নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চাঁদের ফাঁদে মুসলমান

ম জ বাসার

ম জ বাসার › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রসঙ্গ: কিয়ামত... মাহফুজশান্ত, তাং-৩০শা অক্টোবর, রাত: ৮: ৫০

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩২

লেখকের উল্লিখিত প্রতিবেদনটির সমালোচনার উত্তরের (তাং- ৩১শে অক্টোবর, বিকাল: ৪: ১৫) চুড়ান্ত উত্তর:



১. যথার্থ উত্তর বটে! খবর অর্থই নুতন। THE NEWS, পেপারে প্রধানত হুবহু গত পেপার ছাপে না সত্য, কিন্তু গত পেপারের আদলেই পুরানো খবর নতুন করে আসে; সুতরাং নিউজ মানেই পুরানোর উপর নতুন খবর/নাবা। উদাহরণ স্বরূপ: কাফের/মুমীন, জ্ঞানী/বিজ্ঞানী, রাছুল/নবির আবির্ভাব পুরানো ভিত্তির উপর নতুনের (নাবা) আগমন। পক্ষান্তরে আদিকাল থেকে কথিত কেয়ামতের আকার, আকৃতি, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য য়ো বৈশিষ্ট, বা কালেরো তিল পরিমান রদবদল সংস্কার বা নতুনত্ব (নাবা) নেই। সুতরাং ‘নাবা’ শব্দের ছুরা বা ইহার বিষয়বস্তুর সংগে কেয়ামতের সম্পর্ক ধারণা করা অনুচিত।

২. ৫৬: ১= এযা অকায়াতিল অকিয়াত= যখন কিয়ামত ঘটবে। আয়াতে কিয়ামত শব্দটি নেই। শব্দদ্বয় একই অর্থবোধক 'ঘটনা ঘটতেছে/ঘটবে।' এখানে আরবি শব্দদুটির বংগানুবাদ কি আরবি কেয়ামত? পূর্বেয়ো অনুরূপ একটি প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন!

‘তারপর ১৮ নং আয়াতে শিংগায় ফুৎকার দেবার কথা এসেছে, যা কিয়ামতের সাথে সম্পর্কিত।‘

৩. ৭৮: ১৮ নং আয়াতে ফুতকার থাকলেয়ো ‘শিংগায়’ কথা আসেনি! আর ইস্রাফিল ঐ শিংগা নিয়ে বইসা রয়নি। কারণ শিংগাটা কিসের তৈরী? বানাইল কে? কখন? ইত্যাদি কৌশোরিক প্রশ্নের উত্তরো শরিয়তের জানা নেই।

বাতাসের শব্দ, বেগ/গতি এবঙ মাত্রাই ধংস/উড়িয়ে নেয়ার সংকেত/ফুতকার; পানির শব্দ, বেগ, মাত্রই ডুবিয়ে দেয়ার ফুতকার/সংকেত; মানুষো মরার আগে মারা যায়োয়ার সংকেত/ফুতকার পায়; এজন্য শরিয়তের ইস্রাফিলের এক হাতে ইরানী তন্দুরী রুটি আর এক হাতে কোম শহরের তৈরী শিংগা বা মহিশের শিংগা নিয়ে কেয়ামত হয়োয়ার শিংগা ফুতকারের দরকার কোরান সমর্থন করে না! বরং কৌতুককর।

৫. ‘কেয়ামত’ অর্থের সাথে দাড়ানো, উত্থাণ, কায়েম ব্যতীত ধংসের কোন লীলা/খেলা বা আলামত নেই। তবুয়ো কালাকাল যাবত (মুসলিম নয়) শিয়া/সুন্নীহানাফি মুসলিম ইত্যাদিগণ শব্দটির সাথে ধংসের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। উহা আপনার নতুন আবিস্কার/সুত্র নয়; সুতরাং পুরানো কথা পুনরাবৃত্তির জন্য ছাইদী, আজীজুল হক বা আমীনী সাহেবেরাই আপনার/আমার তুলনায় অধিক উপযুক্ত।

৬. স্বয়ং আল্লাহর ব্যাখ্যায়ীত কোরানের উপর মায়োলানাগণের (আমাদের আল্লাহ)আল্লাহগিরী করতে গিয়েই তো মুসলিম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিয়া, সুন্নী হয়েছে, এটা তো আর অস্বীকার করতে পারছেন্না! অনুরূপ অস্বীকার করা উচিত নয় যে, কিয়ামত এর মূল অর্থ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোরান বহির্ভূত নতুন করে তফসির ব্যাখ্যা হাজির করেছে এবঙ ইহার মধ্যেই আজ প্রায় ১৪ শ বছর যাবত ভ্রান্ত বিশ্বাসে হাবুডুবু খাচ্ছে! আপনি/আমি নিশেধ করতে কেউ নই; যার যার গবেষণা, আবিস্কার উপস্থাপন করা যায়; মানা না মানা পাঠকদের ইচ্ছা। সুতরাং কারো নিশেধ করা না করার ধৃষ্ঠতা দেখানো অহং বা মূর্খতা মাত্র। আশা করি একমত হবেন।



উত্তর- মতানৈক্য মানে কি জানেন? মানে হলো= Difference of opinion; disagreement ; discord’.

৭. বাংলা শব্দটির সাথে আপনার উদ্বৃত ইংরাজী শব্দগুলির অর্থানৈক্য আছে কি? মজ বাসার না হয় অর্ধ শিক্ষিত কিন্তু আপনি তো আর অর্ধ শিক্ষিত নন! তবু আপনার এ দৈন্যতা কেন?

৮.বিষয়টি যে যেভাবেই দেখুক ফলাফলে পার্থক্য আছে কি? যার যার পথ/বিশ্বাস তার তার কাছে সত্য।

৯. আপনি কি সেই নাস্তিকদের ফরমূলা/সুত্র সত্যায়িত করার জন্যই কোরানকে ব্যবহার করতে ঘর্মাক্ত হচ্ছেন্না কি? হা বা না উত্তরে কোনই অপরাধ নেই! আর জ্ঞানেরো কমতি বুঝাবে না।

১০. আপনার দাবি অনুযায়ী আপনার কাছে আপনি অনেক জ্ঞানী; মানুষ কেন! সম্ভবত পশুরো অনুরূপ বিশ্বাসী! এটা স্ব স্ব অস্তিত্ত্বের সমান অধিকার; তবে আপনি যা উত্থাপন করেছেন তা ছাইদী সাহেবরাই বলেন, নতুন কিছু নয়।

কছমের বিষয়:

১১. আমি/আপনি কখন? কেন? কি অবস্থায় কছম করতে বাধ্য হন! ঠিক সে অবস্থায়ই ৭ম আসমানের উর্দ্ধে বরই বাগানের উর্দ্ধে (ছেদ্রাতুল মোন্তাহা) বসবাসকারী শরিয়তের আল্লাহয়ো কছম করতে বাধ্য হন বলে শরিয়ত দ্বারা স্বীকৃত নয় কি? এতে সমস্যা কিছুই দেখলাম না। সমস্যা দেখালো কোরানে বর্ণিত আল্লাহ আর শরিয়তের বিশ্বাসীত/ ব্যাখ্যায়ীত আল্লাহ পরস্পর বিপরীত। মজ বাসারের তো নাড়ি ধরেন্নী! সুতরাং কাল্পনিক ডায়গনেসিস সঙ্গত নয়।

