নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কালপুরুষ

"পসার বিকিয়ে চলি জগৎ ফুটপাতে, সন্ধ্যাকালে ফিরে আসি প্রিয়ার মালা হাতে"

কালপুরুষ

জন্মঃ নারিন্দা, ঢাকা। পেশাঃ নগর গবেষক। শখঃ আড্ডা, বিতর্ক, লেখালেখি, ফটোগ্রাফী, রান্না, বই পড়া, গান শোনা ও ছবি আঁকা। এক সময় রাশিফল ও হস্তরেখা বিদ্যা চর্চায় যথেষ্ট আগ্রহ ছিল। বিশ্বাসঃ মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও মৃত্যুর মুখোমুখি হতে আমার ভীষণ ভয়।

কালপুরুষ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ বিবাহ বার্ষিকী

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৯

গল্পঃ বিবাহ বার্ষিকী





ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে তৈরী হচ্ছিল স্বাতী। মুখে মৃদু স্বরে গুন গুন করে গান গাইছিল। আজ কলেজে ভাইবা বোর্ডে থাকতে হবে তাকে। ন’টা থেকে ভাইবা শুরু হবে। রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম থাকে তাই হাতে সময় নিয়ে বের হতে হবে। ঘড়িতে তখন প্রায় সোয়া সাতটা। পরণে পেটিকোট আর ব্লাউজ। শাড়ীটা তখনো পরা হয়নি। একবার ঘাড় ফিরিয়ে দেখে নিল বিছানার দিকে। রজত তখনো ঘুমাচ্ছে। ওর গাড়ী আসতে দেরী আছে। দিব্বি আটটা সোয়া আটটা পর্যন্ত ঘুমাতে পারে। রজতের রাত জাগার অভ্যাস। কখনোই একটা/দুইটার আগে ঘুমায়না। তবুও ঠিক সময়মতো উঠে পড়ে। শাড়ীর কুচিটা ঠিক করার জন্য একটু ঝুঁকতেই পেছন থেকে রজত জড়িয়ে ধরলো স্বাতীকে।



: ওমা! তুমি কখন উঠলে! আমিতো দেখলাম দিব্বি ঘুমোচ্ছো।

: উঠেছি অনেক আগেই। দেখছিলাম তুমি রেডী হচ্ছো। বাই দ্যা ওয়ে- হ্যাপি এ্যানিভার্সারি।



: বাব্বাহ্! মনে আছে দেখছি। হ্যপি এ্যানিভার্সারি টু।

: আমার মন কি অতো ভুলো নাকি? সবকিছুই মনে থাকে। হয়তো প্রকাশটা তেমন জোড়ালো নয়। মেনি মেনি থ্যাঙ্কস্।

: সেম টু য়্যু।



: এতো সকাল সকাল কলেজ যাচ্ছো যে! ক্লাশ আছে নাকি?

: নাহ্। ক্লাশ নেই। তবে ছেলেদের ভাইবা আছে। হেড হয়ে এই এক জ্বালা! সবকিছুতে সবার আগে আমাকেই থাকতে হয়। ছুটির দিনগুলোতেও রক্ষা নেই। কোন না কোন ডিউটি দিয়ে রাখবে। আর টীচারগুলোও হয়েছে তেমন। সব পয়সার ধান্দা। জানে ডিউটি থাকলেই টাকা পাবে।



; তুমি না গেলেই পারো।

: এখানেইতো যত জ্বালা! হেড হয়েছি বলেই কিছু হলেই প্রিন্সিপাল হেডদের খুঁজবে। যেন মাথা কিনে নিয়েছে। সরাসরি কিছু বলবেনা, তবে ভাবসাবে বুঝিয়ে দেবে যা বুঝানোর।



: যাই হোক তুমি রেডি হও, আমিও হচ্ছি।

: এই শোন, নীচে গার্ডদের কাউকে বলে একটা সিএনজি ডেকে আনতে। আমি এখুনি নামবো।



রজত ইন্টারকমে গার্ডদের একজনকে সি্এনজি ডাকতে বলে বাথরুমে ঢুকে গেলো। কিছুক্ষণ পর ইন্টারকম বেজে উঠলো। গার্ড জানালো সিএনজি পাওয়া গেছে। স্বাতী হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেল।



