নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরের বাড়ির পিঠা খাইতে বড়ই মিঠা ।

কিরকুট

আমি মানুষ, আমি বাঙালি। আমার মানবিকতা, আমার সংস্কৃতির উপর আঘাত হানতে চাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাওয়া প্রাণী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ। আমার দেশের উপর আঘাত হানতে চাওয়া প্রাণীদের পালনকারী, প্রশ্রয়দানকারী মাত্রই আমার কাছে পিশাচ, রাক্ষস। হোক সে যে কোনো সাম্প্রদায়িক কিংবা ঢেঁড়স চাষ পরামর্শক।

কিরকুট › বিস্তারিত পোস্টঃ

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

*** জামাত শিবির এর যারা আছেন তারা দয়ে করে প্রবেশ করবেন না ***


বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ এখন আর কেবল একটি দলের ভাগ্যের প্রশ্ন নয় এটি রাজনৈতিক ভারসাম্য, গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং জনমতের গতিপথের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। তারা রাজনীতিতে ফিরবে কি ফিরবে না এই প্রশ্নের উত্তর অনেকাংশেই নির্ভর করছে তাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কৌশলগত দক্ষতা এবং উদ্ভূত বাস্তবতাকে কতটা বিচক্ষণতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারে তার উপর।

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতাঃ ভারসাম্যহীনতার সংকেত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি (centre right) এবং প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে জামায়াতের (far right) উত্থান রাজনৈতিক পরিসরে একধরনের ডানমুখী ভারসাম্যহীনতা তৈরি করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রপন্থী (centrist) দলের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক বিতর্ক ও নীতিনির্ধারণকে একপেশে করে তুলতে পারে। আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিকভাবে centre-left থেকে centrist ধারায় অবস্থান নেওয়া একটি দল হিসেবে এই শূন্যতা পূরণ করতে পারত। আপাতত তাদের বাইরে সমমানের কোনো সংগঠিত শক্তির উত্থান দৃশ্যমান নয়।

পতনের কারণঃ নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক সংকট
আওয়ামী লীগের পতন কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফল নয়; এটি দীর্ঘদিনের জমে থাকা অভিযোগের পরিণতি। বিশেষত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দেশি বিদেশি পর্যবেক্ষকদের প্রশ্ন তাদের রাজনৈতিক বৈধতাকে দুর্বল করেছ। Freedom House, EU Election Observation Mission সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা নির্বাচনগুলোর স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতামূলক চরিত্র নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে তোলার অভিযোগই তাদের পতনের কেন্দ্রীয় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রাজনৈতিক বিজ্ঞানী রবার্ট ডালের “Polyarchy” তত্ত্ব অনুযায়ী, গণতন্ত্র টিকে থাকে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন ও বহুমাত্রিক অংশগ্রহণের উপর। সে মানদণ্ডে প্রশ্ন উঠলে ক্ষমতায় টিকে থাকাও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয় না।

মানবাধিকার ইস্যু ও জনমতের বিচ্যুতি
গণঅভ্যুত্থানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিবর্ষণ, গ্রেপ্তার এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দলটির বিরুদ্ধে তীব্র জনরোষ তৈরি করে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন তাদের ভাবমূর্তিকে আরও সংকটে ফেলে।
ফলে “হাইব্রিড রেজিম” বা নির্বাচনী কাঠামো থাকলেও কার্যত একদলীয় আধিপত্যের অভিযোগ এই বর্ণনাটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। জনমনে তৈরি হওয়া এই ধারণা প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার বনাম সাম্প্রতিক ব্যর্থতা
১৯৪৯ সাল থেকে সক্রিয় আওয়ামী লীগ ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মতো নীতিমালা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার কৃতিত্ব তাদের।
কিন্তু ইতিহাসের গৌরব সমসাময়িক রাজনৈতিক বৈধতার বিকল্প নয়। ১৯৯১-পরবর্তী সময়ে তাদের আদর্শিক অবস্থানের পরিবর্তন, সামাজিক গণতান্ত্রিক থেকে কেন্দ্রপন্থী অবস্থানে রূপান্তর এবং ক্ষমতা ধরে রাখার কৌশলগত কঠোরতা তাদের ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আওয়ামী লীগের কৌশল অনেকাংশে Narrative Framing এর উপর নির্ভরশীল নিজেদের ষড়যন্ত্রের শিকার হিসেবে উপস্থাপন করা। এই ফ্রেমিং দলীয় কোর সমর্থকদের উদ্দীপ্ত করলেও বৃহত্তর জনমতের মধ্যে বিপরীত প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে।
Cognitive Dissonance Theory অনুযায়ী, উন্নয়নের বয়ান এবং রাজনৈতিক পতনের বাস্তবতার দ্বন্দ্ব সামাল দিতে গিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের আশ্রয় নেওয়া দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে। এছাড়া দেশের অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাস্তবতা। ভূরাজনীতিতে ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত একটি দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে এই মনোভাব মোকাবিলায় নতুন কৌশল নিতে হবে।

