নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

Guns অথবা Butter: বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ লুকিয়ে আছে কেবল একটিমাত্র প্রশ্নে !

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৮


তারেক রহমান যেদিন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন, সেদিন একটু কৌতূহল হয়েছিল শুনবো বলে। উনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে তেমন উচ্ছ্বসিত ছিলাম না সত্যি বলতে, কিন্তু ভাবলাম দেখা যাক জাতির জন্য কোনো দিকনির্দেশনা আছে কিনা উনার কথায়। আশ্চর্যজনকভাবে তিনি অতীতের পুরোনো ক্ষত নিয়ে খুব একটা সময় নষ্ট করলেন না। বরং বর্তমানের সমস্যাগুলো নিয়েই বেশি কথা বললেন। একটা কথা বিশেষভাবে মনে ধরল, যখন বললেন "আমরা সবাই নিরাপদে বসবাস করতে চাই"।

এই নিরাপত্তার ধারণাটা নিয়ে আসলে আমাদের দেশে বেশ মজার একটা পারসেপশন কাজ করে। ব্লগার রাজীব নুরের মতো অনেকেই বলেন, বিগত সরকারের আমলে তো আমার কিছু হয়নি, যারা দেশের ক্ষতি করতে চেয়েছিল শুধু তাদেরই শাস্তি হয়েছে। কিন্তু তারেক রহমান যখন সবার নিরাপত্তার কথা বললেন, সেটা আলাদা একটা মাত্রা পেল। তিনি প্রতিবন্ধীদের কথাও বললেন, যারা প্রায় চল্লিশ লাখ মানুষ এই দেশে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তবে বেকারত্ব নিয়ে তেমন কিছু শুনলাম না। হয়তো তার আই হ্যাভ এ প্ল্যান এর ভেতরেই লুকিয়ে আছে সেই উত্তর।

ইন্টেরিম সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর বিষয়টা যেন একটা জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনার সশস্ত্র বাহিনীকে ২০৩০ সালের মধ্যে আধুনিকায়ন করার যে প্লান ছিল, তার সাথে এখন নতুন কিছু পরিকল্পনা যুক্ত হয়েছে। ইউটিউবাররা প্রায় প্রতিদিনই এসব নিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন। সবার একটাই কথা, বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতেই হবে। যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে সুপার পাওয়ারগুলো যেভাবে ছোট দেশগুলো দখলের ফন্দি আঁটছে, তাতে নিশ্চিন্তে বসে থাকার কোনো উপায় নেই। ভারত আর মিয়ানমার যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি করে ফেলতে পারে। তাই আমাদের যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে সব আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কিনতে হবে। জাপান, জার্মানি সবাই তো প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াচ্ছে, আর আমরা দিনে দিনে পিছিয়ে পড়ছি।

ইন্টেরিম সরকারের মনোভাবও ঠিক এরকমই মনে হচ্ছে। তাই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে টাইফুন কিনছে, চায়না থেকে জে-টেন ফাইটার কিনছে, এখন আবার পাকিস্তানের কাছ থেকে জেএফ থান্ডার কেনার আলোচনা চলছে। এছাড়া চায়নার সাহায্যে ৬৮০ কোটি টাকা খরচ করে ড্রোন কারখানা বসানো হচ্ছে। তুরস্কের সাথে সম্পর্ক ভালো হওয়ায় তারাও বাংলাদেশে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি করতে বেশ আগ্রহী। কিছুদিন আগে দেখলাম সবচেয়ে কম দরে তুরস্ক থেকে শটগান কেনা হয়েছে। এসব লেনদেনে যারা মধ্যস্থতা করে, তারা বেশ ভালো কমিশন পায় বলে শোনা যায়। আবেগতাড়িত বাংলাদেশি ভুয়া জাতীয়তাবাদীদের প্রচারণায় খুশিতে আটখানা, মনে করছে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের সামরিক বাজেট বাড়িয়ে আসলে লাভটা কতটুকু?