একটু পর আবারো ইন্টারকম বেজে উঠলো। কাজের ছেলেটা রজতকে খবর দিল নীচে অফিসের গাড়ী অপেক্ষা করছে। ততক্ষণে রজতের নাস্তা খাওয়া শেষ। চায়ের কাপে শেষ চুমুকটা দিয়ে দরজার দিকে হাঁটা দিল। যাবার সময় দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো আটটা চল্লিশ। ন’টায় অফিস। রাস্তায় অস্বস্তিকর ট্যাফিক জ্যাম। যেতে প্রায় এক ঘন্টা লেগে যাবে। প্রতিদিনের মতো আজকেও লেট হবে। কিছু করার নেই। ঢাকার যা ট্রাফিক অবস্থা তাতে কোনকিছু ঘড়ির কাঁটা ধরে হবার নয়। রজত সরকারি অফিসের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। অফিসের কারো কাছে জবাবদিহি করতে হয়না বলেই ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও দেরী করে অফিস পৌঁছানো গা সওয়া হয়ে গেছে।





আজ রজত আর স্বাতীর জীবনের একটা বিশেষ দিন। ২৫তম বিবাহ বার্ষিকী। বিয়ের প্রথম কয়েক বছর ওরা বেশ ঘটা করে বিবাহ বার্ষিকী পালন করলেও বিগত অনেকগুলো বছর তেমন করে এই দিনটি উদযাপন করা হয়নি। তাদের দুই ছেলে এখন অনেক বড় হয়ে গেছে। অনেকবার তারা নিজেরাই কেক কেটে বাবা-মায়ের সাথে এই দিনটা উদযাপন করতো। আজকের এই দিনটির কথা ছেলেদের মনে আছে কিনা রজত জানেনা। হয়তো বিয়ের পঁচিশ বছর পূর্তি উপলক্ষেই রজত আজ একটু বেশী নস্টালজিক। অফিস ছুটির শেষে গাড়ীতে বসে রজত তার অতীত দিনগুলোর কথা ভাবছিল। আজ চার বছরের বেশী সময় ধরে স্বাতীকে রজত তেমন করে কাছে পায়না। স্বাতীর মায়ের যথেষ্ট বয়স হয়েছে। প্রায় নব্বইয়ের কাছাকাছি। শারীরিক ও মানসিকভাবে এখন তিনি অসুস্থ। ছেলে ও ছেলের বউয়ের উপর রাগ করে ঢাকায় মেয়েদের কাছে আছেন। আজ প্রায় দশ বছর হলো তিনি ঢাকাতে। ওনার ছয় মেয়ে ঢাকাতেই থাকেন। স্বাতী ছাড়া সবার নিজেদের বাড়ী। বড় দুই মেয়ের বাসায় কখনো তিনি থাকেন না। মন চাইলে বেড়াতে যেতেন। স্বাতী বোনদের মধ্যে চার নম্বর। বিগত ছয় বছর পালা করে চার মেয়ের বাসায় দুই/তিন মাস করে তিনি থাকতেন।



এরপর উনি যখন একটু বেশী অসুস্থ হলেন তখন স্বাতীর পরের বোন ও বোনের স্বামী ডাক্তার হবার সুবাদে সেখানেই থাকা শুরু করেন। তিনি সেখানে অনেকটা নিরাপদ ভাবতেন। একসময় সেই ডাক্তার বোন নিজেই অসুস্থ হলো। সময়মতো ক্যান্সার ধরা পরায় চিকিৎসা করে এখন অনেকটাই সুস্থ। সেই বোনের দুই ছেলে কানাডায় পড়ছে আর ছোট মেয়েটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে। স্বাতীর একমাত্র ভাই রাজশাহী থেকে এসে মাঝে মাঝে মাকে দেখে যায়। কখনো নিয়ে যাবার কথা বলেনা।



স্বাতীর মা যথেষ্ট বিত্তশালী মহিলা। অগাধ সম্পত্তির মালিক। স্বামী মারা যাবার পর সেই সম্পত্তি ছেলে একাই ভোগ করছে। স্বাতীর বাবা মারা যাবার দীর্ঘকাল পরেও বাবার সম্পত্তি থেকে বোনদের অংশ সবটকু ভাগ করে দেয়নি সেই ভাই। মায়ের নামে নিজস্ব যে সম্পতি তা বিক্রির টাকা ও ব্যাংকে জমানো টাকায় তাঁর ভালই চলে যাচ্ছে। বাকী জীবন শুয়ে বসে খেলেও তা শেষ হবেনা। তাই তাঁর থাকা খাওয়ার কোন অভাব নেই। গত দুই বছর যাবৎ ডাক্তার মেয়ের বাসায় স্বাতীর মায়ের কোন অসুবিধা হচ্ছিল না। হবার কথাও নয়। কারণ তাঁর চিকিৎসা ও আনুসঙ্গিক যাবতীয় খরচ সবই তিনি নিজে বহন করেন। কিন্তু আসল অসুবিধাটা হচ্ছিল স্বাতীর। সপ্তাহের চার/পাঁচ রাত তাকে মায়ের কাছে যেয়ে থাকতে হতো। তেমন কোন ট্রেইনড্ আয়াও পাওয়া যাচ্ছিল না। দু’একজন যা’ও পাওয়া যাচ্ছিল মা তাদের উপর রীতিমতো বিরক্ত। তাই স্বাতীকেই রাতে বনানী থেকে গুলশান আবার সকাল হলেই তাড়াহুড়ো করে কলেজে দৌঁড়াতে হতো। দিনে কলেজ রাতে মায়ের সেবা, কষ্ট হলেও স্বাতী মুখ বুঁজে করে হচ্ছিল। সপ্তাহের কোন কোন রাতে ছোট বোনটা এসে থাকতো। সে নিজেও ব্যাংকে চাকরি করে আর বাড়ী দূরে হবার কারণে ইচ্ছে থাকলেও বেশী আসতে পারতোনা।