৭: ১৮৭ কিয়ামত শব্দ বিষয়:

১২. আপনি নিজেই নিজের শিক্ষার কাছে বারবার হোচট খাচ্ছেন! বাংগালী পাঠকদের বোঝার সুবিধার জন্য আরবি ‘ছায়াত’ এর স্থলে আরবি ‘কেয়ামত’ শব্দটির ব্যবহার কি নেশাগ্রস্থ বা প্রতারণা নয়! ফেরেস্তা বা নমাজের মত? ‘ছায়াত’ বা সময়ের সংগে ফাইনাল শব্দ যুক্ত করার অধিকার কোরান দেয়নি। অনুবাদের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনারা আল্লাহর উপর হস্তক্ষেপ করেছেন!

জন্মান্তরবাদ:

১৩. কোরানে সৃষ্টি তত্ত্ব সম্বন্ধে বহুবার বহুভাবে বিধৃত আছে যেমন: মাটি থেকে সৃষ্টি, কাদামাটি থেকে, ঠনঠনে মাটি থেকে, পোড়ামাটি থেকে, পানি থেকে, পানির নির্যাস থেকে, বীর্য থেকে, শুক্রবিন্দু থেকে, আদম থেকে; সমস্ত সৃষ্টি পানি থেকে, নারী-পুরুষ থেকে ইত্যাদি। এখন উল্লিখিত যে কোন একটি সুত্র ধরে বিজ্ঞানীগণ পিছনে গবেষণায় অগ্রসর হতে থাকলে কোরানে বর্ণিত মাটি, পানিতে গিয়েই ঠেকে যায় এবঙ স্বীকার করে। অতপর ঐ মাটি পানি থেকে সামনে গবেষণা করলে ইলেক্ট্রন- ইত্যাদি পর্যন্ত পৌছে। তারপরো বলা হয়েছে‌ ‘মানুষের এমন একটি কাল অতিক্রম করেছে যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না।– গাছপালা, পশু পক্ষির মতই মানুষজাত একটি উম্মত। বলা হয়েছে: জীবন থেকে মুত্যু>মৃত্যু থেকে জীবন। মৃত থেকে জীবনকে টেনে বার করা হয়; জীবন থেকে মৃতকে টেনে বার করা হয়। বর্ণিত আয়াতগুলিতে কি এক/দুইবারের জন্মান্তর/পুনজন্মের কথা বুঝায়??

আবার ভাবুন! শুয়র যা থেকে সৃষ্টি মানুষো তার থেকেই সৃষ্টি; অস্বীকার করার ক্ষমতা কারো নেই। তবুয়ো কেন হাজার রকমের পার্থক্য! কারণ মূল একই ইনগ্রেডিয়েন্টের স্থান, কাল য়ো পাত্রের আবর্তন,পরিবর্তন, পরিবর্ধন, বিবর্তন! আর এর নামই পুন পুন জন্ম বা জন্মান্তর। এখন কে মানে কি মানে না! তা স্বতন্ত্র বিষয় এবং ইহায়ো কোরানদ্বারা সত্যায়ীত; সুতরাং আপনার/আমার মধ্যে এ নিয়ে রাগ/অনুরাগ/অহং ইত্যাদিতে সম্পর্ক নস্ট করা অনুচিত।

১৪. ১৪: ৪৮ এবঙ দুনিয়া বনাম আর্দ্ব সম্বন্ধে আপনার ব্যাখ্যায় সম্ভবত আপনিই নিশ্চিত নন।

পরকালে পরিত্যাক্ত দেহ নিয়েই আপনি হাজির হবেন কোথায় পেলেন? নুতন করে মহান স্রষ্টা আবার আমাদের দেহ বানাতে পারেন এবং এটা তাঁর জন্য খুবই সহজ- যেমন কোরে প্রথমবার বানিয়েছেন।

১৫. –তখন কবর থেকে বের হয়ে দলে দলে হাজির হবে-। তা হলে কি রুহ/আত্মা মরার পরেয়ো কবরে বাস করে???????

১৬. আল্লাহ কি পারে! না পারে এ নিয়ে আপনার/আমার মত মানুষের আল্লাহর পক্ষে সমর্থন/সুপারিশ বা য়োকালতি নিষ্প্রয়োজন। যা পারে তা কোরানেই স্পষ্টভাবে লিখা আছে।

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আচ্ছা ঐটারে কি বলবেন- যেখানে বলা আছে.. "তাদের বলো তোমার চক্ষু হইবে স্থির, তোমার পরিজন তোমার পাশেই থাকিবে কিন্তু কোন কাজেই আসিবে না-- তখনই হইবে কিয়াতম!!"

এইটা কোন সময়
?

‘আর (১৪:২) নং আয়ত থেকে অনুমান করা যায় যে, সেই দিন অর্থাৎ কিয়ামত বা মহাপ্রলয় সংঘটিত হওয়ার অল্প কিছু সময় পূর্বে পৃথিবীর উপরে হয়ত এমন কোন বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টি হবে যার কারণে চোখের মণির উপরেও সেই আকর্ষণ প্রভাব বিস্তার করবে। ফলে চক্ষুসমূহ হবে স্থির। এদিক ওদিক ইচ্ছেমত তাকানো বা চোখের দৃষ্টি পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। যেহেতু বিজ্ঞান সৌরজগতের আশেপাশে ব্ল্যাকহোলের উপস্থিতির বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেছে, সুতরাং এদের আকর্ষণের কারণে এরূপ পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।‘

১৭. উপরে বিদ্রোহী ভৃগুর বিষয়বস্তু এবং নিচে প্রশ্নের উত্তর অসামঞ্জস্য মনে হয়। এবং যে আয়াত নং কোট করেছেন তায়ো সম্ভবত সন্দেহজনক বা আমারো ভুল হতে পারে। ছোট-খাটো প্রশ্নের উত্তর বিশাল লিংক দেয়া পাঠকদের জন্য বিরক্তিকর; ইহা এক ধরণের ফাকি/অবজ্ঞাসুচক মনে হয়।

শেষমেশ:

* কোরানে কিয়াম, কিয়ামা, কায়েম, কিয়ামত, কায়েমাত, আকিম ইত্যাদি একক শব্দের ভিন্নরূপ বিভিন্ন আয়াতে ব্যবহৃত মোট দর্শনের অনুসরণে শরিয়তের ভয়াবহ কিয়ামতের সম্পর্কই নেই। তবুয়ো ২ নম্বরী অহি হাদিছের দর্শন বাস্তবায়ণে ছলে, বলে কুট-কৌশলে আল্লাহর সহজ, সরল ব্যাখ্যা করা কোরানের পুন হাদিছী ব্যাখ্যা, উপ-ব্যাখ্যা, শরিয়তী পরিভাষার ব্যাখ্যা দিয়ে অপ ব্যাখ্যা দিয়ে চলেছে। সাক্ষি চুড়ান্ত সাক্ষি হিসাবে শব্দটির মূলার্থই যথেষ্ট।

