নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- মাহমুদুর রহমান।কোন কুসংস্কারে বিশ্বাস করি না।যে কোন ধরনের সন্ত্রাসবাদকে ঘৃণা করি।নিজের ধর্ম ইসলামকে খুব ভালোবাসি।ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা মানুষকে মানবিক হতে শিখায়,সহনশীল হতে শিখায়,সামাজিক হতে শিখায়।নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি।

মাহমুদুর রহমান

এই পৃথিবীর বিরাট খাতায়, পাঠ্য যেসব পাতায় পাতায় শিখছি সে সব কৌতূহলে, নেই দ্বিধা লেশ মাত্র, বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

মাহমুদুর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পটি আমার এলাকার।

১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:২১



আমার বাড়ির চেয়ারম্যান সাহেবা নাম জাহানারা পান্না।পূর্বে তার স্বামী আমাদের এলাকার চেয়ারম্যান ছিলেন।তার নাম ছিলো জাহাঙ্গীর মিয়া।তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরপরই হজ্জ করতে গিয়ে আর ফিরে আসেন নি।হজ্জ করতে গিয়ে চেয়ারম্যান সাহেব সেখানেই মারা যান।স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনে অত্র এলাকার এম্পি সাহেব জাহানারা পান্নাকে সান্ত্বনা দিতে আসেন এবং একই সময়ে জাহাঙ্গীর মিয়ার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যেন তিনি পালন করেন সে জন্য জাহানারাকে চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দেন।শুরু হয় পুনঃনির্বাচন।সম্পূর্ণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজিত হয় এবং সেই নির্বাচনে জাহানারা পান্না জয়লাভ করেন।

আমাদের বাড়ির পাশের ঘরটাই জাহানারা পান্নার।জাহানারা অত্যান্ত আন্তরিক একজন মানুষ।খুবই কোমল হৃদয়ের অধিকারী।তার সাথে কথা বলে মনে হবে না যে সে প্রকৃতপক্ষেই একটা পাষন্ড।তার মত পাষন্ড তার একমাত্র বেকার ছেলে টর্পেডো।এলাকাবাসী টর্পেডোকে অসভ্য ছাড়া কিছু বলেন না।একজন ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করতে জাহানার পান্না ও টর্পেডো একশত থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকেন।সরকার থেকে বিনামূল্যে হত দরিদ্র মানুষের জন্য যে সমস্ত রেশন দেয়া হয়;নিত্যদিনের ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেয়া হয়; সেগুলোর বিনিময় নিয়ে লোক দেখানো বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন চেয়ারম্যান সাহেবা।একটি ভাতা কার্ড(বয়স্ক,প্রতিবন্ধী) একজন হতদরিদ্র মানুষের কাছে তিন-চার-পাঁচ হাজার টাকা দরে বিক্রয় করেন।হত দরিদ্র এই মানুষগুলো সকলেই দিন এনে দিন খায়।এদের কাছে দশ টাকার মূল্য এক হাজার টাকার সমতুল্য।

গতবার সেমিস্টার ফাইনাল দিয়ে বাড়ি গিয়েছিলাম।বাড়ি যাওয়ার আনন্দ অন্য রকম।প্রিয় মানুষগুলোর সাথে সময় কাটানো তাঁদের সাথে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করা সত্যিই এক অন্যরকম ভালো লাগা।একদিন সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।পথি মধ্যে ছৈয়াল সাহেবের সাথে দেখা।আমি সালাম দিলাম অতঃপর জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছে কাকা?তিনি বললেন বেশী ভালো নেই বাবা।কারন জানতে চাইলে তিনি আমাকে নিয়ে রাস্তার একপাশে দাড়ালেন আর বলতে শুরু করলেন,বেশ কিছুদিন ধরে মা অসুস্থ।তাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়া দৌড়ি করলাম।মনে ন্যূনতমও শান্তি নেই।তোমার দাদীর চিকিৎসা ভালোভাবে করাতে পারছি না।কারন আমি একজন হত দরিদ্র কৃষক।সেদিন তোমাদের বাড়ি গেলাম মায়ের জন্য একটা বয়স্কভাতা কার্ড করার জন্য।আধা ঘন্টা এক ঘন্টা যাবত ডাকলাম ভিতর থেকে কোন সাড়া আসলো না।পরে চেয়ারম্যান সাহেবা এসে দরজা খুলে বললেন, ছৈয়াল কি চাস?আমি বললাম আম্মার তো অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে; এখন একটা বয়স্ক ভাতা কার্ড লাগবে;আপনার কাছে কি আছে?তিনি প্রথমে অস্বীকার গেলেন পরে বললাম একটু দয়া করেন চাচী।উনি বললেন আচ্ছা সন্ধ্যায় আসো।টর্পেডো ঘরে থাকবে তার সাথে কথা বলে দেখো আছে কি না অথবা দিতে পারবে কি না!

