নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নাহিয়ান ব্লগ

নাহিয়ান ব্লগ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য মাযহাবের অনুসরণ করা অপরিহার্য তথা ফরয-ওয়াজিব ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৫৪

মাযহাবের আভিধানিক অর্থ ‘চলার পথ’।

শরীয়তের পরিভাষায় কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ তথা ফিক্বাহর অনুসরণ করতে গিয়ে যে যেই ইমাম উনার তাকলীদ বা অনুসরণ করে সে সেই ইমাম উনার মাযহাবের অন্তর্ভুক্ত। মূলত প্রত্যেক ছাহাবী এবং প্রত্যেক ইমাম-মুজতাহিদ উনারা প্রত্যেকেই একটি করে মাযহাব ছিলেন। তবে তৃতীয় হিজরীতে ইজমা হয় যে, হানাফী, মালিকী, শাফিয়ী ও হাম্বলী- এ চারটি মাযহাবের যেকোন একটি অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয।



মাযহাবের উৎপত্তি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ থেকে শুরু হয়েছে এবং তাবিয়ীন, তাবি-তাবিয়ীনগণের মধ্যে অনেকেই মাযহাবের ইমাম ছিলেন। কেননা শুরু যামানায় অনেকেই মুজতাহিদ ছিলেন তাঁরা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ পড়ে নিজেই ইজতিহাদ করে চলতেন, কারো অনুসরণ করার প্রয়োজন ছিল না।



হিজরী শতকের তৃতীয় শতাব্দি থেকে হানাফী (৮০-১৫০), মালিকী (৯৩ বা ৯৫-১৭৯), শাফিয়ী (১৫০-২০৪) ও হাম্বলী (১৬৪-২৪৬) মাযহাব প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সর্বজন মান্য হিসেবে গৃহীত হয়। আর চতুর্থ হিজরী শতকে ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয় যে, উক্ত চার মাযহাবের যে কোন এক মাযহাবের অনুসরণ করা ফরয-ওয়াজিব এবং তা অমান্য করা বিদয়াতী ও গোমরাহী।



‘মুছাল্লাম’ কিতাবে, “যে ব্যক্তি মুজতাহিদে মতলক্ব নয় যদিও সে আলিম, তথাপি তার জন্য তাকলীদ অর্থাৎ কোন এক মাযহাবের অনুসরণ করা ফরয।” তাফসীরে আহমদীয়াত হযরত মুল্লা জিউন রহমতু্‌ল্লাহি আলাইহি বলেন, “সাধারণের জন্য আলিমগণকে এবং আলিমগণের জন্য মুজতাহিদগণকে অনুসরণ করা ওয়াজিব।” তিনি আরো বলেন, “চার মাযহাবের কোন একটাকে অনুসরণ করা ওয়াজিব।” ‘জামিউল জাওয়াম’-এর উদ্ধৃত হযরত আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “যারা ইজতিহাদের (মতলক্ব) ক্ষমতা রাখে না, তাদের জন্য কোন একজন ইমামের মাযহাবকে অনুসরণ করা ওয়াজিব।”



হযরত ইমাম গায্‌যালী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর ফতওয়া “কোন এক মাযহাবের অনুসরণ করা ওয়াজিব।”



ফতওয়া হচ্ছে প্রত্যেকের জন্য মাযহাব চতুষ্ঠয়ের যে কোন এক মাযহাবের অনসরণ করা ফরয-ওয়াজিব। অন্যথায় সে ফাসিক ও গোমরাহ হবে। এ ফতওয়ার উপর ইমাম-মুজতাহিদগণ ইজমা করেছেন। যারা মাযহাব মানে না বা মাযহাবের বিরোধিতা করে তারা বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন, ওহাবী, সালাফী, মুহম্মদী, লা-মাযহাবী, আহলে হাদীছ, রফেদান ইত্যাদি।



তারা নিজেরাই নিজেদের মধ্য থেকে ইমাম বানিয়ে তার অনুসরণ-অনুকরণ করে। তাদের ইমামের আক্বীদা-আমল কুরআন-সুন্নাহর খিলাফ হলেও সেটাকেই তারা অনুসরণ করে থাকে।



এরূপ নব উদ্ভাবিত ইমামদের সম্পর্কেই হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “আমার পরে অনেক ইমাম বের হবে। তারা আমার হিদায়েতের উপর চলবে না এবং আমার সুন্নত আমল করবে না। তাদের মধ্যে এমন সকল লোক দাঁড়াবে বা পয়দা হবে যাদের দিল শয়তানের মত অথচ আকৃতিতে তারা মানুষ।” তারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের বিপরীত মত-পথ পোষণ করে।





ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৫৭

রিজু বলেছেন: আপনি কেন বেহেশতে/স্বর্গে যেতে চান?

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৪

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: আপনি কেন জগতে সুখে থাকতে চান ? আপনি কেন ভাল থাকতে চান ?

২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৫

শুভ জািহদ বলেছেন: মাযহাবের আভিধানিক অর্থ ‘চলার পথ’। ভূল

=> মাযহাব এর অর্থ হলো ধর্ম, বিশ্বাস, মতামত।
দ্বীন শব্দের অর্থও হলো ধর্ম, বিশ্বাস, আচরণ ধারা।

মিসবাহুল লুগাত (থানভী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা) এবং আল মুজামুল ওয়াফী (রিয়াদ প্রকাশনী-৭৫৩ পৃষ্ঠা)।

যেহেতু আমাদের মাজহাব এবং দ্বীন প্রায় একই অর্থ বহন করে তাই আমাদের জানতে হবে আমাদের মাজহাব বা দ্বীনের নাম কি?

সূরা আল ইমরান-১৯> নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন বা মাজহাব একমাত্র ইসলাম।

আল্লাহ আমাদের মাজহাবের বা দ্বীনের নাম রেখেছেন ইসলাম।

আমাদের মুসলিমদের মাজহাবের নাম ইসলাম এবং আমাদের মাজহাবের ইমামের নাম মুহাম্মদ সাঃ।

==============================================

তবে তৃতীয় হিজরীতে ইজমা হয় যে, হানাফী, মালিকী, শাফিয়ী ও হাম্বলী- এ চারটি মাযহাবের যেকোন একটি অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয।

=> এই ইজমা কবে হইছিল? কারা কারা উপস্থিত হইছিল? কখন হইছিল? হানাফীদের শিরমণি শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভীর হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগা অনুযায়ী ৪০০ হিজরীর আগে কোন মাজহাব ছিল না। মাজহাবই যদি না থাকে তো ইজমা হইল কেমনে?

৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৬

ফাটা বাশঁ বলেছেন: কোরআন হাদিসের কোথাও কি এই কথা লেখা আছে?

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৭

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: লিঙ্কগুলো দেখুন ।

৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৭

শুভ জািহদ বলেছেন: মাযহাবের উৎপত্তি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ থেকে শুরু হয়েছে এবং তাবিয়ীন, তাবি-তাবিয়ীনগণের মধ্যে অনেকেই মাযহাবের ইমাম ছিলেন।

=> কোন কোন সাহাবীর নামে মাজহাব আছে দেখান? সাহাবীদের নামে মিথ্যারোপ করতে ভয় লাগে না? আপনার এই বক্তব্যের স্বপক্ষে কোরআন বা হাদিস থেকে কি কোন দলিল দিতে পারবেন?

৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৯

শুভ জািহদ বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

=> হানাফীদের শিরমণি শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভীর হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগা অনুযায়ী ৪০০ হিজরীর আগে কোন মাজহাব ছিল না। মাজহাবই যদি না থাকে তো উপরোক্ত সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের নামে এই অপবাদ কেন দিচ্ছেন? তাদের ব্যাপারে আপনার বক্তব্যের স্বপক্ষে কোন সনদ ভিত্তিক দলিল আছে কি? একটাও নাই।

৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৩

শুভ জািহদ বলেছেন: মাজহাব শব্দের একটি অর্থ হলো মতামত। মাজহাবীরা বলে আমরা ৪ জন ইমামের মতামত তথা মাজহাবকে ফলো করি। মূলত মাজহাবীরা কখনো মাজহাবকে মতামত অর্থ ব্যবহার করে না। কারণ পূর্ববর্তী ইমাম ৪ জন নয়। যেমন ইমাম আবু দাউদ, ইমাম নাসাঈ, ইমাম আহমদ, ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ, ইমাম ইবনে কাসির, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম কুরতুবী, ইমাম সুয়ুতী, ইমাম যুহরী, ইমাম শাতবী, ইমাম মালেক, ইমাম ইবনুল কাইয়ুম। তারা প্রত্যেকেই ইসলামিক ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়েছেন।

মাজহাবকে যদি মাজহাবীরা মতামত অর্থে ব্যবহার করত তবে তারা বলত মাজহাব আছে শত শত। মূলত তারা মানুষকে ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাবের অর্থ মতামত হিসেবে ব্যবহার করে।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৮

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৫

শুভ জািহদ বলেছেন: মাজহারের আরেকটি অর্থ "দল" বা গ্রুপ। মূলত মাজহাবীরা "মাজহাব" শব্দটিকে দল হিসেবে ব্যবহার করে যে ইসলামে ৪ টি দল আছে। যেকোন একটিতে প্রবেশ করা ওয়াজিব।

৮| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২৪

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: কুরআন শরীফের দৃষ্টিতে মাযহাব গ্রহণ করা ফরয-ওয়াজিব

হাদীছ শরীফের দৃষ্টিতে মাযহাব গ্রহণ করা ফরয-ওয়াজিব

ইমাম-মুজতাহিদ ও ফক্বীহগণের দৃষ্টিতে মাযহাব গ্রহণ করা ফরয-ওয়াজিব

৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২৪

শুভ জািহদ বলেছেন: যারা বলে চারটি মাজহাব তথা দল আছে। যেকোন একটিতে প্রবেশ করা ওয়াজিব। তারা মুসলিম নয়, কাফির-মুশরিক।

=> আল্লাহ তায়ালা দলে দলে বিভক্ত হওয়াকে হারাম করেছেন।
সূরা আল ইমরান-১০৩> তোমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে আকড়ে ধরো এবং দলে দলে বিভক্ত হয়ো না

আল্লাহ দলে দলে বিভক্ত হওয়াকে হারাম করেছেন কিন্তু আপনারা মাজহাবীরা দলে দলে বিভক্ত হওয়াকে ওয়াজিব পর্যায়ের হালাল করেছেন। আল্লাহ যা হারাম করেছেন আপনারা মাজহাবীরা তা হালাল করে নিয়েছেন। ঠিক যেমনভাবে খ্রিষ্টানরা হালাল কে হারাম করেছিল।

রাসূল সাঃ যখন আদী বিন হাতেম রাঃ এর গলায় ক্রুশ পরিহিত দেখলেন তখন পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত পাঠ করলেন।

সূরা তাওবাহ-৩১>(খ্রিস্টানরা) তারা তাদের ধর্মীয় পন্ডিতদের রব বানিয়ে নিয়েছে।

আদী বিন হাতেম রাঃ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমরা তো আমাদের ধর্মীয় আলেমদের "রব" বানাইনি। তখন রাসুল সাঃ বললেন, আল্লাহর হারাম করা কোন বিষয় যদি তোমাদের আলেমরা হালাল ফতোয়া দিত তোমরা কি তা মানতে না। তিনি বললেন, হ্যা মানতাম। আবার রাসূল সাঃ বললেন, আল্লাহ যা হালাল করেছেন তা তোমাদের আলেমগণ যদি হারাম ঘোষনা দিত তোমরা কি তা মানতে না। তিনি (আদী বিন হাতেম রাঃ) বললেন মানতাম। রাসূল সাঃ বললেন, আল্লাহর হালালকে যারা হারাম করে তাদের মান্য করাই তাদের রব বানিয়ে নেওয়া।

ইহুদী খ্রিষ্টানরা হালালকে হারাম করে রব হয়ে গিয়েছিল। ঠিক একই ভাবে মাজহাবীরাও দলে দলে বিভক্ত হওয়ার ফতোয়া দিয়ে হারামকে হালাল করে রব হয়ে গিয়েছে।

ইহুদী খ্রিষ্টানটা রব হয়ে কাফের হয়ে গিয়েছিল, ঠিক একই ভাবে দলে দলে বিভক্ত হওয়ার ফাতওয়া দিয়ে মাজহাবী আলেমরাও রব হয়ে কাফির হয়ে গেছে।