* একটি জীব বা মানুষের কাছে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুতর/শ্রেষ্ঠ/সর্বশ্রেষ্ঠ বীভতস, দুখ, কষ্ট, হৃদয়বিদারক, হতাসা একমাত্র তার মৃত্যুক্ষণটি। মৃতু হয়ে গেলে চন্দ্র-সূর্য এক হোক, ঢলাঢলি/মিশামিশি করুক! নক্ষত্ররাজী খসে পড়ুক! দুনিয়া খন্ড খন্ড হোক! বিগব্যাঙ দুনিয়ায় আছড়ে পড়ে ছারখার হোক! তাতে মৃতের কিছু যায় আসেনা! আর জীবিতেরা (ঘটলেয়ো) ১ সেকেন্ডের শত/হাজার ভাগের ১ ভাগ সময়ো বর্ণিত লম্বা ঘটনাগুলি দেখার বা ভোগ করার সময় পাবে না। সুতরাঙ ঐ কাল্পনিক বিষয়গুলি ভুলে গিয়ে আপন আপন মৃত্যুর সময়টা সম্বন্ধে পূর্ব থেকেই তৈরী থাকা উচিত নয় কি? যা সম্বন্ধে জীব জন্তু কারো কোন সন্দেহ নেই!!

আপনার ধৈর্যশক্তির জন্য আল্লাহর প্রশংসা করি।

বিনীত।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +২/-২

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৩

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আমি এখনও আপনার কোরআন বনাম শরিয়ত বইটি পড়ছি। এপর্যন্ত ২১২ পাতা পড়া হয়েছে। এ'পর্যায়ে একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে - আপনি বলছেন প্রেরনা প্রাপ্তির(নবুয়ত) ধারা সমাপ্ত হয়নি এবং আপনার পিতা ও নানা প্রেরনাপ্রাপ্ত(নবী) ছিলেন। অথচ ইতিহাসে আমরা দেখি প্রথম খলিফা আবুবকর(রা.) সময় মুসায়লামাসহ কিছু লোক নবুয়তের দাবি করেছিল এবং খলিফা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন? এটাকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করেন?

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. আমার পিতা য়ো নানার মত/ অনেক অনেক প্রেরণাপ্রাপ্ত লোকের মতই আমার পিতা/নানায়ো প্রেরণাপ্রাপ্ত ছিলেন। নাম বলতে পারবো না।
২. মানুষ আল্লাহময় হয়; (৩: ৭৯) বিশ্বাসী/বিশ্বস্থ সত পরিশ্রমীগণই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। (৯৮: ৭)
৩. এমন কোন জনপদ নেই, যেখানে সতর্ককারী পাঠাইনি/পাঠাই না/পাঠাবোনা।
উল্লিখিত আয়াতত্রয়ের আলোকে এ সম্বন্ধে সম্ভবত পুন প্রশ্ন করা দরকার হয়োয়া উচিত নয়; কারন পাল্টা প্রশ্ন আসবে: তাহলে আয়াতগুলি কি মানেন না???
৪. মুছার পরে ক্রমান্বয়/অনবরত রাছুল পাঠিয়েছি; ৩/৪জন নবি/রাছুল পাঠিয়েই অনবরত বা ক্রমান্বয় বা অসংখ্য শব্দ ব্যবহার শুদ্ধ নয়।
৫. পূর্বে দেয়া ৪২: ৫১ আয়াতটি পুন পুন গবেষণা করুন। আপনিই অনেক রাছুলদের খুজে পাবেন।
৬. ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা, আসল-নকল সর্বকালে সর্বযুগে ছিল, আছে এবং থাকবে। মুসায়লামা সম্বন্ধে কোনই ধারণা নেই। তার চেয়ে বরং প্রতিষ্ঠিত নবি মির্জা গোলাম আহমদ সম্বন্ধে প্রশ্নটি করলে উত্তর দিতে সহজ হতো। আর উত্তরটি হলো কোরানের আলোকে তিনি নবি/রাছুল ছিলেন না! এমন কি রাশাদ খলিফায়ো নয়।
বিনীত।

২| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৭

িময়াজী বলেছেন: পাগলের মতো এলোমেলো প্রলাপ না বকে ক্বুর-আন বুঝতে হলে আরবী ব্যাকারণ ভালো করে যানুন। ক্বুর-আনের ব্যাখ্যা সহিহ হাদিস সমূহ ভালোভাবে বুঝে বুঝে পড়ুন। খালি কলসী বাজে বেশী। আপনার লেখনীই তার প্রমান।

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৯

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
অনুরূপ প্রশ্নের অনেক উত্তর দিয়েছি। আপনার কষ্টের জন্য কৃতজ্ঞ।
বিনীত।

৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩১

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ধন্যবাদ উত্তর দেয়ার জন্য। আপনার বইএর ২৪০ পাতা পর্যন্ত আপনি সকল হাদীস বাতিল করেছেন কোরআনের বিচারে - আর এখানে এসে কোরআনের সংরক্ষনকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেন - তাহলে আপনার বিশ্বাসের ভিত্তি থাকল কোথায়? আপনি বলছেন আপনার নানা/পিতা প্রেরণা প্রাপ্ত ছিলেন - কাজেই তারা যা বলেছেন তাই কোরআনের সঠিক ব্যাখ্যা - এবং কোরআন এভাবেই সংরক্ষিত আছে। আপনি আরো বলেছেন মুহাম্ম(স.)ও একই কাজ করেছিলেন অর্থাৎ আগের বিধান পুণ:প্রতিস্ঠা। যদি তাই হয় তাহলে মুহাম্মদ(স.) যেভাবে কোরআনকে সমাজ ও রাস্ট্রে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন যা আজ ১৪শ বছর পরও টিকে আছে, আপনার নানা/পিতা প্রেরনা প্রাপ্ত হয়েও তা পারলেন না কেন? কেন কোরআনের সঠিক ব্যাখ্যা মানুষের কাছে পৌছানোর আগেই আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া থেকে তুলে নিলেন? আর যদি সংরক্ষণই না করবেন তাহলে সেই প্রেরণা প্রাপ্তির সার্থকতাই বা কোথায়?