দুই বছর এভাবেই কাটলো। স্বাতীর জন্য ব্যাপারটা যেমন কষ্টের ছিল রজতের জন্যেও তেমনই কষ্টকর। সংসারের অনেককিছুই উপেক্ষিত থেকে যেত। ছেলেরাও মায়ের কষ্ট দেখে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবতো। কিন্তু কিছুতেই সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। মানবিক কারণে এই কষ্টটুকু স্বতীকে মেনে নিতে হচ্ছিল। একসময় স্বাতী নিজেই হাঁপিয়ে উঠলো। সে তার বোনদের কাছে প্রস্তাব রাখলো মা তার বাসাতেই থাকুক। প্রায় রাতেই বনানী-গুলশান যাতায়াত তার জন্য বেশ কষ্টকর। স্বাতীর বড় দু’বোন হাউস-ওয়াইফ হওয়া সত্ত্বেও মায়ের এতোটুকু দায়িত্ব নিতে অপারগ। বরং মায়ের সম্পত্তি কবে সম্পূর্ণ ভাগাভাগি হবে সেই খোঁজটা ঠিকই নিত। এছাড়া মায়ের এতো খরচ কোথা থেকে আসছে মায়ের আর কত টাকা আছে সেটাও জিজ্ঞেস করতো। ছোট চার বোন তাদের এই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যেত। একদিন স্বাতী ও রজত মাকে ডাক্তার বোনের বাসা থেকে নিজেদের কাছে নিয়ে আসে। মা স্বাতীর বাসায় চলে আসার পর স্বাতীর ছোট বোন সপ্তাহে দুই রাত এসে মায়ের কাছে থাকে। বাকি সব রাতে স্বাতীকেই মায়ের কাছে থাকতে হয়।





এসব কথা ভাবতে ভাবতেই বাড়ি ফিরছিল রজত। হঠাৎ ড্রাইভারকে বললো শাহবাগ হয়ে যেতে। রজত শাহবাগ থেকে পছন্দের বেশ কিছু ফুল কিনে বাসায় ফিরলো। বাসাটা সরকারি। বিশাল বড়। চাকরি জীবনের সুবিধা বলতে এই বাসাটাই। চাকরি শেষ হলে ছেড়ে যেতে হবে। একথা ভাবতেই রজতের মনটা আনমনা হয়ে ওঠে। ঢাকা শহরে এখনো নিজের থাকার মতো একটুকরো জায়গা নেই। কবে সেই জায়গা হবে তা’ও জানেনা। এসব কথা ভাবতে ভাবতেই লিফটে উঠতে পাশের ফ্লাটের ভাবীর সাথে দেখা। কুশল বিনিময় হতেই ভাবী রজতকে জিজ্ঞেস করলেন- ভাই, আজ কি কোন স্পেশাল ডে? রজত হেসে জবাব দিলো, জ্বী। ইতিমধ্যে লিফট নির্দ্দিষ্ট ফ্লোরে এসে থামলো। ভাবী নেমে গেলেন। রজত লিফট থেকে বের হয়ে ফুলের তোড়াটার দিকে একবার তাকিয়ে দেখলো তারপর কলিং বেল টিপলো। বাসার কাজের ছেলেটা এসে দরজা খুলে দিল। রজত ফুলের তোড়াটা নিয়ে সোজা বেডরুমে ঢুকে গেল। স্বাতী তখন বেডরুমে ছিলনা। রজত কাজের ছেলেটাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলো, খালাম্মা কোথায়? ছেলেটি জবাব দিল নানু’র ঘরে। রজত স্বাতীকে ডেকে দিতে বললো। একটু পরেই স্বাতী এসে বেডরুমে ঢুকলো। রজতকে দেখেই স্বাতী জিজ্ঞেস করলো-



: তুমি কখন এলে?

