নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের মাঝে মিশে থাকতে চাই, তবে কিভাবে শুরু করব তা ভাবতেই অনেক সময় পেরিয়ে যায়। তাই, গান কবিতা এগুলোর আশ্রয় নিয়ে চলি নিজেকে আড়াল করে।

মায়াস্পর্শ

মনের বিপরীতে পার করে এসেছি সহস্রকাল, হঠাৎ এক উদ্ভ্রান্ত অবয়বে বেঁচে থাকি এপার ওপার।

মায়াস্পর্শ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কারণে অকারণে ছবি

২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আমি ছবি তুলি। পরে সেগুলো দেখি। বেশ ভালো লাগে। ফোনের স্টোরেজ এ আজ দেখলাম মোট ছবি ৬৮৯৩ টি। ব্লগে কখনোই ছবি দিয়ে লেখা হয়নি। আজ মাইদুল ভাইয়ের লেখা দেখা একটু সাহস করে দিলাম। দেখি কেমন লাগে .............।




গুল্ম ফুল


শীতের দুপুরে বাসার সামনে বসে ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়লো ঘাসের ভেতরে কিছু হলুদ ফুল দেখা যাচ্ছে। নাম ধাম জানিনা, তবে বেশ সুন্দরী। প্রেমের প্রস্তাব দিলাম, বললো সেলফি তুলবে আমার সাথে। শেষ মেশ তার একটা ছবি নিয়ে রেখেছিলাম । গ্রীষ্মে আর তার দেখা পাওয়া যাবে না।

পাকা কাঁঠালের কোয়া


আহা,এ যে অমৃত। কাঁঠাল অনেকেই দেখতেই পারে না। গা শিরশির করে নাকি। আমি আবার ওসবের মধ্যে নাই। খাওয়া সব চলে। তবে হারাম কিছু খাই না। এমন রসালো কঁঠাল দেখলে লোভ সামলানো দায়।

কেরালার কলাপাতায় খাবার

কেরালার মানুষের খাবারের স্বাদ অন্য রকম। যেহেতু আমি সব খাবারেই অভ্যস্থ তাই তাদের খাবার বেশ মজা লেগেছে এবং আমি সুযোগ পেলেই এখনো খাই। তাদের খাবারে নারিকেল বেশি ব্যবহার করে থাকে। ৬ থেকে ৭ টা সাইড ডিশ থেকেই তাদের খাবারে। তাদের পরিবেশনটাও অনেক অমায়িক। ইন্ডিয়ানদের মধ্যে আমার সবচেয়ে পছন্দের তালিকায় প্রথম কেরালার মানুষজন। তবে তাদের ভাষা অনেক কঠিন।

মরু পাহাড়


চোখ জুড়িয়ে আসে। কত সুন্দর পৃথিবী। আলহামদুলিল্লাহ। আমার একটা বদঅভ্যাস আছে। কিছু দেখলেই সেটা বাংলাদেশে থাকলে কেমন হতো সেই চিন্তা সবার আগে মাথায় আসে। এই পাহাড়ের আসে পাশে কিছুই নেই বা কেউ যায়ও না সেখানে। আমি কল্পনায় দেখলাম পাহাড়টা বাংলাদেশে এবং সেখানে কিছু বাজার, ঝাল মুড়ির দোকান, টং দোকানের চা , কিছু স্থানীয় লোকজন আপনার থেকে চাঁদা নিচ্ছে।

সিঙ্গু


বিড়ালটা একদিন আমার পিছু ছাড়ছিলো না। দেখতে একদম আমার মতোই। একটা বিলাতি দুধ কিনে ওয়ানটাইমের বাটিতে ঢেলে ওকে দিলাম। খেয়ে একটু আড়মোড়া দিয়ে পাশের একটা গলির মধ্যে চলে গেলো। ঘুমাবে। ওর একটা নাম দিলাম, "সিঙ্গু "। আর কখনো ওর সাথে দেখা হয়নি।


দীঘি



এইটা আমার এলাকায়। দেখতে বেশ সুন্দর জায়গা। একা যাইনা, ছিনতাইকারী দিয়ে ভরা ওই জায়গা। আমার একটা বন্ধু আছে ওকে সাথে নিয়ে যাই।
যখন মায়াকে নিয়ে কিছু লিখি এই ছবিটা বের করে সামনে রাখি। মন ভালো হয়ে যায়।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: স্মৃতিরা আনন্দ ও বেদনার প্রতিচ্ছবি ।
....................................................................
তবে বিশ্বস্ত, আজকাল যেসব কথা বার্তা শুনতে পাই
পরকীয়া বা বিশ্বাসঘাতকতা তা করেনা ।

২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৮

মায়াস্পর্শ বলেছেন: মনে হচ্ছে আপনার মন্তব্যটা আমার লেখার সাথে অপ্রাসঙ্গিক । হয়তো ভুলে এখানে করে ফেলেছেন। ধন্যবাদ।

২| ২৮ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৮

শায়মা বলেছেন: বাহ!! সুন্দর সব ছবি!!

