| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঐতিহাসিক তিয়েআনমেন স্কয়ার
আমাদের এবারের গন্তব্য ছিল চীন। যা ছিল আমার বহুদিনের আকাঙ্খিত এক ভ্রমন পর্ব। যুগের পর যুগ দারিদ্রের যাঁতাকলে নিস্পেষিত আর আফিমের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা এক বিশাল দরিদ্র জন গোস্ঠিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন চেয়ারম্যান মাও সে তুং ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বে সংঘটিত বিপ্লবের মাধ্যমে, যা তাঁর পরবর্তী সুযোগ্য উত্তরসুরী চৌ এন লাই, দেং শিয়াও পিং, জিয়াং জেমিন ও আরো অন্যান্যদের হাত ধরে এখন অর্থনীতি আর পরাশক্তিতে আমেরিকার সাথে পাল্লা দিতে যাচ্ছে।
ছোটো বেলা থেকেই চীন নামটার সাথে পরিচিত ছিলাম বিভিন্ন ভাবে।আব্বার একটা ছোট্ট অফিস ছিল বাসার মধ্যেই।সেখানে দেখতাম আলপিন, জেমসক্লিপ, স্ট্যাপলার, কলম সবই চীনে তৈরী।আমি একদিন প্রশ্ন করায় আব্বা জানালো এগুলোতো তৈরী, চীনারা অনেক কিছু আবিস্কারও করেছে যেমন:কাগজ, ছাপাখানা, বারুদ, তোমার ভাইয়ার যে কম্পাস দেখেছো সেই কম্পাস,সকাল বিকাল যে চা খাচ্ছি সেই চা চিনি এছাড়াও এবার ঈদে তুমি যে সিল্কের ফ্রকটা পড়েছো সেই সিল্কসহ আরো অনেক কিছুই যা তুমি বড় হয়ে জানতে পারবে।' আমি অবাক হয়ে গেলাম শুনে।
সেই সুদুর চীনে যাচ্ছি আমরা অর্থাৎ স্বামী ছেলে আর আমি,এই তিন জন।
সব কিছু গুছিয়ে তৈরী হোলাম বারো দিনের জন্য।রাত বারোটায় যাত্রা শুরু অর্থাৎ উড়ার পালা। তারও দু ঘন্টা আগে বিমান বন্দরে হাজিরা দেয়া। সব ঝামেলা শেষ করে সিটে বসলাম প্লেনের।
রাতের যে কোনো জার্নিতে আমি ঘুমাতে পারিনা। এটা পর্যটক হিসেবে
আমার বিরাট এক ব্যার্থতা। এতে সময় বাঁচে প্রচুর। কিন্ত আমি পারিনা।
যাক এসব কথা। আমরা যাচ্ছি সিংগাপুর এয়ারলাইন্সে সিংগাপুর হয়ে
বেজিং। বিরাট লম্বা জার্নি! সারাদিনের ছোটাছুটিতে ক্লান্ত শরীর ভেঙে
আসছে, ঘুমাতে পারলে ভালোলাগতো। কিন্ত ঘুম নেই চোখে।
চার ঘন্টা পর খুব ভোরে চাংগি এয়ারপোর্টে নেমে ভাবলাম লাউন্জে সোফায় শুয়ে একটু ঘুমাবো, দুই ঘন্টা পরে বেজিং এর ফ্লাইট। কিন্ত কপাল খারাপ কোনো সোফা নয়, প্লাসটিকের শক্ত চেয়ার! এখানে কোনোভাবেই ঘুমানো সম্ভব নয়। তাই কি আর করা ! সুতরাং ডিউটি ফ্রি শপে কিছুক্ষন ঘোরাঘুরি করলাম, দেখছি শধু, কেনার কথা ভাবছিনা। ফেরার সময় যদি টাকা থাকে তখন দেখা যাবে। কফি খাচ্ছি একটু পর পর ঘুম তাড়াতে!
ঘুরছি ফিরছি ঠিকই কিন্ত আমাদের স্বামী স্ত্রীর মনে একটাই চিন্তা তা হলো চীনে ট্যাক্সি ড্রাইভার বুঝলে হয় আমরা কোথায় যেতে চাই।চিন্তার কারন সেদেশে সাধারন মানুষের মধ্যে ইংরাজী ভাষার প্রচলন নেই বল্লেই চলে।তার মধ্যে প্রত্যেকটা জিনিসের আবার দুটো নাম।একটা ইংরাজীতে একটা চীনা ভাষায়! কি যন্ত্রনা! ঢাকা থেকে চীনা ভাষায় ঠিকানা লিখে এনেছি।তারপরও এখানে একজন চীনা ছেলেকে দিয়ে আবার লিখিয়ে নিলাম। হোটেলটা আগে থেকেই বুকিং দেয়া এটা একটা শান্তি।
এবার ডাক আসলো বোর্ডিং এর বেজিং যাবার জন্য চেক ইন। এবারের প্লেনটা অনেক বড়। বেজিং যেতে ছয় ঘন্টা।বেশীর ভাগ মানুষই বলে ল্যান্ডিং এ ভয় লাগে, আমার লাগে টেইক অফ এর সময়।মনে হয় এত বড় একটা জিনিস বাতাসে উড়ানো সোজা কথা নয়।যাই হোক দক্ষ পাইলট অল্পক্ষনের ভেতরেই তিরিশ হাজার ফুটের উপরে উঠিয়ে আনলো আমাদের।তবে এয়ার প্রেসারে কানের অবস্হা শোচনীয়,অনেক্ষন পর্যন্ত ভোঁ ভোঁ করছিল।
