নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কবিতাঃ মানুষ ও পাখি

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৬

সব পাখি জোড়ায় জোড়ায় ওড়াউড়ি করে না,
আধার সন্ধানে জোড় বেঁধে ঘোরাঘুরি করে না।
সব পাখির সাথী থাকে না,
সব পাখির কণ্ঠে গান থাকে না।
বিরহী কোন পাখি অন্য পাখির ডাক শুনে
'চমকি চমকি' ওঠে না!

কোন কোন পাখি নিভৃতে একেলা বসে থাকে
গাছের শাখে, টেলিগ্রাফের তারে কিংবা কোন
ইমারতের নিরিবিলি কার্ণিশে, পাখনা ফুলিয়ে।
তাদের মনে সুখ আছে কিনা মানুষ জানে না।
ব্যথিত মানুষের কাতর মনে সুখ থাকে কিনা,
নিঃসঙ্গ পাখিও জানেনা!

ঢাকা
২৩ জানুয়ারি ২০২৬

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমিও একলা পাখি;
হেঁটে বেড়াই আনমন নিজের মাঝে ডুবে,
ভাবনার নেই কূল,
জীবন তারে উঠে না মিহি সুর;
ফুটে না জীবন বৃক্ষে সুখের মুকুল।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: সুখ চিরকালই অধরা।

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

বাকপ্রবাস বলেছেন: নিঃসঙ্গ পাখি
তোকেই পরালাম রাখি

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাহ, বেশ তো!

৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আমি কখনও পাখি গুলি করে মারিনি।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বেশ ভালো কথা।

৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

আরোগ্য বলেছেন: কবিতাটি কেবল নিঃসঙ্গ মানুষের মাঝে অনুরণিত হবে।

কবিতার মাঝে কিঞ্চিৎ হলেও কবির প্রতিফলন থাকে । আশা করি সব সহি সালামতে আছে। খানিকটা উদ্বিগ্ন হচ্ছি জানার জন্য।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: যারা নিঃসঙ্গ নয়, আশাকরি এ কবিতাটি কিছুসংখ্যক হলেও এমন মানুষের মনেও অনুরণিত হবে।
আলহামদুলিল্লাহ, সব কিছু সহি সালামতেই আছে। এজন্য স্রষ্টার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


বেশ লম্বা সময় পার করে নতুন কবিতার পশরা নিয়ে আসলেন দেখে ভাল লাগছে ।
পাখি আর মানুষ নিয়ে প্রায় বছর দশেক আগে আপনার লেখা একটি কবিতা আছে । সেখানে অবশ্য পাখি মাতা
ও মানুষ মাতার গুণগত বৈশিম্য়ই তুলে ধরা হয়েছিল । তবে এখানকার কবিতার ভাবার্থ আরো ব্যপক ।

এই কবিতাটি বাহ্যত পাখির বৈচিত্র্য ও আচরণের কথা বললেও, আমাদের মনে ধীরে ধীরে তা মানুষের জগতে
প্রবেশ করে একটি সূক্ষ্ম রূপকের মাধ্যমে। সব পাখি যেমন একরকম নয়, তেমনি সব মানুষও নয়; কারও জীবনে
কোলাহল নেই, কারও গানে আনন্দ নেই, আবার কেউ নিভৃতে বসে থাকে গাছের শাখায়, তারের উপর, কিংবা
নিঃশব্দ কোনো কার্নিশে। এই নিঃশব্দতা জাগতিক দৃষ্টিতে একাকীত্ব মনে হলেও, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে তা হতে
পারে গভীর আত্মসংলাপের ক্ষেত্র।

কবিতাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা প্রায়ই দৃশ্যমান আচরণ দেখে বিচার করি, কিন্তু অন্তরের সুখ-দুঃখ
অদৃশ্যই থেকে যায়। মানুষ যেমন অন্যের হৃদয়ের খবর জানে না, তেমনি জানে না সেই নীরব পাখিটির মনেও
কী শান্তি বা ব্যথা বাস করছে। এখানেই কবিতাটি জাগতিক সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে আধ্যাত্মিক প্রশ্ন তোলে সুখ কি
প্রকাশেই থাকে, নাকি নীরবতাও তার আশ্রয় হতে পারে?

এই কবিতার আসল সৌন্দর্যটি মুলত এটি কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় না; বরং মানুষকে ভাবতে শেখায়।
নীরবতা, বৈচিত্র্য ও অজানার প্রতি এক ধরনের করুণ মমতা তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত কবিতাটি যেন বলে সৃষ্টিজগৎ
এক রহস্যময় সমতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে মানুষ ও পাখি উভয়েই নিজেদের মতো করে সুখ খোঁজে, আর
সেই অনুসন্ধানই জীবনের গভীরতম এক অধ্যায় ।

শুভেচ্ছা রইল

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বরাবরই তীক্ষ্ণ ও গভীর। কবিরা আসলে কবিতা লিখেন না, লিখতে পারেন না। কবিতারাই একাকী অথবা দল বেঁধে কবি'র কলমে (মনে/মননে) আসে। কবিতারা না এলে কবি নিরুপায়! এই কারণেই এতদিন কোন নতুন কবিতার পসরা সাজাতে পারিনি।