অতএব রবের আসনে বসা আলেমরা কাফির। এরা কখনোই মুসলিম না।

১০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩২

শুভ জািহদ বলেছেন: মাজহাবের ফায়সালা দেওয়া আলেম এবং মানুষরা মুসলিম না, কাফির।

দ্বিতীয়ত: ইসলামে বিধান দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।

সূরা ইউসুফ-৪০> বিধান একমাত্র আল্লাহর।
সূরা আরাফ-৫৪> সৃষ্টি যার বিধান তার।

অতএব শারীয়ার বিধান দেওয়া অধিকার একমাত্র আল্লাহর।

সূরা শূরা-৪২/২১> তাদের কি এমন কতগুলো শরীক আছে (আল্লাহর পাশাপাশি) যারা তাদের জন্য শারীয়ার বিধান দেয়, যার অনুমতি আল্লাহ দেননি?

যেহেতু আল্লাহ অনুমতি দেন নি তাই মানুষের পক্ষে শারীয়ার বিধান দেওয়া হারাম। তাই দলে দলে বিভক্তির ফায়সালা দেওয়া মাজহাবীরা শারীয়ার বিধান দিয়ে আল্লাহর অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে।

এতে বিভক্তির ফায়সালা দেওয়া আলেমরা কাজটা শিরক করেছে। "৪ টার একটা গ্রহণ করা ওয়াজিব" ওয়াজিব ফরজ নফল বিধান দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহর। তাই এমন শারীয়ার বিধান দেওয়া ব্যক্তিরা আল্লাহর সাথে নিজেদের শরীক করেছে।

যারা শিরক করে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন,

সূরা নিসা-৪৮> নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করার গোনাহ ক্ষমা করেন না।

যেহেতু ক্ষমা করেন না তাই দেখতে হবে শাস্তি কি?

সূরা মায়িদাহ-৭২> নিশ্চয়ই যে আল্লাহর সাথে শিরক করে তার জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দেন।

কোন মুসলিমের জন্য কি জান্নাত হারাম হয়? কখনো হয় না। কারণ মুসলিমরা একদিন না একদিন ঠিকই জান্নাতে ফিরে আসবে। তাই মাজহাবের বিধান দেওয়া এই আলেম ও তার মুরীদরা মুসলিম না। মুসলিম হলে তাদের জন্য জান্নাত হারাম হতো না।




১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৯

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: দলিল দেওয়া আছে । "ওমা আ'লাইনা ইল্লাল বালাগ"

১১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৫

ফাটা বাশঁ বলেছেন: শুভ জাহিদের সাথে পুরোপুরি একমত

১২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৬

শুভ জািহদ বলেছেন: যারা মাজহাবের বিধান দেয়, দলে দলে বিভক্ত হতে বলে তাদের সাথে নবী সাঃ এর কোন সম্পর্ক নাই।

=> সূরা আনআম-৬/১৫৯> নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার (নবী সাঃ) কোন সম্পর্ক নেই।

কোন মুসলিমের কি নবী সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়? কখনো না। বরং কাফির মুশরিকদের সাথেই সম্পর্ক ছিন্ন হয়। যারা দ্বীনকে খন্ড বিখন্ড করেছে (মাজহাবের বিধান দিয়ে) এবং দলে দলে (হানাফী শাফেয়ী হাম্বলী ইত্যাদি) বিভক্ত হয়েছে তারা মুসলিম না।

১৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৭

শুভ জািহদ বলেছেন: অতএব আপনাদের সাথেও নবী সাঃ এর কোন সম্পর্ক নাই। আর নবী সাঃ এর সাথে যাদের সম্পর্ক নাই তারা মুসলিম না। এবং তাদের সাথে আমাদেরও কোন সম্পর্ক নাই।

১৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৯

নিশ্চুপ শরিফ বলেছেন: আজীব! মহানবী মারা যাবার পর, তার সাহাবারা মারা যাবার পর যে জেতা আস সেটা কিভাবে ওয়াজিব হয়? কেন কুরআন এবং হাদিস কি যথেষ্ট না আপনার কাছে? ইমামরা কোথায় বলছেন তাদের মাহযাব মানা ওয়াজিব?? ইমামরা তো কিয়াস বা ইযমা এর অপর ভিত্তি করে মতামত দিতে পারে, স্বাভাবিক, টা বলে এক ইমাম কেও অন্ধের মতো মানতেই হবে এটা কই পাইলেন? হানাফি মাহজাবে রফ ই ইয়াদিন করতে বলা নাই, কিন্তু আমি এখনি চাইলে ১০ টা বুখারির হাদসি দেখাতে পারব। তাহলে আমি কি হাদিস কে বেশি গুরত্ত দেব না ইমামের মতামত? মহাবীর (সাঃ) এর কথার ওপর ইমামদের কথা??? আর হাদিসে যেখানে ১-২-৩ রকম করার সুযোগ দেয়া আছে সেখানে কি করে শুধু এক ইমাম কে মেনে অন্য ইমামাদের অপমান এবং অনেক ক্ষেত্রে হাদিস কে অমান্য করতেচেন। ইমামরা কখনি বলে নি তাদের মাযহাব অনুসুরন করতে হবেই, কিছু মানুষ ইমামদের নাম দিয়া মানুষের ইমামদের প্রতি আবেগ কাজে লাগিয়ে এই কাজ করার চেষ্টা করে? কিছু বললেই বলা শুরু করে "আপনি কি ইমামদের চাইতে বেশি জানেন? ইমামদের চাইতে বেশি পরছেন? ব্লা ব্লা ব্লা"

ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর মূল কথা ছিলঃ-
“ইযা সহহাল হাদিসু ফা হুয়া মাজহাবা” অর্থ্যাত বিশুদ্ধ হাদিস পেলে সেটাই আমার মাজহাব বা মতামত। (১/৬৩ ইবনু আবিদীন এর হাশিয়া, পৃঃ ৬২ ছালিহ আল-ফাল্লানীর, ১/৪৬ শামী)
ইমাম আবু হানিফাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল হে শায়খ, যদি এমন সময় আসে যখন আপনার কথা কোন সহীহ হাদিসের বিপরীতে যাবে তখন আমরা কি করব?
তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তখন তোমরা সেই সহীহ হাদিসের উপরই আমল করবে এবং আমার কথা প্রাচীরে/দেয়ালে নিক্ষেপ করবে।


