নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মিরোরডডল

মিরোরডডল › বিস্তারিত পোস্টঃ

শায়রীর লেখা মৃত্যুভীতিকে জয় করুন পোষ্টে অনুপ্রাণিত আমার ভাবনা

১৯ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:১৪


মোর দেন টু উইকস শায়রীকে দেখা যাচ্ছে না । আই হোপ হি ইজ ওকে ।
তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে নতুন কিছু শায়রী নিয়ে ।

শায়রীর মৃত্যু ভীতিকে জয় করুন, এক অপার আনন্দের সন্ধান পাবেন পোষ্টের কমেন্ট লিখতে গিয়ে একটু বড় হয়ে গেছে, ভাবলাম আলাদা পোষ্ট দেই ।

অনেকেই মনে করে মৃত্যু চিন্তা করা বা এটা নিয়ে এনালিসিস মানেই জীবনের প্রতি দায়িত্বহীনতা বা উদাসীনতা অথবা সময় নষ্ট । সেটা একদমই ভুল । নো কনফ্লিক্ট বিটুইন এনজয়িং লাইফ, এট দা সেইম টাইম থিঙ্কিং এন্ড প্রিপেয়ারিং ফর ডেথ । আমি পার্সোনালি মনে করি একজন মানুষ হিসেবে পরিবার, সমাজ, কমিউনিটির প্রতি যে দায়িত্ব সেটাও করতে হবে, আবার নিজের মনের মতো করে জীবন উপভোগ করতে হবে । একইসাথে মৃত্যু যেহেতু অনিবার্য, তাই এটা নিয়েও ভাবতে হবে এবং প্রিপেয়ার হতে হবে । লাইফ ইজ অল আবাউট ব্যালান্সিং । ইটস নাথিং আবাউট রিলিজন আই’ম টকিং । ধর্মীয় বিশ্বাস যার যার তার তার । সেটা নিয়ে না বলি । আমি বলতে চেয়েছি এই চরম সত্যিকে এনিটাইম গ্রহণ করার মানসিক প্রস্তুতি রাখা । যেটাকে আমি সহজ করে বলতে চাই মোহমুক্তি । যদি এটা করা যায় তাহলে জীবনের প্রতিটা মোমেন্ট আরও অনেক বেশী উপভোগ্য হবে ।

আমার মনে হয় মৃত্যুভয় হচ্ছে মায়ার বন্ধন ছিন্ন হবার ভয় । মানুষ এমনভাবে এই জাগতিক জীবনে জড়িয়ে পরে, তাই এই মায়ার বাঁধন ছেড়ে কেউ যেতে চায়না । একইভাবে যারা থেকে যায়, তারা চায়না প্রিয় মানুষটা চলে যাক । এখানেও মায়া । এই মায়া কাটিয়ে উঠাটাই কঠিন । একটা সুন্দর জীবনের মূল হচ্ছে মায়া ভালোবাসার বন্ধন । সেটা থাকবে যতটুকু প্রয়োজন । একই সাথে মানসিক প্রস্তুতি থাকতেই হবে আমাদের যেকোনো সময় চলে যেতে হতে পারে । দুটো উপলব্ধি ব্যালান্স করেই চলা ।

ইফ উই ক্যান লিভ উইথ নো স্ট্রিং অ্যাটাচড এন্ড নট টু গেট ইনভলভড এনিথিং ম্যাটেরিয়ালিস্টিক, দেটস দা বেস্ট হুইচ ইজ রিয়ালি হার্ড টু ডু । সেইম লাইক আদার প্রসেস, দেয়ার আর ফিউ স্টেপস ইন লাইফ, এন্ড দা লাস্ট স্টেপ ইজ ডেথ । যদিও আমরা জানিনা কার মৃত্যু কখন কোথায় কিভাবে হবে কিন্তু একটা বিষয়ে মনে হয় আমাদের সবার চাওয়াই এক, সেটা হচ্ছে যেন একটা নরমাল ডেথ হয়, অনেকদিন ভুগে বা অপমৃত্যু যেন না হয় ।

একদিন আমার এক খালার সাথে কথা হচ্ছিলো কবর মৃত্যুভয় এসব নিয়ে তখন উনি একটা কথা বলেছিলেন, সেটা শুধুই যারা বিলিভার তাদের জন্য । উনি বলেছিলেন মানুষ জন্ম থেকে সারাটাজীবন এই আনসিন সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে কথা বলেন ভাবেন সো এন্ড সো । একমাত্র মৃত্যুর পরই মানুষ সেই সৃষ্টিকর্তার সাক্ষাৎ পাবেন । তাহলে মৃত্যু ভয়ের কেনো, এটা হবে আনন্দের । তারমানেই এই না মৃত্যুকে এনকারেজ করা হচ্ছে । আই বিলিভ জীবন অনেক সুন্দর । এই সুন্দরকে উপভোগ করতে হবে বাঁচার মতো করে বাঁচতে হবে কিন্তু মৃত্যুকে ভুলে না । মৃত্যু চিন্তা থাকবে, প্রস্তুতিও থাকবে ।

আমরা দেখেছি একজন মানুষ যখন মারা যায়, তখন তার পরিবার অথবা আশেপাশের অনেকেই কনফিউজ হয়ে যায় কিভাবে কি করবে, কি করা উচিৎ । একদিকে শোক আরেকদিকে সিদ্ধান্ত নেয়া । এই পরিস্থিতি এড়াতে সবারই জীবিত অবস্থায় নিজের ব্যাবস্থা নিজেই করে যাওয়া উচিৎ । এটা সত্যি যে অনিশ্চিত বিষয়ে কিভাবে প্ল্যানিং হবে । যেটা কন্ট্রোলে নেই, সেটা সময় বলে দেবে । বেসিক একটা প্ল্যান এন্ড ইন্সট্রাকশন থাকা উচিৎ ।

অনেকসময় অফিসে দেখেছি যখন একটা নতুন টাস্ক করতে হবে, সেটা অনেকে ডিজলাইক করে বা ভয় পায় । পুরো টাস্কটা শেখার একটা প্রেশার নেয় । কেনো ? কারণ সেটা জানেনা বলেই । পুরো প্রেশার একবারে না নিয়ে যখন স্টেপ বাই স্টেপ সার্টেইন টাইম ফ্রেমের মাঝে কাজটা শিখবে তখন কোনও প্রেশার হয় না । যখন সেই টাস্কটা সে শিখে ফেলে তখন ভয় কেটে যায় । ইটস অল হাউ উই প্ল্যান । মৃত্যুর বিষয়টাও এরকম মনে হয় আমার কাছে । আমরা যেহেতু মানুষ আমাদের ভয় থাকবেই, ইটস নরমাল । কিন্তু সময়ের সাথে সাথে একটু একটু ইনভল্ভমেন্ট আর প্রস্তুতি থেকে আমরা সেটার কাছে যাবো, তখন সেই ভয়টা পুরোপুরি না হলেও অনেকটা কেটে যাবে ।

মোহমুক্তির প্রথম কন্ডিশন বস্তুবাদী জিনিসের মোহ থেকে নিজেকে সরিয়ে আনা । পশ্চিমের একটা বিষয় আমার ভালো লাগে মানুষ জীবনকে অনেক সুন্দর করে মূল্যায়ন করে এবং উপভোগ করে । আমাদের সাব-কন্টিনেন্টাল দেশগুলোতে দেখি মানুষ শুধু অর্থের পেছনে ছুটছে আর ছুটছে । এ ছোটার যেন শেষ নেই । যখন শেষ হয় একেবারে মৃত্যু । এক জীবনে বেঁচে থাকতে কি সত্যি এতকিছুর প্রয়োজন হয় !