: এইতো একটু আগেই। হ্যাপি এ্যানিভার্সারি এগেইন।

এই বলে রজত ফুলের তোড়াটা স্বাতীর দিকে এগিয়ে দিল। মুচকি হেসে বললো-

: এই নিন ম্যাডাম, এগুলো আপনার জন্য।

: ওয়াও! সো নাইস অফ য্যু। থ্যঙ্কস্ এ লট।

: য়্যু আর ওয়েলকাম। অফিসের শাড়ীটা বদলাওনি দেখছি। ভালই লাগছে। সকালে ভাল করে খেয়াল করিনি। আচ্ছা, আবির অঞ্জন কি বাসায়? ওদেরকে তো দেখলামনা।

: ওরা একটু বাইরে গেছে। এক্ষুণি এসে পরবে। আমি একটু মা’র ঘরে যাচ্ছি। মা, নাস্তা খেতে চাচ্ছেনা।

: একটু থাকো। সারাদিনতো বাইরেই ছিলে।

: এখন একটু মা’র কাছে যাই। রাতে ঊর্মি এসে থাকবে। তখন যা বলার বলো।





ডিনারের ঠিক আগে আগে দুই ছেলে বাসায় ফিরলো। হাতে একটা সাদা বাক্স। রজত স্বাতী দুজনেই বুঝে নিল ওটা একটা কেকের বাক্স। রজতের শ্যালিকা ঊর্মি আজ রাতে আসতে পারবেনা তাই দুজনকে উইশ করে ড্রাইভারকে দিয়ে একটা স্পেশাল ডিশ করে পাঠিয়েছে। দুই ছেলে ইতিমধ্যে চাইনীজ রেস্টুরেন্ট থেকে থাই স্যুপ, ফ্রাইড রাইস, সিজলিং প্রণ, চিকেন গ্রেভী ও চিকেন চৌমেন আনিয়েছে। রজত বুঝে নিল স্বাতী নিজেই ছেলেদের হাতে টাকা দিয়েছে এসব আনার জন্য। স্বাতী নিজে বাসায় কিছু করতে পারবেনা জেনেই হয়তো এই ব্যবস্থা। রজত আর স্বাতী দুজনেকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে ছোট ছেলে কেকের বাক্স খুললো। বড় ছেলে একটা ছুরি রজতের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো, দুজনে মিলে কেকটা কাটো। কেকের উপরে পিংক কালারে লেখা “হ্যাপি টোয়েন্টি ফিফথ্ এ্যানাভার্সারি টু আব্বু-আম্মু”। স্বাতীর চোখে মুখে লজ্জা ভাব। এতো বড় বড় দুটো ছেলের সামনে বিবাহ বার্ষিকী পালন করতে লজ্জা হচ্ছিল। বড় ছেলে তখন ছবি তোলায় ব্যস্ত। দুই ছেলে এসে একে একে স্বাতী ও রজতের মুখে কেকের টুকরো তুলে দিল। পাল্টাপাল্টি রজত ও স্বাতী মিলে দুই ছেলের মুখে দুই টুকরো কেক তুলে দিল। এক ফাঁকে স্বাতী এক টুকরো কেক হাতে নিয়ে মায়ের ঘরে চলে গেল। রজতও সাথে গেল। মায়ের কাছে দুজনেই দোয়া চাইলো। স্বাতী রজতকে বললো, আজ আমাদের ম্যারিজ ডে’র যাবতীয় খরচ মা দিয়েছেন। আমি কত বারণ করলাম কিছুতেই শুনলেন না। মা কি বললেন জানো? বললেন, রজত’ইতো আমার ছেলে। আমার ছেলের জন্য আমি একটু কিছু করতে পারবোনা? স্বাতী ও রজত মায়ের ঘর থেকে বের হয়ে এলো। এই খুশীর দিনেও দু’জনের চোখ ছলছল করে উঠলো। ছেলেরা ডাইনিং টেবিলে ওদের জন্য অপেক্ষা করছিল। সবাই মিলে একসাথে ডিনারে বসলো।





ডিনার শেষ হতে হতে রাত দশটা বেজে গেল। ডিনারে বসার আগেই এক ফাঁকে মাকে খাইয়ে দিয়েছে স্বাতী। মা একা একা বিছানা থেকে উঠতে পারেনা বলে সার্বক্ষণিক একজন বুয়া আছে। বুয়ার কাজ হলো মায়ের কাছে থাকে আর মাঝে মধ্যে ডায়াপার বদল দেয়া। মায়ের বিছানা-চাদর পরিস্কার করা। দিনের বেলা স্বাতীর অবর্তমানে ডাক্তার বোন এসে মা’র কাছে থাকে। রাতে কোনরকম অঘটন যাতে না ঘটে সেজন্যে স্বাতীকে মায়ের কাছে থাকতে হয়। সপ্তাহের দু’রাত সব ছোট বোন এসে মায়ের কাছে থাকে। স্বাতীর জন্য এই দুটো রাত একান্তই বিশ্রামের। আজ স্বাতীর ছোটবোন ঊর্মির মায়ের কাছে থাকার কথা ছিল। কিন্তু বাসায় ওর মেয়ের জ্বর তাই আজ রাতে আসতে পারছেনা। স্বাতীকেই আজ রাতে মায়ের কাছে থাকতে হচ্ছে।



