নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রকৃতি বাচাঁই

আমি প্রকৃতির মাঝে বেচেঁ থাকতে চাই।

দারুচিনির দ্বীপ

আমি ভালবাসি প্রকৃতিকে।বাংলাদেশের নদী আমাদের প্রান।নদী না থাকলে প্র কৃতি আমাদের দিক হ তে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাই আসুন নদী বাচাঁই,আমরা বাচিঁ।

দারুচিনির দ্বীপ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ বন্ধঃগ্রামের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন ভঙ্গের ষড়যন্ত্র নয়তো !!

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৩


গত ১৪ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার নীতিমালায় একটি নতূন শর্ত যোগ করেছে।আর তা হচ্ছে, এখন থেকে ভর্তি পরীক্ষায় একবারের বেশি কেউ অংশ নিতে পারবে না।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় হঠাৎ এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত কেন নিল? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বসবাস করছে না ,তারা তো বাংলাদেশের ভূখন্ডের মধ্যে অবস্থিত।বাংলাদেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থী এখনো প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে।তাদের মা-বাবা অনেক কষ্টে ছেলেমেয়ের পরীক্ষার ফি যোগার করে এবং স্বপ্ন দেখে তার সন্তান এইসএসসি পাস করে যেকোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে স্বল্প খরচে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করবে ।কিন্তু বর্তমান শিক্ষার বানিজ্যিক করনের খবর তো আর গ্রামের খেটে খাওয়া সেই বাবা-মায়ের জানা নেই,সেতো আর জানে না বিশ্ববিদ্যলয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে এখন হাজার হাজার টকা খরচ করে কোচিং সেন্টারের দোকানে ভর্তি হতে হয়।কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় যে আজগুবী প্রশ্ন করা হয় তা শিক্ষার্থীকে তার দীর্ঘ শিক্ষা জীবনে কোথাও পড়তে হয়নি।তাই মেধা থাকা সত্বেও অনেক সময় গ্রাম থেকে আসা বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বুঝতেই পারে না ,ফলশ্রুতিতে তাদের পক্ষে উত্তীর্ন হওয়া দুরূহ হয়ে যায়।অনেকেই আবার নিজের পছন্দমতো বিষয়ে ভর্তি হতে না পেরে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ গ্রহণ করে।এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের সেই গ্রহণের সুযোগ বন্ধ ক রে দিল।গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ যে কিনা ঘাম ঝরানো অর্থ খরচ করে তার ছেলে-মেয়ের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রেখেছিলো,আজ বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের এক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের স্বপ্নভঙ্গ হবে।কারণ বাংলাদেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নামে যে দোকান খুলে বসেছে, যেখানে টাকার বিনিময়ে শিক্ষাসনদ পাওয়া যায় সেখানে পড়ানোর মত আর্থিক স্বচ্ছলতাতো এই শিক্ষার্থীদের নেই।তাহলে গ্রামের এই শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে ?তাকি আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা একবারের জন্যে ভেবে দেখেছেন?এখানে আর একটি বিষয় বলা দরকার একটি দেশে শিক্ষা নীতিমালায় এতটা পার্থক্য থাকতে পারে না,যেখানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কোনো সময়ের সীমাবদ্ধতা নেই ,সেখানে যখন খুশী ভর্তি হওয়া যায়। যার বেশির ভাগ শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে সচ্ছল বাবা-মায়ের ছেলেমেয়েরা, অন্যদিকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে নিয়মের বেড়াজালে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে আমাদের লাখো গ্রামের গরীব কষক ,শ্রমিক দিন মজুর মা-বাবার ছেলেমেয়েরা।এটা চরম বৈষম্যমুলক সিদ্ধান্ত নয়?এক দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে দুই নিয়ম চলতে পারে না।অতএব আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় বছর অংশ নেয়ার সুযোগ অব্যাহত রাখার বিণীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
(পূনশ্চঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছিল তৎকালীন পুর্ব বাংলার পশ্চাদপদ গরীব মুসলিম পরিবারের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণে সুযোগ প্রদানের জন্য।সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ বুর্জোয়া মানষিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে শিক্ষা সংকোচন পদ্ধতি গ্রহণ করবে,যাতে গ্রামের গরীব ছেলেমেয়েরা বঞ্চিত হবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।)

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৬

এহসান সাবির বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ বন্ধ....