আমি সন্ধ্যা বেলায় আবার গেলাম।দরজায় কড়া নাড়লাম।চেয়ারম্যান সাহেবার ছেলের বৌ দরজা খুললো।আমি বললাম টর্পেডো কি বাসায় আছে? হুম তো কি চান? আমি বললাম ডাক দেন।কিছুক্ষনপর টর্পেডো এমন একটা ভাব নিয়ে আসলো মনে হলো যেন সে একজন বিরাট মাপের মানুষ।আমি তাকে বললাম একটা বয়স্কভাতা কার্ড লাগবে। তিন হাজার লাগবে।আমি বললাম এক পয়সাও পাবি না। যা দোউড়ের উপরে থাক।আমি বললাম দৌড়ের উপর যখন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যাবো তখন বুঝবি।সে বলে, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যা এই কথা বল দেখ যদি তোর কানে গালে জুতা দিয়ে না বাড়ি দেয় তাহলে আমার নাম টর্পেডো না।আমি আর যাই নাই।যাবো না তাদের কাছে।আমি আল্লাহর কাছে চাইবো।আর দোয়া করি এই টর্পেডো আর তা মাকে যেন আল্লাহ্‌ দেখে ছাড়েন।তাঁদের এই হীন কর্মকান্ডের কারনে আজ তারা এলাকাবাসীর কাছে কেবল ঘৃণার পাত্রে পরিনত হয়েছে।তারা ভাবে যে ক্ষমতা চিরস্থায়ী।অথচ যেদিন আল্লাহর গজব এসে পড়বে সেদিন বুঝবে কত ধানে কত চাল?এমন মানুষের ধ্বংস হোক যারা সাধারন মানুষকে কষ্ট দেয়; কষ্ট দেয় প্রতিবেশীকে ।

আল্লাহ জালিমকে অবকাশ দেন, তারপর যখন পাকড়াও করেন তখন আর কোনো ছাড় দেন না।
[আল হাদিস]

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
এখামে মনে হয় হাদিস কুরআনের বাণীগুলো শান্তনা।

আপনি হয়ত ছৈয়াল সাহেবের কর্মকে ধৈর্যের মাপকাঠিতে নিয়ে বসাবেন কিন্তু এটা তো ধৈর্য না। যার সামর্থ্য নেই প্রতিরোধমূলক কিছু করার, তার নিরবতা পালনকে ধৈর্য বলে না।


আচ্ছা, এলাকায় কি আর কোন মানুষ নাই? সবগুলাই কি জালিম সমর্থনকারী জালিম!
মিডিয়া কি এই ইউনিয়নের আশপাশেও ঘুরে না!
অদ্ভুত লাগলো, এলাকায় যদি কোন পুরুষের দল থাকে, তবে তাদের উচিত টর্পেডোর শিশ্ন কেটে রাস্তায় ঝুলিয়ে দেয়া।

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: কোরআন এটাও বলছে একজন ব্যক্তি জালিমের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে পারবে আর এর ফলে তাকে আল্লাহর কাছে জবাব দিহি করতে হবে না।এখন আপনি কিভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন যদি আপনার পাশে দাড়ানোর মত লোক না থাকে?আবার ধরুন লোক আছে কিন্তু কর্তৃপক্ষ আপনাদেরকে জড়ো হতে না দেয় তখন কি করবেন?অবশ্যই আল্লাহর আদেশ আসার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আমার এলাকার কথা পরে, আগে ভাবুন এদেশের মানুষগুলো কি জালিম সমর্থনকারী কিনা?মিডীয়ার প্রকাশিত খবরে আজ পর্যন্ত কোন লাভ হয়েছে কি না?চোরাচালানী বিরত হয়েছে কিনা কিংবা ইয়াবা চালানি বন্ধ হয়েছে কিনা? তাহলে উত্তর পেয়ে যাবেন।

২| ১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


কিসের ফাইনাল দিলেন, কোন সাবজেক্ট?

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হে হে হে।

৩| ১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার প্রশ্নের উত্তর কমন পড়েনি? প্রশ্নটা আগে ফাঁস করার দরকার ছিলো?

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হো হো হো।

৪| ১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রশ্নটার উত্তর দিতে পারেন কিনা দেখেন, আপনি কিসের ফাইনাল দিলেন; কোন বিশেষ সাবজেক্টে দিলেন কিনা?