৩৫ হিজরিতে জন্মগ্রহন কারী ইমাম শাফেঈ (রহঃ) এর বক্তব্য হলো,
তোমরা যখন আমার কিতাবে রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সুন্নাহ বিরোধী কিছূ পাবে তখন আল্লাহর রাসুলের সুন্নাত অনুসারে কথা বলবে। আর আমি যা বলেছি তা ছেড়ে দিবে। (৩/৪৭/১ আল হারাবীর, ৮/২ খত্বীব, ১৫/৯/১ ইবনু আসাকির, ২/৩৬৮ ইবনু কাইয়িম, ১০০ পৃঃ ইহসান ইবনু হিব্বান)।


৯৩ হিজরীতে জন্মগ্রহণ কারী ইমাম মালেক রহঃ এর বক্তব্যও একই।
ইমাম মালেক বিন আনাস (রহঃ) বলেছেন, আমি নিছক একজন মানুষ। ভূলও করি শুদ্ধও বলি। তাই তোমরা লক্ষ্য করো আমার অভিমত/মতামত/মাজহাব এর প্রতি। এগুলোর যতটুকু কোরআন ও সুন্নাহ এর সাথে মিলে যায় তা গ্রহণ করো আর যতটুকু এতদুভয়ের সাথে গরমিল হয় তা পরিত্যাগ করো। (ইবনু আবদিল বর গ্রন্থ (২/৩২)।

১৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪১

শুভ জািহদ বলেছেন: যারা দলে দলে বিভক্ত হওয়ার ফায়সালা দেয় তার মুসলিম না মুশরিক। এই ফাতওয়া মহান আল্লাহ তায়ালা দিয়েছেন।

সূরা রুম-৩১-৩২>মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। যারা তাদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উল্লসিত।

এটি আল্লাহর ওপেন ফাতওয়া। মাজহাবীরা দ্বীনকে বিভক্ত করেছে। এবং হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী ইত্যাদি গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ দল নিয়ে খুশি। যাদের আল্লাহ মুশরিক বলেছেন তাদেরকে আমাদেরও মুশরিক বলা ফরজ। কারণ মুশরিক না বললে আল্লাহর আয়াত অস্বীকার হবে। তাতে আমরা নিজেরাই কাফির হয়ে যাব।

১৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৫

শাহাদাত রুয়েট বলেছেন: ভালোই বলেছেন। একেবারে ফরজ বানিয়ে ফেলেছেন। তাহলে ফরজ করার অধিকারও আল্লাহর কাছ থেকে হরণ করলেন !

১৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৮

শুভ জািহদ বলেছেন: নিশ্চুপ শরীফ@ যদিও আহলে হাদিসরা এই বাণীটি দিয়ে হানাফীদের আহবান করে তবে চূড়ান্ত সত্য কথা হলো “ইযা সহহাল হাদিসু ফা হুয়া মাজহাবা” এই বক্তব্যটির কোন সনদ নাই। কোন চেইন নাই। তাই এটি আবু হানিফার বক্তব্য বলে চালানো উচিত না।

আপনি যদি উপরের "ইযা...মাজহাবা" দেন তো তারা বলবে এটিই প্রমাণ করে যে ইমাম আবু হানিফা হানাফী মাজহাব তৈরী করেছেন। মূলত এটা আবু হানিফার নামে মিথ্যাচার। যদি ধরেও নেই যে তিনি তৈরী করেছেন তারপরেও এই মাজহাব গ্রহণ করা হবে না। কারণ দ্বীনের মধ্যে নব্য আবিস্কার সম্পর্কে রাসূল সাঃ বলেছেন-

মান আহদাসু ফি আমরিনা হাজা মা লাইসা মিনহু ফাহুয়া রদ্দু অর্থ্যাৎ আমার এই দ্বীনে কেউ কোন নতুন নিয়ম/বিধান চালু করলে সেটা বাতিল। (বর্ণনায় বুখারী)

তাই মাজহাব যেহেতু দ্বীনের মধ্যে নব্য বিষয়। তাই এটিও বাতিল। আমাদের মনে রাখতে হবে যে মাজহাব এবং দ্বীন প্রায় একই অর্থ বহন করে যা আমি উপরে বিস্তারিত উল্লেখ করেছি।

সুতরাং আমাদের মাজহাব বা দ্বীন এর নাম আল্লাহ রেখেছেন তা হলো ইসলাম (সূরা আল ইমরান-১৯)।

আল্লাহর আদেশ অমান্য করা হারাম, তাই মাজহাবের নাম ইসলামও পরিবর্তন করা হারাম।

১৮| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৯

শীতলতা চাই বলেছেন: কোন প্রকার সহ্‌হী হাদিস বা কুরআন পাকের দলিল ছাড়া কিভাবে ফরজ বা ওয়াজিব প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আল্লাহ্‌ আমাদের জ্ঞান দান করুন।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৮

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

১৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫১

অন্ধকারের আমি বলেছেন: যেই লোক অন্ধ সেই লোক বাধ্য হয়েই অন্যের হাতে হাত রাখে। তবে আসল কথা হচ্ছে এখনকার জানামার লোকেরা আগের জামানার লোকদের চেয়ে অনেক বেশী জ্ঞান বুদ্ধি রাখে। একটা ছোট ডিভাইসের মাঝে কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সহ কোটি কোটি তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা যায়।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৯

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

২০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৫

শুভ জািহদ বলেছেন: সর্বশেষ যেই বক্তব্য লেখক কে দিতে চাই তা হলো
মাজহাবীদের দ্বীন খন্ড বিখন্ডকারীদের আল্লাহ কাফির-মুশরিক বলেছেন, তাই আমরাও তাদের কাফির মুশরিক মনে করি এবং বলি। যদি না বলি তো আল্লাহর আয়াত অস্বীকার করে আমরাই কাফির হয়ে যাব।

তবে কোন ব্যক্তিকে কাফির বা মুশরিক বলার পূর্বে কিছু শর্ত রয়েছে। আপনাকেও কাফির বা মুশরিক বলার আগে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন-