প্যারেন্টরা সন্তানের ফিউচারের জন্য বাড়ি গাড়ি প্রপার্টি ব্যাংক ব্যালান্স এগুলো করতেই ব্যস্ত হয়ে সেই সন্তানকেই সময় দিচ্ছে না, বাড়ছে দূরত্ব, হচ্ছে অসুখী । এগুলো না করে একজন সন্তানকে সত্যিকার অর্থে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা । এটাই হতে পারে একজন সন্তানের জন্য বাবা মায়ের কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় অ্যাসেট । সেই সন্তান তার বাকিটুকু সে নিজেই করে নেবে । সেই ক্ষেত্রে বাবা মারা প্রেসারলেস একটা জীবন সুন্দরভাবে নিজেরাও উপভোগ করতে পারেন । জীবন নিয়ে মৃত্যু নিয়ে ভাবতে পারেন ।

যাই হোক এটাই বলতে চেয়েছি শায়রীর পোষ্ট এর সাথে সহমত । সুন্দর করে বেঁচে থাকুন, জীবনের প্রতি দায়িত্ব এরিয়ে যাবেন না, পাশাপাশি জীবন উপভোগ করুন । মৃত্যুভয় থাকবে সাথে ফ্যান্টাসিও থাকবে যেনো আমরা ভয় কাটিয়ে উঠতে পারি সেই চেষ্টা করতে হবে । দেন উই ক্যান সি মোর বিউটি অফ লাইফ ।



মন্তব্য ৭৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৭৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:২৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার খালার স্রষ্টায় বিশ্বাস অত্যন্ত মজবুত ছিল তাই উনি এভাবে বলতে পেরেছেন। আল্লাহ্ আমাদের জীবন উপভোগ করতে নিষেধ করেননি। বরং উপভোগের বিনিময়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে বলেছেন। এগুলি আল্লাহর নেয়ামত। পশ্চিমের জীবন দর্শনের কিছু ভালো দিক আছে। কিন্তু আমরা সেগুলি নিতে চাই না। সন্তানকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে আমরা ততটা তৎপর না যতটা তৎপর তাদের লেখাপড়া, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদির জন্য। সর্বোপরি আমাদের অনেকের জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির কিছু মেরামত প্রয়োজন। আমার মনে হয়েছে, অত্যন্ত গভীর অন্তর্দৃষ্টি থেকে আপনি লেখাটা লিখেছেন। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১৩

মিরোরডডল বলেছেন:



জী, উনি স্ট্রং বিলিভার ছিলেন । গত বছর খালা মারা যাবার পর এই কথাগুলো আমার মনে হচ্ছিলো । সেটাই বলতে চেয়েছি সবকিছুই ব্যালান্স করে চলা, জীবনে আনন্দ দায়িত্ববোধ সবই থাকবে কিন্তু মৃত্যুভয় না করে মাঝে মাঝে স্মরণ করতে হবে প্রস্তুতির জন্য । এতে মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকেও দূরে থাকতে পারে । আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতে পারে । যেটা সাধারনত মানুষ ভুলে যায় বলে এলোমেলো জীবন যাপন করে ।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১৬

মিরোরডডল বলেছেন:

স্যরি, থ্যাংকস বলা হয়নি :) থ্যাংকস সাচু ।

২| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৪১

নতুন বলেছেন: যখন মানুষ জীবন মৃত্যু্ এবং বেচে থাকার বিষয়গুলি উপলব্ধি করতে পারে তখন সে বেচে থাকাটা উপভোগ করে এবং মৃত্যুকেউ ভয় পায় না।

আমাদের বেশির ভাগ মানুষ জীবনকে একটা রেস হিসেবে নেয় এবং সারা জীবন টাকা/অথ`/ক্ষমতার পেছনে ছোটে এবং শেষ জীবনে জীবন উপভোগ করবে বলে বেচে থাকে।

আমার কাছে জীবন রেস না বরং একটা গানের মতন। যার শুরুর মিউজিক থেকে প্রতিটি লাইন উপভোগ করে করতে শেষ লাইনে যেতে হবে। তবেই মারা যাবার সময় বলা যাবে যে আমি জীবন জাপন করেছি :)

মৃত্যু ইনেভিটেবল তাই সেটা নিয়ে না ভেবে জীবন জাপন করা উচিত।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৩৭

মিরোরডডল বলেছেন:



নতুনের কথাগুলো খুব সুন্দর এবং সত্যি ।
মৃত্যু ইনেভিটেবল তাই সেটা নিয়ে না ভেবে জীবন জাপন করা উচিত।

আমি মৃত্যু নিয়ে ভাবা বলতে যেটা বলেছি, মৃত্যুভয় না করে মাঝে মাঝে স্মরণ করতে হবে প্রস্তুতির জন্য । এতে মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকেও দূরে থাকতে পারে । আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতে পারে । যেটা সাধারনত মানুষ ভুলে যায় বলে এলোমেলো জীবন যাপন করে । এই যে মানুষ আত্ম-অহংকার করে, যখন মনে হবে দুদিনের জীবন, যেকোনো সময় চলে যেতে হবে, কিসের এতো অহংকার ! জীবন সত্যি খুব সুন্দর । প্রত্যেকটা মানুষের উচিৎ জীবনটাকে চেরিশ করা ।

আমার কাছে জীবন রেস না বরং একটা গানের মতন। যার শুরুর মিউজিক থেকে প্রতিটি লাইন উপভোগ করে করতে শেষ লাইনে যেতে হবে। তবেই মারা যাবার সময় বলা যাবে যে আমি জীবন জাপন করেছি :)

ভেরী ওয়েল সেইড :)

৩| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


শের শায়রী ব্লগে না দেখে চিন্তিত হচ্ছি, ফেইসবুকে উনি আছেন কিনা জানাবেন।

মৃত্যু নিয়ে শায়রী যেই পোষ্ট দিয়েছিলেন, সেখানে উনি বলতে চেয়েছেন যে, মৃত্যুর পর আরকটা জীবন আছে; এবং ধর্মগুলোতেও তা বলেছে। মানুষ মৃত্যুকে চাহে না; কারণ, মৃত্যুর পর আর কোন জীবন নেই।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৩

মিরোরডডল বলেছেন:



আমিতো ফেসবুকে একটিভ না , তাই বলতে পারছিনা । ওনার পোষ্টে কমেন্ট রেখেছি, অফলাইন দেখলে হয়তো রিপ্লাই করবেন । আমি সিওর কিছু ব্লগার নিশ্চয়ই ওনার সাথে কানেক্ট আছে । তাদের কাছ থেকে হয়তো জানা যাবে । আমিও একটু চিন্তিত । এর আগে একবার ডুব মেরেছিলেন ফিউ ইয়ারস । হোপ সেরকম কিছু হবেনা এবার ।

জী, শায়রীর পোষ্টের কনটেক্সট ভিন্ন ছিল কিন্তু এই একটা বিষয় মৃত্যুভয় এটাই আমি পিক করেছি । আমি বিলিভ করি মৃত্যুভয় কাটিয়ে উঠলে জীবন অনেক বেশী উপভোগ্য হবে । অনেক থ্যাংকস আপনাকে ।

ওহ আরেকটা কথা, খেলাঘরের কাছ থেকে আমি ইস্পায়ারড হয়েছি/আইডিয়া চুরি করেছি কমেন্ট পোষ্ট আকারে দেয়া :)
যদিও সেটা ছিল সিচুয়েশন আর এটা অন পারপাস ।

৪| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অত্যন্ত উচু স্তরের মৃত্যু চিন্তা। আমি অবশ্য এতো কিছু চিন্তা করি না। যখন সময় আসবে, ঠাস করে মরে যাবো। ভাবনা চিন্তা করে তো মরতে পারবো না! তবে, আমার চিন্তার বদলে একটা দুশ্চিন্তা আছে। সেটা হলো, মরার পরে যে মাইর হবে, সেটা নিয়ে। কি বলছি, নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন! B-)

আপনার লেখাটা মোটামুটি বুঝতে পেরেছি, তবে বাংলা শব্দে যেই ইংরেজি কথাগুলো লিখেছেন, সেটা ঠিক মতো বুঝি নাই। ওগুলোকে কষ্ট করে বাংলায় লেখা যায় না? তাহলে আমার মতো লোকের উপকার হতো।

ব্যাঘ্রভাইকে নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি। ভাবছি, করোনার ভয়ে সুন্দরবনে চলে গেল নাকি! আমাদের নিজস্ব চ্যানেলে খোজ-খবর করবো কি না বুঝতে পারছি না।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৮

মিরোরডডল বলেছেন:



যখন সময় আসবে, ঠাস করে মরে যাবো।
সেটা ঠিক আছে । আমরা সবাই তাই যাবো । কিন্তু যাবার পর যারা থাকে তাদের যা করনীয় সেটাও যদি নিজেই ঠিক করে যাই, তাহলে তাদের ঝামেলা একটু কম হয় :)
মৃত্যুভয় না করে মাঝে মাঝে স্মরণ করতে হবে প্রস্তুতির জন্য । এতে মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকেও দূরে থাকতে পারে । আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতে পারে । যেটা সাধারনত মানুষ ভুলে যায় বলে এলোমেলো জীবন যাপন করে । এই যেমন বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা । আমার মনে হয় তারা তাদের অমর অক্ষয় ভাবেন , ভুলে যান যে একদিন যেতে হবে , তাই এই দুর্নীতি পাপাচারে লিপ্ত থাকে ।

মরার পরে যে মাইর হবে, সেটা নিয়ে
হা হা হা...... এটা নিয়ে আমার একটা ফান আছে । আমি সবাইকে বলি, কবরের আজাব চিন্তার বিষয় কারণ বসের সাথে ওয়ান- ও–ওয়ান পারফরমেন্স । আর দোজখ হচ্ছে যেখানে টিম ওয়ার্ক হবে । সো সমস্যা নাই ভুম, ওখানে সবাই নাহয় দশে মিলে করিকাজ, হারি জিতি নাহি লাজ একসাথেই সেই মাইর খাবো :)