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১২

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. সত্য/কল্যাণকর কথা/কাজ; তা যত বছর আগেই বলুক! যেইই বলুক! যেখানেই লিখা থাক! ব্যক্তি/সমাজের স্থান,কাল-পাত্রভেদে তা গ্রহণ করা জরুরী। তবে উহার মাপকাঠি হলো কোরান এবং আপন বিবেক।
২. জ্ঞানী, সাধু, পীর-আলেম, প্রেরণাপ্রাপ্ত হন বিশেষ করে নিজের মুক্তির জন্য; প্রচার প্রতিষ্ঠা নিজের উপর নির্ভর করে না, তা পূর্বেই বলেছি।
৩. কোরান আর কোরানগ্রন্থ এক নয়; শুরু থেকেই কোরান আল্লাহ সংরক্ষণ করে আসছেন। কিন্তু মানুষের সৃষ্ট কাগজ কলমের কোরানগ্রন্থ আজো সংরক্ষণ করেননি। ইচ্ছা করলে যেকোন সময় পরীক্ষা করতে পারেন। ৭ রকম পাঠ্য কোরান প্রচলিত ছিল আজ ২ পাঠ্য কোরানগ্রন্থ প্রচিলত আছে। ইতিহাসের দৃষ্টিতে এই কোরানগ্রন্থ তুলনায় শ্রেষ্ট; ইহাকে প্রশ্নবিদ্ধ আমার বাবা/নানা করেননি, আমিয়ো করিনি; করেছেন শিয়া/সুন্নী আলেম-আল্লামাগণ। তাদের সুত্রেই সমালোচনা করা হয়েছে। জন্মদাতার দোষ-ত্রুটি থাকলেয়ো অস্বীকার করার উপায় নেই। যা দুর্বল যুক্তিহীন তা উপেক্ষা করুণ যা সত্য তা ধারণ করুণ।
৪. 'তারা যা বলেছেন তাইই কোরানের ব্যাখ্যা' এমন ধৃষ্ঠতাপূর্ণ কথা কোথায়ো লিখা নেই; থাকলে সুত্র দিন, অবিলম্বে সংস্কার করা হবে। তারা বরং কোরানের ব্যাখ্যাই প্রচার করেছেন; যেহেতু কোরান ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ হয়েছে। এ কথাটি বই ছাড়ায়ো কিছু পূর্বেয়ো বলেছি।
৫. তারা/মজ বাসার যা বলছে তা অবশ্য অবশ্যই কোরানের আলোকে গ্রহণ/বর্জন করতে হবে।
৬. কে কি করতে পারলো কি পারলো না! এমন প্রশ্নের উত্তর দেয়া মজ বাসারের পক্ষে সম্ভব নয়। মাফ করবেন।
৭. সত্য-সঠিক নবি/রাছুলগণ কেন অপদস্থ/বহিস্কার/ পলায়ণ/হত্যা হয়েছিলেন তা স্বয়ং আল্লাহকে প্রশ্ন করুণ।
৮. আজ ১৪শ বছর যাবত শিয়া/সুন্নীগণ কোরান বহির্ভূত শরিয়ত কেন প্রতিষ্ঠা পেল? কোরান আসা সত্বেয়ো পৌক্তলিক, ইহুদি, খৃষ্টান বৌদ্ধগণ কেন প্রতিষ্ঠা পেল? এগুলি নির্মূল করার আগেই রাছুলকে কেন তুলে নিল? এ সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়ার ক্ষমতা মজ বাসারের নেই, মাফ করবেন।
৯. আপন মুক্তিইই সর্ব কর্মের সর্ব প্রধান স্বার্থকতা। যে সমস্ত নবি-রাছুলগণ খুন হয়েছেন; ব্যর্থ হয়েছেন বা প্রকাশই হননি! আল্লহয়ো বলেন্নি! তারা কি আল্লাহর দরবারে উপেক্ষীত? ঘৃণীত? কোরানে এমন কোন আলামত নেই।
বিনীত।

৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৫

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আর একটা প্রশ্ন - আপনি সপ্তাহের দিন ঠিক করার ব্যাপারে বলতে গিয়ে বলেছেন - আল্লাহ ৬ দিনে বিশ্বজগত সৃস্টি করে ৭ম দিন বিশ্রাম নিয়েছিলেন - এভাবেই ৭ দিনে সপ্তাহ হয়েছে। আপনি কি বিশ্বাস করেন আল্লাহ বিশ্রাম নেন?

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
না বিশ্বাস করি না। তবুয়ো লেখা হয়েছে এবং তার বিশ্লেষণো বইতে পাবেন।
বিনীত্।

৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ২৫০ পৃস্ঠায় এসে পাচ্ছি - অতীতের সকল নবি মুহাম্মদ আসবেন বলে ভবিষ্যতবানী করেছেন। অথচ কোরআনে এই ধরনের কোন ভবিশ্যত বানি আছে বলে আপনি উল্লেখ করেন নি। এই ভবিষ্যতবানী না থাকাই কি নবীর ধারা শেষ হওয়ার জন্য যথেস্ট প্রমান নয়?

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
না। এর উত্তর পাবেন `মুহাম্মদ-আহম্মদ' শিরোনামে।
বিনীত।

৬| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩১

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ৪. 'তারা যা বলেছেন তাইই কোরানের ব্যাখ্যা' এমন ধৃষ্ঠতাপূর্ণ কথা কোথায়ো লিখা নেই; থাকলে সুত্র দিন, অবিলম্বে সংস্কার করা হবে। তারা বরং কোরানের ব্যাখ্যাই প্রচার করেছেন; যেহেতু কোরান ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ হয়েছে। এ কথাটি বই ছাড়ায়ো কিছু পূর্বেয়ো বলেছি।

আপনি প্রথমে সকল হাদীসকে বাতিল করেছেন কোরআনের মানদন্ডে, তারপর সেই মনদন্ডটির সংরক্ষনকে বিতর্কিত করে বলেছেন আসল কোরআনের ব্যাখ্যা যুগে যুগে নবী এসে প্রকাশ করবেন। আর সেই সাথে আপনি দাবি করছেন আপনার পিতা/নান নবী ছিলেন। তাহলে কি প্রকারান্তরে এটাই দাবি করা হল না যে আপনার পিতা/নানা কোরআনের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটাই আসল, অন্যসব পরিত্যায্য?

