| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের বিরুদ্ধে এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে থাকা দল হলো জামায়াতে ইসলামী! তারা মুখে বলে তারা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে চায় মানে খেলাফত আরকি কিন্তু গনতন্ত্রের মাধ্যমে! গনতন্ত্রের মূল মন্ত্র হলো জনগণ হলো সকল ক্ষমতার মালিক! জনগণ ঠিক করবে জনগণের জন্য আইন এবং বাকি সবকিছু। ইসলাম বলে, আল্লাহ্ তায়ালা সকল ক্ষমতার মালিক এবং আইন হবে আল্লাহর। এবং যে-সকল মানুষ জেনে-বুঝে গনতন্ত্র বিশ্বাস করে সে মুসলমান না সে কাফের!
গত ৫ই অগাস্টের পর থেকে ব্যাপকহারে তরুণ সমাজকে ইসলামের নামে তাদের দলে ভিড়ানো শুরু করেছে এই দলটি। তারা এই সকল নাদান ইসলামী রাজনীতি না বুঝা তরুণদের এক প্রকার ব্রেণওয়াশ করছে বলা চলে! তারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এ সকল তরুণদের বুঝাচ্ছে তারা ক্ষমতায় গেলে তারা খেলাফত কায়েম করবে! হাও রেডিকুলাস! যদি ধরে নেই তারা খেলাফত কায়েম করলো, তাহলে তাদের হিন্দু শাখার কি হবে? যেই সংবিধান রক্ষার শপথ তারা নিলো সেই শপথের কি হবে?
খেলাফত কায়েম মানে সবখানে ইসলামী আইন এবং সকল কর্মকর্তা মুসলিম হবে। তাহলে তাদের দলের হিন্দু নেতা ও কর্মীদের সাথে তারা প্রতারণা করলো না? তাদের উপর তো জিজিয়া কর আরোপ হবে এবং রাষ্ট্র পরিচালোনার কোনো কাজে তারা থাকতে পারবে না। তারা গণতন্ত্রের নামে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করে গণতন্ত্রের বিপরীত ব্যাবস্থা খেলাফত কায়েম করে কি তারা ধোকাবাজি করলো না? রাসুল (সাঃ) বলেছেন যে প্রতারণা করে বা ধোঁকা দেয়, সে আমার উম্মতের মধ্যে গণ্য হবে না।’(মুসলিম, মিশকাত)।
বাংলাদেশে খেলাফতের স্বপ্ন দেখা তরুণদের সাবধান করা উচিত যাতে কেউ তাদের ফাদে পা না দেয় অন্যথায় এরা এদের দ্বারা প্রতারীত হয়ে খেলাফত কায়েম করতে চাওয়া বিভিন্ন জংগি সংগঠনে যুক্ত হয়ে যেতে পারে! যদি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের নাম থেকে ইসলামী শব্দ বাদ দেয় এবং বলে তারা গণতান্ত্রিক তাহলে ভিন্ন কথা!
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৪ বিকাল ৩:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি খেলাফতের পক্ষে নাকি বিপক্ষে? পক্ষে হলে সৈয়দ কুতুবের বই পড়তে ভুলবেন না। আর নকল সৈয়দ কুতুব চায় আপনাকে দ্রুত প্রথম পাতায় দেখতে। তার জন্য ব্লগার দের ব্লগে কমেন্ট করা জরুরি।