অনলাইন ছায়াযুদ্ধ বনাম বাস্তব রাজনীতি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতি থাকলেও সেটি বাস্তব রাজনৈতিক সংগঠনের বিকল্প নয়। অ্যালগরিদমিক বাস্তবতা বলছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রাধান্য পাচ্ছে। ফলে কেবল অনলাইন প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক পুনর্বাসন সম্ভব নয়।
রাজনীতিতে ফিরতে হলে তাদের বিকল্প সামাজিক প্ল্যাটফর্ম, নাগরিক উদ্যোগ এবং তৃণমূল সংযোগ পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সান জুর “Indirect Approach অনুসারে, সরাসরি সংঘর্ষ নয় বরং কৌশলগত অভিযোজন ও ধৈর্যশীল পুনর্গঠনই হতে পারে কার্যকর পথ।

সামনে পথ কোনটি?
রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রায়শই ব্যাকস্লাইড তৈরি করে কিন্তু সেটিকে ইতিবাচক রূপান্তরের সুযোগেও পরিণত করা যায়। আওয়ামী লীগের সামনে এখন দুটি পথ:-

১. অতীতের অবস্থানে অনড় থেকে ধীরে ধীরে ইতিহাসের অধ্যায় হয়ে যাওয়া,
অথবা
২. আত্মসমালোচনা, কাঠামোগত সংস্কার এবং নতুন বয়ান নির্মাণের মাধ্যমে পুনর্গঠন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যের জন্য একটি কার্যকর কেন্দ্রপন্থী শক্তির প্রয়োজন রয়েছে এ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু প্রশ্নটি অস্বীকার করা কঠিন। তবে সেই শক্তি হিসেবে ফিরে আসতে হলে আওয়ামী লীগকে অতীতের ভুল স্বীকার, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আস্থা পুনর্গঠন এবং জনসম্পৃক্ততার নতুন ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।

শেষ পর্যন্ত, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া যেমন কোনো অভ্যুত্থান সফল হয় না, তেমনি জনগণের আস্থা ছাড়া কোনো রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনও সম্ভব নয়।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ... ... ...
..............................................................................................
আরো অন্ধকারে থাকুক,
ফাউল করলে শাস্তি পেতে হয় , তাই সাইড লাইনে বসে আছে।
গুম খুনের বিচার হতে হবে, সত্যিকার অর্থে কে দায়ী তা চিহ্নিত
হওয়া আবশ্যক, অতপর ক্ষমা চেয়ে জনগনের সামনে চেহারা দেখাক !

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

কিরকুট বলেছেন: আমাদের সকলকেই ক্ষমা চাইতে হবে । যারা অন্যায়কারী , যারা প্রচয়ারনাকারী, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী সকল কেই ক্ষমা ওয় অপরাধাদের গুরুত্ব বুঝে শাস্তি পেতেই হবে ।

২| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৫

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আম্লিগের ফেরার আরো ধূসর হচ্ছে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২

কিরকুট বলেছেন: এই বিষয়টা যতো প্রচার করবেন ততোবেশি আওয়ামীলীগের প্রত্যাবর্তন সহজ হবে ।

৩| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামি লীগের বুমারস জেনারেশন শেষ ; নতুন জেনারেশন পলিটিক্স বুঝে না । বিএনপির ও বুমারস দের এবারই শেষবার । এরপর নতুন জেনারেশন কতটুকু পলিটিক্স করে দেশকে এগিয়ে নিতে পারে সেটাই এখন দেখার বিষয় ।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩

কিরকুট বলেছেন: নদী মরে গেলেও তার ধারা থেকে যায় । যে নদী যতো বড় তার ধারাও ততো বিশাল ।

৪| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫০

কিরকুট বলেছেন: একটি সুষ্ঠ ভোটের লক্ষন

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৪

কিরকুট বলেছেন: কোথাও ভোট সুষ্ঠ ছিলো না । নিজের চোখেই অনেক কিছু দেখেছি ।

৫| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৭

কাঁউটাল বলেছেন: নৃত্যকলায় পারদর্শী "বাল কুকুরদের" আশাহত হওয়ার সময় শুরু হল। উহাদের পভুপাদ মুদির দেশ ভঁড়ৎ এখন থেকে চাপে থাকবে বলে মনে হচ্ছে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