জানালা দিয়ে দেখছি নীচে মেঘের খেলা, পেঁজা তুলোর মত নাকি বরফের পাহাড়! কোথাও সাদা, কোথাও বা ঘন কালো অন্ধকার। সামনের স্ক্রীনে দেখছি আমার পরিচিত মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড পার হয়ে যাচ্ছি। দক্ষিন চীন সাগরের উপর দিয়ে যখন যাচ্ছি বাঁ দিকে দেখা যাচ্ছে সেই বিখ্যাত ভিয়েতনাম যারা শক্তিশালী মার্কিন বাহীনিকে গেরিলা যুদ্ধে পর্যদুস্ত করেছিল তাদের নিজস্ব মাটিতে। ম্যাপে যুদ্ধের সময় পরিচিতি পাওয়া শহরগুলোর নাম দেখছি; দানাং, হ্যানয়, এবং সায়গন যা এখন হো চি মিন সিটি নাম ধারন করেছে সে দেশের মহান নেতার নামে। তবে মেঘমালা না থাকলে মাঝে মাঝে খোলা চোখে অনেক নীচে নীল সমুদ্র আর মাটি দেখা যাচ্ছে।
চীনের সমুদ্র সীমা থেকে এখন আমরা চীনের মেইন ল্যান্ডের উপর। হংকং এর উপরে এসে প্লেন বা দিকে নাক ঘুরিয়ে সোজা বেজিং এর দিকে যাচ্ছে তবে এখনো অনেক দুর। প্লেনের ভেতরে এয়ার হোস্টেস কি কি খাবার দিচ্ছে কোনোটাই ভালো লাগছেনা। আমি শুধু বরফ শীতল টমেটোর জুস খাচ্ছি, যদিও খুশ খুশে কাশিটা জ্বালাচ্ছে কয়েকদিন ধরে। আমার ছেলেটা ঘুমাচ্ছে অঘোরে, স্বামীও ঝুমছে।
শুধু আমি জেগে।
ছয় ঘন্টা উড়ার পর আমরা আবার নীচে নামছি, এই তো এয়ারপোর্ট, রানওয়ে কিন্ত প্লেন নামছেনা কেন! বার বার নীচে নেমে আবার উপরে উঠে চক্কর দিচ্ছে !এবার মনে হতে লাগলো উঠা না, নামাটাই ভয়ের! পরে শুনলাম ক্লিয়ারেন্স পাচ্ছিলনা। অত্যন্ত ব্যাস্ত এক বিশাল এয়ারপোর্ট। সেকেন্ডে সেকেন্ডে প্লেন উঠছে নামছে।
যাক শেষ পর্যন্ত সেফ ল্যান্ডিং।
নেমেই সোয়াইন ফ্লু চেকিং। তিন চারটা প্লেনের হাজার দুয়েক প্যসেন্জার ।অনেকক্ষন লেগেছিল বের হতে। যা ছিল বিরক্তিকর।
এখন সেই ট্যাক্সি পর্ব। বাহ্ চমকে তাকিয়ে দেখি কি ভাবে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে যেতে হবে তা মেঝেতে একটু পর পর গাড়ীর চিন্হ দিয়ে লেখা আছে। বুঝলাম অলিম্পিকের অবদান।ওটা ধরে ধরেই জায়গামত পৌছালাম।
বিখ্যাত ট্যুরিস্ট এলাকা ওয়াংফুজিং
আমরা যাবো তিয়েনআনমেন স্কয়ার এর কাছেই ট্যুরিস্ট সেন্টার ওয়াংফুজিং স্ট্রীট, আমরা যে হোটেলটায় উঠবো তার নামও ওয়াংফুজিং হোটেল।পর্যটকদের জন্য খুবই চমৎকার ঘরোয়া পরিবেশ এবং ঝকঝকে তকতকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। দৈনিক পন্চাশ ডলার ভাড়া। তাছাড়া ম্যানেজারের থেকে কর্মচারীরা সবাই খুব আন্তরিক। সবচেয়ে আসল কথা তারা প্রত্যেকে ইংরাজী বলতে পারে।
সেখানে সব সাদা চামড়ার পর্যটক আমরাই বাদামী। তার মধ্যে আমেরিকানই বেশী। তিন জন মানুষ দশ দিন থাকবো অনেক ঘুরবো
সুতরাং অনেক খরচ। যেখানে উঠলাম তার পাশেই ব্যাংক অব চায়না, ৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী টুরিস্ট অফিস: চায়না ইন্টারন্যশনাল ট্রাভেল সার্ভিস,বড় বড় শপিং মল অর্থাৎ একজন পর্যটকের যা যা দরকার সব কিছুই।
আমি এমন দেখেছি যারা বিদেশে গিয়ে ফাইভ স্টার হোটেলে উঠে দামী খাবার খেয়ে প্রচুর কেনাকাটা করে দুদিনেই ঢাকায় ফিরে আসে। আর তাড়াহুড়া করে কি যে দেখে তা তারা নিজেরাই বলতে পারেনা।কিন্ত আমি যে মনে প্রানে ইবনে বতুতা! মনে হয় সব খুটে খুটে দেখি সময় নিয়ে।তবে আমারও কিছু লিমিটেশন আছে, বল্লেই তো আর সব হয়না।
একবার দার্জিলিং ম্যালে এক ভদ্রলোক তার পুরোনো পরিচিত এক বান্ধবীকে বলতেই পারলোনা সে জলপাইগুড়ি থেকে আসতে আসতেই
৩টা কি কি পয়েন্ট দেখে এসেছে! সাথে থাকা ছোট ছেলেটাকে বলছে 'বল দিনি ভূতো আমরা যেন কি দেখে আসলুম'? ভুতো ও মিন মিন করছে, সেও বলতে পারছেনা কি দেখে এসেছে ! লোকটা তখনই আবার ৭ পয়েন্ট দেখার জন্য দৌড়াচ্ছে!
পাগলের মত খালি দেখেই যাচ্ছে কিন্ত আসলে সে দেখছে কি !