এই দেশের একটা বিশাল অংশ এখন তরুণ। বিগত সরকার ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেনি। ২০১৪ সালের পর থেকে পশ্চিমাদের বিনিয়োগ ক্রমেই কমতে শুরু করে। চায়না থেকে বিশাল অঙ্কের ঋণ নেওয়ার কারণে সেই ঘাটতি তখন চোখে পড়েনি। এদিকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মেগা প্রজেক্টের নামে সহজ সরল বাঙালিকে টুপি পরিয়ে রাখা হয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ব্যাংক থেকে সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকজন ব্যবসা সম্প্রসারণের নামে হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। আইটি সেক্টরে নামকাওয়াস্তে বিনিয়োগ হয়েছে, কিন্তু সেটা কেবল নিজেদের আখের গোছানোর কাজেই ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো মানসম্মত হোয়াইট কলার চাকরি তৈরি হয়নি।

বিগত ষোলো বছরে সেই ৪০ বছরের পুরোনো গার্মেন্টস আর প্রবাসী রেমিট্যান্স ছাড়া ডলার আয়ের আর কোনো নতুন উৎস সৃষ্টি হয়নি। ফ্রিলান্সিং থেকে কিছু ডলার আসলেও সেটা পর্যাপ্ত নয়। ফলে একটা বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী এখন ছোটখাটো ব্যবসা করে, ফুড কার্ট চালিয়ে কোনোমতে দিন পার করছে। কাজ করে খেতে হলে ঢাকায় আসতেই হয়। সব নাগরিক সুবিধা আর আয়ের সুযোগ নির্ভর করে ঢাকার উপর। এতে করে ঢাকার পরিবেশ ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরটা এখন বসবাসের অযোগ্য একটা মেগাসিটি ট্র্যাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বেকারত্ব আর উন্নত জীবনের আশায় মানুষ এখন অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে আগের চেয়ে অনেক বেশি। এসব দক্ষতাহীন মানুষ অবৈধভাবে গিয়ে বিদেশে বাংলাদেশের সম্মান নষ্ট করছে। ইংরেজি জানার প্রমাণ হিসেবে নকল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে আরও বড় ক্ষতি করছে। এতে করে যারা আসলেই মেধাবী শিক্ষার্থী, তাদের জন্য বিশ্বের দরজা ক্রমশ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপে বাংলাদেশিদের জন্য সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। সারা বিশ্বে এখন ডানপন্থীদের উত্থান হচ্ছে, উন্নত দেশের মানুষ উন্নয়নশীল দেশ থেকে আসা মানুষদের নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। ইউরোপে অপরাধ আর উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশিদের জড়িত থাকার কারণে এই নেতিবাচক ধারণা আরও বেড়ে গেছে।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে বাংলাদেশের তরুণদের অংশগ্রহণ, পাকিস্তানে টিটিপির সাথে যুক্ত হওয়া, এসব ঘটনা বাংলাদেশের সম্মান ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। এদিকে আমেরিকার ট্রাম্পের শুল্কের ঝড়ে পুরো বিশ্ব ব্যবস্থা তোলপাড় হয়ে গেছে। অন্যান্য দেশ তাদের উপর শুল্ক কমানোর জন্য নেগোসিয়েশন করার সুযোগ পেলেও বাংলাদেশের জন্য সেই সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। ফলে আমরা আমাদের গার্মেন্টস শিল্পকে বিপদে ফেলে দিয়েছি।

বাংলাদেশের সামনে আরও বড় একটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন। সেই সময় এখন দ্রুত এগিয়ে আসছে। ইউরোপ আর আমেরিকা শুল্ক সুবিধা কমিয়ে দেওয়ার কথা বলছে, কিন্তু আমাদের হাতে কোনো নতুন রপ্তানি খাত নেই। পণ্য বৈচিত্র্যকরণ নেই। তাই কোনো সুযোগই আমরা ধরতে পারছি না। সীমাহীন লুটপাট আর ডলার সংকটের কারণে এলএনজি আর এলপিজি গ্যাসের সংকট গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলপিজি গ্যাসের সংকটের কারণে ছোট ফুড কার্ট ব্যবসায়ী আর রেস্তোরাঁর মালিকরা তাদের ব্যবসা বন্ধ করার মুখে দাঁড়িয়ে গেছে। এসব সমস্যা দিন যত যাচ্ছে ততই বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত, তাই মানব সম্পদের সঠিক ব্যবহার না করতে পারলে দেশের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। তখন বিশাল সামরিক সক্ষমতা আর মনে সুখ দেবে না। এর প্রভাব সমাজ থেকে শুরু করে পরিবার পর্যন্ত পৌঁছাবে। জনঅসন্তোষ বাড়বে, ঘন ঘন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হবে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যেই এসব বিষয় নিয়ে তেমন কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে না। বরং তারা ইন্টেরিম সরকারের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর প্রতি সমর্থনই বেশি দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ অনেক কথাই বলবে, কিন্তু রাজনৈতিক দল যদি পপুলিস্ট চিন্তাভাবনা করে তাহলে দেশের মূল সমস্যা সমাধান তো হবেই না, উল্টো মানুষ উন্নত জীবনের আশায় অবৈধভাবে বিদেশে পাড়ি দিতে গিয়ে জীবন হারাবে। জালিয়াতি করে বিদেশে যাওয়ার কারণে একসময় ইউরোপ আর আমেরিকায় যাওয়ার পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। ডলার সংকটে শিল্পকারখানা গড়ে না উঠলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না, যার ফলে বাইরের শত্রুর চেয়ে নিজ দেশেই শত্রুর সংখ্যা বেড়ে যাবে। ঘন ঘন রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশকে বিনিয়োগের অযোগ্য করে তুলবে। তখন প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে আর কী লাভ হবে? মানুষ যদি পেটে ভাত না পায়, যদি কাজ না থাকে, যদি ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখে, তাহলে কামানের গর্জন শুনে কি তারা শান্তি পাবে?

