| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ ভুলে মুসলিম দেশগুলো বুঝি এবার এক হয়ে যাচ্ছে। কেউ নিরাপত্তা দেবে, কেউ প্রযুক্তি দেবে, কেউ অর্থ দেবে, আর সবাই মিলে মুসলিম বিশ্বের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনবে।
প্রথমে মক্কা চুক্তি। ২০২৬ সালের ৭ই আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সৌদি আরবের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিন দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, অভিন্ন স্বার্থ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। চুক্তির মূল কথা, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
সহজ ভাষায়, সৌদি আরব আক্রান্ত হলে পাকিস্তান ও তুরস্কের ভূমিকা কী হবে, কিংবা পাকিস্তান বা তুরস্ক আক্রান্ত হলে অন্যরা কীভাবে পাশে দাঁড়াবে, সেটিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা । চুক্তিটি শুধু ধর্মীয় ভ্রাতৃত্বের ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়; এর পেছনে রয়েছে নিরাপত্তা, সামরিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রভাবের হিসাব। ২০২৬ সালের অক্টোবরেও চুক্তিটির বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা চলছিল। তুরস্কের সংসদে অনুমোদনের প্রক্রিয়া সামনে আসা এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ এই চুক্তিকে আবার আলোচনায় নিয়ে আসে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের সামনে বড় প্রশ্ন হলো, নিজের নিরাপত্তার জন্য কতটা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করা যায়। দীর্ঘদিনের মার্কিন মিত্র হওয়া সত্ত্বেও ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা সহযোগিতা যে নিঃশর্ত নয়, তা সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহেই স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী, কিন্তু একই সঙ্গে দেশটিকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকেও ঠেলে দিচ্ছে।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে ট্রাম্প প্রশাসন সৌদির বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতাকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়া, অর্থাৎ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তের সঙ্গে যুক্ত করে। অথচ সৌদি আরবের ঘোষিত অবস্থান হলো, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিশ্বাসযোগ্য পথ ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে সৌদির নিরাপত্তা চাহিদা আর যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর আঞ্চলিক লক্ষ্য সব সময় এক জায়গায় মিলছে না।
এই বাস্তবতায় সৌদি আরব বিকল্প নিরাপত্তা অংশীদারত্বও শক্তিশালী করতে চাইছে। পাকিস্তানের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক রয়েছে, আর তুরস্কের রয়েছে ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা শিল্প ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের আকাঙ্ক্ষা। তিন দেশের স্বার্থের মিল থেকেই মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কৌশলগত গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। তবে চুক্তিটিকে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে দেখাও ঠিক হবে না; বরং এটি সৌদি আরবের নিরাপত্তা নির্ভরতা বহুমুখী করার এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা। এই নতুন ঐক্য কতটা বাস্তব নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, আর কতটা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও আঞ্চলিক ক্ষমতার হিসাব মেলানোর আয়োজন হয়ে থাকবে?