আমরা একটু সময় নিয়েই বেড়াতে ভালোবাসি।
বেজিং এর একটি ব্যাস্ত সড়ক
হোটেলে আসতে দুপুর গড়িয়ে গেল। ভীষন খিধে পেয়েছে। প্লেনের খাবার যা বেশিরভাগই খেতে পারিনি বিস্বাদ বলে, ম্যানেজারের ইংরাজী নাম রিচ সে জানালো তাদের রেস্টুরেন্ট চব্বিশ ঘন্টা খোলা। রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে রেস্টুরেন্টে আসলাম।
বাহ্ খুব সুন্দর তো! রং ছাড়া কাঠের টেবিল আর দু পাশের ঐতিহ্যবাহী চিকন চিকন কাঠের বেন্চগুলো মনে হয় একশ বছরেরও বেশী পুরোনো।কিন্ত এমন সুন্দর পলিশ আমরা মুখ দেখতে পারছিলাম। তাছাড়াও ছিল বড় বড় পুরোনো আমলের আরামদায়ক সোফা সেখানে বসে অনেকেই ল্যাপটপে কাজ করছে। তখন আমি ব্লগ লিখতাম না, না হলে সেখানকার ছবি তুলে আনতাম। সেখানেই আমি এক জোড়া বৃটিশ দম্পতির কাছে ব্লগ লেখার ধারনা পেয়েছিলাম। কাউন্টারে ছিল দারুন কিউট দুটো মেয়ে।খুব আন্তরিক তাদের সার্ভিস।খেলাম ভাত আর চিকেন উইথ ক্যাপসিকাম।খিদের মুখে খেলাম,পরবর্তী দশটা দিন খাবারের কস্টটাই বেশি ছিল।
চলবে সাথে থাকুন
**********
বিশেষ ধন্যবাদ সকাল রয় কে
দ্বিতীয় পর্ব
চীন লাল পতাকার দেশে ২য় পর্ব
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৯
জুন বলেছেন: আফসুস মানুষের পেটে হিংসা দেখে ।
দাড়াও এর পর তোমার সব পোস্টে কইস্যা মাইনাস।
২|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
নীল_পরী বলেছেন: আপু মনে হয় ঘুরতে অনেক পছন্দ কর??
ভ্রমন কাহিনী আমার অনেক ভালো লাগে।আর তোমার বর্ননা তো অসাধারন।শুভকামনা রইলো,ভালো থেকো।
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নীল_পরী ভালোলাগার জন্য
তোমার জন্যও রইলো শুভ কামনা।
৩|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ইউএনডিপি'র বৌগুলার কত্ত সুখ!
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫
জুন বলেছেন: হিংসা হিংসা হিংসা।
৪|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
নতুনছেলে বলেছেন: আহারে স্কুল জীবনে যদি এটা পড়তাম তাহলে প্লেন জার্নী রচনায় এটা থেকে নকল করা যেন আর অনেক মার্ক পাওয়া যেত।
লেখাটা পড়ে ভাল লাগল। চমৎকার উপস্থাপনা।
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০
জুন বলেছেন: ভালো বলেছেন নতুন ছেলে... প্লেন জার্নী রচনা
ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৫|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫
প্রিন্স_হাইয়ান বলেছেন: অসাধারন বর্ননা। পরের পর্বের অপেক্ষায়....................................
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩
জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিন্স ভালোলাগার জন্য।
৬|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: ভালো লাগলো। +
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৪
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ মনসুর।
৭|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: অসাধারণ ভ্রমন কাহিনী। সুখপাঠ্য অনবদ্য রচনা।
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১১
জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভালোলাগার জন্য দুরন্তচারী।
৮|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আপু অনেক জায়গা দেখেছেন দেখি
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১২
জুন বলেছেন: কই অনেক জায়গা বাবুনি আমার তো লজ্জা লাগছে।
পড়ার জন্য অনেক খুশী হোলাম।
৯|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৩
সুরঞ্জনা বলেছেন: ভালো লাগলো তোমার সাবলিল বর্ননার গুনে। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩৪
জুন বলেছেন: সুরন্জনা তোমার মন্তব্য লেখার ব্যাপারে আমাকে সব সময় সাহসী করে তোলে সেই প্রথম থেকেই।
অনেক ধন্যবাদ ভালোলাগার জন্য।
১০|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৯
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: ঈর্ষা।
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪১
জুন বলেছেন: ঈর্ষা কেন ছায়া বলেন খুশী।
আপনাদের একজন সাথী ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা ভালোলাগছেনা
১১|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩৭
জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় জুন, আপনার ভ্রমন কাহিনী পড়লেই অনেক কিছু দেখা হয়ে যায়-আপনার অসাধারন উপস্থাপনার গুণে! ভ্রমন কাহিনীর খুটিনাটি বিষয়গুলো আপনি চমতকার ভাবে তুলে ধরেন-যা ভ্রমন কাহিনীর প্রান। ভ্রমন কাহিনী নিয়ে আপনি একটা বই বের করতে পারেন-যা অবশ্যই পাঠক প্রিয়তা পাবে।
শুভ কামনা এবং পরের পর্বের জন্য অধীর অপেক্ষায়.........
+১০
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৭
জুন বলেছেন: আপনাদের প্রশংসা আমাকে এক দারুন ভালোলাগায় আবিস্ট করে তোলে জুলভার্ন,
আবার ভয় হয় মনে.... যদি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারি লেখার।
দোয়া করবেন
অনেক ধন্যবাদ।
১২|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪২
নুভান বলেছেন: নি হাঁও মা।
একটা কথাই তো আছে; গড ক্রিয়েটস হ্যাভেন এন্ড আর্থ, রেস্ট আর মেড ইন চায়না।
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৯
জুন বলেছেন: আসলেই নুভান এখন শপিং এ গেলে আর কোনো দেশ যে কিছু বানাতে পারে সেটা আর বিশ্বাস হয়না।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
১৩|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫১
শিরীষ বলেছেন: হ্যাটস অফ জুন! দারুণ বর্ণনা। আপনার এই ভ্রমণ কাহিনী গুলো সত্যিই সুলিখিত। আমাদের মানস ভ্রমণের জন্য পর্যাপ্ত উপাদান সমৃদ্ধ। খুব ঔৎসুক্য নিয়ে পড়লাম। সামনের পর্বে আরো ছবি এবং তথ্যের যোগ আশা করছি। কেরি অন!