কিরকুট বলেছেন: নাচুন তবে ধীরে । পরে না পা ভেঙ্গে যায় ।

৬| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

রিফাত হোসেন বলেছেন: প্রলাপ বকতেছেন শুধু!
এর জন্য দায়ী হাসিনা নিজে। উনি দলে নতুনদের তৈরী করেন নাই। করার ইচ্ছা থাকলে আজীবন নিজ দলের সভাপতি, একই প্রধানমন্ত্রী থাকতেন না। এখন lead দিবে কে? সোহেল তাজকে পর্যন্ত বিতাড়িত করেছে opponent মনে করে, এমন অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। উদাহরণ মুখ্য নয়। উনি মনে করেছিলেন হয়ত এভাবেই চলবে দল শত শত বছর!
এটা বাস্তবতা।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

কিরকুট বলেছেন: সোহেল তাজ কে আপনার দায়িত্বশীল মনে হয় ?

৭| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: একজন হার্ডকোর আওয়ামি সাপোর্টার হিসাবে আপনার পোস্টটা ভাল লেগেছে। সত্য বলতে কি এই ধরনের পোস্ট কোন আওয়ামি সাপোর্টারকে আজতক লিখতে দেখিনি। জনরোষের মুখে পুরো একটা কেবিনেট পালিয়ে যাবার পরেও কোণ লীগ সমর্থককে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ও জবাবদিহিতার ধার কাছ দিয়ে যেতে দেখা যায়নি। উল্টো পুর্বের ন্যায় ভয় ভীতি প্রশর্নের রাজনীতি করতেই দেখা গেছে দলটিকে। একটা পুরো প্রজন্ম যে মৃত্যূ্ভয়কে অতিক্রম করে ফেলেছে , সেটা অনুধাবন করতেই সক্ষম হয়নি দলটা। ব্যক্তিগতভাবে আমার ধারনা এই দেশে দূবৃত্তায়নের রাজনীতি ধীরে ধীরে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে। কারেন্ট লীগকে ফিরতে হলে সবচেয়ে আগে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬

কিরকুট বলেছেন: বিচারের মুখমুখি সকলকেই হতে হবে ।

৮| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: জামাত শিবিরকে মন্তব্য করার সুযোগ দেন।
ওদের আহবান জানান।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৮

কিরকুট বলেছেন: না, এরা মুল কথার থেকে ল্যাদায় বেশি।

৯| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: জামাতের এখন আশা, তারা দুই বছরের মধ্যে বিএনপিকে ফেলে দিবে। তারপর মাঠ ফাকা। তখন তারা সরকার গঠন করবে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩০

কিরকুট বলেছেন: জামাত আর এনসিপি( জামাতের পোষ্য ছাগল) মিলা এই আনন্দে বাগল বাজাচ্ছে।

১০| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৪

মাথা পাগলা বলেছেন: জুলাই সনদ মানে রাজাকারদের সনদ। ভারতের বন্ধু যেমন হাসিনা, সংবাদ পড়ে মনে হচ্ছে ঠিক তেমনি তারেকও ভারতের বন্ধু। বাংলাদেশের ইতিহাসে ভারত/আমেরিকার হস্তক্ষেপ ছাড়া রাজনীতি ক্ষমতার চেঞ্জ হয় নাই। বিএনপি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই লীগের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, আর জাশি-রাজাকারদের গর্তে ঢোকার দিনও শুরু হতে যাচ্ছে। কারন বাইডেন প্রশাসন নাই, আবার ভারত বা আমেরিকা টেরোরিস্ট গ্রুপ পছন্দ করে না। (সেইম কমেন্ট আর এক জায়গায় করেছি)


১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৭

কিরকুট বলেছেন: আওয়ামী লীগ যদি তাদের দ্বারা কৃত ভুল সংশোধন করে আসতে পারে তবেই সাধারণ মানুষ সাদরে মেনে নেবে।

১১| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৪

মাথা পাগলা বলেছেন: কার কি দোষ-গুন সেদিকে যাচ্ছি না। তবে জনগনের ইচ্ছায় বাংলাদেশে কখনো কিছু হয় নাই। দিন শেষে ঐ আম্রিকা-ভারতই সব কিছু ঠিক করে দেয়। বাইডেনের সাথে গ্যাঞ্জাম না হলে আজকে হাসিনাই ক্ষমতায় থাকতো।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৪

কিরকুট বলেছেন: হ্যা এইটা সত্য, আমেরিকার আবদার গুলা মেনে নিলে হাসিনার কিচ্ছু হতো না।

ইউনুস যেভাবে সব ছেড়ে দিছে তাতে বাংলাদেশের খবর আছে।

১২| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭

কোলড বলেছেন: "লেখক বলেছেন: হ্যা এইটা সত্য, আমেরিকার আবদার গুলা মেনে নিলে হাসিনার কিচ্ছু হতো না।"

Wish international relation works in so binary manner! Are you even college educated?