উফ ! ভুম, এমন একটা খোঁচা দেয়া হল, খুব লেগেছে কিন্তু :P একটা সময় ইংলিশ ফন্টে বাংলা লিখে গালি খেয়েছি, আর এখন বাংলা ফন্টে ইংলিশ । হা হা হা...আসলে অনেক সময় তাড়াহুড়ো থাকলে এভাবে লিখে ফেলি । মনে রাখবো । আই’ল ট্রাই নেক্সট টাইম যেন আর না হয় ।

জী, প্লীজ ব্যাঘ্রভাইকে অবশ্যই খোঁজ করেন । প্রয়োজনে সুন্দরবনে বুশ ফায়ারের ব্যবস্থা করেন যেন ব্যাঘ্র বের হয়ে আসে । অনেক অনেক থ্যাংকস ভুম ।

৫| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মানুষের এই অদ্ভুত অন্ধত্বে আমার খুব হাসি পায়!
যারা পরকালকে অস্বীকার করে। কেবলই সম সাময়িকতাতেই সব সত্য খোঁজে। অথচ অসীম জীবনের অসীম চক্রে বর্তমান এক ঠুনকো পল মাত্র। তারা ভুলে যায়- তারা একসময় কিছুই ছিল না। আবার একসময় এই বাহ্য বস্তুগত অস্তিত্বও থাকবে না।
থাকবে যেই প্রাণশক্তি চালিয়ে নেয় দেহকে সেই পরম সত্য।

জল থেকে জলে, আলো থেকে আলোতে ফেরার এক দারুন ফিকশন- জীবন!
যে ফিকশনের সমাধান সূত্র আছে প্রকৃতি, প্রাকৃত এবং প্রাকৃতিক প্রকৃত ধর্মে।
যার সন্ধান পেলে মানুষই মহা মানুষ হয়ে ওঠে
মৃত্যু তখন একটা পর্বান্তর মাত্র। কবর কে বলা হয় বারযাখ বা পর্দা, আভিধানিক অর্থ হল বাধা, প্রতিবন্ধক, বিচ্ছেদ, দেয়াল
যা অতিক্রম করে গেলে ভিন্ন জগতের ভিন্ন রুপের ভিন্ন মাত্রার যাত্রা শুরু হয়। ইল্লিন শুভ সুন্দর বা সিজ্জিন মন্দ, যাতনাময় চক্রের।

মৃত্যু নিয়ে ভাবলেই কর্ম শুদ্ধ হয়। নিউটনের তৃতীয় সুত্রের মতো তুমি যা কর্ম করবে তারই প্রতিফল পাবে,
অর্থাৎ আমার প্রতিদিনের জীবন যাপনে আমি বপন করছি আমার অসীম জীবনের বীজ
যেটাকে বলা যায়- আদ দুনিয়া মাজরাইতুল আখিরাহ- দুনিয়া আখেরাতের বীজতলা।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩২

মিরোরডডল বলেছেন:



"জল থেকে জলে, আলো থেকে আলোতে ফেরার এক দারুন ফিকশন- জীবন!
যে ফিকশনের সমাধান সূত্র আছে প্রকৃতি, প্রাকৃত এবং প্রাকৃতিক প্রকৃত ধর্মে।
যার সন্ধান পেলে মানুষই মহা মানুষ হয়ে ওঠে"


কবি মানুষরা যাই লেখে কবিতা হয়ে যায় ।
ভৃগু, কথাগুলো চমৎকার । সত্য শাশ্বত সুন্দর ।

মৃত্যু নিয়ে ভাবলেই কর্ম শুদ্ধ হয়।

সহমত । মৃত্যুভয় না করে মাঝে মাঝে স্মরণ করতে হবে প্রস্তুতির জন্য । এতে মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকেও দূরে থাকতে পারে । আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতে পারে । যেটা সাধারনত মানুষ ভুলে যায় বলে এলোমেলো জীবন যাপন করে । এই যে মানুষ আত্ম-অহংকার করে, যখন মনে হবে দুদিনের জীবন, যেকোনো সময় চলে যেতে হবে, কিসের এতো অহংকার ! জীবন সত্যি খুব সুন্দর । প্রত্যেকটা মানুষের উচিৎ জীবনটাকে চেরিশ করা ।

ভৃগুকে অনেক অনেক থ্যাংকস এতো সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।

৬| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি "খেলাঘর"এ কিভাবে গিয়েছিলেন?

১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪২

মিরোরডডল বলেছেন:



স্যরি আপনাকে কনফিউজ করার জন্য । আমি সেই নিকে যাইনি । শুনেছি আপনার আগের নিক ছিল খেলাঘর, আমার খুব পছন্দ হয়েছে তাই এই নিকে ডাকলাম । এটা বেশী সুন্দর । কিছুদিন আগে আলী ভাইয়ের পোষ্টের কমেন্ট ফিউ লাইনের একটা পোষ্ট করেছি্লেন যেহেতু ব্লক ছিল তখন । ওটা থেকেই আইডিয়াটা নেয়া । থ্যাংক ইউ । মাই এপোলোজি :|

৭| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শের শায়েরী ভাই কেন দূরে সরে আছেন উনি কি করেছেন তার কিছু এই মুহূর্তে আমার জানা নেই। উনি ব্লগিং শুরু করাটাই ব্লগের জন্য মঙ্গলজনক। তিনি আমার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সমব্যথী ব্লগে উনাকে খুব মিস করছি। উনি যেন ফিরে আসে এই কামনা থাকলো।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

মিরোরডডল বলেছেন:



শায়রী একটা ফুল প্যাকেজ । অনেক ভালো লেখেন, ফান লাভিং, ইজি গোয়িং । আমার অনেক প্রিয় একজন । আশা করি উনি ভালো আছেন এবং চলে আসবেন । তারপরও একটু চিন্তিতো কারণ এর আগে উনি একবার ফিউ ইয়ার্সের জন্য অফ ছিলেন । হোপ দিজ টাইম এটা রিপিট হবেনা । আপনারা যেহেতু অনেক আগে থেকে এখানে, কানেকশন অনেক বেশী, খোঁজ করে দেখতে পারেন । আমার কোনও অপশন নেই, থাকলে করতাম । অনেক থ্যাংকস সেআ ।

৮| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ঢুকিচেপা বলেছেন: ভাল একটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের তৈরী করেছেন তাঁর নির্দিষ্ট কিছু কাজ করানোর উদ্দেশ্যে এবং তার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ রিজিকও বরাদ্দ আছে, এর থেকে এক বিন্দুও কম/বেশী গ্রহণ করতে পারবো না। এক্ষেত্রে আমরা শুধুই পুতুল।

তাঁর উদ্দেশ্য পুরণ হওয়া মাত্রই আমাদের ফিরে যেতে হবে। মাঝখানে এই সময়টুকু অবশ্যই ভাল কাজে লাগানো উচিৎ।

লেখার শেষদিকে চমৎকার একটি লাইন লিখেছেন, “একজন সন্তানকে সত্যিকার অর্থে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা”

শুভেচ্ছা রইল।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

মিরোরডডল বলেছেন:



To me, life is a beautiful journey. Once we are on board, we have to be aware that it’s heading to the destination. In between we meet so many passengers as acquaintance that makes our journey pleasant. They are coming and going. We can meet them greet them but we shouldn’t expect anything knowing that very soon we have to say goodbye.


থ্যাংকস ঢুকি

৯| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: মৃত্যুকে স্মরণ করার কথা কুরআন/ হাদীসে এসেছে। এতে করে জীবন ও দুনিয়ার প্রতি কিছুটা আসক্তি কমে এবং পরকালীন জীবনের প্রতি একটা ভাবনা কাজ করে।

++++++
শের শায়রীর পোস্ট এখন সামুর অন্যতম পাঠকপ্রিয়, গঠনমূলক, শিক্ষনীয় পোস্ট।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৮

মিরোরডডল বলেছেন:



মৃত্যুভয় না করে মাঝে মাঝে স্মরণ করতে হবে প্রস্তুতির জন্য । এতে মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকেও দূরে থাকতে পারে । আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতে পারে । যেটা সাধারনত মানুষ ভুলে যায় বলে এলোমেলো জীবন যাপন করে । এটাও মনে রাখতে হবে মৃত্যু ভাবনায় মানুষ যেনো আবার জীবন থেকে সরে না যায় । জীবন সত্যি খুব সুন্দর এবং ছোট । সবাই যার যার মতো করে বাঁচবে । প্রত্যেকটা মানুষের উচিৎ জীবনটাকে চেরিশ করা ।

হুম শায়রী খুব ভালো লেখে । মানুষটাও মজার । আশা করি তাড়াতাড়ি চলে আসবেন আবার । থ্যাংকস মাইদুল ।