রাত বারোটা বেজে দশ। স্বাতী এখন মায়ের ঘরে। সারাদিন কলেজের ধকল তার উপর মায়ের সেবা। হয়তো খুব ক্লান্ত। রজত বসে আছে কম্পিউটারের সামনে। ফেসবুকের স্ট্যাটাসে আজ রজতের বিবাহ বার্ষিকীর কথা উল্লেখ আছে। পরিচিত বন্ধুবান্ধব সবাই যার যার মতো উইশ করছে। কি কি খাওয়া হলো, কেক কেমন ছিল, কে কাকে কি গিফট দিল, কে কাকে কিভাবে উইশ করলো। নুতন করে বাসররাত সাজানো হলো কিনা এমনটাও বলেছে অনেকে। বিভিন্ন জনের বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন আর মন্তব্য। রজতের ভালই লাগছিল সেগুলো পড়তে আর জবাব দিতে। রজত ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো, রাত প্রায় এক’টা বাজে। আজ নিয়ে পর পর চার রাত স্বাতী মায়ের কাছে। অনেক সময় মায়ের ঘুম আসেনা। অনর্গল কথা বলতে থাকে। রাতের বেশীর ভাগ সময় স্বাতীকে জেগে থাকতে হয়। কোন রাতেই ভালভাবে ঘুম হয়না। আবার মা’কে একা রেখে আসতেও পারেনা। কাউকে পাশে না দেখলেই ভয়ে চীৎকার শুরু করে দেন। এভাবেই কেটে যাচ্ছে রাতের পর রাত। সকালে স্বাতীর চোখের দিকে তাকালেই রজত বুঝতে পারে কতটা ধকল গেছে। রজতের মায়া হয়। স্বাতীর জন্য কষ্ট হয়। নিজেও কষ্ট পায়। কিন্তু কিছু বলতে পারেনা। রজত পিসি অফ করবে কিনা ভাবে। নাকি আর কিছুক্ষণ কি অপেক্ষা করবে স্বাতীর জন্য! স্বাতী হয়তো ভীষণ ক্লান্ত। হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে। ফেসবুকের লেখাগুলো ওকে পড়াতে পারলে মন্দ হতোনা। এক সময় রজতের চোখেও ঘুম নেমে আসে। বেডরুমে ঢুকে দেখে বিছানায় মশারি টাঙ্গানো। স্বাতী কোন ফাঁকে এসে মশারিটা টানিয়ে দিয়ে গেছে রজত একটুও টের পায়নি। রজত ভাবে- ভালবাসা প্রকাশের কিছু নয়, সবই অনুভবের।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০১

রাজসোহান বলেছেন: পুত্তুম পিলাচ :-B :-B :-B :-B :-B

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১১

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ। পকেটে রেখে দিলাম।

২| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৫

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আপনার আসল নাম কি রজত?

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩১

কালপুরুষ বলেছেন: নাহ্, আমার নাম রজত নয়। গল্পের নায়কের নাম রজত।

৩| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৬

পারভেজ বলেছেন: আসলেই ভালবাসা সবটুকু প্রকাশের কিছু নয়, তবে সবই অনুভবের।
ভালো লাগলো গল্পটা পড়ে।

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১২

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ। গল্প লেখার অভ্যাস নেই। বর্ণনা গোছের হয়ে যায়।

শুভ কামনা রইলো।

৪| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৭

রাজসোহান বলেছেন: হাপায়া গেছি /:) /:) /:)

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১২

কালপুরুষ বলেছেন: তালপাখা দিয়া বাতাস দেই।

৫| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১১

নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: ভাল লাগার ভালবাসা অনুভব করবেন। ধন্যবাদ!

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৩

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ দরদী।

৬| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১২

সুপ্ত শিপন বলেছেন: ভালো লাগলো । +

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৩

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৫

সুপ্ত শিপন বলেছেন: ১টা ব্যপার দেখে ২য় বার লিখলাম, রাজা কি না পড়েই + দেয় নাকি?

১মে +

তারপরে হাপায়ে গেলাম



সত্যিই সেলুকাস.......................