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. বলা হয়েছে পিতা/নানা প্রেরণাপ্রাপ্ত ছিলেন; সম্ভবত 'নবি/রাছুল' শব্দদ্বয় দাবি করা হয়নি। কোথায়ো অনুরূপ পেলে পৃষ্টা নম্বর জানান সংস্কার/সংশোধ করার নিশ্চয়তা রইল। এবঙ যেখানে ঐরূপ পাবেন সেখানে ঐ শব্দের বিপরীতে 'প্রেরণাপ্রাপ্ত' উচ্চারণ/ব্যবহার করার অনুরোধ রইল।
২. আগেই বলেছি মানদন্ডে শিয়া/সুন্নীগণই বহু আগেই সন্দেহ/ বিতর্কীত করেছে। প্রধানত আমি, বাবা বা নানা তাদের মত কোরানগ্রন্থ বা আয়াত নিয়ে কোনরকম সন্দেহ/বিতর্কী করেননি। বরঙ অনুবাদ নিয়ে বিতর্ক করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
'আসল কোরআনের ব্যাখ্যা যুগে যুগে নবী এসে প্রকাশ করবেন।'
প্রধানত এটাই প্রকৃতির নিয়ম, আল্লাহর সুন্নত। আল্লাহর সুন্নতে কখনো কোন রদবদল বা পরিবর্তন পায়োয়া যায় না। কোরান অতীত গ্রন্থের সমার্থক, সমর্থক এবং ইহারই পূর্ণ ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ এবঙ ইহারই সংরক্ষক।
৩.হ. উসমানের লিখিত কোরানগ্রন্থের তুলনায় আজকের কোরানগ্রন্থে অনেক পার্থক্য। আজ ১৪শ বছর পরো ইসলামিক ফাউন্ডেসনের সংকলিত কোরানগ্রন্থে তিল পরিমাণ হলেয়ো ছাপা ভুল আছে! সেগুলিয়ো আল্লাহ সংরক্ষণ করেছেন, কার ভয়ে?????????
৪. ২ (দুই) উচ্চারণের কোরানগ্রন্থ আজো প্রচলিত কেন?
'তাহলে কি প্রকারান্তরে এটাই দাবি করা হল না যে আপনার পিতা/নানা কোরআনের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটাই আসল, অন্যসব পরিত্যায্য?'
৫. পূর্বেই বলেছি তাদের/আমার বক্তব্য কোরানের আলোকে স্ব স্ব বিবেকের বিচারে গ্রহন/বর্জন করুণ।
৬. অত্যাশ্চর্য বিষয় কি জানেন? তা হলো আলেম-আউলিয়া, গাউস-কুতুব, রাছুল-নবি বা চোর-ডাকাত অথবা বিপরীতমূখী চরিত্রগুলি সাধারণ মানুষের স্ব স্ব আক্বল বুদ্ধির উপর গ্রহণ/বর্জন নির্ভর করে; এমনকি অন্ধ বিশ্বাসটিয়ো।
৭. অন্তত কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক চেটিয়া প্রশ্ন করলে তর্ক-বিতর্ক জমে না। আর কোনটা গ্রহন/বর্জনীয় তায়ো নিরপেক্ষভাবে স্বীকার সমর্থন দেয়া উচিত।
'অন্যসব পরিত্যায্য?'
৮. অন্য সবের মধ্যে সত্য থাকলে তা পরিত্যাজ্য নয়। গীতা-বেদে সত্য থাকলে তা পরিত্যাজ্য নয়। বোখারীদের ২ নম্বরী অহিতে সত্য থাকলে তা পরিত্যাজ্য নয়। তবে সত্য/মিথ্যার রায় দেবে কোরানের আলোকে স্ব স্ব বিবেক (দ্র: ১৭: ৩৬)। আশাকরি এবারে পরিস্কার হলো।
৯. বই সংগে এই উত্তরের হের-ফের প্রমান হলে দয়া করে জানান, মাফ চেয়ে সংস্কার/সংশোধান করা হবে।
বিনীত।

৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: বলা হয়েছে পিতা/নানা প্রেরণাপ্রাপ্ত ছিলেন; সম্ভবত 'নবি/রাছুল' শব্দদ্বয় দাবি করা হয়নি। কোথায়ো অনুরূপ পেলে পৃষ্টা নম্বর জানান সংস্কার/সংশোধ করার নিশ্চয়তা রইল।

অথচ আপনিই বলেছেন প্ররণাপ্রাপ্ত হচ্ছে নবী/রাছুলের বঙ্গানুবাদ!!


অন্তত কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক চেটিয়া প্রশ্ন করলে তর্ক-বিতর্ক জমে না।

দু:খিত, আমি আপনার সাথে তর্ক-বিতর্ক করার দু:সাহস রাখি না। আমি এক অজানা অচেনা কাঙ্গাল আর আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট এবং কোরআন, অহী, নবী, রাছুল, হাদীস, সহাবী ইত্যাদি বড় বড় বিষয় নিয়ে বিস্তর কাজ করছেন। আপনি যেখানে হযরত আবুবকর(রা.), হযরত ওমর(রা.) এর মত বিশ্ব ইতিহাসে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত মানুষকেও ভুল বলে প্রমান করেছেন - বলেছেন ওনারা ইসলাম ধর্ম বোঝেননি - সেখানে আমারমত কাঙ্গালের কি সাধ্য আপনার সাথে তর্ক করার। তবে আল্লাহ চাহেন তো বইটি শেষ করার পরে সামগ্রিক বিষয়ে আমার উলব্ধির কথা বলার আশা রাখি।

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩১

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. জ্বী! সত্য কথা! কিন্তু আরবি `রাছুল/নবি' কখনো দাবি করা হয়নি এবং হবেয়ো না। আবারো বলি হয়ে থাকলে বলুন উড্র করি।
২. -জেনে রেখ আল্লাহ মানুষের অন্তরের অন্তস্থলে-। তিনি যাকে ইচ্ছা তাকেই পথ দেখান। সুতরাং হ. উমর/আপনি/আমি বা অন্যকেহ আল্লাহর উপর অনধিকার চর্চা সংগত নয়। অথচ আবুবকর, উমরের উপর আপনিই রায় দিলেন যে তারা বিশ্ব ইতিহাসে সন্মানের অধিষ্ঠিত! পক্ষান্তরে এই কোরান বলছে: যাবতিয় প্রশংসা, গুণগান, ইজ্জত, সন্মান একমাত্র আল্লাহর প্রাপ‌্য। কোরানের পৃষ্ঠা খুলেই ১ম লাইনটিই অস্বিকার করলে পরের লাইন বোঝা দুষ্কর বা অসম্ভব। আপনাকেই বলছিনা বরং সমগ্র শিয়া/সুন্নী সমাজ।
৩. রাছুল বা কোন রাছুলই স্ব স্ব কর্মের প্রতিদান/মজুরি চানিন। চেয়েছেন মাত্র ভালোবাসা।
৪.'-বলেছেন ওনারা ইসলাম ধর্ম বোঝেননি -' এ বাক্যটি সম্ভবত আপনার নিজস্ব সংযোজন এবং মজ বাসারের বিরুদ্ধে আপত্তিকর গীবত বৈ অন্য কিছু??
৫. সংগত/অসংগত যা কিছু তুলে ধরা হয়েছে সবই কোরানের আলোকে বেসিকালী মজ বাসারের নিজস্ব দর্শন নয়।
৬. হয়তো বা ছাহাবাগণ যা করেননি তাই তাদের নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। যেমনটি কোরানের বিপরীতে রাছুলের নামে লক্ষ লক্ষ হাদিছ চলছে!!
৭. আপনার ধৈর্য, জ্ঞান, সহজ, সরলতা, হদয়ের পবিত্রতা তুলনায় উন্নত; কিন্তু সাধারণের মতই মাতা-পিতার দেয়া নাম গোপন করে কেন আপনি সাধারণের মত ভন্ড নাম ধারণ করলেন তা বোধগম্য নয় (মাফ করবেন)।
বিনীত।

৮| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ১. তহালে আরবি রাছুল/নবি আর বাংলা প্রেরণাপ্রাপ্ত এর মধ্যে পার্থক্যগুলো কি কি? ব্যাপক পার্থক্যই যদি থাকে তাহলে আর অনুবাদের প্রয়োজন কি?