এই প্রশ্নটাই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গানস নাকি বাটার? অস্ত্র নাকি রুটি? নিরাপত্তা নাকি সমৃদ্ধি? এই দ্বন্দ্বটা কিন্তু নতুন নয়, পুরো বিশ্ব এই টানাপোড়েনে ভুগেছে। কিন্তু যেসব দেশ উন্নত হয়েছে, তারা জেনেছে যে মানুষই আসল সম্পদ। যে দেশ তার মানুষকে দক্ষ করতে পারে, শিক্ষিত করতে পারে, কর্মসংস্থান দিতে পারে, সেই দেশের প্রতিরক্ষা নিজে থেকেই শক্তিশালী হয়। কারণ একটা সমৃদ্ধ দেশকে রক্ষা করার জন্য মানুষ লড়বে, কিন্তু একটা দরিদ্র দেশে কামান কিনে রাখলেই তো হবে না, সেই কামান চালাবে কে? যে তরুণ খেতে পায় না, যার ভবিষ্যৎ নেই, সে কেন লড়বে? বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই প্রশ্নের উত্তরের উপর। আমরা কি আমাদের তরুণদের কাজ দেব, নাকি তাদের হাতে বন্দুক তুলে দেব? আমরা কি কারখানা গড়ব, নাকি ট্যাংক কিনব? আমরা কি স্কুল বানাব, নাকি যুদ্ধবিমান আনব? এই সিদ্ধান্ত এখনই নিতে হবে, কারণ সময় ফুরিয়ে আসছে ।

যে দেশ তার তরুণদের আইটি সেক্টরে লিডার বানাতে পারে না, যে দেশ তার বেকারদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেই দেশ যদি হাজার কোটি টাকায় আকাশসীমা পাহারা দেওয়ার স্বপ্ন দেখে—তবে সেটা হবে একটি সুসজ্জিত কিন্তু অন্তঃসারশূন্য দুর্গ। মনে রাখতে হবে, সোভিয়েত ইউনিয়ন পারমাণবিক বোমায় সমৃদ্ধ ছিল, কিন্তু তাদের পতন হয়েছিল রুটির লাইনে দাঁড়ানো ক্ষুধার্ত মানুষের ক্ষোভ থেকে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের জানালা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের ধাক্কা খাওয়ার আগে, পুরো প্রজন্ম হতাশায় ডুবে যাওয়ার আগে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাংলাদেশ কি বেছে নেবে গানস, নাকি বাটার? এই প্রশ্নের উত্তরই ঠিক করে দেবে আমাদের আগামীর গল্প।




মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৩২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানুষই আসল সম্পদ।
............................................................
এর অবস্হান সঠিক না হলে
গানস নাকি বাটার? এর ফরমূলা কাজে আসবে না ।
বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র কেনার অর্থ হলো
রাজনৈতিক চাপ সমন্বয় করা ।
আমাদের আধুনিক অস্ত্র নেই , আধুনিক প্রযুক্তি ও নাই
পৃথিবী প্রতিদিন আপডেট হচ্ছে তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে ।
উদাহরন তো চোখের সামনে , ইরানের এত এত অস্ত্র থাকার পরও আমেরিকার বিমান
আটকাতে পারে নাই । হয়তো এবার পারবে,
রাশিয়া সেই প্রযুক্তি দিয়েছে ।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইরানের তেল আছে। বাংলাদেশের কি আছে?

