নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলো –অন্ধকারে যাই- মাথার ভিতরে স্বপ্ন নয়,- কোন এক বোধ কাজ করে! স্বপ্ন নয়- শান্তি নয়-ভালোবাসা নয়, হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়! আমি তারে পারি না এড়াতে, সে আমার হাত রাখে হাতে; সব কাজ তুচ্ছ হয়,-পণ্ড মনে হয়। -জীবনানন্দ দাশ

কুশন

আমার জন্ম ফরিদপুরের সালতা গ্রামে। বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী। আমার বাবা একজন কৃষক। বাবার সাথে বহুদিন অন্যের জমিতে কাজ করেছি।

কুশন › বিস্তারিত পোস্টঃ

জয়িতা ক্যাফে

১৮ ই জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৫৯



১। বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যে, চার্লস ডারউইনই প্রথম বিবর্তনবাদের তত্ত্ব উপস্থাপন করেন, যা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ, পর্যবেণ ও অনুসন্ধানের উপর প্রতিষ্ঠিত। আসলে, সত্যি কথা হলো যে- ডারউইন এর মূল প্রবক্তা নন এবং এই মতবাদ কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণে উপ প্রতিষ্ঠিত নয়।

২। আমাদের দেশে একজন বীর পুরুষ ছিলেন, উনার নাম ঈসা খাঁ। মোগল সম্রাটদের মধ্যে সব চাইতে কির্তীমান বলে যাকে ধরা হয় সেই জালালউদ্দীন আকবর বশ্যতা স্বীকার করে খাঁজনা দিতে আদেশ দিলেন ঈসা খাঁ-কে। বরাবরই স্বাধীনচেতা বাংলার নেতা ঈসা খাঁ সেই আদেশে সাড়া তো দিলেনই না উল্টা যুদ্ধ ঘোষণা বসলেন। ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে উঠলেন সম্রাট আকবর।

বাংলার নেতাকে শায়েস্তা করার জন্য আকবর পাঠালেন তার সর্বাধিক বিশ্বাসভাজন রাজপুত সেনাপতি মানসিংহকে। বাংলার মানুষও লেজ গুটিয়ে পালানোর নয়, বীরের বেশে অস্ত্র ধারণ করে প্রতিরোধ গড়ে তুললো ঈসা খাঁ-র নেতৃত্বে।
শেষে তারা দুইজন আর যুদ্ধ করেন নি। দু'জন মিলে আপোষ করে ফেলেন। সত্যিই বীর সেইই যে নিরস্ত্র, অসহায়, দুর্বলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেনা। আর কাপুরুষ সেইই যে সুযোগ পেলেই নিরস্ত্র, অসহায়, দুর্বলের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।

৩। সে অনেকদিন আগের কথা, এক দেশে বাস করত এক রসায়নবিদ। সে ছিল অসম্ভব সুন্দর। সে এতটাই সুন্দর ছিল যে, তার সৌন্দর্য দেখতে আকাশের পরীরা নেমে আসতো পৃথিবীতে। সে যখন স্নান করত নদীতে- মৎস্যকুমারীরা তার চারপাশে খেলা করত আর তাকে ছুঁয়ে ধন্য হত। শুধু রসায়নশাস্ত্রে নয়, তলোয়ার বিদ্যাতেও তার পারদর্শিতা ছিল। দেশ বিদেশের সুন্দরী রাজকুমারীরা প্রস্তাব পাঠাত তাকে বিয়ে করার জন্য। তবে সব প্রস্তাবই ফেরত যেত, কেননা রসায়নবিদের এসব দিকে খেয়াল নেই। সে তার গবেষণা নিয়েই ব্যস্ত থাকত রাত-দিন।

৪। নিশির বাসার কাছেই জয়িতা ক্যাপে। আমরা জয়িতাতে বসতাম। দুই কাপ চা নিয়ে এক ঘণ্টা বসে থাকতাম। আমাদের মধ্যে কোন কথা হতো না। শুধু চেয়ে থাকতাম। চায়ে চুমুক দিতে ভুলে যেতাম। সময় যে কত দ্রুত চলে যেত। নিশির সাথে আমার বিয়ে হয়নি। কোন যোগাযোগ নেই। কিন্তু তেরো বছর পর আজ নিশিকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.