেয়া কি যথেস্ট হবে!! তাদের কে ক্বেয়ামত অবধি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখলেও ২ লক্ষ ইজ্জত হরণের শাস্তি যথেস্ট নয় বলেই মনে হয়।

আচ্ছা, ধর্ষন আর লুটপাটকারী এই দুর্ধর্ষ মানুষরূপী ঘাতকরা স্বাধীনতা যুদ্বকালীন এতই বেশুমার অপরাধ করেছে যে স্বাধিনতা পরবর্তিতে তারা হঠাৎ এমন সৎ, ভাল হয়ে গেল কি করে যে দেশের কোথাও তাদের বিরুদ্বে খুন, ধর্ষন, চাঁদাবাজি, ডাকাতির অভিযোগ নেই,কোন মামলাও নেই! যে বাঘ একবার রক্তের স্বাধ পায় সে কি রক্ত না খেয়ে পারে? যারা ইতোপুর্বে ২ লক্ষ নারী ধর্ষন করলো বা ধর্ষনে সহায়তা করলো তাদের হাতে স্বাধিনতার পরে একজন নারীও লাঞ্চিত হলোনা - এটা অবিশ্বাস্য!!!বরং তাদের বর্তমানে যা জনশক্তি তাতে দৈনিকই ২ লক্ষ অপকর্ম সংঘটন করার কথা।

গত ৪০ বছরে কেউ কি শুনেছেন অমুক স্বাধীনতা বিরোধীর হাতে অমুক মহিলার শ্লিলতাহানী ঘটেছে, অথবা অমুক নেতার হাতে আওয়ামিলীগের অমুক খুন হয়েছে? কিংবা অমুক বেগম ফজিলাতুন্নেছা ইড়েন কলেজ থেকে সাপ্লাই যাচ্ছে অমুক জামায়াত নেতার বাসায় !! নাহ্, তা কেউ শোনেননি।

তবে কি তারা স্বাধীনতার পরে নূপংসক হয়ে গেছে? তাদের ধরে ধরে খাসী করিয়ে দেয়া হয়েছে এমন কথাও তো শোনা যায়নি! তাহলে কাহিনী টা কি?? কিন্তু অবাক ব্যাপার হলো, যারা আজকে অভিযোগকারী, বিচারপ্রার্থী তাদের ব্যাপারে খুন রাহজানি, চাঁদাবাজি, ধর্ষন, মদ্যপানে অকাল মৃত্যু, বেশ্যাবৃত্তি, টেন্ড়ারবাজি, দখলদারিত্ব, মন্দির দখল, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ... ইত্যাদির অসংখ্য রিপোর্ট প্রতিনিয়ত দৈনিক পত্রিকাতে গত ৪০ বছর ধরেই দেখছে জনগন...

৭১ এ কারা অপরাধি ছিল নিজেই ভেবে দেখুন এবার .....

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০৩

নতুন জয় বলেছেন: দেখেন এভাবে যদি বলেন তাহলে দেখা যায় আমাদের প্রত্তেক টা রাজনিতি বিদ দের ধরে ফাসিতে ঝুলানো উচিত। কিন্তু এখানে কথা রাজনিতি নিয়ে নয়। রাজাকার আর রাজনিতি এক করলে কি হয়, তাহলে তো কথা এরকম হয়ে যায় না সব কিছু বিরোধি দলের ষড়যন্ত্র। আর ৭১ এ কতজন মারা গেছে তাও কিন্তু ভিন্ন মত কারন এখনো টা ধারনা করা হচ্ছে যে মৃত্যুর সংখা ৩০ লক্ষ নয় ৩ লক্ষ। এবং এটাই স্বাভাবিক নাকি। কিছুক্ষন আগে একটা লেখা পরলাম যে বর্তমান সরকার দলে নাকি ভুরি ভুরি রাজাকার তাহলে আমরা কি সবটা জানি। আসলে সব কথাই বের হয়ে আসে ক্ষোব থেকে আমার লেখাটাও বাতিক্রম না। আর আপনারা অনেক আগের থেকে লেখেন ভুল হলে মাফ করবেন আমরা নতুন অনেক কিছু জানিনা বুঝিনা। এবং রাজনিতি পছন্দ ও করিনা।

৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৪

বিপুল কুমার বিশ্বাস বলেছেন: জেগেছে বাংলাদেশ এখনই সময় যার যা পাওনা তাকে মিটেয়ে দেওয়ার ....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.