২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৬

রাসেল বলেছেন: প্রতিরক্ষার নানা দিকই উঠে এসেছে আলোচনা-চক্রে, কিন্তু মীরজাফরদের চরিত্রে কোনো আলো ফেলেননি।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মীর জাফর কারা?

৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



খোলা দেখলে মনে হবে নতুন করে Forces Goal 2030 এর মত প্রকল্প বাংলাদেশকে ত্রিমাত্রিক প্রতিরক্ষা
ক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করলে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে ।

বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা পারিপার্শ্বিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে বিশেষত যখন বার্মা, ভারত পাকিস্তান অঞ্চলে
উত্তেজনা বিরামহীন। এসব ভূ রাজনৈতিক চাপ দেশকে সামরিক সক্ষমতায় মনোনিবেশ করতে উদ্বুদ্ধ করছে
সেই সাথে এই পোস্টে বলা এবংবিধ কিছু স্বার্থ জড়িত থাকাও অস্বাভাবিক নয় ।

তবে দেশের আর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সামরিক ও সামাজিক ব্যয়ের ভারসাম্য রাখা অপরিহার্য, কারণ
শুধুমাত্র অস্ত্রে বিনিয়োগ করলে জনগণের মৌলিক জীবনমান উন্নত হবে না; আবার শুধুমাত্র সামাজিক খাতই
উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে না যদি নিরাপত্তা থাকে দুর্বল।

তাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু Guns-এ অথবা শুধুমাত্র Butter -এ নিহিত নেই। উভয়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট
ভারসাম্য তৈরি করাই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত রাস্তা।সামরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করবে দেশের নিরাপত্তা ও
স্থিতিশীলতা অপরদিকে সামাজিক খাতে বিনিয়োগ করবে মানুষের কল্যাণ, উৎপাদনশীলতা ও
মানবসম্পদ উন্নয়ন এই দুইয়ের সমন্বিত পন্থাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সুদৃঢ়, স্বনির্ভর ও
উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠনে সর্বোত্তম।

শুভেচ্ছা রইল

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যদি জনশক্তিকে মানবসম্পদে রূপান্তর না করায় অর্থ ব্যয় করেন তবে দেশের ভিতর যে ভাঙন দেখা যাবে সেটা বাইরের শত্রুর চেয়ে বড়ো মাথাব্যথার কারণ হয়ে যাবে।

প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে গিয়ে স্বাস্থ্য কিংবা শিক্ষাকে অবহেলা করা যাবে না।

৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: আমার নাম উচ্চারণ করেছন!!
আমাকে কি বিপদে ফেলতে চান?

আপনি অনেক রকম ভুলের মধ্যে আছেন। তবে আপনি চালাক মানুষ।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার নিজের অবস্থান ঠিক আছে? আপনি আপনার উস্তাদের সাথে শাইয়ান সাহেবের তুলনা করেন। একই কথা আমি বললে আপনার উস্তাদ রাগ হন।

৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: আমার মনে হয় না প্রশ্নটা খুব কঠিন। অস্ত্র কেনার চেয়ে দারিদ্র্য বিমোচন যে বেশি জরুরি, এটা যেকোনো সুস্থ মানুষই স্বীকার করবেন।

পাকিস্তান বা তুরস্ক থেকে যুদ্ধবিমান বা অস্ত্র কেনা সম্পূর্ণভাবে রাজাকার-আলবদরদের ভূরাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয়। বিষয়গুলো দেখে মনে ভয় হয় যে, এবার জংগীদের ক্ষমতায় যাবার খুব সম্ভাবনা আছে। ইউসুফ বাহিনী সেভাবেই ষড়যন্ত্র করছে বলে মনে হয়।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভুয়া জাতীয়তাবাদের আড়ালে বাংলাদেশের বারোটা বাজানোর পায়তারা চলছে ।

৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬

কিরকুট বলেছেন: নির্বাচনের শীত নিদ্রায় আছে নাকি তারেক রহমান । তার কি ধারনা লোকজন বিনা পা ধরায় তারে ভোট দিয়ে যাবে?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারেক সাহেব প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গ্যারান্টি পেয়েই দেশে এয়েছেন জনাব কিরকুট । যদি বিরোধী দলের নেতা হতেন তাহলে শেখ হাসিনার আমলেই তা হতে পারতো । :-B

৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪

কাঁউটাল বলেছেন: পভুপাদ মুদির দেশ ভঁড়ৎের থেকে কয় টাকা খেয়েছেন? বংগদেশকে গানস কিনতে দেখলে বাটারের কথা মনে হয় কেন? ব্রেডের বদলে বাটার খাইতে মনে চায়?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারত আমাকে টাকায় পেমেন্ট করার কথা না, ডলারে দেওয়ার কথা। পাকিস্তান আপনাকে কত দিয়েছে বলুন তো? ডলারে তো দিতে পারার কথা না - ভিখারি দেশ যে! ভুয়া জাতীয়তাবাদের চশমা খুলে চোখ দুইটা ভালো করে মেলে ধরে দেশ-মানুষের প্রকৃত অবস্থা বোঝার চেষ্টা করেন।

৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮

কাঁউটাল বলেছেন: ভঁড়ৎ আপনাকে ডলারে পেমেন্ট করে নাকি? হেহ, রুপিতে করার কথা। এনি ওয়েজ আপনি যে একজন ছুপা হাউয়ামী, পাকিস্তানের কথা টেনে আনায় সেটার লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি যে একজন ছুপা গামাতি কথায় বুঝা যায় শুরু থেকেই । আপনি হলেন সে নিক যে সচিব মোখলেসুর কে বেকসুর খালাস সারটিফিকেট দিয়েছেন । পরে দেখা যায় বিএনপির দাবির মুখে উহাকে বদলি করা হয় । পরজীবী মনোভাব বাদ দিয়ে খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসেন জনাব। যে হাওয়ামি হাওয়ামি করছেন তাদের কথাও লিখেছি এখানে ।

৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১১

কাঁউটাল বলেছেন: এছাড়াও, হাউয়ামী ছুপারা একসময় বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর দরকার কি - এই ধরণের প্রশ্ন করত। উহাদের পভুপাদ ভঁড়ৎ সামান্য পরিমানে োয়ামারা খাক ইহা উহারা সহ্য করতে পারত না। এইজন্য বাংলাদেশের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির কথা আসলেই উহারা অর্থনীতি দেখিতে পাইত। আপনি উহাদেরই উত্তরসুরী আরকি।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভুয়া জাতীয়তাবাদি চশমা খুলে দেশের কথা ভাবেন । আপনার কথার টোনেই বুঝা যায় পাকি মিলিটারিদের উত্তরসুরী হওয়ার খোয়াইশ জেগেছে । আমি তিন ধরণের ফাইটার জেট কেনার বিরোধিতা করেছি। পারলে তিনটি project দেখান যেখানে বেকারদের নিয়ে সরকার কোনো project হাতে নিয়েছে।

সরকার ফাইটার জেট কিনলে আমার কোনো problem নেই । তবে অগ্রাধিকার থাকবে তরুণদের নিয়ে যাতে কাজ করে । যাতে বাংলাদেশের মানুষ সমমানের সাথে বাচতে পারে। সোশাল ওয়েলফেয়ার কোনো ভুয়া জাতীয়তাবাদির বুঝা কথা না ।

১০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

উহা কা*টা*/কুকরা/ মেঠো** জাশি রাজাকারের আওলাদ ও ব্লগের বট বাহিনীর কমান্ডার ঢাবি**র মাল্টি। উহা জাশি এখন পুত্র কিংস পার্টির লেবাস ধরে ব্লগিং এ করছে। ছবির দেওয়া জাশি কুকুরের মতো বটের স্বভাব চরিত্র।

এই চার বটের ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে মন্তব্যের সারমর্ম "নৌকা আর ধানের শীষ দুই সাপের এক বিষ", মেরি আব্বু পাকিস্তান।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কাউটাল/মেঠোপথ/ঢাবিয়ান শুরু থেকেই আমাকে ভারতের দালাল বলে। পরে কাউটাল কিছুটা চুপ মেরে যান । আওয়ামী লীগের blogger গণ আমাকে ইউনুসেক্সসুয়াল বলেছে । এগুলো নতুন কিছু নয় । কারণ যারা দালাল তাদের দালাল tag দিলে গায়ে লাগে কিনতু আমি তো কারো দালাল নই । :)

অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে।

১১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

ব্লগার তথা বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ দলকানা বা অন্ধভক্ত।‌ ভিন্নমত বা একটি ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কেন করেছে তার গভীরে যেয়ে চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা কম।‌ এজন্য হুমায়ূন আজাদ কে খুন হতে হয়; তসলিমা নাসরিন কে দেশ ছাড়তে হয়। শেখ হাসিনার ৮০০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে ব্লগারদের এতো হাওকাও তালপাখা হুজুরের ১৮৭ ভরি নিয়ে একটি পোষ্ট দেখেছেন? কারন পক্ষপাতদুষ্ট দলকানা, ধর্মীয় লেবাসধারী বাটপার এরা.......

