নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামায়াতে ইসলামী ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে ছিল না

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০২


জামায়াতে ইসলামীকে আমি এখন নতুন চোখে দেখি। মানুষ ভুল করতেই পারে, ইতিহাসে ছোটখাটো কিছু ভুল তো সবারই থাকে। যেমন ধরুন, একটা দেশের জন্মের বিরোধিতা করা, সেটাকে ভেঙে দিতে চাওয়া, বা সেই দেশের ভাষা ও সংস্কৃতিকে সন্দেহের চোখে দেখা। এগুলো আসলে যৌবনের আবেগ, রাজনৈতিক হরমোনের সমস্যা। বয়স বাড়লে মানুষ যেমন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনে, তেমনি দলও নিজেদের অতীত নিয়ন্ত্রণে আনে। তাই যখন দেখি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত চান, তখন মনে হয়, ইতিহাস সত্যিই ক্ষমাশীল, বিশেষত যখন ইতিহাস লেখার সুযোগ হাতের কাছে থাকে।

একই দৃশ্যের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তারেক রহমান। তাঁকে দেখে আমার আরও আশা জাগে। কারণ ইতিহাসে আমরা জানি, জাতীয় প্রতীকের অর্থ সময়ের সঙ্গে evolve করে। একসময় শহীদ মিনারে শুধু ফুল দেওয়া হতো, এখন সেখানে দোয়া হচ্ছে। এটাকে আমি সাংস্কৃতিক আপগ্রেড বলি। ফুল তো নীরব জিনিস, কিন্তু দোয়া শব্দ করে। ফলে শহীদরা হয়তো এখন পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছেন যে রাজনীতির মঞ্চে তাঁদের নাম কতটা দরকারি।

আমাদের secular সমাজের পরিপক্কতাও আমাকে মুগ্ধ করে। একসময় তারা খুবই অপরিণত ছিল। যেমন ধরুন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যখন ভাষা দিবসে শহীদ মিনারে দোয়া ও জেয়াফত ঢোকানোর চেষ্টা করেছিলেন, তখন তারা অকারণে হৈচৈ করেছিল। রাস্তায় নেমে পড়েছিল, বিবৃতি দিয়েছিল, প্রতীকের চরিত্র নিয়ে তর্ক করেছিল। কী ভয়ানক অস্থিরতা! এখন তারা অনেক mature। এখন তারা বোঝে, ইতিহাসকে বাধা দেওয়া উচিত নয়, ইতিহাস নিজেই ধীরে ধীরে নিজের অর্থ বদলায়। তাই এবার তারা চুপ থেকেছে, নীরবতা দিয়ে তারা প্রমাণ করেছে, ভুল থেকে শেখার ক্ষমতা জাতির আছে।

আমি কখনো কখনো কল্পনা করি, ১৯৭১ সালে যারা ভাষা, সংস্কৃতি, স্বাধীনতার ধারণাকে বিপজ্জনক বলে মনে করেছিল, তারা আজ সেই ভাষার শহীদদের জন্য মাগফেরাত চাইছে। এটা নিঃস্বার্থ বিবেকের জাগরণ, যে জাগরণ কাকতালীয়ভাবে সবসময় নির্বাচনী মৌসুমে আসে, ঠিক যেমন আম আসে বৈশাখে।

সবচেয়ে ভালো লাগে secular দের নীরব সমর্থন। তারা এবার বুঝেছে, প্রতীকের পাহারা দিয়ে লাভ নেই, প্রতীক নিজেই তার মালিক খুঁজে নেয়। একসময় তারা ভাবত শহীদ মিনার সবার। এখন তারা দেখছে, "সবার" মানে আসলে "যাদের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।" এই উপলব্ধি খুব উচ্চস্তরের রাজনৈতিক জ্ঞান। তাই তারা আর রাস্তায় নামে না, বরং ইতিহাসের স্বাভাবিক গতিকে সম্মান জানিয়ে সোফায় বসে থাকে। এটাকে আমি জাতির পরিণত বয়সের লক্ষণ বলি।

ফেব্রুয়ারির আকাশ থেকে হয়তো রফিক, জব্বার, বরকত, সালামরা সব দেখছেন। তাঁরা নিশ্চয়ই স্বস্তি পাচ্ছেন যে তাঁদের স্মৃতি এখন অনেক বেশি কার্যকর, শুধু ফুলে নয়, বক্তৃতায়, দোয়ায়, এবং ক্ষমতার রাজনীতির সূক্ষ্ম হিসাবেও তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। একটা স্বপ্ন যখন এতভাবে ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে, তখন বুঝতে হয় সেটি সত্যিই সফল হয়েছে।

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২২

আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: জামায়াতে ইসলামী এর প্রয়াত সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম ভাষা সৈনিক ছিলেন বলে শোনা যায়। আরেকটি বিষয় হলো আগে শহীদ মিনারকে ইসলামী সংগঠনগুলো মুর্তিতূল্যতথা শেরেক গণ্য করতো। এখন কী সেই অবস্থান থেকে সরে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে !

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামায়াত এখন ইসলামিক সেকুলার দলের মতো আচরন করছে ।

২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানুষ ভূল করতে পারে,
কিন্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে ভূলকে সেই লেভেলে
নিয়ে মাফ করা যায়না ।

......................................................................
রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের জন্য , ভোল পাল্টানো
দূরবর্তী বিপদ সংকেত দেয় ।
প্রস্ততি না থাকলে, বাড়ীঘর সহ জীবন হানির সম্ভাবনা আছে ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রাজার নীতি হলো রাজনীতি !

৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩

নতুন বলেছেন: জামাতে ইসলাম সহ অন্য ইসলামী দলগুলি এখন শহীদ মিনারে দাড়িয়ে দোয়া করছে।

তারা ক্ষমতায় এলে পাশে প্যান্ডেল টাংঙ্গিয়ে মিলাদ পড়বে। এরা ফুল সরিয়ে দোয়া করাকে জায়েজ দেখাচ্চে।

কিছুদিন পরে তাবারক নিয়ে ক্যাচাল হবে আর অন্য খানে মিলাদের স্থান পাল্টাবে।

জনগনকে এই সব প্রতীক থেকে দুরে নিয়ে যাবে।

জামাতীরা গুটি গুটি পায় এগিয়ে যাচ্ছে। B-))

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভাষা সৈনিক গোলাম আযম : লও লও লও সালাম।

৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯

সপ্তম৮৪ বলেছেন: সারাজীবন পশ্চিমের গোলামী করে ইউনুস শেষ জীবনে করে গেলেন জামাতের গোলামী।
সারাজীবন আল্লাহর গোলামী করে যাওয়া হেফাজত , চরমোনাই , হানাফী, সালাফি সবাই এক যোগে করে গেলেন ইউনূসের গোলামী।


অতয়েব সেকুলারদর উচিত এখন এদের থেকে শিক্ষা নিয়ে এক ধর্মের গোলামী শিকার করে নেওয়া।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সেকু দের উচিত জামায়াতে যোগ দেয়া ।

৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩

রাসেল বলেছেন: রাজনীতির ময়দানে একজন অন্যজনকে হারাবে। এক্ষেত্রে গুটি হলো রাজাকার, ১৯৭১ ইত্যাদি; আদর্শগত দিকথেকে সবাই এক।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আদর্শগত দিকথেকে সবাই এক।

পাবলিক এদের চিনে কিনতু চুপ থাকে ।

৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৫

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: আপনার স্যাটায়ার লেখার হাত দুর্দান্ত। অল্পকথায় গুছিয়ে এতোগুলো দিক কাভার করলেন, পড়ে কাত হয়ে গেলাম।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জনাব কাত হলে হবে না ; সোজা হয়ে লেখা পড়তে হবে ।

৭| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ভাই পোস্টের লেখাটি ছোট তবে মন্তব্য আমি বরাবরের মত এম এ আলী স্টাইলেই দিব । চাঁদ গাজীর নজরে
না পড়লেই হয়।

মনযোগী পাঠে মনে হল আপনার এ লেখাটি ইতিহাস, রাজনীতি, সামাজিক মানসিকতা এবং প্রতীকের পরিবর্তিত
অর্থ এই চারটি প্রধান স্তম্ভকে কেন্দ্র করে একটি সুন্দর পর্যবেক্ষণধর্মী বিশ্লেষণ। ব্যক্তিগত অনুভূতির মাধ্যমে শুরু
করলেও পুরো আলোচনাটি ধীরে ধীরে একটি বৃহত্তর সামাজিক বাস্তবতার মূল্যায়নে রূপ নিয়েছে, যেখানে অতীত
ও বর্তমানের সম্পর্ককে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রথমত, লেখাটিতে রাজনৈতিক সংগঠন ও মতাদর্শকে স্থির বা অপরিবর্তনীয় হিসেবে না দেখে সময়ের সঙ্গে
পরিবর্তনশীল একটি সামাজিক সত্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনি দেখাতে চেয়েছেন যে ইতিহাসে
ভুল বা বিতর্ক থাকলেও পরবর্তী সময়ে ব্যক্তি বা সংগঠন নিজেদের অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করতে পারে। এই
দৃষ্টিভঙ্গি ইতিহাসকে শাস্তিমূলক নয়, বরং শিক্ষণীয় ও বিবর্তনশীল একটি প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করে।