এই কবিতা পড়ে প্রায় বছর দশেক আগে পক্ষীমাতা নিয়ে আমার লেখা আরেকটি কবিতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলে প্রীত ও প্রাণিত হ'লাম।

"সব পাখি যেমন একরকম নয়, তেমনি সব মানুষও নয়; কারও জীবনে কোলাহল নেই, কারও গানে আনন্দ নেই, আবার কেউ নিভৃতে বসে থাকে গাছের শাখায়, তারের উপর, কিংবা নিঃশব্দ কোনো কার্নিশে। এই নিঃশব্দতা জাগতিক দৃষ্টিতে একাকীত্ব মনে হলেও, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে তা হতে পারে গভীর আত্মসংলাপের ক্ষেত্র" - কবিতার সূত্র ধরে ভাবিত আপনার এ ভাবনার লাইনের সাথে একাত্ম বোধ করে মুগ্ধ হ'লাম।

"সুখ কি প্রকাশেই থাকে, নাকি নীরবতাও তার আশ্রয় হতে পারে?" - চমৎকার একটি অনুসন্ধানী প্রশ্নের সম্মুখীন হ'লাম। আমার তো মনে হয়, প্রকাশের চেয়ে নীরবতাতেই সুখ বেশি অনুভূত ও প্রকাশিত হতে পারে।

আপনার মন্তব্যের শেষ অনুচ্ছেদটি একটি প্রশান্তিময় inference।

অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা, এত সুচিন্তিত ও সুলিখিত একটি মন্তব্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াসের উত্তরে এখানে রেখে যাবার জন্য।

৬| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০২

কাছের-মানুষ বলেছেন: ভালই লিখেছেন! নিঃসঙ্গ পাখি! পাখিদের চেয়ে মানুষই বোধ-হয় বেশী নিঃসঙ্গ!

কবিতা পড়ে তৃপ্ত হলাম।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: "পাখিদের চেয়ে মানুষই বোধ-হয় বেশী নিঃসঙ্গ" - হতে পারে। মানুষ তো তাও তার নিঃসঙ্গতার কথা প্রকাশ করতে পারে। বেচারা পাখিরা তো তা পারে না। মানুষের মত আমি গরু ছাগলের চোখেও অশ্রু দেখেছি, কিন্তু পাখিদের চোখে কোনদিন তা দেখিনি।

"কবিতা পড়ে তৃপ্ত হলাম" - জেনে প্রীত ও ধন্য হলাম। তাই অনেক ধন্যবাদ।

৭| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টে একাধিকবার এসে সবার মন্তব্যগুলো পড়ে যাওয়াটা একটা ভালো অভ্যাস।

৮| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আহা! একলা মানুষ
একলা পাখি।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: হুম! সবাই তো একেলাই!

৯| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

সন্ধ্যা রাতের ঝিঁঝিঁ বলেছেন: কোনো একটা অদ্ভুত কারণে মানুষ প্রায়ই নিজের সাথে পাখির মিল খুঁজে। কিন্তু পাখির চেয়ে মানুষই বোধহয় বেশি নিঃসঙ্গ।
আর গোধূলির সময় এটা সব থেকে বেশী অনুভূত হয়।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আর গোধূলির সময় এটা সব থেকে বেশী অনুভূত হয়" - আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা যে প্রত্যুষের প্রথম আলো ফোটা থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং সূর্যাস্তের শেষ আলোটুকু বিলীন হবার আগের সময়য়টা "গোধূলি" নামে অভিহিত। এই দুই সময়েই মানুষের মনটা একটু ভাবুক ও কল্পনাশ্রয়ী হয়ে থাকে। মানব মনে এ দুটো সময়েরই প্রভাব অনেক বেশি হয়ে থাকে।

"একটা অদ্ভুত কারণে মানুষ প্রায়ই নিজের সাথে পাখির মিল খুঁজে" - পাখি দেখতে ও পাখিদের নিয়ে ভাবতে আমার ভালো লাগে।

১০| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৫

নীল-দর্পণ বলেছেন: আজ একজনকে নিয়ে লিখলাম ব্লগে, মনে হল যেন এই কবিতায় তার কথাই বলা হয়েছে! যেদিন এটা পোস্ট করেছেন সেদিন দুপুরেই তিনি এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন, কী অদ্ভুত মিল

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: "যেদিন এটা পোস্ট করেছেন সেদিন দুপুরেই তিনি এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন, কী অদ্ভুত মিল" - জ্বী, আপনার সেই 'নিঃসনঙ্গ এক গাংচিলের জীবনাবসান' পোস্টটা পড়ে এসে খুবই ভারাক্রান্ত বোধ করছিলাম।

১১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

জাহিদ অনিক বলেছেন: শ্রদ্ধেয় প্রিয় কবি আশা করছি ভালো আছেন। :)
অনেকদিন পড়ে কবিতা পড়লাম।

ব্যথিত মানুষের কাতর মনে সুখ থাকে কিনা,
নিঃসঙ্গ পাখিও জানেনা!