সূরা নিসা-১১৫> সত্য পথ প্রকাশের পরও যারা রাসূল সাঃ এর বিরুদ্ধাচারণ করে এবং মুমিনদের (সাহাবাদের) অনুসৃত পথের বিপরীতে চলে, আমি তাকে সেদিকেই ফিরাব যেদিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নাম দিব।

অতএব দেখা যাচ্ছে আল্লাহ জাহান্নাম তখনই দেন যখন সত্য পথ প্রকাশ হয়ে যায়। আমরা মুসলিমরা আপনাকে এখনও মুসলিম মনে করি। তাই সত্য পথ প্রকাশ করলাম। কোন দলিল থাকলে দেন। নতুবা সত্য গ্রহণ করেন। তানাহলে আল্লাহ আপনাকে সেদিকেই ফিরাবেন যেদিক আপনি অবলম্বন করেছেন। অর্থ্যাৎ আপনি হানাফী হলে আল্লাহ আপনাকে হানাফীই বানাবেন।

তাই আপনাকে কোন কিছু ফাতওয়ার আগেই নিজের বিবেক খাটিয়ে সত্যের অনুসরণ করুন। আলেম পুজা বাদ দেন। সাহাবাদের অনুসৃত পথ অনুসরণ করুন যে পথে কোন মাজহাব ছিল না।

আল্লাহ আমাদের মুসলিম হিসেবে মৃতু্ দান করুন। আমীন।

২১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৬

ইভা_110 বলেছেন: বিভক্ত নীতি ইহুদীদের কাজ :
১. তোমরা কখনো তাদের মতো হয়ো না, যাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরও তারা বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে নানা রকম মতানৈক্য সৃষ্টি করেছে। তারাই হলো সেসব মানুষ, যাদের জন্য কঠোর শাস্তি রয়েছে। [সুরা আলে ইমরান- ১০৫]

২২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৭

শুভ জািহদ বলেছেন: আপনার দলিল গুলো দেন। অবশ্যই কোরআন ও সহীহ হাদিস থেকে দিবেন। কোন আলেমের বক্তব্য বা বই শারীয়ার দলিল না।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৯

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: আমার লিঙ্কগুলো দেখেন ।

২৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৫

পাতিকাক বলেছেন: ফট কইরা বইলা দিলেন ফরয ওয়াজিব। আসলে আল্লাহ আপানাগো ধইরা বাইন্দা হেদায়েত না করলে আপ্নাগ হেদায়েত নাই। :( :( :(

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৬

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: আমার লিঙ্কগুলো দেখেন ।

২৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২১

শুভ জািহদ বলেছেন: আপনার লিংকগুলো অপেন হয় নাই। আমার কম্পিউটারে লোড হইতেছে না। বরং আপনিই আপনার দলিলগুলো এখানে ব্লগে উপস্থাপন করুন। আমরা দেখি ৪০০ হিজরীর পরে কতিপয় আলেমের ফায়দা লুটার জন্য তৈরী কৃত মাজহাব কিভাবে ৪০০ বছর পূর্বের কোরআন ও হাদিসে প্রবেশ করল। আপনি আপনার দলিলগুলো দিবেন। অবশ্যই কোরআন ও সহীহ হাদিস থেকে। সনদ বিহীন কোন আলেমের গ্রন্থ থেকে না। অবশ্যই কোরআন ও সহীহ হাদিস থেকে হতে হবে। "অমুক আলেম ওই মাজহাবে ছিল তাই আমিও সেই মাজহাবের" টাইপের বক্তব্য গ্রহণ যোগ্য হবে না। কারণ আলেমগণ দলিল না, দলিল হলো কোরআন ও সহীহ হাদিস। আমরা অনুসরণ করব কোরআন ও সহীহ হাদিস। কোন আলেমকে নয়।

অতএব আপনার দলিলগুলো এখানে উত্থাপন করুন। সবাই আমরা দেখি কি কি দলিল এনেছেন আপনারা মাজহাবীরা।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩০

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

২৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৬

মিশনারী বলেছেন: মাজহাবিরা আপনার সাথে না যুক্তিতে পারলে, ওয়াবি বলে গালি দিবে । এইটাই তাদের অস্র ।

আপনাদের একটা গল্প বলি, মাজহাব করার কি কুফল, আমরা হানাফি মাজহাবের লোক এই বলে বড় হয়ছি । আমার ফ্যামিলি হানাফি । আমি তখন মাষ্টাসে পড়ি, বাড়িতে ঈদের ছুটিতে বাড়ি আসার পর, আমার বড় ভাই, উনার বাটা দোকানে আমাকে ঈদের সময় বসতে বলল, এই সময় আহলে হাদিসের লোকজন একটা মাহফিলের কালেকশান করতে আসলে, উনি উনাদের কিছুই দিলেন না । আবার হিন্দুদের একটা গ্রুপ আসল পুজার চাদা নিতে, উনি ২০০ টাকা দিলেন । এই হল, মাজহাবের আসল অবস্হা । শুধু মারামারি কাটা কাটি, বিবেদ করার জন্য এসব । একজন আরেক জন মানতে চায় না ।

আমাদের কোন ঈমাম ই বলে যান নাই, আমার এইটা মানতে হবে, যখনই তোমরা কোরআন বা হাদিসের রেফারেন্স পাবে, তখন আমার এইটা ফেলে দিবে ।

২৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৮

নতুন বলেছেন: ভন্ডামী করতে হইলে মানুষকে বোঝাতে হবে যে আপনি তাদের চেয়ে এমুন কিছু বেশি যানেন যা সবাই যানে না...

আপনার পীরবাবাও এই রকমের ভাব ধরে...

রাসুল কি সহজ ভাবে সব কিছু বলে যায়নাই যে আবার মাজহাবের কাছে যেতে হবে?

একই জিনিস কি ৪ মাজহাবে ৪ ভাবে পালন করেনা???

কেন সহজ পথ বাদ দিয়া সবাইকে বাকা পথে নিয়ে যান???

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩১

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

২৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩২

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: মাযহাব যারা মানতে চায়না তারাও ইচ্ছা অনিচ্ছায় ইহা ফলো করে ।

২৮| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৪

নতুন বলেছেন: ৪ মাজহবের মধ্যে পাথ`ক্য কেন?