দ্বিতীয়ত, শহীদ মিনারকে কেন্দ্র করে আলোচনায় প্রতীকের অর্থ পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণভাবে উঠে এসেছে।
আপনি যুক্তি দিয়েছেন যে জাতীয় প্রতীকসমূহ সময়ের সঙ্গে নতুন অর্থ গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন মতাদর্শিক গোষ্ঠী
ধীরে ধীরে সেই প্রতীকের অন্তর্ভুক্তিতে অংশ নেয়। ফুল দেওয়া থেকে দোয়া করার রূপান্তরকে আপনি সাংস্কৃতিক
অভিযোজন বা সাংস্কৃতিক আপডেট হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা সামাজিক সমন্বয়ের একটি ইঙ্গিত বহন করে।

তৃতীয়ত, লেখাটিতে তথাকথিত সেক্যুলার সমাজের মানসিক পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা করেছেন। অতীতে
প্রতিক্রিয়াশীল আচরণ, প্রতিবাদ বা প্রতীকের মালিকানা নিয়ে সংঘাতের বিপরীতে বর্তমানের নীরব গ্রহণ
যোগ্যতাকে আপনি সামাজিক পরিপক্বতার লক্ষণ হিসেবে দেখেছেন। এখানে আপনার মূল বক্তব্য যথা
ইতিহাসকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা নয়, বরং ইতিহাসের স্বাভাবিক গতিকে মেনে নেওয়ার মধ্যেই সমাজের
পরিণত বোধ প্রকাশ পাওয়ার ধারণাটি বেশ প্রনিধান যোগ্য ।

চতুর্থত, লেখায় রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি সূক্ষ্ম সমালোচনাও করেছেন দেখে ভাল লাগল। নির্বাচনকেন্দ্রিক
সময়ে বিবেকের জাগরণ বা অবস্থান পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে আপনি ভাল একটি ইঙ্গিত করেছেন যে রাজনৈতিক
অবস্থান অনেক সময় আদর্শের চেয়ে বাস্তব পরিস্থিতির দ্বারা প্রভাবিত হয়। এখানেও ভাল লাগল যে এটিকে
সম্পূর্ণ নেতিবাচকভাবে দেখেননি; বরং এটিকে সামাজিক অভিযোজনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

পোস্টের লেখাটি সামগ্রিকভাবে জাতীয় স্মৃতি ও প্রতীকের ওপর মালিকানাবোধের পরিবর্তনের কথা তুলে ধরেছে।
ভাল কথা বলেছেন, কোনো প্রতীক একক গোষ্ঠীর নয়; বরং সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী সমাজের বিভিন্ন অংশ
সেটিকে নতুনভাবে গ্রহণ করে। এই উপলব্ধিকে জাতির পরিণত বয়সের লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করার দিকটিউ
সুন্দর হয়েছে।

সার্বিকভাবে লেখাটির মুল সুর তথা ইতিহাসকে সংঘাতের অস্ত্র না বানিয়ে সংলাপ, পরিবর্তন ও পারস্পরিক
স্বীকৃতির মাধ্যমে সমাজ এগিয়ে যেতে পারে ধারনাটি একটি গঠনমুলক পরিবর্তনের দারুন ঈঙ্গিত বহন করে।
এটি রাজনৈতিক অবস্থানের সরাসরি সমর্থন বা বিরোধিতা নয়; বরং সামাজিক মানসিকতার বিবর্তন নিয়ে
একটি সময়োপযোগী পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিফলন।

ভাল সময়োপযোগী একটি পোস্ট পরিবেশনের জন্য ধন্যবাদ।

শুভেচ্ছা রইল

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। গাজী সাব কে নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

৮| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০০

শ্রাবণধারা বলেছেন: জামাতের এই কাজগুলো বেশ আগ্রহজনক। তবে খুব যে বেশি আগ্রহজনক তাও নয়! :) এগুলো করে তারা সেক্যুলার বাঙালি সংস্কৃতি ওয়ালাদের নিজেদের দিকে টানতে চাইছে।

তবে তারা শহীদ মিনারে দাঁড়িয়ে দোয়া পড়লে সেক্যুলারদের নীরবে দেখা ছাড়া আর কী করার ছিল বলে আপনি মনে করেন, জনাব? :)

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তাদের উচিত দলে দলে জামায়াতে যোগ দেয়া । :)

৯| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: ভাষা আন্দোলনের সময় জামাত ছিলো না।
যখন ছাত্ররা শহীদ মিনারে আন্দোলন করছিলো, হুজুরেরা তখন মসজিদে নামাজ পড়ছিলো।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নামাজ পড়া ফরজ কাজ।

১০| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৮

নাহল তরকারি বলেছেন: কেমন আছেন?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:০৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আলহামদুলিললাহ ভালো আছি ।

১১| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:০৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভালো । আপনি কেমন আছেন ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.