১০| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


@বিদ্রোহী ভৃগু,
আপনি বলেছেন, " মানুষের এই অদ্ভুত অন্ধত্বে আমার খুব হাসি পায়! যারা পরকালকে অস্বীকার করে। কেবলই সম সাময়িকতাতেই সব সত্য খোঁজে। "

-পরকাল সম্পর্কে কোন ধারণা কোন জ্ঞানী মানুষ থেকে আসেনি; এসেছে ধর্মীয়দের থেকে ও নবীদের থেকে; নবীরা মিত্যাচার করেছেন: নবীরা সেই যুগের মানুষের তুলনায় কিছুটা বুদ্ধিমান ছিলেন; কিন্তু আজকের মানুষের কাছে উনারা ৬/৭ বছরের ছেলে মাত্র।
আপনার হাসি পায়, কারণ আপনি এখনো গুহামানবদের স্তরের বুদ্ধিমান মানুষ।

১১| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

নতুন বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মানুষের এই অদ্ভুত অন্ধত্বে আমার খুব হাসি পায়!
যারা পরকালকে অস্বীকার করে। কেবলই সম সাময়িকতাতেই সব সত্য খোঁজে। অথচ অসীম জীবনের অসীম চক্রে বর্তমান এক ঠুনকো পল মাত্র। তারা ভুলে যায়- তারা একসময় কিছুই ছিল না। আবার একসময় এই বাহ্য বস্তুগত অস্তিত্বও থাকবে না।
থাকবে যেই প্রাণশক্তি চালিয়ে নেয় দেহকে সেই পরম সত্য।


পৃথিবিতে এখন পযন্ত ১৪৭ বিলিওন মানুষ এসেছে বলে ধারনা করা হয়।

কেয়ামত পযন্ত আরো যদি আরো ১৫৩ বিলিওন মানুষ যদি আসে তবে মোটামুটি ৩০০ বিলিওন মানুষ দুনিয়াতে আসার পরে কেয়ামত হলো।

তবে এই ৩০০ বিলি্নের বিচার করে যারা সৃস্টিকতাকে অস্বীকার করেছে তাদের অনন্ত কাল দোজখে পুরিয়ে সৃস্টিকতার কি লাভ হবে? বাকিদের বেহেস্তে রেখে সৃস্টিকতার কি লাভ হবে?

এই মহাবিশ্বের সৃস্টিকতার কাছে এই ৩০০ বিলিওন মানুষ এতো গুরুত্ব পূর্ন??? :)

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১৮

মিরোরডডল বলেছেন:

জটিল প্রশ্ন !!! আশা করি ভৃগু কমেন্টগুলো পড়ে রিপ্লাই করবেন :)

১২| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০

কল্পদ্রুম বলেছেন: আমার কাছে মনে হয় মৃত্যু ভয়কে জয় করা খুব সহজ নয়।চাইলে অবশ্য পারা যাবে।মৃত্যু নিজে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ।তারচেয়ে মৃত্যু কিভাবে আসছে সেটা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।তবে যেভাবেই আসুক।যখনই আসুক।কোন অনুশোচনা নিয়ে যেন না মরি আপাতত এটাই চাওয়া।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৮

মিরোরডডল বলেছেন:



কল্প, অবশ্যই সহজ না । Every individual case is different. Our view of life, way of thinking is different. তাই এই ভয় কাটানোর প্রসেসটাও একেকজন একেক ভাবে হ্যান্ডেল করে । জীবনের প্রতি আমাদের মায়া ভীষণ । আমরা কেউই মরতে চাইনা । খুবই স্বাভাবিক । মানুষের জীবনের পরিস্থিতি অভিজ্ঞতা তাকে গাইড করে । আজ আমার যে ভাবনা , আজ থেকে কয়েক বছর আগে আমি এরকম ভাবতেই পারতাম না । প্রশ্নই উঠেনা এগুলো চিন্তা করা । কিন্তু লুক এখন এটা স্বাভাবিক মনে হয় ।

হ্যাঁ কল্প, কিভাবে আসবে সেটাই একটা ভাবনার বিষয় । আসবে নিশ্চিত কিন্তু কি করে আসবে অনিশ্চিত । Isn’t it interesting ! অনুশোচনা যেনো না হয় সেকারনেই ইউ হ্যাভ টু লিভ ইউর লাইফ । নিজের মতো করে আনন্দের সাথে বাঁচতে হবে যেনো মনে না হয় অন্যরকম হতে পারতো ।
Do what you like to do and make your life fantabulous :)

১৩| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৪

ঢুকিচেপা বলেছেন: আমি তো ইংরেজী উত্তর দেখে হাতে রুমাল নিয়ে বসলাম।
যদি দু’একটা দাঁত পড়ে যায় সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যাব।

In between we meet so many passengers as acquaintance that makes our journey pleasant.
মায়া তো এখানেই বাড়ে তখন আর মরতে ইচ্ছা হয় না।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৫৬

মিরোরডডল বলেছেন:



ঢুকি, ওটা আমার মনের কথা, আমি কি করে জীবনকে ডিফাইন করি । স্যরি মাঝে মাঝে কিছু কথা এভাবেই বলে ফেলি । গুছিয়ে সময় নিয়ে হয়তো লেখা হয়না সবসময় । ঢুকির ফান পড়ে হাসলাম :)

এতো সুন্দর জীবন থাকতে মরতে ইচ্ছে করবে কেনো ! মৃত্যুকে এনকারেজ করা হচ্ছেনা কিন্তু ভয় না পেয়ে মনে রাখতে বলা হচ্ছে । আর তাই মায়া অবশ্যই থাকবে কিন্তু বেশী আবেগি হওয়া যাবেনা যেন মায়া কাটাতে কষ্ট হয় । জীবনের রেসিপিতে মায়া হচ্ছে সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট ইনগ্রিডিয়েন্ট যেটা ছাড়া রেসিপি ইনকমপ্লিট । খুব বেশীও না আবার কমও না । পরিমাণ বুঝে ব্যাবহার হবে । নইলে জীবন গুবলেট হয়ে যাবে :)

১৪| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫০

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: যেটা অবধারিত সেটা নিয়ে এতো চিন্তা নাকরে কিভাবে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকা যায় সেটা নিয়ে ভাবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:



সহমত । আমিও সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার কথা, জীবনকে উপভোগ করার কথাই বলেছি ।
মৃত্যুভয় অনেক সময় মানুষকে ডিস্টার্ব করে, তাই এটা কাটিয়ে উঠলে জীবন আরো অনেক বেশি আনন্দময় হয়ে উঠবে ।
মৃত্যুভয় না করে মাঝে মাঝে স্মরণ করলে, মানুষ অনেক খারাপ কাজ থেকেও দূরে থাকতে পারে ।

থ্যাংক ইউ ।

১৫| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এক সময় মা বাবা সন্তান জন্ম দিয়েছে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তেমন ভাবেনি । এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে সন্তানকে মানবিক করতে শিক্ষিত করতে চেষ্টা করে। বেশীর ভাগ মানুষ মরণকে ভয় পায় তাই তারা নিজের ধর্ম মেনে চলে । সত্য ন্যায় পথে চলে । নামাজ কলেমা পড়ে । তাই তারা নিজেকে পুত পবিত্র রাখে , প্রস্বাব করে নিজেকে পরিস্কার করে কারণ নামাজ পড়তে হলে পোষাক পবিত্র হতে হয়। যারা পরকাল বিশ্বাস করে না তারা নামাড পড়ে না তাই প্রস্বাব করে পরিস্কার হয় কিনা ঠিক নাই। অপবিত্র দুর্গন্ধময় লোক নিয়ে কথা না বলাই ভালো। তবে এই সংখ্যা অতি নগণ্য ।

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:০৯

মিরোরডডল বলেছেন:



এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে সন্তানকে মানবিক করতে শিক্ষিত করতে চেষ্টা করে। বেশীর ভাগ মানুষ মরণকে ভয় পায় তাই তারা নিজের ধর্ম মেনে চলে ।

এটা তো ভালো কথা । আনন্দের কথা ।
আমি যেটা বলতে চেয়েছি সেটা কোনও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে না, পরকালে বিশ্বাসী অথবা অবিশ্বাসী তাও না, সকল মানুষকে উদ্দেশ্য করেই বলেছি । মানুষ মাত্রই মৃত্যুকে ভয় পাই । যদি আমরা সেই ভয় কাটিয়ে উঠতে পারি, জীবন আরও অনেক বেশী আনন্দময় হয়ে উঠবে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