আসলেই কেউ জানে না- পাখি বা মানুষ কেউ জানে কিনা সুখের ঠিকানা কী !
অথবা আসলেই সব পাখি , সব মানুষ সুখ চায় কিনা।
আপনার কবিতাটি পড়ে ভালো লেগেছে। ভাবনার উদ্রেক হয়েছে কিছুটা

শুভ কামনা আপনার জন্য।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেকদিন পরে আপনাকে ব্লগে পেলাম। জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। আশাকরি, আপনিও ভালো আছেন সপরিবারে।
আপনার এ চমৎকার মন্তব্যটা পড়েও মনে অনেক ভাবনার উদ্রেক হচ্ছে।
আশাকরি এখন থেকে কিছুটা করে হলেও, ব্লগে নিয়মিত হবেন।

১২| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনি কবিতাটিতে নিঃসঙ্গতা ও নীরব যন্ত্রণাকে খুব সংযত ভাষায় তুলে ধরেছেন। মানুষ ও পাখির একাকীত্ব এখানে সমান্তরাল, দু’পক্ষই অনুভব করে, কিন্তু কেউ কারও অনুভূতি সত্যিকারভাবে জানে না। এই অজানা ও অনুচ্চারিত বেদনার জায়গাটাই কবিতায় সাবলীলভাবে উঠে এসেছে। খুবই চমৎকার অনুভূতির প্রকাশ। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছাত্রজীবনে নিশ্চয়ই আপনি বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষাতে সারমর্ম লিখায় বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। কবিতাটির এত চমৎকার একটি সারমর্ম আমি নিজেও লিখতে পারতাম না। আমি অভিভূত।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১৩| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৪

করুণাধারা বলেছেন: নিভৃতে একলা বসে থাকা পাখি অনেক দেখেছি, কিন্তু সেই পাখির মনে সুখ আছে কিনা সেটা কখনো ভেবে দেখিনি। একাকী মানুষ আর একাকী পাখির মধ্যে যে মিল আছে, এই কবিতা পড়ে সেটা যেন প্রথম বুঝতে পারলাম! সব পাখি যেমন জোড়ায় জোড়ায় ওড়া উড়ি করে না, তেমনি সব মানুষও জোড়া বেঁধে থাকতে পারে না। ক'দিন আগে আমার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় দীর্ঘদিনের সঙ্গী স্ত্রীকে হারিয়ে একা হয়ে গেছেন। জানিনা তাঁর আঙিনায় উড়ে আসা পাখিরা তাঁর নিঃসঙ্গতা খেয়াল করছে কিনা। ‌ :||

কবিতাটি ছোট, তবে কথাগুলো গভীর অর্থবহ। +++

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: "একাকী মানুষ আর একাকী পাখির মধ্যে যে মিল আছে, এই কবিতা পড়ে সেটা যেন প্রথম বুঝতে পারলাম!" - আমি মনে করি এ মিলটা স্রষ্টা প্রদত্ত।
"জানিনা তাঁর আঙিনায় উড়ে আসা পাখিরা তাঁর নিঃসঙ্গতা খেয়াল করছে কিনা" - আমার মনে হয় ওরা তা খেয়াল করে থাকবে।
আপনার সাম্প্রতিক পোস্টে দেয়া একটি লিঙ্ক ধরে অপ্সরার একটি পোস্টে গিয়ে একটা সুন্দর নিক এর উল্লেখ পেলামঃ মানুষ আমি আমার কেনো পাখির মত মন। নিকটা আমার খুব ভালো লেগেছে।
বহুদিন পর ব্লগে এলেন। আশাকরি এবারে থিতু হবেন। মন্তব্য ও 'লাইক' এর জন্য ধন্যবাদ।

১৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

আবু সিদ বলেছেন: চমৎকার লিখেছে, খায়রুল ভাই। নিচে আমার একটি ছোট বিশ্লেষণ:

কবিতাটির ভাষা খুব সহজ কিন্তু এর অন্তরালে থাকা দর্শন গভীর। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ভিড়ের মাঝেও অনেক মানুষ বা প্রাণী আসলে ভীষণ একা। এখানে জীবজগৎ ও মানবজগতের মধ্যে যোগাযোগের অভাব স্পষ্ট। জীবজগৎ ও মানবজগতের মধ্যে সহাবস্থান থাকলেও, একে অপরের অন্তরের হাহাকার কেউ বুঝতে পারে না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ নিঃসঙ্গতায় বন্দি।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণটি যথার্থ।
"জীবজগৎ ও মানবজগতের মধ্যে সহাবস্থান থাকলেও, একে অপরের অন্তরের হাহাকার কেউ বুঝতে পারে না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ নিঃসঙ্গতায় বন্দী" - সঠিক, চমৎকার বলেছেন। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.