এটা ভালো ডিসিশন না।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪১

দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৬

সোহানী বলেছেন: হাঁ এটা আমি সমর্থন করি না। কারন যারা এ বছর ভালো করতে পারবে না তারা তাদের স্বপ্ন পূরনের জন্য পরের বছর চেস্টা করবে..... সেটা করতে না দেয়া অন্যায় হবে.... একজন ঢাকা বিস্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবেই বলছি।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪২

দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৩| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৯

মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: সহমত! এই সিদ্ধান্ত দ্রুত পরিবর্তন করা উচিৎ!!

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৩

দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: ঠিক বলেছেন,দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা উচিৎ।

৪| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৩:৫২

শাহরিয়ার খান রোজেন বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত সঠিক। তবে সিদ্ধান্তটি কিছুদিন আগে জানানো উচিত ছিল।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:২০

দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: সিদ্ধান্ত কেন আপনার কাছে সঠিক বলে মনে হল ?আমরা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে অপ্রস্তুত অবস্থায় জিপিএ পদ্ধতি চালু করলাম কিন্তু সেখানকার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে এই ধরনের সময়ের সীমাবদ্ধতা বজায় আছে।

৫| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:১২

মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: খাঁন রোজেনঃ কোন অর্থে "সঠিক", একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?

৬| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩০

মাটি আমার মা বলেছেন: শিক্ষার বানিজ্যকরনের কারনে, শিক্ষা ব্যবস্থার মান যেমন কমেছে সেই সাথে গরীবের জন্য তা স্বপ্ন হয়ে দাড়িছেঁ। অনেক ব্রাইট ছাত্র ছাত্রীকে দেখেছি ২য় বার পরীক্ষা দিয়ে কোন ভাল সাবজেক্টে গিয়েছে। এখন ঢাবির উদাহরন ধরে বাকী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলো এগুবে। লাভ হবে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর। তারা রেট আরো বাড়াবে ছাত্র ছাত্রীরা নিরুপায় হয়ে সে দিকে দাবিত হবে। এই আইন শিক্ষা বিস্তারে প্রতিবন্ধক। এই আইন মানি না, বাতিল কর।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৬

দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত দেশ এক 'পোল্ট্রি প্রজন্মে'র দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ।যেখানে ধনীর সন্তানরা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টাকা দিয়ে সনদ কিনবে সারা দেশ দাবড়িয়ে বেড়াবে কিন্তু কাজের কাজ কিছু হবে না ,আর তখনবিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে কনসালটেন্ট এনে দেশ চালাতে হবে।অন্যদিকে গ্রামের ছেলেরা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগের অভাবে হতাশার সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়ে এক সময় ভারত থেকে চোরাই পথে আমদানী কৃত ফেন্সিডিল খেয়ে শেষ হয়ে যাবে।

৭| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:০৫

জগাই মাধব বলেছেন: সব ই বুঝলাম। মানলাম। মুনচায় আপনার সাথে সহমত কই। কিন্তু এইটা কি লিখলেন? কারণ বাংলাদেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নামে যে দোকান খুলে বসেছে, যেখানে টাকার বিনিময়ে শিক্ষাসনদ পাওয়া যায়
যারা আমরা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র আপনি তাদের সবার যোগ্যতা নিয়া কথা তুলতেসেন এইটা কি ঠিক? আমি মনে করি আপনার লেখা এই লাইন আমাদের উপর সরা সরি একটা আক্রমন।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৫:২৪

দারুচিনির দ্বীপ বলেছেন: দুঃখিত।আমি আপনাদের আঘাত দিতে চাচ্ছি না। আমি বুঝাতে চেয়েছি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ সম্পুর্ণ ব্যবসায়িক চিন্তা চেতনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। আর তার নিঃষ্ঠুর শিকার হচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীরা।যার ফ্ লে অনেক অসৎ লোক এই ব্যবসায়ে ঢুকে পড়েছে যাতে সমস্ত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ।আর এখন যদি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্র এই সিদ্ধান্ত নেয় তবে অসৎ ব্যবসায়ীরা আরো অধিক হারে ঢুকে পড়বে না ,তাতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে যে স মাজে বিরাজমান তা কি বেড়ে যাবে না। তারপরও আমার লেখায় আপনি আঘাত পেলে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.