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৯
জুন বলেছেন: আমি কি বলবো শিরীষ তোমার ভালোলাগলো বলে আমি অনেক খুশী হয়েছি।
সামনের পর্ব যেন তোমাদের মনের মত হয় তার চেস্টা করবো
জানিনা কি হবে !
অনেক ধন্যবাদ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য।
১৪|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১১
সায়েম মুন বলেছেন: জুনাপু আমরা বুঝি অনুপ্রেরণা দেইনা![]()
যাক এবার চীন দেখাচ্ছেন। দেখতে থাকি তাহলে=======
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৫
জুন বলেছেন: মুন ভুল বুঝোনা আমাকে। তোমাদের অনূপ্রেরনা ছাড়া আমার এইটুকু আসা সম্ভবই হতোনা। এটা ছিল আমার একেবারে প্রথম দিকের একদম ছোট্ট করে লেখা। সকাল কয়েকবার বলেছে ঘসামাজার জন্য তাই আবার বসে বসে বড় করে লিখেছি।
কৃতগ্গতা স্বীকার না করলে সবাই বলতো আমি অকৃতগ্গ তাইনা !
আমার সাথে চীন দেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১৫|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৩৫
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনি কি বেইজিং থেকে পোস্ট দিলেন ? তাহলে দুই খান কতা আছে আপু।
উল্টা পথে গেলেন যে ? ঢাকা থেকে দুপুরে চায়না ইস্টার্নের ফ্লাইট আছে। এখান থেকে কুনমিং ২ ঘন্টা। কুনমিংয়ে এক ঘন্টার বিরতি (ইমিগ্রেশন এখানেই শেষ) সেখান থেকে বেইজিং সাড়ে চার ঘন্টা। রাত সাড়ে দশচা নাগাদ ল্যান্ডিং। হোটে পৌঁছাতে রাত ১২টা। ফেরার পশে সকাল ৮টায় ফ্লাইট। কুনমিং হয়ে ঢাকায় নামবেন স্থানীয় সময় ১২টা ৪০ এ ল্যান্ডিং।
তবে আপনার বর্ণনার তুলনা নেই। ++++++++++++
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:১৮
জুন বলেছেন: কামাল আপনার ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এটা আমার চায়না ইস্টার্ন ফ্লাইট চালু হওয়ার আগে লেখা।
আমার স্বামী ছেলের সংক্ষিপ্ত ছুটি বাধ্য করেছিল এই দীর্ঘ বিমান যাত্রায়।
তারিখ অনুযায়ী অন্য প্লেনের সীট ও ফ্লাইট ছিলনা।
১৬|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:১৬
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: ছবি এত কম কেন? আরও ছবি দাও নাহলে + দিব না।
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৪৩
জুন বলেছেন: শুন্য তুমি কি খালি ছবি দেখো
পড়তে মুন্চায় না
তিনটা ছবিতেই পোস্ট আপলোড হচ্ছিলনা বেশি ছবি দিলে কি হবে বলোতো!
বেশি ছবি দিলেতো আমারই ভালোই হতো লিখতে কম হোতো
১৭|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:২২
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: আমার মনে হচ্ছে আপনার সাথে থেকেই আমি পৃথিবী ভ্রমন করে ফেল্বো।
অবশ্যই সাথে আছি।
এখন আমি চীন ভ্রমনে আছি।
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
জুন বলেছেন: আচ্ছা থাকো আমার সাথে চীন ভ্রমনে পাকা
সেখানে দেখে শুনে নম্র ভদ্র কোনো সুন্দরী চৈনিক কৈন্যা যদি পাও.......
১৮|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: জুন লেখা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। জুন নামের একজন ব্লাগার এই ব্লগে আছে এটা অনেক বড় কিছু। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়।
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫৭
জুন বলেছেন: চতুস্কোন তোমার মন্তব্যে আমিও বলার কিছু পাচ্ছিনা।
খুব খুশি হোলাম দ্বিতীয় লাইনটিতে।
লিখছি দেখি কবে দিতে পারি।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্ত্যবের জন্য।
১৯|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২৩
তুলা বলেছেন: I also went there. Nice place. I was there for 05 months (02+03). Beijing, GuangZhou and other cities. China is now second largest economy in the world after USA. Japan is now behind China. By 2020, China will be great super power in the world. My prediction even she goes ahead of USA by 2020.
২০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
জুন বলেছেন: আসলেই খুব সুন্দর দেশ তুলা।পাঁচ মাস ছিলেন তাহলে তো অনেক কিছু দেখেছেন।একদিন লিখে আমাদের সাথে শেয়ার করবেন আশা করি।
আসলে কোনো দেশের সাথে আনবিক অস্ত্র নিয়ে পাল্লা না দিয়ে নীরব বিপ্লবের মাধ্যমেই এত খানি উন্নতি সম্ভব হয়েছে বলে আমার ধারনা।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
২০|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২৪
তুলা বলেছেন: Your post is nice....Tianamen is great...Also, great "The Great Wall". Did you went there? I hope so.