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৪

কালপুরুষ বলেছেন: আগে পিলাচ দেয় তারপর পড়ে। :)

৮| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৫

হাবীব ইমন বলেছেন: দীর্ঘদিন পর আমার আগমন ...
ভালোই লাগছে শুরুটা আপনাকে পাঠ করে ...
চমৎকার ...

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৮

কালপুরুষ বলেছেন: কেমন আছেন আপনি? অনেক অনেকদিন পর দেখলাম। আশা করি ভাল ছিলেন, ভাল আছেন। আপনার প্রত্যাবর্তন আমার জন্য প্রেরণার উৎস।

ভাল থাকুন। শুভ কামনা রইলো।

৯| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩১

রাকিবুল আলম বলেছেন: ভাল লাগল। আমাদের জীবন থেকেই নেয়া এক টুকরো...। আপনি কি ঈদ সংখ্যা গুলোতে লিখেন? পড়তে গিয়ে মনে হল যেন ঈদ সংখ্যাতে লেখা কোন গল্প পড়ছি।

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪০

কালপুরুষ বলেছেন: জ্বী না। আমি কোন পত্রিকায় লিখিনা, কখনো লিখিনি। ব্লগের পাতা পর্যন্তই আমার দৌরাত্ম। যা কিছু লেখার এখানেই লিখি।

ভাল থাকুন।

১০| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৯

অলস_আমি বলেছেন: প্রথমে গল্পের আকার দেখে ভয় পেয়েছিলাম, এত্ত বড়, পড়ার পর আবার পড়লাম। অসাধারন।

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৫

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ। অলস মানুষ কষ্ট করে পড়লে ভাল লাগে। :)

১১| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৯

জানোয়ার বলেছেন: চমৎকার ...

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৬

কালপুরুষ বলেছেন: :)

১২| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৯

বড় বিলাই বলেছেন: অনুভব করতে না পারলে প্রকাশ করারও কিছু থাকে না। অনেক ভালো লাগল গল্পটা পড়ে। (মনে মনে নিজেদের ২৫তম বিবাহ-বার্ষিকীর কথা কল্পনা করলাম। :!> )

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৬

কালপুরুষ বলেছেন: আগাম মুবারকবাদ জানিয়ে রাখলাম।

১৩| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৯

তমিজ উদ্‌দীন লোদী বলেছেন: ঝরঝরে সুন্দর লেখাটি একটানে পড়ে ফেললাম।
খুব ভালো লাগলো ।

১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০২

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ কবি। আপনার উপস্থিতি সবসময়ই প্রেরণাদায়ক।

১৪| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৯

লালসালু বলেছেন: এই ভয়ে বিয়া করতে ইচ্ছা করে না। ফিফারও টেকি হেল্প দরকার!

১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:১৪

কালপুরুষ বলেছেন: এইটা কোন ব্যাপার না, বিয়া করলেই সব ঠিক।

১৫| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৪

মিআমি বলেছেন:
ধর্য্য ধরে পড়লাম, আবার পড়লাম। কারন আপনার অনেক সময় লেগেছে তা লিখতে আর এই গল্পটা গত ১৪/৩ রাতে হয়তো লিখেছেন। আমি লক্ষ্য করেছি কাল, আমার কাল বলতে হবে করন আমার এখানে এখনো ১৫/৩, ১৬ তাং হয়নি। আমার মনে হয় রাত২:৩০কি ৩:৩০ পর্যন্ত আপনাকে দেখেছিলাম। সরি আমার ভুলও হতে পারে ।

যাক সে কথা, বড় বিলাই আপু বলেছে: অনুভব করতে না পারলে প্রকাশ করারও কিছু থাকে না। অনেক ভালো লাগল গল্পটা পড়ে।


অনুভব আর বাস্তবতার ছুঁয়াটা আমার ও মন ছুঁয়ে গেছে।
এই মাত্র ডিউটি থেকে এলাম।

কেমন আছেন দেশী। আপনার সর্ব মঙ্গল কামনা করি।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:১২

কালপুরুষ বলেছেন: দেশী ভাল আছি। আপনার অনুমান সত্য।

সেদিন অনেকরাত পর্যন্ত জেগে গল্পটা লিখছিলাম। আসলে গল্প আমি লিখিনা। লেখার হাতও নেই। লেখাটা শেষ করার পরে আমি দ্বিধান্বিত ছিলাম পোস্ট করবো কিনা। কেননা আমার গল্প লেখার অভিজ্ঞতা খুব কম। তবে গল্প মানেইতো বাস্তবের টুকরো টুকরো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তাই সাহস করে লিখেই ফেললাম। গল্প হয়েছে কিনা জানিনা হয়তো শুধুই বর্ণনা।