If you finished your high school/university during the previous admin then your comment makes sense. We all know the quality of education in that era.

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

কিরকুট বলেছেন: International relations বাইনারি না, এই কথা বলেই আপনি নিজেই বিষয়টা বাইনারি করে ফেললেন। কারণ আপনি যুক্তির জবাব না দিয়ে সরাসরি শিক্ষার মান আর ব্যক্তিগত যোগ্যতায় চলে গেলেন। এটাকেই বলে intellectual bankruptcy।

কেউ যদি বলে বড় শক্তির চাপ মানলে রাজনৈতিক ফল ভিন্ন হতে পারত, এটা একটা রাজনৈতিক অবস্থান। এটা নিয়ে পাল্টা যুক্তি দেওয়া যায় কোন চাপে, কোন ইস্যুতে, কীভাবে কাজ করত এসব বিশ্লেষণ করা যায়। কিন্তু আপনি সেটা না করে ‘তুমি কোন আমলে পড়াশোনা করেছো’ টাইপ সস্তা মন্তব্য করলেন।

যারা বিতর্কে যুক্তি খুঁজে পায় না, তারাই সাধারণত অন্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ইতিহাস খুলে দেখুন ছোট রাষ্ট্রগুলো সুপারপাওয়ারের সঙ্গে সমঝোতা করে টিকে থেকেছে, আবার অস্বীকার করে মূল্যও দিয়েছে।

So before questioning someone’s education, maybe try demonstrating your own.

১৩| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:১৬

আমি নই বলেছেন: শেষ পর্যন্ত, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া যেমন কোনো অভ্যুত্থান সফল হয় না, তেমনি জনগণের আস্থা ছাড়া কোনো রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনও সম্ভব নয়।

এই লাইনটার জন্য পোষ্টে +, কিন্তু মনে হয়না লীগের এই লাইনটা বোঝার ক্ষমতা আছে। তারা ধরেই নিয়েছে বাংলাদেশ শাষন করার একমাত্র দাবীদার তারাই।

দেশের জনগন যাকে চাইবে সেই ক্ষমতায় আসবে, এইটা যেদিন ওদের মাথায় ঢুকবে সেদিন হানাহানি অর্ধেক কমে যাবে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪১

কিরকুট বলেছেন: আদলে ওই লাইনটাই সকল আলোচনার মুল কথা। এতো এতো বক্তিতা, টক শো সবই ব্যার্থ হবে যদি ওই এক লাইন কে অস্বীকার করা হয়।

১৪| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪২

ক্লোন রাফা বলেছেন: ভালো আত্মসমালোচনামূলক লেখা। অনেক বিষয় টেনে এনে ব‍্যার্থতার হিসেব করতে চাওয়া ভালো। আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর অকার্যকর ছিলো দল হিসেবে। সরকার দুটো ছিলো শংকর প্রজাতির। নিবেদিত প্রাণ অধিকাংশ নেতা, কর্মী স্বেচ্ছায় নির্বাসনে কিংবা বাঁধ‍্য হয়ে দুরে ছিলো।
এখানে দলের সাধারণ নেতা কর্মীদের বিন্দুমাত্র দায় নেই। তাই দল হিসেবে আওয়ামিলীগের তেমন কোনো ভূমিকাই ছিলোনা।
সরকার , হাইব্রিড নেতা, আর দল বেচে খাওয়া টাউট, বাটপার আর লুঙ্গির নিচে লুকিয়ে থাকা রাজাকার, আলবদর , লালবদর এরাই আসল ক্রিমিনাল ॥ খোঁজ নিয়ে দেখুন গত ১৬ বছর এবং গত ১৮ মাস যারা লুটপাট করেছে তারা একই প্রজাতির। শুধু খোলস পাল্টে বিপ্লবী সেজে আছে।