২০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৮
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ তুলা।
তিয়েনআনমেন স্কয়ার আসলেই খুব সুন্দর।
গ্রেট ওয়াল আমার কাছে এক কথায় অপুর্ব।
আমি বোলবো এগুলোর কথা আমার পরের পোস্টে
সাথে থাকবেন আশা করি।
২১|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৮
ছন্দ্বহীন বলেছেন: সকল ভ্রমণ পিয়াসীদের হিংসা।
হিংসায় হিংসায় +++
২০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৯
জুন বলেছেন: ছন্দ্বহীন প্লাসের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
হিংসা না... বলেন খুশী খুশী।
২২|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৪
হুপফূলফরইভার বলেছেন: আপু তুমিতো খুব সাবলীল ভাবে ভ্রমন কাহিনি লিখতে পারো?
চীনের মানুষজনদের সম্পর্কে অনেক নেতিবাচক কথাবার্তা শুনি বন্ধুমহলে! ওরা নাকি বেশির ভাগই টাউট বাটপার কথাটা কতখানি সত্যি তুমিই ভাল বলতে পারবা!
পোস্টে ডাবল +প্লাস!
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৭
জুন বলেছেন: হুপফূলফরইভার তোমার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
পুরানো কথাই বলতে হয় ভালো মন্দ সব দেশেই আছে
তবে ভয়ংকর একটি প্রতারনার ঘটনা আছে চীন ভ্রমনে।
ডাবল প্লাস দেয়ার সিস্টেম আছে নাকি
২৩|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
দুখী মানব বলেছেন:
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪০
জুন বলেছেন: দুখী কোনো কথা না কিচ্ছুনা
একটা ভয়ংকর হাসি দিয়ে গেলে .... কাহীনি কি
২৪|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫১
সকাল রয় বলেছেন:
যুগের পর যুগ দারিদ্রের যাঁতাকল আর আফিমের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা এক বিশাল দরিদ্র জন গোস্ঠিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন চেয়ারম্যান মাও সে তুং তার ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত সংঘটিত বিপ্লবের মাধ্যমে যা তার পরবর্তী সুযোগ্য নেতা চৌ এন লাই, দেং শিয়াও পিং, জিয়াং জেমিন ও আরো অন্যান্যদের হাত ধরে এখন অর্থনীতি আর পরাশক্তিতে আমেরিকার সাথে পাল্লা দিতে যাচ্ছে।
খুব সুন্দর ভাবেই শুরু হয়েছে লেখাটা অনেকটা পাকাপোক্ত কোন কবির ছোয়ায় যেন কথাগুলো জীবন্ত হয়ে ভাসছে।
ছোট বেলা থেকেই ব্যবহার্য বেশ কিছু জিনিসের মাঝেই দেখতাম লেখা থাকতো মেড-ইন-চায়না।
আমি ভাবতাম কোন সে দেশ অতি নিপুন সযতনে গড়ে তুলেছে জীবনের প্রয়োজনীয় এমন সব বস্তু।
আপনার মতো আমারও একই অনুভূতি । চীন তো যেতে পারিনি তাই আপনার চোখ দিয়ে চীন কে দেখে নিলাম।
তিয়েআনমেন স্কয়ার এর ছবিটা আগে কখনো দেখিনি এই প্রথম তাই স্পেশাল ধন্যবাদ।
আপনার মতো আমি এই অবস্থায় থাকলে নির্ঘাত ঘুমিয়ে যেতাম।
ওয়াংফুজিং এর চায়না সাইনবোর্ড টা পড়তে পারছিনা বাংলা করে দিন না..............
বেইজিং এর ব্যাস্ত সড়কে একদিন দাড়াতে ইচ্ছে করে।
ধন্যবাদ বৃটিশ দম্পত্তি যাদের জন্য আপনার ভ্রমণ কথা পড়ে খানিকটা জানতে পারছি । আর সেই থেকে আমরা আরো ভ্রমন কথা আপনার কাছে দাবী করছি । আশা করি পাঠকের ব্যাপারটা দেখবেন।
লেখাটা ঝরঝরে হয়েছে ..................যেমনটি পড়তে গিয়ে একটানা পড়া যায়।
অনেক ধন্যবাদ ...........................................................
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৮
জুন বলেছেন: সকাল তোমার ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আসলেই সেই বৃটিশ দম্পতির কাছে আমিও কৃতগ্ব।
তাদের দেখতাম বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে এসে ল্যাপটপে কি যেন লিখতো।ওটা দেখে জানতে চাওয়ার পর বল্ল ব্লগের কথা।
যা আমাকে এক নতুন জগৎ এ প্রবেশের দরজা খুলে দিয়েছিল।
তাদের কেও আমার ধন্যবাদ।
২৫|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১৪
১২৩৪ বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো..
আরও অনেক ভ্রমণগল্প আসুক..
২০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২৩
জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ১২৩৪ ভালোলাগার জন্য।
হ্যা আসুক সেটাই ভালো.......
২৬|
২০ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২০
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: চৈনিক কৈন্যা ভালা পাইনা।
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:২৬
জুন বলেছেন: কি বলো পাকা
আমার ছেলে তো ওখানকার শান্ত শিস্ট মেয়েগুলোকে দেখে বলেছে সে বড় হয়ে চৈনিক কন্যাই বিয়ে করবে কারন বাংগালী মেয়েরা নাকি খুব ঝগড়াটি
ক্লাশের মেয়েদের দেখেই তার এই ধারনা সেই সাথে মা ও একটু একটু :#> :#>
২৭|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:০৬
করবি বলেছেন: দুনিয়াটা মনে হয় তোমার সাথে থেকে দেখা হয়ে যাবে আপু। যেমন করে লিখো চোখের সামনে ভাসতে থাকে সব।
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৬
জুন বলেছেন: তাই নাকি করবি !!
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৮|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৫৬
মুহিব বলেছেন: আমি যে খুব ভাল পর্যটক না তা আপনার লেখা পড়ে বুঝতে পারি।
২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১১
জুন বলেছেন: কেন মুহিব আপনিও কি রাতের জার্নীতে ঘুমাতে পারেন না ??
