![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার জন্ম ফরিদপুরের সালতা গ্রামে। বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী। আমার বাবা একজন কৃষক। বাবার সাথে বহুদিন অন্যের জমিতে কাজ করেছি।
'লিভ এনাদার ডে
ক্লাইম্ব এ লিটল হাইয়ার
ফাইনড এনাদার রিজন টু ষ্টে
ইউ ওনট ফাইনড ইট হিয়ার
লুক এনাদার ওয়ে
সো ট্রাই এনাদার ডে....
কয়েক বছর আগের। একদিন মধ্য দুপুরবেলা আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম- শাহবাগ জাতীয় যাদু ঘরের সামনে। চারিদিকে স্বচ্ছ কাঁচের মতো রোদ উঠেছে! একটা সিগারেট ধরিয়ে ভাবছি কোথায় যাবো? হঠাৎ দেখি রাস্তার ওপার থেকে একজন পুলিশ জীপ গাড়ি থেকে নেমে আমাকে ডাকছে। আমাকে পুলিশ ডাকবে কেন! আমি ভালো করে তাকিয়ে দেখি আমাকেই ডাকছে। আমি বুঝতে পারলাম না আমাকে কেন ডাকছে! আমার নামে তো কোনো মামলা নেই। আমি পুলিশের ডাকে সাড়া না দিয়ে সমানে সিগারেট টেনে যাচ্ছি। প্রচন্ড রোদ কিন্তু বাতাস আছে। বাতাসে আমার চুল উড়ছে।
রাস্তা পার হয়ে দুজন পুলিশ এসে আমাকে ধরে নিয়ে গেল, তাদের জীপ গাড়ির সামনে। গাড়িতে বসে আছে দু'জন পুলিশ অফিসার আর একজন ম্যাজিস্ট্যাট। ম্যাজিস্ট্যাট আমায় খুব সুন্দর করে বললো- (তখন আমার হাতের সিগারেট শেষের দিকে)- জনসমক্ষে ধুমপান করার জন্য আপনার ৫০ টাকা জরিমানা হয়েছে। অন্যথায় ৭ দিনের জন্য কারাদন্ড। বাহ! বাংলাদেশ তো ভালো উন্নতি করেছে। এটা অবশ্যই ভালো একটা দিক। এই কাজটা সব সময় অব্যহত রাখা দরকার। তবে ৫০ টাকা জরিমানা খুবই কম হয়ে যায়। জরিমানা করা উচিত ৫ শ' টাকা। যে ৫ শ' টাকা দিতে পারবে না। সে সাত দিনের জন্য জেলে যাবে।
আমি হাসতে হাসতে প্যাকেট থেকে ম্যানিব্যাগ বের করে ৫০ টাকা দিয়ে দিলাম। ম্যাজিস্ট্যাট আমার হাতে বিরক্ত ভঙ্গিতে একটি রশিদ ধরিয়ে দিলেন। সরকার এই নিয়ম কবে করলো কে জানে! তারপর সুমির কথা ভাবতে ভাবতে আজিজ এ গেলাম। আড্ডা দিব আজ। সন্ধ্যায় আজিজ মার্কেট থেকে বের হয়ে সিএনজি নিলাম তাজমহল রোড যাবো- মেজ চাচার বাসায়। সিএনজির জন্য অপেক্ষা করছি। হঠাৎ দেখি একটা ম্যানিব্যাগ পড়ে আছে। ম্যানিব্যাগে ১৩ হাজার টাকা! টাকা গুলো ২ বার ভালো করে গুনে দেখলাম। ১৩ হাজার টাকা'ই। ২৬ টা ৫০০ টাকার নোট। ম্যানিব্যাগে একটা আইডি কার্ড পেলাম। আইডি কার্ড দেখে বুঝলাম কার ম্যানিব্যাগ। (সংগত কারনে তার নাম আপনাদের জানালাম না।) আমি সাথে সাথেই তাকে ফোন করলাম কিন্তু আমার পরিচয় দিলাম না।
ভদ্রলোক কে ফোন করে বললাম- আমি আপনার ম্যানিব্যাগ পেয়েছি, আপনি কোথায় আছেন বলুন। আমি এখনি আপনার ম্যানিব্যাগ নিয়ে আসছি। ভদ্রলোক আমাকে কঠিন ভাবে বললেন- তুই কি হাজী মোহাম্মদ মহসিন? যা ভাগ! আমাকে আর ফোন করবি না। ম্যানিব্যাগ আমার লাগবে না। তুই যা খুশি কর টাকা দিয়ে। বারে যা, ইয়াবা খা। বেশ্যার সাথে সময় কাটা। খবরদার আমাকে আর ফোন করবি না, এই বলে ফোন কেটে দিলেন। আমার খুব রাগ লাগলো। আমি তার ম্যানিব্যাগ ছুড়ে রাস্তায় ফেলে দিলাম।
©somewhere in net ltd.