১৬| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৮

লরুজন বলেছেন: বাংLISH ব্লগার মিরোরডডল আমরা দেশে এফএম রেডিওর বাংLISH প্যান প্যান গ্যান গ্যান শুইন্না শুইন্না বিরক্ত। এখন আফনে ব্লগে যা শুরু করছুইন তা এফএম রেডিওর ডাব্বা মার্কা ইংলিশ! আফনে অষ্ট্রেলিয়ার জন্মগত নাগরিক না, আফনে বাংলা ভালা জানেন বইলা বিশ্বাস করি। বাংলাদেশে জন্ম হইয়া তারপরে বাংলা জানেন না আর বাংLISH লেখা ব্লগে পোস্টাইতাছেন। এই ব্লগে এই ভাষা নিয়া মজাক করা ঠিক না। আফনে এক দিনের জাগাত তিন দিন লইয়া পোস্টান তারাতারি পোস্টানোর লাইগ্যা বাংLISH ভাষা পোস্টানো ঠিক না। এইডা খুবই অন্যায় কাজ।

দয়াকইরা নিজগুনে ক্ষমা করবাইন যদি আফনারে সত্যি কথা কইয়া অপরাধ কইরা থাহি। আর নিজে যদি বুঝুইন যা করতাছুইন ভুল করতাছুইন অন্যায় করতাছুইন তাইলে ভাই লাগুইন আর বইন লাগুইন আফনে ব্লগে বাংLISH লেখা ছাইরা দেইন। সময় নিয়া বাংলা লেখুইন।



ব্লগের ব্যানারো কিতা লেখা আছে দয়া কইরা বেবাক জনে পরবাইন।


১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:২৬

মিরোরডডল বলেছেন:



Listen, it’s been a while, you are disturbing me. You said sorry the other day. I thought you regret but you’re not. This time you crossed the boundary which is extremely annoying.
If you do it again, I must report.

১৭| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট এবং সকলের মন্তব্য গুলো পড়লাম।

২০ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:২০

মিরোরডডল বলেছেন:

থ্যাংকস রাজীব ।

১৮| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৩৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
মৃত্যু নিয়ে বেশী ভাবার দরকার নেই।
মরে যাওয়া মানে চিরঘুম।
এটা তো অবধারিত। এটা নিয়ে কম ভাবাই ভালো।

২০ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:২৪

মিরোরডডল বলেছেন:



জী, মাঝে মাঝে মনে করা খারাপ না ।
ভয় কাটিয়ে উঠতে পারলে আরও ভালো থাকা যায় ।
থ্যাংক ইউ ।

১৯| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:০০

মা.হাসান বলেছেন: শের শায়রী মনে হয় ব্যান খাইছে।
ইয়া হু।
ব্যান না খাইলে বড় ব্লগার হওয়া যায় না।
ব্যান খাওয়াও এক রকমের মৃত্যু। সাময়িক প্রস্থান।
শের শায়েরীকে অভিনন্দন।

২০ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:২৯

মিরোরডডল বলেছেন:



মাহার কমেন্ট গুলো খুব মজার হয় । আমাকে আনন্দ দেয় কিন্তু আজ মনটা ভালো নেই ।
শায়রীটা যেন ভালো থাকে আর তাড়াতাড়ি ফিরে আসে ।
মাহা এমন কিছু কেন বলেনা যেন আবার সেই আগের মতো হাসতে পারি ।
থ্যাংকস মাহা ।

২০| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:০২

রাজীব নুর বলেছেন: মৃত্যু ভয় থাকা ভালো। তাহলে মানুষ পাপ কম করবে।

২০ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:৩২

মিরোরডডল বলেছেন:

হুম ঠিক তাই । মনে করা ভালো কিন্তু ভয় কাটিয়ে উঠলে জীবন আরও আনন্দময় হতে পারে ।

২১| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: @ নেওয়াজ আলী ভাই; পরকাল বিশ্বাস করে না সেটা না হয় মানলাম, কিন্তু কিছু লোক আমাদের ধর্মের নবীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। কিছুক্ষন আগে নুরুলইসলাম০৬০৪ নামের একজন ব্লগার আমার নতুন পোস্টে রসুল (সা) কে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর একটা মন্তব্য করেছে। আমার পোস্টে গেলে পাবেন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

২০ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:৩৪

মিরোরডডল বলেছেন:

আশা করি উনি আপনার মন্তব্যটা পড়বেন । থ্যাংকস সাচু ।

২২| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:০০

লরুজন বলেছেন: Listen MirroredDoll, you never know english better than me, so dont try with me, its will be better try at your own home, this is bangla blog only for bangla language.

report option is open. but you are doing wrong thing with this blog. and you misuse blog here. sorry to say but this true.

you've no permission to misuse this blog however whatsoever you already done.

১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২৬

মিরোরডডল বলেছেন:



If you think I’m doing anything wrong here, just complain to admin. You don’t have any right to talk to me like this. It’s none of your business. This is not your job to keep monitoring me. Its admin’s responsibility, not your.

২৩| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২০

লরুজন বলেছেন: DEAR BLOG MODERATOR
PLEASE ALLOW ME TO FIGHT FOR RIGHT


I PROMISE I WILL NEVER USE ANY WORD WHICH IS OUT LAW FOR THIS BLOG. PLEASE ALLOW ME & GIVE ME CHANCE THAN I WILL PROVE SHE MISUSE THIS BLOG AND SHE DON'T KNOW AS MUCH AS ENGLISH AS SHE LOUD.

২৪| ১৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৩৬

লরুজন বলেছেন: you are newcomer. beginner - - -
that's why you dont know about blog & blogging.
yap i have right to say - - -
you using really mysterious banglish.
sorry no body understand your banglish here

২৫| ২০ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: অ্যাবনরমাল ডেথটাকে ভয় পাই- যেটাতে অনেক কষ্ট করে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয়। নরমাল ডেথ? - করোনার সময়েও এই ঘোষণা দিয়েছি- আমি প্রস্তুত। যেহেতু আমি আস্তিক, এটা ভেবে আমি আনন্দিত হই, মৃত্যুর পর এই ভুবনে সবাইকে ছেড়ে গেলেও ওপারে আমার মা, বাবা, নানা-নানি, আরো অনেককে পাব, যাদের দেখতে না পেয়ে এই পৃথিবীতে আমি অনেক কাঁদি।

২০ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৭:৪৭

মিরোরডডল বলেছেন:



Thanks for your nice comment. You know, I’m actually very shocked. I know initially you said to notify admin and I replied to ignore him as it may fun. Now we can see, it’s no more fun, personal attack. But what surprised me most, his comment is so offended but no one say a word, but you too??? Seems like nothing is going on here.

Do you remember few days back, I shared my personal story with you, how some political cadres ruined my childhood and made life miserable? People saw, no one said a word. They were either self-centred or scared. I’m feeling the same vibe here.

I’m super shocked and heart-broken !!! Anyway, take care.

২৬| ২০ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৪৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বি কুল। দ্য বেস্ট অ্যান্ড মোস্ট ইফেক্টিভ ওয়ে টু নিউট্রালাইজ সামওয়ান ইজ টু জাস্ট ইগনোর হিম। আমার চোখের সামনে এই ব্লগে দেখা, অগুরুত্বপূর্ণ কারো সম্পর্কে খুব বেশি আলোচনা করে তাকে কীভাবে আমরা মাথায় উঠিয়ে দিয়েছি। এখন সে মনে করে সে সত্যিই মাথায় ওঠার পদার্থ। ইফ ইউ হ্যাভ আন্ডারস্টুড মি, সিমপ্লি কিপ মাম এন্ড প্রসিড। অ্যাডমিনের কাজ অ্যাডমিন করবে, উপযুক্ত মনে করলে।

২২ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

মিরোরডডল বলেছেন:



বেস্ট অ্যান্ড মোস্ট ইফেক্টিভ ওয়ে টু নিউট্রালাইজ সামওয়ান ইজ টু জাস্ট ইগনোর হিম।
এটা তো আমারও কথা ধুলো । আমিও তো শুরু থেকে তাই করেছি । কিন্তু সবকিছুর একটা লিমিট থাকে । এবার সেটা ক্রস করেছে বলেই আমার খারাপ লেগেছে । এডমিনের কথা কি বলবো । ধুলোর পোষ্টে লিখেছি যে দুইদিন কিন্তু কোনও রেসপন্স নেই । থ্যাংকস ধুলো ।

২৭| ২০ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:৪০

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: মৃত্যুর কথা স্মরন করলে মানুষ পাপ কম করবে।এর কি কোন পরিসংখ্যান আছে আপনার কাছে।আমিত উল্টো দেখছি।যে হারে মসজিদ মাদ্রাসার হুজুরদের বলাৎকারের খবর পত্রিকায় আসছে তাতে করে আপনার কথার সত্যতা থাকে না।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:



প্রথমত স্যরি অনেক লেইট হয়ে গেলো রিপ্লাই করতে । নাহ আমার কাছে কোনও পরিসংখ্যান নেই । কিছুটা পারিপার্শ্বিক অবস্থা থেকে নেয়া অভিজ্ঞতা আর বাকিটা অনুমান । ওয়েল, আপনি যাদের কথা বলছেন, আমি ওদেরকে বলবো রেপিষ্ট । নো ম্যাটার সে মাদ্রাসা মসজিদ, মন্দির নাকি প্যাগোডাতে বিলং করে, নো ম্যাটার সে একজন ধার্মিক না নাস্তিক । এট দা এন্ড সে একজন রেপিষ্ট, আর এটাই তার পরিচয় । যার যার কর্মফল তার তার । অন্যায় করলে শাস্তি হওয়া উচিৎ ।

আমার পোষ্টে উল্লেখ করেছিলাম এটা নির্দিষ্ট কোনও ধর্মের কথা বলছিনা, জেনারেলি মানুষের যে মৃত্যুভয় ওটা কাটিয়ে উঠার কথা বলছিলাম । এটা একধরণের ডিস্ট্রাক্শন । ভয় না পেয়ে এটাকে এক্সসেপ্ট করে মানসিক প্রস্তুতি নেয়া থাকলে জীবন আরো বেশি সুন্দর ভাবে উপভোগ করা যায় । আমার তাই মনে হয় । সবাই একমত হবে তা আশাও করিনা । আর সত্যতা ? অনালাইনে কার কথায় যে সত্যতা কতখানি সেটা আসলেও একটা বিগ কোয়েসচেন । ভালো বলেছেন । আপনাকে অনেক থ্যাংকস মন্তব্যের জন্য ।

২৮| ২০ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:১৪

লরুজন বলেছেন: @সোনাবীজ; আপনে এই ধরনের আজগুবি বাংলা ইংলিশ মিক্স সাপোর্ট করতাছেন ব্লগের ভাষার অপমান করতাছেন।
আপনে কার সাথে দশটা বিশটা কমেন্ট কইরা মাথায় উঠায়েছেন সেইটা ব্লগে দেখা যাইতাছে

২৯| ২০ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৩২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: @ লোরুজন, আপনি ব্যঙ্গ করে কাউকে কিছু লিখতে পারেন না। আপনার অভিযোগ ভদ্র ভাষায় হওয়া উচিত। আপনি ব্যঙ্গ করে ব্লগের নীতি ভেঙ্গেছেন।

২২ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১০

মিরোরডডল বলেছেন:

ভদ্রতা জ্ঞান সবার থাকেনা । ইটস ওকে । লিভ হিম এলোন । অনেক থ্যাংকস সাচু । আমি মনে রাখবো ।

৩০| ২০ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

লরুজন বলেছেন: @সাড়ে চুয়াত্তর আমার ভাষা বাংলিশ?
আমার ভাষায় বাংলাদেশে কয় লক্ষ লোক কথা বলে জানা আছে?

নিজে কমেন্ট কইরা নিজেই লাইক দেন কেন?

৩১| ২০ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: ব্লগের শের শায়েরী এবং গুরুভাই দুজন ব্লগারের কোনো খোজ খবর নাই। অথচ তারা নিয়মিত ব্লগে ছিলেন।

২২ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১৭

মিরোরডডল বলেছেন:

গুরুভাইকে চিনতে পারলাম না কিন্তু শায়রী প্রায় অনেকদিন হয়ে গেলো নেই । আশা করি ওনারা ভালো আছেন, আবার ফিরে আসবেন । থ্যাংকস রাজীব ।

৩২| ২০ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: @ লরুজন;

আপনি আঞ্চলিক ভাষায় যা বলেছেন তা ব্যঙ্গ করার জন্য বা খোঁচা মারার জন্য। এটা ভালো অভ্যাস না। অপরিচিত মানুষের সাথে এভাবে কথা বলা উচিত না। আর উনি অনেক দিন ব্লগিং করেন। এত দিনে ব্লগ কর্তৃপক্ষ ওনাকে কিছু বলল না। আপনার এত মাথা ব্যথা কেন? আর বলার থাকলে ভালো ভাবে বলতে পারতেন। আর কোনও ব্লগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য এই ব্লগে অপশন দেয়া আছে। আপনার সেটা ব্যবহার করা উচিত ছিল। আর আমার কমেন্টে আমি লাইক দিয়েছি এ ব্যাপারে আপনি কি নিশ্চিত? না জেনে বলাটা বোকার মত কাজ। আপনি একাজগুলি করে নিজেকে ছোট করেছেন। কারণ ব্লগে অশিক্ষিত লোকরা আসে না বরং শিক্ষিত লোকরা আসে।

২২ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬

মিরোরডডল বলেছেন:



Once again thanks a lot, I really appreciate.
মানুষ অভিজ্ঞতা থেকে শেখে । সাচু, কিছু মানুষ থাকে যারা ফর নো রিজন অন্যদের বিরক্ত করে , ছোট করে কথা বলে কিন্তু এতে তারা নিজেরাই যে কতো ছোট হয়ে যায় ধারনা নেই । এনিওয়ে, আমি বলবো একে ইগ্নর করা হোক । কোনও রেসপন্স না প্লীজ । এতে সাচু ভালো থাকবে । এর সাথে কমিউনিকেট করা মানে সময় নষ্ট । অনেক ধন্যবাদ সাচু ফর রেইজ ইউর ভয়েস ।
বাই দা ওয়ে, সেদিন কমেন্টে যে কে লাইক দিয়েছে এটা সাচু যেমন জানে , আমিও জানি । সে তার নিজের গুলোতেও তাই করেছে । পুরো ক্রেজি বিহেভ । একজন উন্মাদ যা করতে পারে সেরকম । ভালো থাকবেন ।





৩৩| ২০ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন:
-পরকাল সম্পর্কে কোন ধারণা কোন জ্ঞানী মানুষ থেকে আসেনি; এসেছে ধর্মীয়দের থেকে ও নবীদের থেকে; নবীরা মিত্যাচার করেছেন: নবীরা সেই যুগের মানুষের তুলনায় কিছুটা বুদ্ধিমান ছিলেন; কিন্তু আজকের মানুষের কাছে উনারা ৬/৭ বছরের ছেলে মাত্র।
আপনার হাসি পায়, কারণ আপনি এখনো গুহামানবদের স্তরের বুদ্ধিমান মানুষ।

হা হা হা

যে যেমন সে অন্যকে ভাবে তেমন। আপনার গুহামানবী চেতনাই সকলকে ঐ রকম ভাবায়।
দলান্ধতা, কূপমন্ডুকতা, অহম, আম্তভরিতা থেকে বেরিয়ে আসুন দেখবেন পৃথিবীটা অন্য রকম সুন্দর।

নবীরা সম সাময়িক জ্ঞানের সাথে সাথে ঐশি জ্ঞানেও পূর্ণ ছিলেন। তাদের নামে মিথ্যাচারের মিথ্যা অভিযোগে
তাঁদের কিছু হবে না। আপনার বালখিল্যতাই প্রকাশ পাবে।

আপনারা এই প্রজন্মের খোদা দ্রোহীরাতো ভীষন ভিরু । আগের সময়ে তারাতো আরো এগ্রেসিভ ছিল!
মিথ্যার অভিযোগ তো দিতই, যাদুকর বলতো, বিরক্ত করতো, আঘঅত করতো, হত্যার পরিকল্পনা করতো!
সেই তুলনায় শিশুতোষ আচরণে আরেকবার হাসাই যায়। হা হা হা

৩৪| ২০ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৩৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: @নতুন ভায়া বলেছেন
---
তবে এই ৩০০ বিলি্নের বিচার করে যারা সৃস্টিকতাকে অস্বীকার করেছে তাদের অনন্ত কাল দোজখে পুরিয়ে সৃস্টিকতার কি লাভ হবে? বাকিদের বেহেস্তে রেখে সৃস্টিকতার কি লাভ হবে?

এই মহাবিশ্বের সৃস্টিকতার কাছে এই ৩০০ বিলিওন মানুষ এতো গুরুত্ব পূর্ন???