আমার চাওয়া ছিলো অন্তত পক্ষে ২/৩,জন দুর্নীতিবাজের ফাঁসি আর রাজকার পুরো প্রজন্মের নো মার্সি। সাপ’কে দয়া করুনা যা করা হোক সে ছোবল দিবেই। কঠোরতম হোতে হবে বাংলাদেশ পরিচালনা করতে গেলে।৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করে মুসলিমের শত্রু বলে গণ্য হয় এই দেশে। অথচ সরাসরি শিরক করে বেহেস্তের বিক্রেতারা হয়ে যায় ইসলামের পাহারাদার। দূরনীতির চ‍্যাম্পিয়নরা হয় দেশপ্রেমিক। বাংলাদেশের সৃষ্টি করা দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ আর বিরোধীতাকারি দল হয় রাজনীতির নিয়ন্ত্রক। ভাবুন এই দেশ পরিচালনার জন্য কতটা ধূর্ত হওয়া দরকার।শেখ হাসিনা ভুল করেছেন , ভুল মানুষ’কে বিশ্বাস করেছেন। ভুল যায়গায় ভুল মানুষ বসিয়েছেন। একজন সুদখোর, ক্রিমিনাল ঔপনিবেশিক অপশক্তির দালাল’কে জেলে না রেখে অযথা সন্মান দেখিয়েছেন।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৭

কিরকুট বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আবেগ আছে, ক্ষোভ আছে এবং কিছু বাস্তব প্রশ্নও আছে। তবে কয়েকটা বিষয় আলাদা করে দেখা দরকার।
প্রথমত, দল অকার্যকর ছিল, তাই সাধারণ নেতাকর্মীদের কোনো দায় নেই এই বক্তব্যটা পুরোপুরি গ্রহণ করা কঠিন।

একটি রাজনৈতিক দল কেবল সরকার নয় দলীয় কাঠামো, নীতি, অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি সব মিলিয়েই তার চরিত্র নির্ধারিত হয়। যদি সরকার হাইব্রিড হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই দল কি সেটিকে চ্যালেঞ্জ করেছে, নাকি নীরবে মেনে নিয়েছে? সম্পূর্ণ দায়মুক্তি যেমন অন্যায়, তেমনি সব দায় তৃণমূলের ঘাড়ে চাপানোও অন্যায়।

দ্বিতীয়ত, একই প্রজাতির লোক খোলস পাল্টে লুটপাট করেছে এটা বাংলাদেশের রাজনীতির একটা বড় সংকটের কথাই বলে। দলভিত্তিক নয়, ক্ষমতাভিত্তিক রাজনীতি। কিন্তু তার সমাধান ফাঁসি বা নো মার্সি নীতিতে নয়। কঠোর আইন দরকার কিন্তু আইনের শাসন মানে প্রক্রিয়া, প্রমাণ ও বিচার। প্রতিশোধের রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদে আরেক দফা প্রতিহিংসার চক্র তৈরি করে।

তৃতীয়ত, ধর্মীয় প্রতীক বনাম রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্ন, মসজিদ নির্মাণ করলেই কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধর্মবন্ধু বা ধর্মশত্রু হয়ে যায় না। রাষ্ট্র পরিচালনার মানদণ্ড ধর্মীয় অবকাঠামো নয়, বরং ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি। একইভাবে শিরক, রাজাকার, এই লেবেলগুলো খুব দ্রুত ব্যবহৃত হলে রাজনৈতিক আলোচনাটা নীতিগত বিশ্লেষণ থেকে সরে গিয়ে আবেগী মেরুকরণে আটকে যায়।

চতুর্থত, কঠোর হতে হবে এটা সত্য, কিন্তু কঠোরতা আর কর্তৃত্ববাদ এক জিনিস নয়। বাংলাদেশে বারবার দেখা গেছে, ‘শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা’র নামে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত উল্টো ফল দিয়েছে। টেকসই স্থিতিশীলতা আসে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি থেকে, ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃঢ়তা থেকে নয়।

সবশেষে, শেখ হাসিনা ভুল করেছেন এই স্বীকারোক্তি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভুল যদি কাঠামোগত হয় (কেন্দ্রীকরণ, অকার্যকর নির্বাচন, দলীয় ভেতরে গণতন্ত্রের অভাব), তাহলে সেটাকে কেবল ভুল মানুষকে বিশ্বাস বলে সীমাবদ্ধ করলে বিশ্লেষণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
বাংলাদেশের সমস্যা ব্যক্তি বনাম ব্যক্তি নয়; কাঠামো বনাম কাঠামোর। ব্যক্তি বদলালেই যদি সংস্কৃতি না বদলায়, তাহলে “খোলস পাল্টানো একই প্রজাতি” কথাটা বারবার সত্যি হয়ে যাবে।

আবেগ থাকুক কিন্তু সমাধানটা হোক নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক। তাহলেই রাজনৈতিক পুনর্গঠন বাস্তবসম্মত হবে।

১৫| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪১

কিরকুট বলেছেন: আপাতত শান্ত আছে মন্তব্যকারীরা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.