৪.'-বলেছেন ওনারা ইসলাম ধর্ম বোঝেননি -' যদি বুঝতেনই তাহলে কি আর চন্দ্রবর্ষ চালু করে ধর্মের এতবড় ক্ষতি করতেন? বা নবী দাবীদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করতেন??

৫. কিন্তু সেই কোরআনের সংরক্ষন নিয়েইতো আপনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন - কিছু কিছু আয়াত হারিয়ে গেছে বলেও আপনি বিশ্বাস করেন। তাহলে যা আছে তাই যে সঠিক সেটা বিশ্বাস করছেন কিসের ভিত্তিতে? যার নিজের সংরক্ষিত হওয়াই সন্দেহযুক্ত তার ভিত্তিতে কোন কিছু সন্দেহাতীতভাবে প্রমান করা কিভাবে সম্ভব?

৬. 'কাঙ্গাল মুরশিদ' আমার নাম নয় বরং ছদ্দনাম বা উপমা। ব্লগে এ'ধরনের উপমা ব্যাবহার খুবই সাধারণ। তবে উপমাটি আমার কাছে অর্থবহ - কারণ আমি আসলেই এক কাঙ্গাল - বিলিয়ন বিলিয়ন আলোকবর্ষ ব্যাপি বিস্তৃত এই বিশ্বজগতের মাত্র কয়েক আলোক মিলিসেকেন্ডের গন্ডিতে আবদ্ধ, ৬ বিলিয়ন মানব মনের মাঝে মাত্র একটিতে প্রবেশাধিকার প্রাপ্ত, বিলিয়ন বিলিয়ন বছরের বিশ্বজগতে মাত্র কয়েক বছরের সচেতন উপস্তিতিকে কাঙ্গালের চেয়ে বেশি কিছু ভাবতে পারি না।

০১ লা নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২১

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. প্রধানত/বিশেষত/সাধারণত মৌলিক দর্শনে পার্থক্য নেই; কিন্তু যৌগিক দর্শনে পার্থক্য আছে; যেমন: পাত্র, স্থান, কাল য়ো ভাষায়।
২. আল্লাহময় (রব্বানী), বিশ্বস্থ-সত কর্মীই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ; এ দুজন লোকের সাথে নবি-রাছুল শব্দ ধারণ, অবস্থানের পার্থক্য কি?
৩. চৈতন্যপ্রাপ্ত, প্রেরণাপ্রাপ্ত, সংস্কারক, সতর্ককারীর মধ্যে পার্থক্য কি/
৪. দেবতা, অবতার, ঠাকুর, ব্রাম্মন এরা মুসলমানদের মধ্যে কোনদিন আসছে কি? আসবে কি? আসলে গ্রহনীয় হবে কি? বাধা কোথায়? সমস্যা কি? প্রধানত এবং মুলত কিছুই না! তবুয়ো কিছু বটে! এই দেয়াল না ভাংগা পর্যন্ত এ আলোচনা আপাতত বন্ধ থাক। এর সাধারণ যুক্তি হলো: শতভাগ মানুষের শতভাগ প্রশ্নের শতভাগ সঠিক উত্তর দেয়ার মানুষটি মজ বাসার নয়।
৫. ২ বার উত্তর দেয়া হয়েছে। কোরানগ্রন্থের কে কতটুকু বুঝি এবং অনুসরণ করি উহাই শ্রেষ্টতম য়ো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে গ্রন্থ সম্বন্ধে পূর্ণ জ্ঞান নেই! যা বুঝি তায়ো পুরা অনুসরণ করি না! এমন অবস্থায় সে কিছু কম/বেশি/সংশয় থাকায় কিছু যায় আসে না। এবং উপায়য়ো নেই। যা বুঝিনা তা অন্তত আমার কাছে থাকা/না থাকা প্রায় সমান। তবুয়ো বিতর্ক করা যায় এবং করতে পারেন। তুলনায় কোরানগ্রন্থই শ্রেষ্ঠ নিখুত।
৬. কোরানগ্রন্থের কোরান কতটুকু! উহাতে ফেরাউনের নিজস্ব কথা আছে, আজরের নিজস্ব কথা আছে; নবি-রাছুলদের নিজস্ব কথা আল্লাহ রিপিট করেছেন; হারাম, শুকর, মদ, জিনার কথা আছে! আছে ইতিহাস, ভুগোল, কিচ্ছা কাহিনী, দর্শন-জ্ঞান-বিজ্ঞান! এর মধ্য থেকে আপনি/আমি যতটুকু গ্রহণ করেছি ততটুকুই আমাদের; আর যা গ্রহন করিনি/বুঝিনি তা আপনার/আমারদ্বারা বর্জিত হলো না কি?
৬. '-বলেছেন ওনারা ইসলাম ধর্ম বোঝেননি -' যদি বুঝতেনই তাহলে কি আর চন্দ্রবর্ষ চালু করে ধর্মের এতবড় ক্ষতি করতেন? বা নবী দাবীদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করতেন?'
আধুনিক যুগে সাধারণত চন্দ্রবর্ষ রাখাটা (বিশেষ করে উপবাস পালনে) নিতান্তই অযৌক্তিক, অবান্তর,ভুল এবং তা অকাট্য প্রমানিত। ইহা কেহ ভুল প্রমান করতে পারলে করুক! মেনে নেব। তাই বলে তার জীবনের সবই ভুল নয়; মানুষ মাত্রই ভুলের অধীন হোক না সে নবি/রাছুল। নবি/রাছুল দাবি করলেই যে বিচার-বিবেচনা না করেই সরাসরি হত্যা করতে হবে এমন বিধি/বিধান কোরানে নেই। আক্রান্ত না হয়োয়া পর্যন্ত অমুসলিম/পৌত্তলিক, মোনাফেক/কাফেরদের হত্যা দূরের কতা গালি দেয়ার অধিকারো কোরান দেয়নি। তবুয়ো (সামান্য সংশয় আছে) দয়া করে বিষয়টির শিরোনাম য়ো পৃষ্ঠা নম্বর দিয়ে সাহায্য করুণ! যাতে বিবেচনা/সংশোধন করা যায়।
৭. যা বলার তা বলা হয়েছে; ছদ্ম/ভন্ড/উপ/মুখোশ নাম যাইহোক! রাখা না রাখা স্ব স্ব অভিরুচী! তবে সত্য গোপন করছেন।
৮. আপনার প্রশংসা করিনি। সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা প্রশংসা/গীবত বা দূর্নাম বলা নয়।
বিনীত।

৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ৭. আপনিও কিন্তু আমার প্রশংসা করলেন - অথচ সকল প্রশংসা আল্লাহর!!