ভাল থাকবেন দেশী। শুভ কামনা রইলো।

১৬| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:১৮

ভাঙ্গন বলেছেন: গল্প গল্প গল্প।
একটানে মুগ্ধতা এবং কৌতুহল নিয়ে দাদা'র গল্প পড়তে শুরু করেছি। যাপিত জীবনের খন্ডাংশ খুব নিপুণ ভঙ্গিতে উঠে এসেছে। সুখি সুখি ভাবনা আর সুখি সুখি জীবন।
গল্প ভাল লেগেছে।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৯

কালপুরুষ বলেছেন: এইরে! আসল গল্পকার এসেছে ভুয়া গল্পকারের বাসায়। কোথায় বসতে দেই ভাবছি। আপ্যায়ন খুব একটা সুবিধের হবেনা জানি। তবু কষ্ট করে যখন এসেছো ডাল-ভাত গিলেই যাও। তবে যদি কোনদিন পোলাও-কোর্মা পাকাতে পারি সেদিন বাসায় যেয়ে দাওয়াত করে আসবো। যাই হোক গিলতে কষ্ট হলে জানিও। পাকা রাঁধুনীকে খাওয়ানো এই একটা ভয়। তটস্থ থাকতে হয়- কখন যে কি বলবে!

শুভ কামনা রইলো।

১৭| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

ভাঙ্গন বলেছেন: হা হা হা
ভাইয়া, আপনি এমন করে কেন বলেন?


আপনি মনের সুন্দর যে দিকটা উম্মোচন করে দিলেন সেটা আমাকে সত্যি আপনার প্রতি আরো কৃতজ্ঞ বানিয়ে দিচ্ছে। এই সম্মানটুকু আপনি আমাকে করেননি, বরং এর মাধ্যমে আপনার বদান্যতাই ফুটে উঠেছে।

..........
আমাকে ভালাবাসেন বলেই আমার অখাদ্য গল্প আর কবিতাগুলো আপনার মনযোগ দিয়ে পড়েন। এবং আমি এত 'বেইল' পাই।


অনেক ভাল থাকবেন!

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৭

কালপুরুষ বলেছেন: এতো বিনয় শিখলে কোথায় বলতো! তবে বিনয়ী না হলে মনে হয় ভাল গল্পকার হওয়া যাযনা। আমিও বিনয়ী হতে চাই। :)

১৮| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: বাদসা ভাই, প্রথমেই বলতে চাই "অপুর্ব"!!! ব্যাক্তি অনুভুতিগুলো এমন সুন্দর করে তুলে এনেছেন-যা ব্লগ সাহিত্যের অংশ হয়ে থাকবে। কি সুন্দর একটা সুখের বহিপ্রকাশ! অমন সুন্দর অনুভুতি আমার মনেও "বিশেষ দিনে" দোলা দেয়-কিন্তু সেই "বিশেষ দিনে" তা প্রকাশ করা হয়না।

+

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৫

কালপুরুষ বলেছেন: বিশেষ দিনের বিশেষ কিছু বিশেষভাবে তুলে ধরাই শ্রেয়। লিখুন, আমরা পড়ে মজা পাই।

ভাল থাকুন। শুভ কামনা রইলো।

১৯| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩

নিলাচল বলেছেন: "ভালবাসা প্রকাশের কিছু নয়, সবই অনুভবের।" ভালো লাগল।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৪

কালপুরুষ বলেছেন: জেনে খুশী হলাম।

২০| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

সকাল রয় বলেছেন:

কবি মনে হলো
রজতটা আপনি নিজেই
---------------------------
লেখাটা কিন্তু দারুন হইছে
----------------------------
পড়তে পড়তে ভালো লাগলো

আহা !! প্রত্যেকটা পুরুষ যদি রজতের মতো হতো যদি এমন ভাবতো
---------------------------------------------------------------

কবি গল্পেও আপনার দক্ষতা দেখে বিস্মিত হচ্ছি....................

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৯

কালপুরুষ বলেছেন: রজত এই গল্পের একটা চরিত্র মাত্র।

ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম।

গল্প লেখার চেষ্টা করেছি মাত্র।

ধন্যবাদ ও শুভ কামনা।

২১| ১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৫

আবদুর রব ১ বলেছেন: ভালবাসার অপর নাম সহনশীলতা, দাম্পত্যপ্রস্থে জেগে থাকে অমলিন...এ কথাই মূর্ত হলো এই গল্পে!

১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪৬

কালপুরুষ বলেছেন: সুন্দর কথা বলেছেন। ধন্যবাদ কবি।

২২| ১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:০১

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
"ভালবাসা প্রকাশের কিছু নয়, সবই অনুভবের। "
রজত স্বাতীকে চোখের সামনে দেখতে পেলাম...........