যে কোন কিছুরই সহজ একটা রাস্তা আছে... এদের ৪টা কেন?

২৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪০

অন্ধকারের আমি বলেছেন: আপনার বেক্তিপুজার মানসিকতা প্রকট। কিছু মনে করবেন না আপনার ভালোর জন্য বল্লাম। এই সব যুক্তি এখন ধোপে টিকে না। তবে ইসলাম নিয়ে চিন্তা গবেষণার সমর্থন করি। এভাবেই সত্যের পথ পেয়ে যাবেন আশা করি!

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৪

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: না ভাই । ভুল বুঝলেন ।
উনাদের হাদিশ শরিফের রেফারেঞ্চ দেই আমরা কিন্তু উনাদের যে পথে চলেছেন , যে ভাবে আমল করেছেন তা আমরা মানতে চাইনা । কেন ?
তাহলে কি উনারা ভুল ছিলেন ?

৩০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৩

নতুন বলেছেন: নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: মাযহাব যারা মানতে চায়না তারাও ইচ্ছা অনিচ্ছায় ইহা ফলো করে ।

সেইটা সবাই করে...

আপনি ছোট বেলায় ডান হাত দিয়ে ভাত খাওয়া শিখেছেন...

অন্য দেশে চামচ দিয়ে খায়...

আমাদের দেশে ছোটবেলায় সবাইকে শিখিয়ে দেওয়া হয়... তাই তারা ফলো করে...

কিন্তু আপনি যখন বলেন যে মাজহাব মানা ফরজ... তখন সেইটা ধমা`অন্ধতার পয`য়ে পরে...

কারন আপনি যেই মাজহাবের অনুসারী নন তারা ভুল পথে আছে বলে আপনি মনে করবেন...

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৬

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: না তা মনে করে যাবেনা ।

৩১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫১

অন্ধকারের আমি বলেছেন: //"না ভাই । ভুল বুঝলেন ।
উনাদের হাদিশ শরিফের রেফারেঞ্চ দেই আমরা কিন্তু উনাদের যে পথে চলেছেন , যে ভাবে আমল করেছেন তা আমরা মানতে চাইনা । কেন ?
তাহলে কি উনারা ভুল ছিলেন ? "//

না উনারা ভুল ছিল কি সঠিক পথে ছিল সেটা নির্ধারনের পদ্ধতি নিশ্চয় আপনার জানা আছে?? আচ্ছা বলুনতো ইসলামের সঠিক এবং ভুল নির্ণয়য়ের মানদণ্ড কি??
'কোরআন- হাদিস' নাকি 'ইজমা কিয়াস'??
কিসের ভিত্তিতে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উল্লেখিত লোক গুলো সঠিক পথে ছিল নাকি বেঠিক পথে??

৩২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫৪

নতুন বলেছেন: যারা কোরআন-হাদিস বাদ দিয়ে কোন ব্যক্তি কি বল তানিয়ে লাফালাফী করে তাদের কি বলবেন?

@ অন্ধকারের আমি :)

৩৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০৩

অন্ধকারের আমি বলেছেন: তাদের বলবো তারা যেন এসব করে ইসলামকে আর বিভক্ত না করে!


@নতুন

৩৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০৭

শুভ জািহদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণ সকলেই মাযহাবের অনুসরণ করেছিলেন। ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ-এর ইমামগণের মধ্য থেকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত ইমাম নাসাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা শাফিয়ী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। হযরত ইমাম আবু দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং হযরত ইমাম ইবনে মাজাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রমুখগণ হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।

=>এই কথার স্বপক্ষে আপনার দলিল কি?

২৪ নং কমেন্ট এ আপনাকে দলিল দিতে বলছি। দলিল দিতেছেন না কেন? আগেই বলেছি কোন ব্যক্তি কোন মাজহাব ফলো করে সেটা কোন দলিল না। কোন আলেম কোন মাজহাব মানে সেটাও দলিল না। দলিল দিতে বলছি কোরআন থেকে। আপনিও দেখতেছি আলেমদের "রব" বানাইয়া নিছেন ইহুদী খ্রিষ্টানদের মতো।

কাফির মুশরিক না হইয়া মুসলিম হন। আপনার দলিল থাকলে দেন, না থাকলে আমার রেফারেন্সগুলো মাইনা নেন। হানাফী ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ফিরে আসেন।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২১

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: লিঙ্কে জবাব দেওয়া আছে ।
উনাদের জীবনিতে পাবেন ।

৩৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০৮

নতুন বলেছেন: অন্ধকারের আমি বলেছেন: তাদের বলবো তারা যেন এসব করে ইসলামকে আর বিভক্ত না করে!

এই কথাটা এইসব রাজারবাগী/দেওয়ানবাগীদের কে বোঝাবে :(

৩৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০৯

নতুন বলেছেন: শুভ জািহদ ভাই আপনাকে আর আমাকে কিন্তু কিছুক্ষন পরেই ব্লক করবে :)

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৩

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: ব্লক করবে কে ? আপনার মতামত আপনি দিয়েছেন, দিতেই পারেন ।

মানা না মানা আপনার ব্যাপার ।

৩৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৬

পাপাই বলেছেন: আপনি বলসেন "তৃতীয় হিজরীতে ইজমা হয় যে, হানাফী, মালিকী, শাফিয়ী ও হাম্বলী- এ চারটি মাযহাবের যেকোন একটি অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয।"

তার মানে ইজতিহাদের রাস্তা বন্ধ????

আপনি জানেন ইজতিহাদ বন্ধ হওয়ায় আজকে উম্মাহ্‌ এর এই খারাপ অবস্থা?

৩৮| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩১

পাপাই বলেছেন: আপনি বলসেন "তৃতীয় হিজরীতে ইজমা হয় যে, হানাফী, মালিকী, শাফিয়ী ও হাম্বলী- এ চারটি মাযহাবের যেকোন একটি অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয।"

তার মানে ঐ চারটি মাযহাবের ইজতিহাদ ছাড়া নতুন ইজতিহাদের রাস্তা কি বন্ধ????

আপনি জানেন ইজতিহাদ বন্ধ হওয়ায় আজকে উম্মাহ্‌ এর এই খারাপ অবস্থা?