১০| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: পৃষ্ঠা ২৯৭: প্রকৃতিই আল্লাহ, জীবনই আল্লাহ
পৃষ্ঠা ২৯৮: প্রকৃতি শক্তি ও জ্ঞান-বিজ্ঞানই আল্লাহ, আল্লাহ কখোনও ওয়াদা খেলাপ করেন না - অর্থাৎ প্রকৃতির বিধান অলঙ্ঘনীয়।

বিজ্ঞানের সর্বশেষ তত্ব অনুযায়ী এই বিশ্বজগত বা শক্তি, সময় ও স্থান এবং সকল প্রাকৃতিক নিয়মের সুচনা বিগ-ব্যাঙ এর মাধ্যমে। জীবনের সুচনা আরো বহু পরে। যদি প্রকৃতিই আল্লাহ হন বা জীবনই আল্লাহ হয় আর তার বাইরে কিছু না থাকে তাহলে বিগ-ব্যাঙ এর আগে কি ছিল? বা বিগ-ব্যাঙ কে ঘটাল? আর এই বস্তুজগত ধ্বংসশীল - এই সময় শক্তি ও স্থানের ধ্বংসের পরে কি থাকবে?

১১| ০১ লা নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৪

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
সহসাই জটিল প্রশ্নে এসে গেছেন। আমরা মনে হয় উভয়ই এমনকি হকিং সাহেবয়ো স্ব স্বকে সর্বজান্তা/সর্বজ্ঞানী বলে প্রমান করতে চাচ্ছি। বিগব্যাঙ এর আগে কি ছিল! তা জনাব হকিং এর কাছেই শুনুন:

'-পদার্থ বিদ্যার অমোঘ নিয়মেই বিগব্যাঙ হয়েছিল-।' অর্থাত কি না! বিগব্যাং সৃষ্টি হয়োয়ার আগে ছিল ১. পদার্থ ২. বিদ্যা ৩. অমোঘ ৪ নিয়ম। সম্ভবত মজ বাসার উহাতে নিজস্ব কিছু যোগ/বিয়োগ করেনি।
বিনীত।

১২| ০২ রা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: এইমাত্র আপনার বইটি পড়ে শেষ করলাম। আমি আগেই বলেছি নিজের যোগ্যতার ব্যাপারে আমার এত বড় কোন ধারনা নেই যে আপনার বিরুদ্ধে যুক্তি প্রদর্শন করব। আর এই কাজটা ইতিপুর্বে বহু বিজ্ঞ আলেম করেছেন কিন্তু তারা আপনাকে সন্তুস্ট করতে সমর্থ হন নি। তবে বাংলায় একটা প্রবাদ আছে - 'কাঙ্গালের কতা বাসি হলে ফলে'। তাই নিতান্তই একজন স্বাধারণ কাঙ্গাল পাঠক হিসেবে আপনার চিন্তা ধারা সম্পর্কে আমার কয়েকটি কথা সংক্ষেপে বলছি - যদি কোন দিন কথাগুলো গুরুত্বপুর্ণ মনে হয় তাহলে বিবেচনার অনুরোধ রইল।

১. আমি আপনার বইটি পড়তে পড়তে বিস্ময়ের সাথে অনুধাবন করেছি যে আল্লাহর সেই ঘোষনাটি কতটা নির্মম সত্য যেখানে আল্লাহ বলেছেন - মানুষ যেদিকে যেতে চায় আল্লাহই তাকে সেদিকে যাবার পথ করে দেন। আপনি চেয়েছেন পৃথিবীর সকল ধর্মকে এক হিসেবে দেখাতে, সকল মানুষকে একই জাতিতে পরিনত করতে-যেটাকে আপনি বলছেন মানব ধর্ম। আপনার এই চাওয়াটা ছিল প্রচন্ড আন্তরিক এবং এ'জন্যই আল্লাহ আপনার সামনে সেইসকল যুক্তিসমুহ সুশোভিত করে দিয়েছেন যাতে আপনার এই পথে চলা সহজ হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে পৃথীবির মানুষ কখনই এক জাতি একধর্ম হয়নি হবেও না। আল্লাহও বলেছেন তিনি চাইলে সবাইকে এক জাতি করে দিতে পারতেন কিন্তু সেটা তার ইচ্ছা নয়। বরং আল্লাহ বৈচিত্র পছন্দ করেন - এ'জনই তাঁর সৃস্টিজগত এত বৈচিত্রময়। আল্লাহর ইচ্ছার বিরুদ্ধে পৃথিবীর সকল মানুষকে এক জাতি এক ধর্মের অধীনে আনার এই ইচ্ছাই আপনার চিন্তা ধারার একেবারে প্রাথমিক এবং মৌলিক ত্রুটি যা থেকে অন্যসব ক্রটির উদ্ভব হয়েছে। আমি নাস্তিকদের কিছু লেখা পড়েছি যারা কোরআন থেকে আপনার চেয়েও অকাট্টভাবে প্রমান করেন যে এই গ্রন্থটি চরম ভুল ভ্রান্তি পরস্পরবিরোধী অবৈজ্ঞানিক অযৌক্তিক কথায় পরিপুর্ণ - তাদের কাছে এই যুক্তিগুলোই গ্রহনযোগ্য - কারণ আল্লাহ তাদের চাওয়া ও প্রচেস্টার কারণে ঐ যুক্তিগুলো তাদের দৃস্টিতে সুশোভিত করে দিয়েছেন।

২. সকল ধর্মকে এক করতে গিয়ে আপনি সর্বেশ্বরবাদ বা সর্বভুতে ভগবান মতবাদে বিশ্বাস স্থাপন করেছেন। কিন্তু এই মতবাদ অনুসারে মুর্তি পুজার বিরুদ্ধে কোন যুক্তি থাকে না। আল্লাহ যদি সর্বত্র থাকেনই তহালে মুর্তিতেও আছেন। আপনিও যুক্তি দিয়ে মুর্তিপুজা বাতিল করতে পারেন নি বরং বলেছেন মুর্তির পরিবর্তে নিকৃস্ট জীবের পুজা করতেও রাজি। অথচ ইসলাম সুধু নিকৃস্ট জীবই নয় বরং জীবের সেরা মানুষ মানুষের সেরা নবী/রাসুল দেরকেও পুজা করার অনুমতি দেয় না। আল্লাহ সর্বত্র আছেন এর অর্থ তিনি তার জ্ঞান এবং কর্তৃত্বে বিশ্বজগত ধারন করে আছেন - এই বিশ্বজগতই তিনি নন বরং এটা তার একটি সৃস্টিমাত্র।