২৯|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:২৪
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: ভ্রমন কাহিনী এত সুন্দর করে গুছিয়ে লেখেন যে পড়তে পড়তেই মনে মনে দেখা হয়ে যায় অনেকখানি। অনেক অনেক ভাল লাগল। আপনার সাবলিল উপস্থাপনায় ভ্রমন কাহিনীটি চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন
যাহোক পড়ে সত্যিই খুব ভাল লেগেছে সেই সাথে আফসুস লাগছে নিজের জন্যে।
ভাল লাগা আর শুভ কামনায় অপেক্ষায় আছি পরবর্তী অভিজ্ঞতা গুলো পড়ার জন্যে।
ভাল থাকবেন আপু সব সময়।
+১০০
২১ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০০
জুন বলেছেন: ভালোলাগলো বলে আমারও অনেক ভালোলাগলো মুখ ও মুখোশ।
আফসোস লাগছে কেন !!!
আপনিও ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ।
৩০|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৪৬
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: পড়িতো। কিন্তু ছবি দেখতে বেশী মজা লাগে।
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
জুন বলেছেন: পড় শুনে ভালো লাগলো শুন্য।
বেশী ছবি দিলে পোস্ট লোড হতে অনেক সময় লাগে যে
৩১|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৪২
সত্যবাদী মনোবট বলেছেন: আমি ঘুরতে চাই পুরো বিশ্ব
জানতে চাই সব
জানি না আমার স্বপ্নগুলো কবুল করবে কিনা
আমার প্রভু মহানুভব......
দারুন লাগলো। আপনি বাস্তব অভিজ্ঞতা নেন আর আমি আপনারটা পড়ে খানিকটা।
নতুন একটি পোষ্ট আপনার অপেক্ষায়
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ মনোবট।
প্রচন্ড ইচ্ছা থাকলে সেটা আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন পুরণ করেন আমি দেখেছি।
নতুন পোস্টে মন্তব্য করে এসেছি ।
৩২|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন: দুরন্ত স্বপ্নচারী ১ নং কমেন্টে ঝাঁঝাঁ ... "আরেক শ্রেনী ঢাকার এক মাথা থিকা আরেক মাথা হাটে আর দৌড়ায়..."
আমি আবার তয় আরেক শ্রেণীর ...আমি ঘুরি ইন্টারনেটে...কোথাও ফিজিক্যালি ঘুরতে গেলে আমার মাথাব্যথা হয়ে যায়.....তাই বই/ভ্রমন কাহিনী/আর নেটই আমার তথ্য সোর্স।
অনেকেই বলেন সরাসরি দেখার মজাই আলাদা। আমিও একমত। কিন্তু আমি যা ধেখতে চাই তা সরাসরি দেখা সম্ভব না।
আমি দেখতে চাই সূর্যেল অভ্যন্তরে কি হচ্ছে....প্লুটোর ভ্রমন পথ অন্যরকম কেন.....ছায়াপথ গ্যালাক্সীর ২ ট্রিলিয়ন নক্ষত্রের আর কোথায় কোথায় প্রাণ আছে.....মহাবিশ্যের শেষ প্রান্তে কি আছে....
না সেগুলো সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
ধন্যবাদ আপু! আপনার চোখ দিয়েই চীনকে দেখতে পেলাম।
+++++
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:০০
জুন বলেছেন: আমার কাছে তো দুরন্ত স্বপ্নচারীর তিন নং কমেন্টটাই ঝাঁঝাঁ লাগলো সীমানা
আমার চোখে চীন দেখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৩৩|
২১ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৫
চেম্বার জজ বলেছেন: হ্যাটস অফ জুন! রিয়েলী অসাধারন বর্ণনা। +
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:৫৬
জুন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভালোলাগার জন্য জজ সাহেব আপনার বিচারের উপর আমার সম্পূর্ন আস্হা রয়েছে।
৩৪|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫১
অলস ছেলে বলেছেন: সুন্দর। চাইনিজদেরকে অনেকে পছন্দ করেনা, কিন্তু আমি তাদেরকে কেন জানি ভালু পাই, চাইনিজদের সাথে আমার সবসময়ই সুসম্পর্ক হয়
বিদেশী বন্ধুদের মধ্যে চাইনিজরাই ঘনিষ্ঠ।
অনেক মজা করে ঘুরে বেড়ান দেখা যাচ্ছে আপনি। ভালোই ![]()
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:২৮
জুন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ অলস ছেলে সময় করে পড়ার জন্য।
বেড়াতে আমার ভালোলাগে ভীষন ।
৩৫|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৫৭
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: আমার তো এইখানে থাইকাই মনে হয় সুদুর চীন দেশে আছি
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৩০
জুন বলেছেন: আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম স্বপ্নজয়।
পোস্টটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ
৩৬|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:০৯
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: আফসোস লাগছে এইজন্যে যে, তোমার মত করে দুনিয়াটাকে দেখতে পারছিনা বলে
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪২
জুন বলেছেন: সবার আফসোস আর হিংসায় আমার লজ্জা লাগছে।
আচ্ছা আমি কি আমার ভ্রমন কাহীনি লেখা বন্ধ করে দেব মুখ ও মুখোশ
৩৭|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:২৬
প্যাঁচনাই বলেছেন:
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২৩
জুন বলেছেন:
৩৮|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৪২
নীল ভোমরা বলেছেন: নি হাউ?!...চলুক।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
জুন বলেছেন: ধন্যবাদ নীল ভোমরা।
৩৯|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
অর্ফিয়াস বলেছেন: আপনার ভ্রমন কাহিনীগুলোর ভক্ত আমি। বইতে যেসব ভ্রমণ কাহিনী পাওয়া যায় তাতে পাতা ভরাবার জন্য ভ্রমন বর্ননার চে ইতিহাসের কচকচানি থাকে বেশী।
ব্লগের ভ্রমন লেখাগুলোতে সত্যিকার ভ্রমণের স্বাদ পাওয়া যায়।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ অর্ফিয়াস
৪০|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৫০
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: সবাই দেখি শুধু হিংসে করে। ![]()
২২ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:০৮
জুন বলেছেন: হ্যা পাকা এটা হলো ভালোলাগার হিংসা :#>
৪১|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:১৩
মুহিব বলেছেন: আমি শুধু এই ভেবেই শান্ত থাকি যে আমি ঐ এলাকায় গিয়েছি। লোকজনকে বলতে পারলেই হল। ঐ এলাকার ইতিহাস, ঘটনা, তাৎপর্য খুব একটা পর্যবেক্ষন করা হয় না।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১
জুন বলেছেন: তাই নাকি মুহিব
শুধু লোকজনকে বলতে পারলেই হলো
ভালো বুদ্ধিতো
খুব মজা লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে
অনেক ধন্যবাদ।
৪২|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৭
জেগে আছি বলেছেন: ++++++++++++
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৩
জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ জেগে আছি ভালোলাগার জন্য।
৪৩|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
সাধারণমানুষ বলেছেন: পরের পর্ব কবে আসিবে?????