না ভায়া, কোন লাভও নেই কোন ক্ষতিও নেই।
কার্যকারন সূত্রের ফলাফল ঘটবে মাত্র।

আমাদের লোভও দেখায় নি, ভয়ও দেখায় নি।
সতর্ক করেছে যুক্তি দিয়ে, অতীতের উদাহরন দিয়ে, উপমা দিয়ে
যদি তুমি এটা করো এটা ঘটবে, যদি তুমি ঐটা করো এই ফল হবে।
তারপর পূর্ন স্বাধীনতায় ছেড়ে দিয়েছেন।

এখন ৩০০ বিলিয়ন কি বলছেন- একজান মানুষও স্রষ্টার কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ
কারণ তাঁর অতি প্রিয় সৃষ্টি। তাইতো একা/দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী, রাসুল পাঠিয়ে বারবার ইউজার ম্যানুয়াল পাঠিয়েছেন।
কার্য, কারণ ও ফলাফল কি হবে অবহিত করেছেন।

দৃষ্টিভঙ্গি আর উপলদ্ধির ভিন্নতাতেইতো মানুষের এত এত রকমফের।

৩৫| ২০ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৪২

লরুজন বলেছেন: @সাড়ো চুয়াত্তর, আপনি আমার সাথে ব্যঙ্গ করার চেষ্টা করছেন যা আপনাকে ছোট করছে এবং নিজেকে নিজে অপমানিত করছেন। আপনার এত মাথা ব্যথা কেন? =p~ আপনার মাথা ব্যথা বেশী হলে ঘাড়ের বলটু টাইট রাখেন নয়তো মাথা খুলে পরে যাবে। =p~ উনি সাত দিন হয়েছে ব্লগিং করেন সেটা নিয়ে আপনার চিন্তা কেন, আপনে বেশী চিন্তা করলে আবার জ্বীনে ধরতে পারে।

অপশন আমার আছে তারও আছে আপনে বেশী চিন্তা করে মাথার ঘিলু শুকায়ে ফেলছেন B-))

আপনে নিজেকে শিক্ষিত দাবী করেন? B-))

চিন্তায় চিন্তায় বড় ধরনের রোগ বালাই বাধায়া কবিরাজ বাড়ির সন্ধানে যাবার আগে একবার মেষ চিকিৎসা জ্বীন ধরে তাবিজ খায়া পানি ফু দিবেন। B-))

আবার আসিবেন B-))

৩৬| ২০ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৪

সত্যপীরবাবা বলেছেন: মৃত্যুভীতির চাইতে জ্বীন-ভূতের ভয় বেশি। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে ক্ষমা করবেন কাজেই আশা আছে (ব্লগ মোল্লারা বাগড়া না দিলেই হইল), জ্বীন-ভূতের পাল্লায় পড়লে কোনো ছাড়াছাড়ি নাই, বিশেষ করে আগুনের তৈরি জিনিস যখন শিরায়-উপশিরায় নাচানাচি করবে। প্যারাসিটামলে কাজ হবে বলে মনে হয় না।

অ.ট. its will be better try at your own home আর I replied to ignore him as it may fun -- ক্রিয়াপদের অপব্যবহার বা অব্যবহার সত্ত্বেও দুই ব্লগারের আংরেজি প্রীতি দেইখা উৎসাহ পাইলাম -- আমিও আমার ভাংগা আংরেজী নিয়া আইতাসি।

২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১:০৬

মিরোরডডল বলেছেন:



এই পোষ্টে জিন ভুতের কথা বলা হয়নি । মৃত্যুভয় নিয়ে বলা হয়েছে ।
বিলিভার, নন বিলিভার যে কারো মৃত্যুভয় থাকতে পারে । ইভেন যদি বিলিভার বলা হয়, তার মানেই না যে মুসলিম হতে হবে, অন্য ধর্মেও হেল হ্যাভেন মানুষ বিশ্বাস করে । পোষ্টের সারমর্ম ছিল মানুষ মৃত্যুভয় কাটিয়ে উঠে জীবনটা উপভোগ করুক । থ্যাংকস আপনাকে ।

২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১:৫৫

মিরোরডডল বলেছেন:



আমি আপনার পোষ্টগুলো পড়েছিলাম । কখনও মন্তব্য করা না হলেও সহমত, স্পেশালি সাম্প্রদায়িকতার পোষ্টে অবশ্যই । আমি অনলের লেখাতেও এই কথাটাই বলেছিলাম যদিও উনি আমার সেইসব কমেন্ট সরিয়ে ফেলেছেন । অন্যদের পোস্টেও আপনার কমেন্ট দেখে একরকম ধারনা ছিল অনেক বিচক্ষণ এবং লজিক্যাল । সেই আপনার কাছ থেকে এই কমেন্ট পেয়ে একটু অবাক হয়েছি ।

প্রথমত, ফর্মাল লিটারেচার আর কোলোকুয়াল অথবা ইনফর্মাল ল্যাঙ্গুয়েজের মাঝে অবশ্যই পার্থক্য আছে । সেই ক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যাকরণ স্ট্রাকচার ফলো করা হয়না । দ্বিতীয়ত, ২০শে জুলাই কোনও একটা রিসেন্ট পোষ্টের আপনার এক মন্তব্য আমাকে রীতিমতো আহত করে । সেটা ছিল ভাষা ব্যবহারে প্রবাসীদের ইংগিত দেয়া প্রসঙ্গে ।

আমার ব্যক্তিগত ভাবনা হচ্ছে, ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম । যে যেরকম ভাষায় অভ্যস্ত এবং স্বতঃস্ফূর্ত সে সেইভাবে কথা বলে । লিখতে গেলে অনেকসময় সেই ভাষা চলে আসে বা মিক্স হয়ে যায় । এটা বাংলা বা ইংলিশ হতে পারে, আঞ্চলিক বা প্রমিত বাংলা হতে পারে এরকম মিক্সিং । কিন্তু সেটার সাথে উচ্চ শিক্ষিত বা অল্প শিক্ষিত, প্রবাসী না দেশী এটার কোনই সম্পর্ক নেই ।

বলা হয়েছে ভাষা ব্যাবহারে একজন বোঝাতে চায় যে সে উচ্চ শিক্ষিত বা প্রবাসে থাকে । এটা বুঝিয়ে একজন মানুষের কি প্রাপ্তি ? তাতে কি যায় আসে ? একজন মানুষের শিক্ষা বা তার অবস্থানগত কারনে কি তাকে জাজ করা উচিৎ । অবশ্যই না । আমি একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করি । হতে পারে সে শিক্ষিত অথবা নিরক্ষর, হতে পারে সে আমাদের গ্রামের একজন কৃষক অথবা প্রবাসে থাকা একজন ডক্টর । মানুষ হিসেবে সে কেমন, মানবিক মূল্যবোধ আছে কিনা, একজন ভালো মানুষ কিনা সেটাই ইম্পরট্যান্ট ।

এই যে লেখাটা লিখছি আমাকে খুবই কেয়ারফুল থাকতে হচ্ছে কোনও ইংরেজি শব্দ চলে আসছে কিনা, থাকলে আমাকে চেঞ্জ করতে হবে, এইভাবে কি লেখা যায় ! আমরা যে যেরকম আমাদের কি সেইভাবেই সবাইকে গ্রহণ করা উচিৎ নাহ ! কেনো এটা বাংলা সাইট, তাই এখানে অনেকে এমন প্রমিত বাংলায় কথা বলে বা সম্বোধন করে , যেটা হয়তো কখনোই অফলাইনে আমি এভাবে বলিনা, ১০ টা অন্য ভাষা মেশানো থাকে । কিন্তু এখানে এসে যদি আমি সেটা করি তাহলে এটা একধরণের হিপক্রেসি নাহ ! এনিওয়ে, জানিনা আদৌ কিছু বোঝাতে পারলাম কিনা । তবে হ্যাঁ আপনার কাছ থেকে পেয়ে খারাপ লেগেছে বেশী ঐযে বললাম আপনাকে আমি অন্যরকম মনে করি, অনেক বেশী ওপেন, উন্মুক্তভাবে ভাবতে পারেন । ছোট তুচ্ছ বিষয় পিক করেন বলে মনে করিনি । যাই হোক, আমার পোষ্টে আপনার প্রথমবার মন্তব্য ছিল তাই আপনাকে অনেক থ্যাংকস ।

৩৭| ২১ শে জুলাই, ২০২০ ভোর ৬:৫৪

সোহানী বলেছেন: ব্লগে বরাবরেই কিছু পাগলের আনাগোনা থাকে। এদেরকে পুরোপুরি ইগনোর করতে হয়। আপনি এদের উক্তত্বের ফাঁদে দিয়েছেন তো বলা যায় আপনি ব্লগ ছাড়ছেন। তাই আপনাকেও বলি, জাস্ট ইগনোর দেম। এ ধরনের পাগল সবখানেই থাকে।

আপনার লিখা আপনি লিখে যান, কারো ভালো লাগলে পড়বে, মন্দ লাগলে গালি দিবে.....। তাতে আপনার কিছু যায় আসে না।

২২ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

মিরোরডডল বলেছেন:



সোহানি আপু অনেক থ্যাংকস ফর ইউর নাইস ওয়ার্ডস । আসলে কোনও অভিজ্ঞতা নেই এরকম । কেউ যে কারো সাথে ফর নো রিজন এমন করতে পারে, ইট ওয়াজ বিয়ন্ড মাই ইমাজিনেশন । এনিওয়ে এখন জানলাম । মনে রাখবো । থ্যাংকস আপু ফর বিয়িং উইথ মি ।

৩৮| ২২ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৪৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যুদ্ধ করে হেরে যাওয়ায় বীরত্ব আছে; যুদ্ধ না করে পলায়ন করা হলো কাপুরুষত্ব। আপনার কয়েকদিনের নীরবতায় মনে হচ্ছে আপনি যুদ্ধে না নেমেই পরাজয় মেনে নিয়েছেন। এটা কেন? Come down to the battle field and fight for a good cause, আপনি যে একা নন, এটা নিশ্চিত।