খুব সুন্দর।
জীবনের গল্প।
শুভেচ্ছা সবসময়কার।




১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৩

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ সাজি।

২৩| ১৭ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: অনেক ভালো লাগল কালপুরুষ'দা।

১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৩

কালপুরুষ বলেছেন: :)

২৪| ১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৮

হানিফ রাশেদীন বলেছেন: দুঃখিত, আমাকে বলতে হচ্ছে, গল্পটি আমার ভাল লাগে নি, তারচে'ও ভয়াবহ কথা হচ্ছে যে গল্পটি পড়ার ধৈর্য আমি ধরে রাখতে পারি নি, গল্পটির শেশ পর্যন্ত পড়তে পারি নি।

আপনার চমৎকার ছড়া, কবিতার সাথে পরিচিত না থাকলে, হয়তো এখানে কমেন্ট করতাম না, করলেও বাঁকা কমেন্ট করতাম, অনেক সিনিয়ারদের (যেহেতু তারা কী লিখে, কেবল তারাই জানে) বেলায় আমি যেমন করি।

শুভ কামনা রইলো। কথা হবে।

আজ নতুন কবিতা পোস্ট করেছি, আমন্ত্রণ রইলো। থন্যবাদ।

১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৩

কালপুরুষ বলেছেন: আমার গল্প লেখার তেমন কোন অভিজ্ঞতা নেই। তবে জীবনের অনেক ঘটনা গল্পের মতোই। সেইগুলোই গল্পের আদলে তুলে ধরার অপচেষ্টা। তবে গল্প লেখার চেষ্টা হয়তো থাকবে। হয়তো কোন গল্প আপনার ভাল লেগেও যেতে পারে।

পড়বো আপনার কবিতা।

২৫| ১৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:২৪

শাফ্‌ক্বাত বলেছেন: এই এক সমস্যা। মেয়েদের রোল কনফ্লিক্ট। লেখাটা এত মনের ভেতরে নাড়া দিয়ে গেল, মনে হলো যেন সব মেয়েই স্বাতি। আবার স্বাতি যখন ওর মায়ের রোলটা নেবে, তখন? তখন কী হবে? রজতের জন্যে তো স্বাতি থাকবেই, স্বাতির জন্যে কি রজত থাকবে তখন? কিংবা তাদের ছেলের বৌয়েরা?
আমাদের দেশে ওল্ড হোমের খুব দরকার। স্বাতির মায়ের তো সামর্থ্য আছে তবে তাঁকে এর বিনিময়ে দেওয়ার মত ওল্ড হোম আমাদের দেশে নেই।

১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১১

কালপুরুষ বলেছেন: মানুষের জীবনটাই সমস্যাবহুল। স্বাতীর মায়ের ভাগ্য ভাল তার অনেকগুলো মেয়ে ছিল কিন্তু স্বাতীর যদি এমন অবস্থা হয় তবে তাকে দেখবে কে? ছেলে ও ছেলের বউয়ের উপর কতটা নির্ভর করতে পারবে? সময় ও পরিবেশ মানুষকে নানা ধরণের পরীক্ষায় ফেলে আর মানুষ তার সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

শুভ কামনা রইলো। ভাল থাকুন।

২৬| ১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৫

স রব বলেছেন: অ সহ্য সুন্দর।+++++

১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২০

কালপুরুষ বলেছেন: :):)

২৭| ১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

মিআমি বলেছেন:
কাল আপনি আমার অন্য লেখা দেখেছেন
কিন্তু আজও এইটা দেখেননি বলে,

Click This Link

১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২১

কালপুরুষ বলেছেন: দেখবো অবশ্যই।

২৮| ১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৯

বিলাস আহমেদ খাঁন বলেছেন: কালপুরুষ দা,

কেমন আছেন? আপনি ব্লগে অনেক জনপ্রিয়। আমি কোরিয়ার ইনহা ইউনিভার্সিটিতে পি এইচ ডি র ছাত্র। এখানে স্কলারশীপ নিয়ে পড়ার সুযোগ আছে। দয়া করে পরিচিতদের জানান। উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশীপ এর সুযোগ। আমরা চাই বেশী করে বাংলাদেশী স্টুডেন্ট এখানে আসুক। কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে ইমেইল করেন। belas728অ্যাটyahoo.com

Click This Link

১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২০

কালপুরুষ বলেছেন: ধন্যবাদ তথ্যের জন্য। আমি আমার পরিচিতদের জানাবো। যদি কারো উপকারে আসে।

ভাল থাকুন। শুভ কামনা রইলো।

২৯| ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৩

এরশাদ বাদশা বলেছেন: +++++++

৩০| ২০ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৯

মুহিব বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.