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৮
জুন বলেছেন: লেখা শেষ হলেই পোস্ট দিব ইনশাআল্লাহ্ সাধারন মানুষ।
৪৪|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩১
সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন: আপনার চীন ভ্রমন প্রথম পর্ব খুব ভাল লেগেছে।
অঃটঃ আপনার প্রতিটা পোস্টেই কয়েকজন নির্দিস্ট ব্লগার অনেক অনেক বার মন্তব্য করেন, আপনিও সেইসব ব্লগারদের পোস্টেও একাধিক মন্তব্য করে "হিট" বাড়ান। এটাকি আপনারা সিন্ডিকেট করেই করছেন? ব্লগতো চ্যাট করার যায়গা না। কিন্তু আপনিসহ আরো ৩ জন নারী ব্লগার এবং কয়েকজন পুরুষ ব্লগার এই চ্যাটিংটা রেগুলার প্রাক্টিস করে ফেলেছেন-যা ভাল লাগেনা।
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪২
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
অট: খুব ভালো কথা বলেছেন সুচিন্তিত মতবাদ কথা হলো একাধিক মন্তব্য করলেই কি তাতে তো আর পোস্টের মান বাড়েনা।যে যেমন লেখে সেটাই আসল।১৫০/২০০ কমেন্ট পরে হিট হোলো কিন্ত লিখছি কি? ভালো না মন্দ সেটাই সবাই বিবেচনা করবেন এবং আমিও তাই বিবেচনা করি মন্তব্য করার সময়।
হয়ত গল্প হচ্ছে কিন্ত বার বার তো আর কেউ লেখার প্রশংসা করছেনা।
হিটে কি যায় আসে অন্তত আমার কাছে তো নয়ই।
অনেক ধন্যবাদ আপনার ক্ষোভের কারন টা জানানোর জন্য তবে....
৪৫|
২২ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৪
মানবী বলেছেন: ফরবিডেন সিটিতে ভ্রমন নিয়ে জুনের লেখা পড়েছিলাম মনে হয়, এখন কনফিউজড্!! এটা পুরনো লেখা হলে হয়তো ঠিক আছে... :-)
শিরোনামের কারনে তিয়েন আমেন স্কয়ারের বর্ণনা খুঁজছিলাম...
আমি দেখছিনা নাকি সত্যি নেই!! ![]()
ভ্রমনের সুন্দর বর্ণনার জন্য ধন্যবাদ জুন।
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:১৮
জুন বলেছেন: মানবী, এর আগে আমি একটি চায়না ছবি পোস্ট দিয়েছিলাম তাতে সংক্ষিপ্ত ভাবে ফরবিডেন সিটির কথা লেখা ছিল।
তিয়েন আনমেন স্কয়ারের কথা থাকবে যখন আমি সেখানে বেড়াতে যাবো।
ভালোলাগার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৪৬|
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৮:৪৯
সোমহেপি বলেছেন: আমি আপনাকে হিংসা করছি না কিন্ত্ত।আপনি আছেন বলেই আমরা হতভাগারা দুধের স্বাদ গুলে মেটাতে পারি
আপু ভ্রমণে কিকি দেখলেন তার বিস্তারিত জানতে চাই।এখানে তেমন কিছুই পাইনি তোমার পেনপেনানি ছাড়া
রাগ করলে মাইন্ড করুম কিন্ত্ত!
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৪
জুন বলেছেন: হিংসা না করার জন্য অনেক ধন্যবাদ সোমহেপি।
কি কি দেখেছি বিস্তারিত বলবো আগে আমার প্যানপ্যানানি শেষ হোক
৪৭|
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
চাচামিঞা বলেছেন: সুতরাং ডিউটি ফ্রি শপে কিছুক্ষন ঘোরাঘুরি করলাম, দেখছি শধু, কেনার কথা ভাবছিনা।
"শধু বানাব ভুল হয়েছে
"
ওয়াংফুজিং জায়গাটা আসলেই চকচকে......রাতের আলোতে দারুন লাগে।
লিখা চমৎকার হয়েছে......পরের পর্বটা অন্য কোনো ফাঁকে পড়বো।
এনি ওয়ে ঐ বৃটিশ দম্পত্বির ছবি থাকলে আপনার ব্লগটা আরো সমৃদ্ধ হতো....![]()
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:১৯
জুন বলেছেন: চাচামিঞা ভুল ধরার অনেক ধন্যবাদ।
আমি তখন ব্লগের ব্যাপারটা জানলে অনেক কিছুরই ছবি তুলে আনতে পারতাম।যা এখন বুঝি।
ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ।
৪৮|
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:০৫
রাজসোহান বলেছেন: ভালো লেগেছে খুব ।
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:২২
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ সোহান
৪৯|
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৭
সাগর রহমান বলেছেন: সেইতো ঝরঝরে বনর্ণায় ভ্রমনকাহিনী। লেখক শুধু নয়, আমরাও ঘুরে বেড়াই সমান তালে।।
ভালোলাগলো খুব।।
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:০৪
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য খুব খুশী হোলাম সাগর।
অনেক ধন্যবাদ আমার সাথে ঘুরে বেড়ানোর জন্য, তার জন্যই আমার কখনও একাকী লাগেনা.....