এখানে ধর্মীয় পরিচয়ের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তিনটি দেশই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাদের মধ্যে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ধর্মীয় পরিচয় থাকলেই সব স্বার্থ এক হয়ে যায় না। স্বার্থের মিল থাকলে দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করে, আর সেই সহযোগিতাকে জনগণের সামনে উপস্থাপন করার জন্য পরিচিত ইতিহাস ও আবেগও কাজে লাগতে পারে।
এরপর আসে বদর সমঝোতা। ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর কাতারের রাজধানী দোহায় তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বদর নামে একটি বহুপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে দেশগুলোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থাগুলো যুক্ত ছিল। ঘোষিত লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং অংশীদার দেশগুলোর সক্ষমতাকে একত্র করে নতুন প্রতিরক্ষা প্রকল্প গড়ে তোলা।
মক্কা ও বদরের পার্থক্যটা পরিষ্কার করা দরকার। মক্কা চুক্তির কেন্দ্রে রয়েছে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি। অন্যদিকে, বদর সমঝোতার কেন্দ্রে রয়েছে প্রতিরক্ষা শিল্পের সহযোগিতা। একটিতে প্রশ্ন, বিপদের সময় কে কার পাশে দাঁড়াবে। অন্যটিতে প্রশ্ন, অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি তৈরিতে কে কাকে কীভাবে সাহায্য করবে। অর্থাৎ, একদিকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা, অন্যদিকে সেই নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরির ব্যবস্থা। বিষয়টি এমন নয় যে একটি চুক্তি ভালো আর অন্যটি খারাপ। বরং দুটি উদ্যোগের বাস্তব লক্ষ্য বুঝলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর স্বার্থ বোঝা সহজ হয়।
সৌদি আরবের অর্থ আছে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আছে এবং আধুনিক সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। পাকিস্তানের রয়েছে বড় সেনাবাহিনী, পারমাণবিক অস্ত্র ও দীর্ঘ সামরিক অভিজ্ঞতা। তুরস্কের রয়েছে নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প, ন্যাটোর সদস্যপদ এবং অস্ত্র রপ্তানির উচ্চাকাঙ্ক্ষা। কাতারের হাতে বিনিয়োগের অর্থ রয়েছে, আর ইন্দোনেশিয়ার রয়েছে বড় বাজার ও নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার আগ্রহ। ফলে এই দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার যথেষ্ট বাস্তব কারণ রয়েছে ।
তুরস্কের জন্য বদর সমঝোতা বেশ আকর্ষণীয় হতে পারে। দেশটি ড্রোন, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধজাহাজসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম তৈরি ও রপ্তানি করছে। নতুন অংশীদার পাওয়া মানে নতুন বাজার, আর নতুন বাজার মানে আরও উৎপাদন, বিনিয়োগ ও রপ্তানির সম্ভাবনা। যৌথ উৎপাদনের মাধ্যমে সত্যিকার প্রযুক্তি হস্তান্তর ঘটলে অংশীদার দেশগুলোও লাভবান হতে পারে।
পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন আসে। দেশটি সামরিক শক্তিধর হলেও আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চীনের ওপর তার উল্লেখযোগ্য নির্ভরতা রয়েছে। জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান চীনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি। আরও বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের গভীর সহযোগিতা রয়েছে।
অর্থাৎ, পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার আলাপ করতে গেলে চীনের নাম বাদ দেওয়া যায় না। তবে বিদেশি সহযোগিতা নেওয়া কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। পৃথিবীর বহু দেশ যৌথভাবে অস্ত্র তৈরি করে। সমস্যা তখনই, যখন বিদেশি প্রযুক্তির সহায়তায় গড়ে ওঠা সক্ষমতাকে এমনভাবে প্রচার করা হয়, যেন সব প্রযুক্তিই নিজের আবিষ্কার।
বদর সমঝোতায় পাকিস্তান নিজের কারখানা, দক্ষ জনবল, সামরিক অভিজ্ঞতা ও উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারে। চীনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত সম্পর্কও ভবিষ্যতের কিছু প্রকল্পে ভূমিকা রাখতে পারে। বিদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি সরঞ্জাম যৌথভাবে উৎপাদন, সংযোজন কিংবা রপ্তানির সুযোগ তৈরি হওয়াও আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ব্যবসায় অস্বাভাবিক নয়। তাই এই সমঝোতার আওতায় পাকিস্তান চীনা প্রযুক্তির অস্ত্র বিক্রি করবে, এমন পরিকল্পনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
ধর্মীয় নামকরণের বিষয়টিও এখানে কম আকর্ষণীয় নয়। আধুনিক প্রতিরক্ষা শিল্পের চুক্তির নাম বদর। আরেকটি প্রতিরক্ষা চুক্তির নাম মক্কা। নামগুলো শুনলেই ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক আবহ তৈরি হয়। অথচ একটি চুক্তির কাজ অস্ত্র উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গবেষণা, অন্যটির কাজ সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার। এগুলোর নাম প্রযুক্তি, নিরাপত্তা বা প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু দিয়েও রাখা যেত। কিন্তু ধর্মীয় ইতিহাসের নাম ব্যবহার করলে বাড়তি আবেগ তৈরি হয়।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানকে নিয়ে গঠিত জিসিসির ছয়টি দেশ অনেক আগে থেকেই নিরাপত্তা সহযোগিতা করে আসছে। তাদের যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামোও রয়েছে। তাহলে নতুন করে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের আলাদা মক্কা চুক্তির প্রয়োজন কেন? আর কাতার কেন সেই চুক্তিতে না থেকে বদর সমঝোতায় যোগ দিল?
