| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঠিক কত টাকা হলে এই রকম একটা ধ্বংস্তূপ থেকে সকল মানুষকে সম্ভাব্য জীবিত বা মৃত উদ্ধার করা সম্ভব? ঠিক কত জন মানুষ দরকার তাদের উদ্ধার করতে? ঠিক কি কি দরকার এই পরিস্থিতি মোটামুটিভাবে সামাল দিতে? সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, বিজিবি, পুলিশ, র্যা ব বলতে গেলে ডিফেন্সের সকলকেই ওখানে ইনভল্ভ করা হল। কিন্তু টিভিতে যা দেখলাম তাতে বুঝলাম যে সাধারণ জনগণই বেশিরভাগ কাজ করছে। তাহলে ডিফেন্সের লোকদের ওখানে রাখার কি অর্থ? আবার এও দেখলাম যে উৎসুক জনতাও কম নাই সেখানে। আসলে হচ্ছেটা কি তা নিশ্চয়ই আমি আমার বাসায় বসে থেকে বুঝব না। কিন্তু এটা তো বুঝি যে চরম বিশৃংখলা আর অবহেলার দরুন এই বিলম্ব। আবার দেখছি অনেকেই বিভিন্ন জিনিস যেমন পানি, অক্সিজেন, ওষুধ, টর্চ লাইট, গ্লাভস, কনক্রীট কাটার, আয়রন কাটার, অর্থ ইত্যাদির জন্য জনসাধারণের কাছে আবেদন করছেন। তাহলে সরকার আর সরকারী বাহিনী ওখানে কি করছে? একমাত্র রক্ত বাদে জনসাধরণের তো আর কিছু দেবার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। সরকার খুব কম সময়ে এইগুলো কার্টনে কার্টনে ওইখানে পাঠাতে পারে। খাদ্য ও ত্রান মন্ত্রনালয় কি করছে? আচ্ছা বলুন, এইগুলোর দাম আসলে কতই বা। আমি একটি সরকারের কাছে এগুলোর দাম কত তার কথাই বলছি। আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাদ দিলে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে কী লাগবে? এই টাকাটা কী খাদ্য ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের কাছে নেই। যদি নাই থাকে তবে কেন এই মন্ত্রনালয়ের অস্তিত্ব! কেন এই মন্ত্রনালয়ে এতগুলো পদে এতগুলো মানুষের বেতন গোনা! আমি সত্যিই প্রায় সময়ই বুঝে উঠি না দোষটা আসলে কার?যদি আমাদেরকেই (জনগণ) সকল কিছু করতে হবে তাহলে আর এদের (সরকার আর সরকারী বাহিনী) থাকা কি দরকার? টিভিতে পরশু দেখলাম এক সেনা সদস্য বলছেন উৎসুক জনতার ভীড়ে তারা নাকি ঠিক মত কাজ করতে পারছেন না। আরে ভাই, আপনাদের কি কেউ বলছে এদেরকে ওখান থেকে সরানো যাবে না। আপনারা তো মাইক দিয়ে ঘোষনা দিয়ে তাদেরকে ওই জায়গা থেকে সরে যেতে বলতে পারেন। আর আপনাদের মেশিনারীজ কই? হেলিকপ্টারই বা কই? আমাদের বুঝান যে আপনারাই সব ভালো বুঝেন! তাহলে আবার আমাদের সাপোর্ট লাগে কেন? সবাই এখন বলবেন, এখন সমালোচনা করার সময় না, যে যেভাবে পারেন আসেন সাহায্য সহযোগীতা করি। আমি তাদেরকে বলব, না ভাই, সাহায্য সহযোগীতা করতে আমার কোন আপত্তি বা সমস্যা নাই। শুধু এইটাই জানতে চাই এত অবহেলা হচ্ছে সব কিছু নিয়ে অথচ কেউ কোন প্রশ্ন উঠাচ্ছে না কেন? আমরা জনগনরাই আসলে ভালো না। যার যা ইচ্ছা তা করে যাচ্ছে, আর আমারা তামাশা দেখে যাচ্ছি। যখন এইরকম একটা ঘটনার উদ্ভব হচ্ছে তখন কিছু দিন এইটা নিয়ে অনেক কথা বলছি। কিছু দিন পর এইটার কথা আর মনেও করছি না। নতুন ঘটনা নিয়ে আবার শুরু করছি। তাজরীন ফ্যাশন বা নিমতলীর ঘটনায় দোষীরা কতটুকু কী শাস্তি পেয়েছে তা কি একবারো আমারা খতিয়ে দেখেছি? আমরা কেন, মিডিয়াই বা কতটুকু খতিয়ে দেখেছে! তাই, ভাই, আমি বলি কি শুনেন। গোড়া যতক্ষন না আপনি উপড়ে ফেলতে পারছেন ততক্ষন পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান কখনোই হবে না। তাই আসুন, সকলে মিলে এইসবের জবাব সরকারের কাছ থেকে বের করি। (পারব না, ভাই। কারন আমরা নিজেরাই তো খারাপ। পারব না কখনো এক হতে। পারব কীভাবে বলেন? আমরা যারা শুরু করব তারাই তো পদ নিয়ে খামচাখামচি করব। কথাটা ভালো লাগল না, ভাই। তাই না)
২|
১৭ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৩০
বুলবুল আহ্মেদ বলেছেন: সমস্ত ভাল কিছুর ক্রেডিট সেনাবাহিনীকে দেবার প্রবনতা আমাদের মজ্জাগত।
বীরশ্রেষ্ঠ দেখেন। "মুক্তিযুদ্ধ হৃদয়ে মম" নামের এক বইয়ে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের অসাধারণ বীরত্বের কথা উল্লেখ আছে। তাদের অনেকেই অনায়াসে বীরশ্রেষ্ঠ হতে পারতেন। ঠিক কী কারণে ৭ বীরশ্রেষ্ঠের সবাই সশস্র বাহিনীর তা কেউ জানেনা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৫
রাজনীতির ভাষা বলেছেন: আমি সত্যিই প্রায় সময়ই বুঝে উঠি না দোষটা আসলে কার?যদি আমাদেরকেই (জনগণ) সকল কিছু করতে হবে তাহলে আর এদের (সরকার আর সরকারী বাহিনী) থাকা কি দরকার?