২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩

মায়াস্পর্শ বলেছেন: গুরু যখন মন্তব্য করে তখন ভালোই লাগে।
ধন্যবাদ আপু।

৩| ২৮ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:২০

মিরোরডডল বলেছেন:




ছবি ব্লগের ম্যাক্সিমাম জায়গা নিয়ে কাঁঠালের ছবি, নট অ্যাট অল ইম্প্রেসিভ।

আমারও কেরালার ফ্রেন্ড আছে, মানুষ ভালো।
কিন্তু এখানে কেরালার যেই খাবারের ছবিটা দিয়েছে, যত মজাই হোক না কেনো, এটা দেখে খেতে ইচ্ছাতো করবেই না, বরং এপিটাইট নষ্ট হয়ে যাবে। খাবারের লুক ইজ ভেরি ইম্পরট্যান্ট।

যার কাজ যেটা, মার্শ কবিতা লিখবে, গান করবে।
ড্রাম পেটাবে, গিটার বাজাবে।
আর বাঁশি বাজানোতে মার্শ সেরা। :)


২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

মায়াস্পর্শ বলেছেন: কাঁঠালের ছবিটা বেশ কাছে থেকে উঠানো তাই বুঝিনি ব্লগে দিলে এতো বড় আসবে।
আবার ভাবলাম যাই হোক জাতীয় ফল বলে কথা। থাকনা একটু বড়।

খাবারের লুক ইজ ভেরি ইম্পরট্যান্ট।
একটা ব্যাস্ত সময়ে ব্যাস্ত জায়গায় খেতে বসে উঠানো। তাই এমন হয়েছে। এরপর সুযোগ হলে বেশ ভালো করে ছবি তুলবো।

আমারও কেরালার ফ্রেন্ড আছে, মানুষ ভালো।
যথেষ্ট ভালো ।

যার কাজ যেটা, মার্শ কবিতা লিখবে, গান করবে।
ড্রাম পেটাবে, গিটার বাজাবে।
আর বাঁশি বাজানোতে মার্শ সেরা। :)

আমার লেখার ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার অবদান এবং অনুপ্রেরণা সবচেয়ে বেশি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৪| ২৮ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩৭

সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: আমারও ছবি তুলতে ভালো লাগে। সুন্দর লেখাগুলো বেশ ভালো লাগলো।

২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫

মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাইফুল ভাই। ভালো থাকবেন সবসময়।

৫| ২৮ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: কাঁঠালের ছবি দেখে আমি যেন কাঁঠালের ঘ্রাণ পাচ্ছি।

২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬

মায়াস্পর্শ বলেছেন: মনে হচ্ছে দুই ভাই একসাথে বসলে কাঁঠাল আর আস্ত থাকবে না।

৬| ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৪

সামিয়া বলেছেন: চমৎকার ❤️

২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬

মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৭| ২৯ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:২২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছবির সাথের বর্ণনাগুলো পছন্দ হয়েছে। সবচেয়ে ভালো হয়েছে 'মরু পাহাড়' কথন। কিছু স্থানীয় লোকজন আপনার থেকে চাঁদা নিচ্ছে। এই চিন্তাটা এখনকার সময়ের হলে চাদা নিচ্ছে বিম্পির লোকজন। :P

অন্যসব ছবির সাইজের চাইতে কাঠালের ছবির সাইজের পার্থক্য দেখেই বুঝতে পারছি কাঠাল আপনার কতো প্রিয়। আমাদের পলাতক পোধানমন্ত্রীরও কাঠাল খুবই পিও ছিল। কথাটা স্মরণে আসতেই চোকে পানি চলে আসলো। ওয়ান কারেকশান প্লিজ...........''কাঠালের কোয়া'' হবে। কুয়া বা কূপ ভিন্ন জিনিস!!! ;)

মিরোরডডল বলেছেন: খাবারের লুক ইজ ভেরি ইম্পরট্যান্ট। লুকের কারনে মিড সম্ভবতঃ পাতলা খিচুরী বা পাতলা ডাল খেতে পারে না!!! =p~