৩. সাধনা করে যা পাওয়া যায় তা আল্লাহ নন - আল্লাহ মানুষের সাধন/ভজন/চেস্টা/গবেষনার বহু উর্ধে - অথচ এই ভুলটাই মানুষ চিরকাল করেছে। ধ্যান সাধনা করে মানুষ আল্লাহময় হয় না বরং জ্ঞানময় হয়। এই জ্ঞানশক্তি দেয়ে অনেক বিস্ময়কর কাজ করা যায়। সোলায়মান(আ.) এর দরবারের এক ব্যাক্তি চোখের পলক পড়ার আগে হাজার মাইল দুর থেকে সাবা রানীর সিংহাসন এনে দিয়েছিলেন - অথচ তিনি নবি ছিলেন না। বিশ্বপ্রকৃতিতে আল্লাহর জ্ঞানের অতি সামান্যই দেয়া হয়েছে - "তোমাকে প্রশ্ন করা হয় রুহ কি? বল, আল্লাহর হুকুম। এ'ব্যাপারে মানুষকে সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে।" এই প্রকৃতির অতিসামান্য জ্ঞানে জ্ঞানময় হয়ে আল্লাহময় হওয়ার চিন্তা করা মানুষের পায়ের নখের উপরে উঠে পিপড়ার পক্ষে নিজেকে মানুষময় ভাবারই অনুরুপ। সাধনা করে সাধক সংস্কারক হওয়া যায় নবী/রাসুল হওয়া যায় না। এ'জন্যই মুহাম্ম(স.) নবুয়ত পাওয়ার পর হেরা গুহায় ফিরে জাননি বা সেখানে তিনি যেভাবে ধ্যান করতেন সেই শিক্ষা প্রচার করেন নি। অথচ আপনার নানা চৈতন্য প্রাপ্ত হয়ে সেই শিক্ষাই আপনার পিতাকে দিয়েছেন যাতে তিনিও চৈতন্য প্রাপ্ত(প্রকৃতির জ্ঞানে জ্ঞানময়) হতে পারেন। এই চৈতন্য প্রাপ্তির ধারা চলে আসছে আদীকাল থেকে - নবী রাসুলগন মানুষকে এই মহাচৈতন্যেরও উর্ধের সেই আল্লাহর সন্ধান দিয়েছেন জিনি এই মহাচৈতন্যেরও স্রস্টা।

৪. আমি আগে বিস্মিত হতাম আল্লাহ তাঁর প্রিয় রাসুল(স.)কে এত কস্ট এত বিপদ মুসিবত কেন দিয়েছিলেন। আজকে বুঝতে পারছি এটা ছিল ভন্ড নবী প্রতিরোধের প্রকৃয়া। যখনই কেউ নিজেকে আল্লাহর নবী/রাসুল দাবি করবে তখনই তার উপর এ'রকম বা এর চেয়েও কঠীন বিপদ আসবে-মানুষ তাদেরকে হত্যা করতে উদ্যত হবে। যদি সে সত্যি নবি হয় তাহলে আল্লাহই তাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন নিজ কুদরতে যেমন করেছেন মুহাম্মদ(স.)কে। এই সত্যটা আপনার নানা/পিতা জানতেন সেজন্যই ওনারা নিজেদের নবী দাবি করেন নি। আপনিও সম্ভবত জানেন এ'জন্যই বাংলায় প্রেরনাপ্রাপ্ত বলছেন কিন্তু আরবী নবী/রাসুল বলার সাহস পাচ্ছেন না(আবার এও বলছেন যে প্রেরনাপ্রাপ্তই নবী/রাসুলেন বঙ্গানুবাদ!)। আপনি আসলে নবী রাসুল মুজাদ্দিদ বা সংস্কারক, সাধক ইত্যাদিকে একাককার করেফেলেছেন - যা আপনার চিন্তাধারার আর একটি মৌলিক ভুল। আমি মনে করি মুহাম্মদ(স.) যে অর্থে আল্লাহর নবী ও রাসুল ছিলেন আপনার পিতা/নানা সেই অর্থে নবী/রাসুল/প্ররনাপ্রাপ্ত নন বরং ওনারা ছিলেন জ্ঞানী/প্রজ্ঞাময়/ সংস্কারক ।

আপনি দীর্ঘদিন ধরে যে চিন্তাধারা লালন করছেন, যার পক্ষে বহু যুক্তি আল্লাহ আপনার জন্য সুশোভিত করে দিয়েছেন - আমারমত নাম পরিচয়হীন এক কাঙ্গালের কথায় তা বদলে ফেলতে হবে এতবড় দাবি আমি কখনই করি না। তবে আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন তিনি আপনাকে আমাকে সবাইকে সঠিক বুঝ দিয়ে ধন্য করেন। আল্লাহ সম্পর্কে এতবেশী ধ্যান গবেষনা তর্ক বিতর্কেরতো কোন প্রয়োজন নেই - মাত্রতো কয়েকটা দিন - মৃত্যুর সাথে সাথেই সন্দেহাতীত ভাবে আমরা বিষয়গুলো জানতে পারব। আমাদের বরং আল্লাহর নির্দেশানুসারে জীবনতে অর্থবহ করার দিকেই নজর দেয়া উচিত।

আল্লাহর দুনিয়ায় বহু অত্যাশ্চর্য বিষয় ঘটে - যদি তেমনি বিস্ময়কর ভাবে আপনি আমারমত কাঙ্গালের কথায় নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে আমি অনুরোধ করব আপনার বইটি নতুন করে লেখার জন্য। কারণ এতে চিন্তাশীলদের জন্য বহু উপাদান আছে যা উল্লেখিত মৌলিক ক্রটিসমুহের জন্য গ্রহনযোগ্য হচ্ছে না। বর্তমান বইএর অধিকাংশ স্থানই পুর্ববর্তী ইমাম, সাহাবী এবং বর্তমান শরিয়তপন্থিদের সমালোচনা, নিন্দা, উপহাস, কাফের-মুশরিক প্রমান ইত্যাদিতে পুর্ণ যা পড়তে আমার যথেস্ট কস্ট হয়েছে। নতুন বইএ এ'গুলো বাদ দিয়ে আপনার পিতা ও নানার শিক্ষাগুলি সরাসরি ধর্ম সংস্কারের প্রস্তাব হিসেবে উপস্থাপন করার অনুরোধ রইল। এতে বই এর আকার যেমন ছোট হবে তেমনি পাঠকের মনকস্টও কম হবে। আপনি আমি পুরো ইসলাম সংস্কার করে সমাজ বদলে দেব এতবড় দ্বায়িত্ব নিজ কাঁধে না নিয়ে বরং এই আশাই করা উচিত যে আমাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে দুই একটিও যদি মানুষ গ্রহন করে এবং তার দ্বারা মানুষ ও সমাজ উপকৃত হয় তাহলে সেই উসিলায় আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। কারণ আল্লাহ যার হিসেব নিতে চাইবেন তার পক্ষে হিসেব দিয়ে পার পাওয়া কখনই সম্ভব হবে না।

আল্লাহ আমাদের সকল কল্যানময় প্রচেস্টা কবুল করুন - আমীন।

১৩| ২৭ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৪৭

কাকপাখি ২ বলেছেন: ম জ বাশারের মত পাবলিকের লগে এত ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ার জন্য কাংগাল ভাইরে সালাম।

১৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:৫৬

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
শান্তি (ছালাম/ইসলাম) ক্যমনে আদায় করতে হয় তা এক্ষণে শিখলেন বলে আপনাকেয়ো ছালাম।
বিনীত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.