| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দারুচিনির দ্বীপ
আমি ভালবাসি প্রকৃতিকে।বাংলাদেশের নদী আমাদের প্রান।নদী না থাকলে প্র কৃতি আমাদের দিক হ তে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাই আসুন নদী বাচাঁই,আমরা বাচিঁ।
২০১৩ সালে নোবেল কমিটির কাছে মালালা'র প্রস্তাব করা হয়েছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত গতবার তাকে দেয়া হয়নি।আমার ধারণা ছিলো মালালা নোবেল পুরস্কার পাবেন, তবে এবছরই বা এত তাড়াতাড়ি পাবেন তা ধারণা করিনি।যাই হোক, মালালা'র পদক প্রাপ্তি অনেককেই খুশী করতে পারেননি ।যারা তাকে পদক প্রদানের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেননি তাদের বেশিরভাগ এর জন্য বয়স এবং শুধুমাত্র একবার গুলিবিদ্ধ হওয়াকে ক্ষুদ্র দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করছেন।তাদের মতামতকে আমি পরিপুর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে বলতে চাই ,মালালা'কে নোবেল পদক প্রদান সারা বিশ্বের পিছিয়ে থাকা মুসলিম মেয়েদের শিক্ষা গ্রহণে ব্যপকভাবে উৎসাহিত করবে।যা বিশ্বের তাবৎ মুসলিম দেশগুলির নারী শিক্ষা উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে।আর একটি বিষয় পরিস্কারভাবে আমাদের জানা দরকার, নোবেল শান্তি পদক সাধারণ ভাবে প্রতীকী অর্থে প্রদান করা হয়।সেক্ষেত্রে এই মুহুর্তে মালালা'র চেয়ে আর কোনো বড় 'ব্রান্ড এম্বেসডার' পৃথিবীতে আছে কি?আর আমরা যারা শান্তিপুর্ণ এলাকায় বসবাস করে মালালা'র গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে সাধারণ হিসেবে মনে করছি তারা জানিনা কি ভয়ংকর এক মধ্যযুগীয় সমাজব্যবস্থা্র মধ্যে মাত্র ১৩ বছরের একটি মেয়ে শুধু শিক্ষার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে এই হামলার শিকার হয়েছেন । আজকে যদি মালালা মুসলিম না হতো তাহলে কি আমরা এত সমালোচনা করতাম ?আমার বক্তব্য হচ্ছে , পশ্চিমা বিশ্বের মালালা'কে নোবেল পদক প্রদানের পিছনে কোনো উদ্দেশ্যও থাকে তাতেও কোনো ক্ষতি নেই ।কারণ মালালা'র শান্তিপদক বিজয় মুসলিম বিশ্বের কোটি কোটি নারীদের সামনে একজন সাহসী 'আইডল' তৈরি হলো যা তাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে।আমাদের মনে রাখতে হবে ধর্মের শক্ত খোলসে মুসলিম মেয়েদের আটকে রেখে বরং আমরাই একবিংশ শতাব্দীর চ্যলেঞ্জ গ্রহণ থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখছি যা সার্বিকভাবে মুসলিম বিশ্বকে পিছিয়ে দিচ্ছে।তাই আমি আশা রাখি, মালালা'র নোবেল শান্তি পদক' প্রাপ্তি আমাদের ধর্মীয় সংকীর্ণতার বেড়াজাল ভাংতে সাহায্য করবে।
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:২০
দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: ধন্যবাদ
২|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ৯:২৭
মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: হুমম...!
৩|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ৯:২৯
মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: মুসলিম নারীদের শিক্ষায় উৎসাহিত করবে কিনা এটা নিশ্চিত নয়...তবে নোবেল শান্তি পুরষ্কারকে যে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এটা নিশ্চিত!
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:২২
দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: নোবেল শান্তি পদক প্রদানের বিষয় সবসময়ই প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো ।তাই এটা নতূন কোনো ঘটনা নয়। এটা কে আমাদের বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিতে হবে।
৪|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:১৫
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: মালালা কি মুসলিম? তার জন্ম হাঙ্গেরিতে। তার বাবা মা দুজনেই ক্যাথলিক। এখন থাকে ব্রিটেনে।
নারী শিক্ষায় মালালা যদি ব্র্যান্ড হয়ে থাকে, এই ব্র্যান্ডিং এর পেছনে কার ভূমিকা বেশি? তার নিজের, নাকি পশ্চিমা মিডিয়া ও তালেবানদের?
নারী শিক্ষায় একটা বড় ব্র্যান্ড ছিল আফিফা সিদ্দিকা । তার কি পরিণতি হয়েছিল?
মালালা কোনমতেই মুসলিম নারীদের জন্য 'আইডল' হতে পারেনা। বিশ্বের কোন দেশেই মুসলিম নারীদের শিক্ষা গ্রহনে কোন বাধা নেই।
মুসলিম নারীদের জন্য মডেল হলেন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা) যিনি একজন স্বশিক্ষিত পন্ডীত ছিলেন এবং দ্বীনি বিষয়বস্তুর উপর ৬০০০ এর উপর হাদীস বর্ণনা করেছেন।
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১১:১৯
দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: আপনার জ্ঞানগর্ভ মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ।আপনার কাছে এই প্রথম শোনলাম মালালা একজন ক্যাথলিক।নোবেল শান্তি কমিটিও পদক প্রদানের বিষয়ে যে বিবৃতি দিয়েছে তাতেও তাকে একজন মুসলিম হিসেবে বর্ননা করা হয়েছে।কোথায় জন্ম হয়েছে সেটা কি খুব গুরুত্বপুর্ণ ? তাই যদি হ্য় ব্রিটেন , আমেরিকা,ফ্রান্স প্রভৃতি দেশে যেসব মুসলিম নাগরিকরা সন্তান জন্ম দেন তারা কি মুসলিম না?আপনি যদি সঠিক তথ্য দিতেন তাহলে খুব খুশী হতাম।
৫|
১৪ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:০৫
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: যে পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে মালালা পাকিস্তানকে সম্মানিত করার দাবি করেছে, সেই পাকিস্তানই তাকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকার করেনা। পাকিস্তানের সবচেয়ে বিখ্যাত পত্রিকা ডনের রিপোর্ট নিজে পড়ে নিজেই যাচাই করুন
http://www.dawn.com/news/1048776
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:০৫
দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: দেখুন, পৃথিবীতে এই মুহুর্তে যদি বাস্তবিক অর্থে কোনো দেশকে ব্যার্থ রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা যায় সেটা হচ্ছে পাকিস্তান।যেখানে নামে মাত্র সরকার বিদ্যমান ।মুলতঃ দেশ চালাচ্ছে মধ্যযুগীয় মানষিকতার অধিকারী অর্ধশিক্ষিত তালেবান এবং দুর্ণীতিবাজ সেনাবাহিনী।দীর্ঘদিন যাবৎ রাষ্ট্র ক্ষমতায় সেনাবাহিনী থাকায় পাকিস্তানে নাগরিক সমাজেরও স্বাধীনভাবে চিন্তাশক্তি লোপ পেয়েছে। তাই ডন পত্রিকাও এই দোষে দুষ্ট।সুতরাং তাদের রিপোর্টিং এ যে তালেবান ও আইএসআই এর চিন্তাধারা প্রকাশ পাবে তা সহজেই অনুমেয়।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই অক্টোবর, ২০১৪ ভোর ৬:৩৬
মোঃ মামুনুর রশীদ বলেছেন: ভালো বলেছেন