২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬

মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
এই যে যেমন আপনি বুঝে গেছে না চাঁদা নিচ্ছে বা নিবে তেমনি বাকি সবাই ও বুঝে গেছে।
আমাদের পলাতক পোধানমন্ত্রীরও কাঠাল খুবই পিও ছিল। কথাটা স্মরণে আসতেই চোকে পানি চলে আসলো।
আহারে, বেচারির বড়োই দুর্ভাগ্য।
এমন একটা জাতিকে পথ দেখানোর আর কেউ রইলো না।
মনে পরে সেই কাঁঠালের বার্গার , আপা বানাতে বলেছিলো ..........।

কারেকশান প্লিজ
কারেকশন করে নিয়েছি , ধন্যবাদ।

৮| ২৯ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯

মিরোরডডল বলেছেন:




ভুম আবার অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছে। খাবারের স্ট্রাকচার বা রং না, আমি বলতে চেয়েছি যে কোন খাবার দেখার একটা বিষয় থাকে না? এভাবে খাবার দিলেতো রুচিই আসবে না। অনলাইন থেকে ছবি শেয়ার করলাম, এগুলোও কলাপাতায় কিন্তু মিনিমাম গোছানো পরিবেশনা :)





একটা বিষয়ে একমত, ছবির সাথে লেখা দিয়ে ভালো করেছে। পাহাড়ের ছবির বর্ণনাটা মজার ছিলো।
প্রথম এবং শেষের ছবি দুইটা তুলনামূলকভাবে ভালো। টেনেটুনে পাশ মার্ক :)


২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯

মায়াস্পর্শ বলেছেন: একটা বিষয়ে একমত, ছবির সাথে লেখা দিয়ে ভালো করেছে। পাহাড়ের ছবির বর্ণনাটা মজার ছিলো।
প্রথম এবং শেষের ছবি দুইটা তুলনামূলকভাবে ভালো। টেনেটুনে পাশ মার্ক :)

B-) B-)

৯| ২৯ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৫১

মিরোরডডল বলেছেন:




আগের মন্তব্যে এক ছবি দুইবার গেছে। তাই আবার দিলাম।



২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

মায়াস্পর্শ বলেছেন: এটাতো কাস্টমাইজড করে শুট করা। বেশ ভালো লাগছে।
তবে খুদা লাগলে এতকিছু মাথায় থাকে না আমার। =p~

১০| ২৯ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক সুন্দর ছবি ব্লগ

আমার মোবাইলে ২০ হাজার ছবি জমা আছে মনে হয় । তিনটা ফোনে অসংখ্য ছবি। কিন্তু পোস্ট করার সময় নাই :( মাঝে মাঝে ভাবি এত ছবি কী করবো। তাও এত সুন্দর সিনারীগুলো :(

২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:২২

মায়াস্পর্শ বলেছেন: আমার মোবাইলে ২০ হাজার ছবি জমা আছে মনে হয়
আপনি তো দেখছি ছবি রানী।
আসলেই ছবি ডিলিট করতে ইচ্ছে করে না।

১১| ২৯ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কাঠালের ছবিটা বেশ বড় হওয়াতে বেখাপ্পা লাগছে বাকি ছবিগুলো ঠিক আছে, সুন্দর। ++++

২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪

মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
জাতীয় ফল, থাকে না একটু বড়। B-)

১২| ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

অপ্‌সরা বলেছেন: ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩০

লেখক বলেছেন: গুরু যখন মন্তব্য করে তখন ভালোই লাগে।
ধন্যবাদ আপু।


হা হা হা ভাগ্যিস গুরু বলেছো গরু বলোনি!!!!!!!!! :P

২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭

মায়াস্পর্শ বলেছেন: হা হা হা ............।
মন্তব্য করার আগে না হইলেও ১০ বার স্পেলিং চেক করেছি। গুরু যেন গরু না হয়ে যায়।
আপনি একদম সঠিক জায়গায় চোখ দিয়েছেন আপু। B-) B-)

১৩| ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা সত্যি যদি গরু লিখতে তাইলে এতক্ষনে রণচন্ডী মূরতি ধারন করিতাম :P !!!

২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৫

মায়াস্পর্শ বলেছেন: আপনি হচ্ছেন ছবি ব্লগের গুরু। মাদার অফ ছবি ব্লগ। সেই ক্ষেত্রে যদি ভুল করেও তেমন কিছু হয়ে যাইতো সেটা অমার্জনীয় হইতো। কপাল ভালো তা হয়নি।










তবে, ওই রণচন্ডী মূর্তির রূপে একবার দেখা দিলে খারাপ হবে না। B-) B-) B-)

১৪| ২৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা ছবি গুলো দেখলাম।

০১ লা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.