২। মিয়ানমার সীমান্তে একটি বাচ্চাকে সম্ভবত গুলি করা হয়েছে! দেশের সার্বভৌমত্ব বা এই বিষয়ে কোন কেচ্যাল শুনেছেন? কারন গুলিটি ভারত করা হয়নী? এই দেশের কোন গোষ্ঠী ভারতীয় আধিপত্যবাদ ঠেকুর তুলে ক্ষমতায় যেতে চায় তা সবাই জানে?

যে দেশ তার তরুণদের আইটি সেক্টরে লিডার বানাতে পারে না, যে দেশ তার বেকারদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেই দেশ যদি হাজার কোটি টাকায় আকাশসীমা পাহারা দেওয়ার স্বপ্ন দেখে—তবে সেটা হবে একটি সুসজ্জিত কিন্তু অন্তঃসারশূন্য দুর্গ। ইউরোফাইটার ক্রয় করার সময় এটি নিয়ে পোষ্ট করেছিলাম। দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার সমস্যা সমাধানে কোন উদ্যোগ নেই কিন্তু অস্ত্র কিনতে হবে ভারত দখল করতে হবে, সেভেনে সিস্টারস দখল করতে হবে!! দেশের একটা অংশের মানুষের ভিতরে ইসলামাইজেশনের ভুত ঠুকে গেছে। লন্ডনে পড়তে যেয়ে ৩ রমনী নিয়ে ফুর্তি করা এক ভাই ও মাজায় জোড় কমে যাওয়ার পর এখন শরিয়া আইন চায়....... :p

ব্লগের রাজনীতিক আলাপ সবসময় ভালো লাগে না। আমি শান্তিপ্রিয় মানুষ,তাই একটু বিরতিতে ছিলাম।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এই বছর সীমান্তে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে। এই বছর ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছ্র। এরা ভারত বিরোধিতার নামে ভুয়া জাতীয়তাবাদের চর্চা করে আর সবাই এদের সাথে সহমত ভাই বলবে এমন প্রত্যাশা করে।

১২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হা ভোট দিবেন কিনতু ।

১৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

কাঁউটাল বলেছেন: আপনাদের পভুপাদ সহ ৩৯ আসামির বিচার শুরুর আদেশ

বহুল আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতন জাগরণ মঞ্চের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত রাষ্ট্রপক্ষকে সাক্ষীদের পর্যায়ক্রমে হাজির করে সাক্ষ্যগ্রহণেরও আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার সকালে হাজতে থাকা চিন্ময়সহ ২৩ জনের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক মোট ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

এ সময় ট্রাইব্যুনালে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ২৩ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। মামলার অপর ১৬ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

আসামিরা হলেন-চন্দন দাশ মেথর, রিপন দাশ, রাজীব ভট্টাচার্য্য, শুভ কান্তি দাশ, আমান দাশ, বুঞ্জা, রনব, বিধান, বিকাশ, রমিত প্রকাশ দাস, রুমিত দাস, নয়ন দাশ, ওমকার দাশ, বিশাল, লালা দাশ, সামীর, সোহেল দাশ, শিব কুমার, বিগলাল, পরাশ, গণেশ, ওম দাস, পপি, অজয়, দেবী চরণ, দেব, জয়, লালা মেথর, দুর্লভ দাস, সুমিত দাশ, সনু দাস, সকু দাস, ভাজন, আশিক, শাহিত, শিবা দাস ও দ্বীপ দাস।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৭,১৪৮, ১৪৯, ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় আনা অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বাদীপক্ষের আইনজীবী কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ জানান, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন আদালত। আসামিদের অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে নামঞ্জুর করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর এ আদেশ আদালত দিয়েছেন।

২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ খুন হন। এ ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

২০২৫ সালের ১ জুন আলিফ হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন সিএমপির কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

গত ২৫ আগস্ট তৎকালীন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি শেষে সুকান্ত দত্তসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছিলেন আদালত। ৩১ জনকে আসামি করে মামলার এজাহার দায়ের করা হলেও এজাহারনামীয় গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে নতুন করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছিল।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভুয়া জাতী্য়তাবাদের চশমা চোখে পড়ে নিজে দেশের পুটু নিজেই মারেন । ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.