১৫ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হুশ।

৫| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:০৯

সুমন কর বলেছেন: অন্যায়কারীদের উপর গজব পড়ুক....

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:২৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: মানুষের যখন সহ্যসীমা ছাড়িয়ে যায় তখন মানুষ মানুষকে লানত করে।

৬| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৪

বলেছেন: কিসের ফাইনাল দিলেন?? হা হা... বি,সি, এস

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: যাকে ভালো লাগে না তার প্রশ্নের উত্তরও দিই না।

৭| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি সাধারণ একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি; আপনার ফাইনাল মাইনাল আপনাকে সাহায্য করবে না; এখানেই ব্লগার ও অপব্লগারের মাঝে পার্থক্য।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আপনি ভাগেন।

৮| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হি হি

৯| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:২১

জগতারন বলেছেন:
ব্লগার মাহমুদুর রহমান; আপনার এলাকার গল্পটি পরলাম। ঘটনাটি হয়তো সত্যি, কিন্তু আপনার লিখা আমার একদমই ভালো লাগেনি এবং ত্রুটিপূর্নভাবে লিখার জন্য আপনার বর্নিত ঘটনা আমার বিশ্বাসও হয়নি যে ইহা একটি সত্য ঘটনা।

এ সমস্ত ঘটনা লিখাকে বলে প্রতিবেদন লিখা। প্রতিবেদন লিখতে হলে পুরো ঘটনা গুছিয়ে ও আত্মস্থ করে সহজ, সরল ও আন্তরীকভাবে যতদূর সম্ভব সংক্ষেপে লিখতে হয়।

এই ব্লগে সকল ব্লগারের লিখা প্রতিবেদন, প্রবন্ধ ইত্যাদি আরও বেশী করে পড়ুন আস্তে আস্তে সব ঠিকহয়ে যাবে।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০| ১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১১

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার কল্যাণ হোক।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১৯

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আমীন আমীন।

জাযাকাল্লাহ খাইরান।

১১| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:২০

মুক্তা নীল বলেছেন: বিচার তো হবেই, শেষ বিচারের ফলাফল আরো ভয়াবহ হবে। দুঃখজনক ঘটনা।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এরা নামাজ পড়ে আল্লাহ্‌কে ভয় করে।এটা ওদের মুখে বুলি।মূলত এই শ্রেনীর মানুষরাই মুনাফিক।

ভালো থাকবেন মুক্তানীল।

১২| ১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:২৫

বলেছেন: গল্পটি আপনার এলাকার নাকি পুরো বাংলাদেশের আনাচকানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজারো গল্পের একটি।।


এদের ভয়ংকর ফাঁদ থেকে কে বাঁচাবে হায় কপ আছে কান্ডারী।।।।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এই ঘটনাটা পুরো বাংলাদেশ জুড়ে ঘটছে।সাক্ষী আছে কোটি কোটি মানুষ।

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন উপায় নেই আমাদের প্রিয় ভাই।
আল্লাহ্‌ এদের হেদায়েত দিক।

১৩| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: ফাইনালে পাশ করলে চাঁদগাজী কে মিষ্টি খাওয়ায়েন।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: হে হে হে।

১৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:১১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আল্লাহ হেদায়েত দিন তাকে। একদিন এর শাস্তি পাবেই এবঙ দুনিয়াতেই ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আল্লাহ্‌ এদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই শাস্তি দিবেন।ইনশা আল্লাহ্‌।

ধন্যবাদ বোন।

১৫| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৭

নীলপরি বলেছেন: দুঃখজনক ঘটনা ।

১৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: খুবই।

১৬| ১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ২:৪১

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



দেখুন চেষ্টা করে । ওনার উপরেও তো লোক আছে ।

১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ৩:৪৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ছোট নেতারা ঠিক তখনি সুযোগ পায় যখন বড় নেতারা মন্দ কাজ করে বেড়ায়।

১৭| ১৮ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

জাহিদ অনিক বলেছেন:
হুম ! দুঃখজনক তবে সত্য। এরকম ইউপি চেয়ারম্যান আছে।

১৮ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এমন ইউপি চেয়ারম্যান প্রতিটি ইউনিয়নেই আছে।তবে যে ভালো নেই তা বলবো না। হাতে গোনা লোক আছে যারা মানুষের কষ্ট বোঝে।মানুষের দুঃখে কাতর হয় তাঁদের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।জনতার ন্যাযাধিকার তাঁদের বুঝিয়ে দেয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.