২২ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৮

মিরোরডডল বলেছেন:



ধুলো আমি এরকম বাজে অভিজ্ঞতা কখনও গো থ্রু করিনি । একটা পাবলিক ডোমেইনে একজন যা ইচ্ছা তাই বলে যাচ্ছি । এতো ইজি ? এতো স্বাভাবিক এগুলো এখানে ? আমি কেমন করে জানবো যে এটা এখানে নরমাল কালচার ! আমি মানসিকভাবে খুব ডিস্টার্বড ছিলাম । লাস্ট দুদিন আমি ওয়েট করেছি এডমিন রিপ্লাই করে কিনা । এনিওয়ে, এসময় ধুলোর কমেন্টগুলো মিন্ট টু মি এ লট । থ্যাংকস ধুলো ।

৩৯| ২২ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৩৭

লরুজন বলেছেন: ধুলো Come down না calm down হবে,,,
ধুলো @শায়রী এই পোস্ট দেইখ্যা বহুৎ ক্ষেপা ক্ষেপবো...........
কারণ শায়রী বাংলিশ পছন্দ করে না,,,
শায়রী খালি শিক্ষিত লোক না,,, সে সু শিক্ষিত লোক।

৪০| ২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:২০

শের শায়রী বলেছেন: বোন অনেক ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতার সাথে, যে আপনি আমাকে স্মরন করছেন। ইনফ্যাক্ট গত কিছুদিন যাবত, কিছু ঝামেলা নিয়ে এত ব্যাস্ত আছি যে অন্য কোন দিক নজর দিতে পারছি না। গত পরশু এক ঝলক ব্লগে ডুকছিলাম। আপনার পোষ্টটা তখন চোখে পড়ছে। আমার এই দেরীতে দেখা মার্জনা করবেন।

মৃত্যুটা আমাদের জীবনের অতি সাধারন ব্যাপার যা আমরা অর্হনিশি এড়িয়ে চলতে চাই যেন অস্বীকার করলেই মৃত্যু আসবে না। কিন্তু মৃত্যুর যে অপার রহস্য সে তুলনায় এই ভোগবাদী জীবন খুবই নশ্বর। হ্যা যেহেতু পৃথিবীতে আসছি (পড়ুন জন্ম গ্রহন করছি) তাই যে যেভাবে পারুক জীবন উপভোগ করুক। কিন্তু অস্বীকার করার মানসিকতা থেকে যেন সবাই বের হয়ে আসে।

দারুন এক পোষ্ট দিয়েছেন মন্তব্য লিখতে গিয়ে, লিখুন না। আমি এখনো কিছুটা ব্যাস্ত সময় পার করছি, যার কারনে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নিজের লেখা বা ব্লগের কিছু লেখা মিস করছি। নিশ্চয়ই শিঘ্রী দেখা হবে লেখনির মাধ্যমে। লিখুন নিজের আনন্দে।

আবারো অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন বোন।

২৪ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৩৯

মিরোরডডল বলেছেন:



শায়রী, মোস্ট ইম্পরট্যান্ট থিং ইউ আর ওকে । এটাই জানার ছিল ।
থ্যাংকস ফর ইউর নাইস ওয়ার্ডস ।
ব্যস্ততা কাটিয়ে শায়রী আবারও অনেক সুন্দর সুন্দর শের নিয়ে আসবে এই প্রত্যাশা ।
ভালো থাকুক শায়রী ।

৪১| ২৫ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



জীবনের সীমানার ভিতরে মৃত্যুর অনিবার্যতাকে উপলব্ধি করাই সার্থক মানব জনম । মৃত্যুকে বাদ দিয়ে কেউ যদি কেবল অস্তিত্বকে ভাবতে যায়, তাহলে চিন্তা থেকে যাবে অসম্পূর্ণ প্রতিমার মতোই।তাই সার্থক আত্মত্ব ( অথেনটিক সেলফহুড) অর্জনের জন্য মানুষকে উপলব্ধি করতে হবে মৃত্যু হল তার চূড়ান্ত যথার্থ, চূড়ান্ত স্পষ্ট, চূড়ান্ত অনবদমনীয় বিষয় ।

সক্রেটিস তার নিজস্ব যুক্তি দিয়ে মৃত্যুভয়কে হার মানিয়েছিলেন। তিনি বলতেন, মৃত্যুর স্বরূপ আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব নয় তা সত্য, কিন্তু মৃত্যুর পরে কী হবে তাকে আমরা দুটো সম্ভাবনায় সীমাবদ্ধ করে ফেলতে পারি। তার মতে, এগুলোর কোনোটাই ভীতিকর কিছু নয়।
সক্রেটিসের নির্ভয়ে মৃত্যুকে বরণ করে নেয়া image source: wikimedia commons


জগত সম্বন্ধে আমাদের মূল্যায়ন ও নৈতিক নিয়মাবলী যৌক্তিকতা থেকে আসে না, আসে man is mortal কথাটি থেকে । পরলোকে কী আছে ও সেখানে আমাদের জায়গা কোথায় তা নিয়ে চিন্তা করা যেমন আমাদের করণীয়, তেমনই জগতকে নিয়ে আমাদের করণীয় কী তা সম্বন্ধে চিন্তা করাও আমাদের করণীয়।

মানুষের মৃত্যুকে নিয়ে ভয় পাওয়া বা দুঃখিত হবার অন্যতম কারণ হচ্ছে মৃত্যু হলে অনেক অভিজ্ঞতার সুযোগই মানুষ হারিয়ে ফেলবে এ ব্যাপারটি বুঝতে পারা। একজন পাঠকের মৃত্যু হলে, পাঠক হয়তো ভবিষ্যতে ঘটতে যাওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারই উপভোগ করতে পারবেন না। তিনি দেখতে পারবেন না নতুন পৃথিবীর নতুন আবিস্কারগুলি কেমন হবে, তার পরিবারের কার ভবিষ্যৎ কেমন হবে। এই ব্যাপারটা তো আসলেই দুঃখজনক।

মৃত্যু অনেক সময়ই ইতিবাচক। কারণ স্বাভাবিক মৃত্যু যেটা বৃদ্ধ বয়সে আসে, সেগুলো সাধারণত একটি বেদনাদায়ক জীবনযাপনেরই ইতি টানে। জরাগ্রস্থ পরনির্ভরশীল জীবন কে-ই বা কাটাতে চায়। তাই স্বাভাবিক মৃত্যুকেও ভয় পাবার কিছু নেই।
যুগে যুগে অনেক দার্শনিকই মৃত্যুভয়কে অযৌক্তিক প্রমাণ করে গেছেন তাদের নিজস্ব যুক্তিতে। তবে একজন মানুষ মৃত্যুকে কীভাবে দেখবেন, সেই সিদ্ধান্ত একান্তই তার নীজের ।

তবে মরার আগেও মানুষকে কয়েকবার মরতে হবে , মৃত্যু ঘটাতে হবে তার মনের কুপ্রবৃত্তিকে ,কু-ইচ্ছাকে , নীজের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে ভাল কাজের ইচ্ছা , তাহলেই নীজের ও জগতের কল্যান হবে । তাইতো বিশ্ববিখ্যাত জার্মান দার্শনিক ইম্মানুয়েল কান্ট বলেছেন Die to live ,be a person তথা বাঁচার জন্য মর ও মানুষের মত মানুষ হও ।

গুরুত্বপুর্ণ একটি বিষয়ে পোষ্ট দিয়ে আলোচনার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

উপরে মন্তব্যের ঘরে শের শায়রী'র উপস্থিতি দেখে নিশ্চিন্ত হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

২৫ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১২

মিরোরডডল বলেছেন:



চমৎকার একটা মন্তব্য । প্রতিটা কথা অর্থবহ । সহমত । জীবন আর মৃত্যুর অবস্থান পাশাপাশি । একটা ছাড়া আরেকটা অসম্পূর্ণ । ছবিটাও দুর্দান্ত হয়েছে । হ্যাঁ এটাও সত্যি কারো জন্য মৃত্যু ইতিবাচক ভূমিকা রাখে । তাতো অবশ্যই । প্রত্যেকের নিজস্ব একটা ভাবনা আছে আর আমাদের উচিৎ সবার ভাবনাকে সেইভাবে রেস্পেক্ট করা ।

'তবে মরার আগেও মানুষকে কয়েকবার মরতে হবে ।' সো ট্রু । আমিও তাই মনে করি, মৃত্যুকে স্মরণ করে মানুষ এইসব লোভ লালসা থেকে, খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকতে পারে । অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্যের জন্য ।

শায়রীর ফিরে আসায় অনেক স্বস্তি এবং খুশী হয়েছি ।

আপনিও অনেক অনেক ভালো থাকবেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.