৫০|
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫৮
দীপান্বিতা বলেছেন: আপনি কি সুন্দর ঘোরেন! ![]()
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:০৫
জুন বলেছেন: তার জন্যই আমি কখনও টাকা জমাতে পারিনা দীপান্বিতা
৫১|
২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৩৪
সাজিদ. বলেছেন: খুব সুন্দর লেখেছেন জুন আপু ।
চৈনিক কন্যা ভালা লাগে না
নাক বোচা :p
২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:৪৩
জুন বলেছেন: খুব খুশী হয়েছি ভালো লেগেছে বলে সাজিদ।
আমার ব্লগে প্রথমবারের মত আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
এখন আর চীনারা বেটেও না নাক বোঁচার সংখ্যাও খুব কম
সুতরাং ভয় নেই
৫২|
২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৪৯
রেজোওয়ানা বলেছেন: এই লেখাটা বেশি ভাল লাগলো, দ্বিতীয় পর্বের চাইতে........
২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫৫
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ রেজোওয়ানা
২য় পর্বটা আমি ইচ্ছা করেই একটু হাল্কা ভাবে লিখেছি....কম তথ্য দিয়ে।
পরের টা কি হয় কে জানে..
সাথে থেকো।
৫৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৯
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: কিন্ত আমি যে মনে প্রানে ইবনে বতুতা! মনে হয় সব খুটে খুটে দেখি সময় নিয়ে।
এটা বলতে যাচ্ছিলাম। ভ্রমণ কাহিনীতে পর্যবেক্ষণের গুণটা খুব জরুরী। আর মনে রাখা/ লিখে রাখা। যথারীতি ভাল লাগলো - পরের পর্বে যাই।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১১
জুন বলেছেন: হাসনাইন অনেক দিন পর তুমি আসলে
অনেক ভালোলাগলো তোমাকে দেখে।
ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
৫৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১৩
নাজনীন১ বলেছেন: আপনার ব্লগে তো দেখি অনেক ভ্রমণ বিষয়ক পোস্ট। দাঁড়ান একদিন সময় করে এসে ব্লগ অভিযান চালাবো। আজকে এটা পড়লাম, অনেক খুঁটিনাটি লিখেছেন, ব্লগার জুলভার্ণ এরকম লিখেন, এমনকি উচ্চতা পর্যন্ত। এরকম লেখা পড়তে ভাল লাগে বেশ, মনে হয় পড়তে পড়তে আমিও বুঝি ঘুরে আসলাম। ![]()
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৩৪
জুন বলেছেন: আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে অভিনন্দন নাজনীন১।
ভালোলাগার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
সময় করে আসবেন একদিন খুশী হবো।
৫৫|
৩১ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭
সুবিদ্ বলেছেন: এর আগে পড়ে কি মন্তব্য করেছিলাম মনে নেই...
তবে ধন্যবাদ জানাই আরো বিস্তৃত করে লেখার জন্য।
হয়তো একটু দেরিতে, তবুও সাথেই আছি
৩১ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৪
জুন বলেছেন: আগে এটা ছিল দশ লাইনের একটা পোস্ট পরে সকল রয়ের ঠেলায় এটা দাড়িয়েছে তিন পর্বে।
তুমি মন্তব্য করেছিলে, 'বাহ এটাতো চোখ এড়িয়ে গেছে'।
সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ সুবিদ।
৫৬|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১২
পারভেজ বলেছেন: খাবারের কষ্ট টা আমলে না আনতে পারলেই ভালো। তবে ওয়াফুজিয়াং এ পিজ্জা হাটের খাবার মন্দ না।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৫
জুন বলেছেন: হ্যা পারভেজ তবে আমরা মাঝে মাঝে ম্যাকডোনাল্ডসে খেতাম।
কিন্ত ডাল ভাত মাছ.......
৫৭|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৭:৫২
মে ঘ দূ ত বলেছেন: বেশ লাগলো! বর্ণনার গুণ ছবির অভাব অনেকটায় পূরণ করে দিল।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:২১
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ মেঘদূত
জানোতো ছবি দিলে ঝামেলা হয়
৫৮|
১১ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪
আহাদিল বলেছেন: যে তিনটে জায়গায় আমার এই বছর যাওয়ার কথা ছিল, যেতে পারি নি ঠিক সে জায়গাগুলো নিয়ে পোস্ট আপনার ব্লগে- আমি আড়ি না দিয়া কেমনে থাকি!
১১ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
জুন বলেছেন: সেই তিনটি জায়গা কোনগুলো বলুনতো আমি গিয়ে দেখে আসলাম
৫৯|
১১ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২
আহাদিল বলেছেন: মিশর, চীন আর মালয়েশিয়া। ![]()
১১ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮
জুন বলেছেন:
ওহ আচ্ছা স্যরি :#>
৬০|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৪
লিও কোড়াইয়া বলেছেন: অনেক অনেক ভাল লাগা থাকলো এই সুন্দর পোস্টের জন্য। ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পোস্ট ভাল্লাগে নাই। দুনিয়াতে দুই শ্রেনীর মানুষ আছে এক শ্রেনী দুইন্যা ঘুইরা মজা লয়, আরেক শ্রেনী ঢাকার এক মাথা থিকা আরেক মাথা হাটে আর দৌড়ায়। আপ্নে প্রথম শ্রেনীর। আমি দ্বীতিয় শ্রেনীর।
আফসুস।