এর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো, দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য রয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তার অগ্রাধিকারও এক নয়। অতীতে কাতারের সঙ্গে সৌদি আরব ও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের গুরুতর বিরোধ হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার পর কাতার হয়তো এমন কোনো সামরিক অঙ্গীকারে যুক্ত হতে চায় না, যা ভবিষ্যতে তার কূটনৈতিক স্বাধীনতা সীমিত করতে পারে।
ছয়টি আরব দেশ যদি নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি একমত হতো, তাহলে তাদের বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব ছিল। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি দেশ নিজেদের মতো করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে। কেউ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করছে, কেউ ব্রিটেনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে, কেউ তুরস্কের সঙ্গে নতুন চুক্তি করছে, আবার কেউ নিজের অর্থ দিয়ে নতুন অস্ত্র কিনছে।
তাহলে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কোথায়? সম্ভবত ঐক্য আছে সম্মেলনের মঞ্চে, যৌথ বিবৃতিতে এবং চুক্তির নামের মধ্যে। কিন্তু বাস্তব ঐক্য যাচাই করতে হলে দেখতে হবে, বিপদের সময় কে কী সহায়তা দেয়, কোন দেশ কতটা ঝুঁকি নেয়, আর কে শুধু নিজের স্বার্থের জায়গাটি ঠিক রাখে।
মুসলিম দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করায় আপত্তির কিছু নেই। বরং প্রযুক্তি, শিক্ষা, বাণিজ্য ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানো দরকার। কিন্তু সেই সহযোগিতাকে ধর্মীয় আবেগের মোড়কে উপস্থাপন করলেই তা বৃহত্তর ঐক্যে পরিণত হয় না। ছয়টি আরব দেশ নিজেদের মধ্যে পুরোপুরি সমন্বয় করতে না পারলে, কাতার ও সৌদি আরবের স্বার্থে পার্থক্য থাকলে, আর প্রতিটি দেশ আলাদা আলাদা নিরাপত্তা চুক্তি করলে, শুধু বদর ও মক্কার নাম দিয়ে ঐক্যের প্রমাণ দেওয়া কঠিন।
শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চুক্তির নাম যতই ঐতিহাসিক হোক, তার মূল্য নির্ধারণ করে বাস্তবে কি ঘটছে তার উপর । নামের মধ্যে বদর থাকতে পারে, চুক্তির মধ্যে মক্কা থাকতে পারে, বক্তব্যে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব থাকতে পারে। কিন্তু বিপদের সময় মিত্রের পাশে দাঁড়ানোর প্রশ্ন এলে ধর্মীয় আবেগ নয়, রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তই শেষ কথা বলে। ঐক্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ চুক্তির নাম নয়। ঐক্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো, প্রয়োজনের সময় কে সত্যিই পাশে দাঁড়ায়।
ফটোকার্ড ক্রেডিট : এআই দাদু
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক আছে বদ্দা ।
২|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৩৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
সৌদিরা তৌহিদী জনতার একাংশকে ট্রেনিং দিয়ে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে রেখে দিতে পারে।
তাঁদের লিড দিবে আরব জাতীয়তাবাদের কমান্ডার মুফতি কাজী ইব্রাহীম....
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মুফতি ইব্রাহীমের মতো হুজুর বাংলাদেশে জন্ম নিতে পারে ইহা ভাবলেই পুলকিত হয়ে উঠি । লোকটা একটা কঠিন জিনিস । এভেরুস নামে একটা ধর্মীয় ইংরেজি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন ।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ভালো পোস্ট, কালকে পড়বো।