৩৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩৮

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: মাযহাবের ভিন্নতা কি ধর্মের বিভক্তি?
________________________________________




সাধারণত বাংলাদেশের কোনো মসজিদে যদি কেউ হানাফি ছাড়া অন্য মাযহাবের নিয়মে নামায পড়ে তবে সবাই হা করে তাকিয়ে থাকে, কেউ কেউ ভাবে, আহা বেচারা! কী কষ্ট করে ভুল নামায পড়ছে!!

কিন্তু ইসলামের চারটি মাযহাব রয়েছে:

১. হানাফী- ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি
২. মালেকী- ইমাম মালেক বিন আনাস রহমতুল্লাহি আলাইহি
৩. শাফেয়ী- ইমাম শাফেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি
৪. হাম্বলী- ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি

আমরা বাংলাদেশিরা প্রায় সবাই হানাফী মাযহাবের মতে আমল করি। কিন্তু তাই বলে কি বাকি তিনটি মাযহাব অন্য ধর্মের মতো ভিন্নরকম? তাদের ইবাদতও কি আমাদের মত শুদ্ধ ও কবুল হয়? তাদের সাথে কি বিয়ে শাদী ও অন্যান্য লেনদেন বৈধ?

হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে নামায আদায় করেছেন। সাহাবায়ে কেরামদের মধ্যে যখন যে যেভাবে দেখেছেন, তারা সেভাবেই নামায পড়তেন। অন্যান্য ইবাদতের বেলায়ও তাই। যে সাহাবি যে পদ্ধতি হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শিখেছেন ও দেখেছেন, তিনি বাকি জীবন ওভাবেই আমল করেছেন। এ পার্থক্য শুধু অর্থ অনুধাবনে ও আদায়ের পদ্ধতিতে, অন্য কিছু নয়।

তার মানে কিন্তু এই নয় যে, কেউ এক রাকাতে দুই রুকু কিংবা তিন সিজদা করেছেন। রমযানের রোযা কেউ কম বা বেশি রেখেছেন, যাকাতের হিসেবে চল্লিশ ভাগের একভাগের চেয়ে কেউ কম বা বেশি করেছেন- এমন কিছুই নেই। যেটুকু পার্থক্য রয়েছে- তা কেবলই আদায় করার পদ্ধতি নিয়ে। কোনো সন্দেহ নেই যে এর সবগুলোই হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদায় করেছেন, তবে বর্ণনাগত দূরত্ব বা নৈকট্যের তারতম্যে চার ইমাম সেখান থেকে কোনো একটিকে বাছাই করেছেন। কখনো কখনো বহু অর্থবোধক শব্দের আসল অর্থ নির্ধারণের তারতম্যে ভিন্নতা সৃষ্টি হয়েছে। কেউ আভিধানিক অর্থ নিয়েছেন কেউ পরিভাষার অর্থ। তাই কোনো এক মাযহাব সঠিক আর বাকিগুলো ভুল- এমন ধারণা সম্পূর্ণ অবাস্তব।

ইমামরাও তাদের মাযহাবের কোনো বিষয়ে সন্দেহ থাকলে কুরআন, হাদিস ও সাহাবায়ে কেরামদের বর্ণনায় যেটি সর্বাধিক সহি সেটি গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

তাই বলে কি আমরা সুবিধা মত সব মাযহাবের ওপর আমল করা শুরু করব? না, তা নয়। কারণ এতে দ্বীন ও ইবাদত আমাদের সুবিধামত খেলার উপকরণে পরিণত হবে। বরং যে যে মাযহাবের পদ্ধতি শিখেছে, তার সেভাবেই পুরো দ্বীন মানা উচিত।

এ কথাও মনে রাখতে হবে, হানাফী মাযহাবের অনুসারী মানে কিন্তু ইমাম আবু হানিফার অনুসরণ নয়, আমরা ইমাম আবু হানিফার মাধ্যমে হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কেই অনুসরণ করছি। ইমাম এখানে নিছক মাধ্যম ছাড়া আর কিছু নন।

কুরআন ও সুন্নাহর বিশাল সাগর পাড়ি দেওয়া আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়, এর পথ ও পদ্ধতি রপ্ত করাও দুঃসাধ্য বিষয়। তাই সাধারণ মুসলমানদের জন্য চার ইমামের চার মাযহাব হল নৌকার মতো। এ নৌকাগুলোর মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের দৈনন্দিন জীবনে দ্বীনের সাগর পাড়ি দিয়ে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির বন্দরে ভিড়ে।

এখন যদি এ নৌকাগুলোর যাত্রী সাগর পাড়ি দেওয়া বাদ দিয়ে পারস্পরিক ধাক্কাধাক্কি ও ঠুকোঠেুকিতে লিপ্ত হয় তবে ছিটকে পড়ে হাবুডুবু খাওয়া ছাড়া উপায় নেই, তীরে আর পৌঁছা যাবে না। মাযহাব নিয়ে অশ্রদ্ধা ও পারস্পরিক বিতর্ক ও সংঘাতের ব্যাপারটি ঠিক এমনই।

তবে কেউ যদি কুরআন ও হাদীসের এবং ইসলামী শরীয়তের মূল ভিত্তিগুলো সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান ও পা-িত্যের অধিকারী হয় এবং নিজের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা থাকে- তখনই কেবল মাযহাব ছেড়ে দিয়ে নিজের ইজতিহাদ মতো আমল করা যাবে।

আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা যে আসলে এ চার মাযহাবের মাধ্যমে আল্লাহ পাকের বিধান ও রাসূলের সুন্নাতের সব পদ্ধতি ও রকমের অনুসরণ হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। এটা কুদরতি এক নিদর্শন। বিশ্বের সব মুসলমান এক পদ্ধতিতে নামায পড়লে হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অন্য পদ্ধতিগুলো হারিয়ে যেত। পবিত্র কুরআনের সাত ক্বেরাত পদ্ধতির মতো এ চার মাযহাবও এ উম্মতের জন্য রহমত। কুরআন ও সুন্নাহ থেকেই এগুলোর উৎপত্তি।

হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএকবার সফরে রওয়ানা হওয়ার আগে বললেন, সবাই যেন বনু কুরাইযার অঞ্চলে গিয়ে আসর নামায পড়ে। কোনো কোনো সাহাবি ভাবলেন, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা বলার কারণ হল- যেন পথে দেরি না হয়। তাই তারা দেরি না হওয়ার মতো করে পথেই আসর আদায় করে ফেললেন। আর একদল ভাবলেন, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্পষ্ট করে যা বলেছেন, সেটাই মানা ভাল। তারা সেখানে পৌঁছে আসর আদায় করলেন। হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আগে ও পরে আদায়ের কথা শুনে দু’টোকেই ঠিক বললেন এবং পথে আদায়কারীদের নামায পুনরায় আদায় করতে বলেননি।

সাহাবারা এ ঘটনায় যেমন হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উদ্দেশ্য অনুধাবন নিয়ে দু’ভাগে ভাগ হয়েছিলেন, চার মাযহাবে ভিন্নতা ঠিক এ রকমই। কিন্তু মৌলিক ও স্পষ্ট বিষয়সমূহে সবাই সম্পূর্ণ একমত এবং যেটুকু ভিন্নতা রয়েছে- তা নিয়ে তারা কোনোদিন বিবাদ কিংবা গালমন্দ তো দূরের কথা- সামান্য তাচ্ছিল্যও দেখাননি। কারণ কোনো এক মাযহাবকে নিয়ে ঠাট্টা করা মানে স্বয়ং হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একটি পদ্ধতি বা বর্ণনাকে তুচ্ছ করা।

আর তাই নিজেদের ইবাদত আদায়ের সময় নিজের মাযহাব সম্পর্কে জানা এবং সঠিকভাবে তা আদায় করাই সচেতন মুসলমানের কাজ। পদ্ধতির এ ভিন্নতাকে যদি কেউ ধর্মের বিভক্তির মতো মনে করে এবং এ নিয়ে তালগোল পাকায়- তবে ভ্রান্তির উত্তাল সাগরে হাবুডুবু খাওয়া ছাড়া তার কোনো সমাধান নেই।

আসুন, ছোটবেলায় নানা দাদারা কে কী বলেছেন, মক্তবের হুজুর কী শিখিয়েছিলেন- সেসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে যার যার মাযহাব সম্পর্কে আলেমদের কাছ থেকে সঠিক জ্ঞান অর্জন করি এবং আদায় করি। যে কোনো বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞ আলেমের কাছ থেকে জেনে ইসলাম মানার নির্দেশ স্বয়ং আল্লাহ পাক দিয়ে রেখেছেন পবিত্র কুরআনে- ‘আর তোমরা যদি না জানো তবে অভিজ্ঞ কাউকে জিজ্ঞেস করে নাও-’(নাহল-৪৩)।


মাযহাবের ভিন্নতা কি ধর্মের বিভক্তি?

৪০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০১

শুভ জািহদ বলেছেন: ইসলামের চারটি মাযহাব রয়েছে।

ইসলাম ওহী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। ইসলামের কোন ওহীতে আছে যে ইসলামের চারটি মাজহাব আছে।

হ্যা একটি ওহীর দরজা খোলা আছে। তা হলো-

সূরা আনআম-১২১> নিশ্চয়ই শয়তান তার বন্ধুদের নিকট ওহী করে।

যেহেতু কোরআন ও হাদিসে এই বাণী আসে নাই। তার আপনার বাণী "ইসলামে চারটি মাজহাব রয়েছে" হলো শয়তানের বাণী যা আপনাদের উপর শয়তান নাজিল করছে।

আমি চাইছি দলিল। আর আপনে দিছেন বুজুর্গের কাহিনী। আমরা দিলাম দলিল, আর আপনে দেন যুক্তি।


কুরআন ও সুন্নাহর বিশাল সাগর পাড়ি দেওয়া আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়, এর পথ ও পদ্ধতি রপ্ত করাও দুঃসাধ্য বিষয়। তাই সাধারণ মুসলমানদের জন্য চার ইমামের চার মাযহাব হল নৌকার মতো। এ নৌকাগুলোর মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের দৈনন্দিন জীবনে দ্বীনের সাগর পাড়ি দিয়ে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির বন্দরে ভিড়ে।

=> তাইলে সাহাবারা কিভাবে বিশাল সাগর পাড়ি দিল। সাহাবারা ছিল এক জাহাজের যাত্রি। জাহাজের নাবিক ছিলেন মহানবী সাঃ। আর উনার মৃতু্র পরও আপনাদের নৌকা লইয়া এক এক জন আলেমরে সাথে নিয়া ঝাপাইয়া পড়লেন সাগরে। আপনাদের নৌকা ঢুইবা গেছে। কিন্তু আমাদের নবী রেখে যাওয়া জাহাজে আমরা ঠিকই থাকব মুসলিম হিসেবে।

৪১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০৫

শুভ জািহদ বলেছেন: যে কোনো বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞ আলেমের কাছ থেকে জেনে ইসলাম মানার নির্দেশ স্বয়ং আল্লাহ পাক দিয়ে রেখেছেন পবিত্র কুরআনে- ‘আর তোমরা যদি না জানো তবে অভিজ্ঞ কাউকে জিজ্ঞেস করে নাও-’(নাহল-৪৩)।

=> মাজহাবী আলেমদের এইটা আরেক শয়তানী। আয়াত এর এক অংশ দেয় কিন্তু অন্য অংশ লুকায়।

সূরা নাহল-১৬/৪৩-৪৪> তোমার যদি না জানা থাকে তো যারা জানে তাদের জিজ্ঞেস কর দলিল প্রমাণ সহকারে।

বিল বাইয়িনাতি ওয়াজ্জুবুর।

আল্লাহ তো বলছেন জানা না থাকলে দলিল সহকারে জিজ্ঞেস করতে। তিনি তো বলেন নাই, আলেমের নামে মাজহাব বানাও। মাজহাবী বিভক্তির ফাতওয়া দানকারীরা যে কাফির মুশরিক তা আমি প্রমাণ করছি। এখন আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন?

৪২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:১০

শুভ জািহদ বলেছেন: প্রথম থেকে করা আমার একটা প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হয় নাই। বাদ বাকী সবার কমেন্টের জবাব দেওয়া হইছে। আমি বলছি যে আপনার লিংক কাজ করতেছে না। কিন্তু তারপরেও "লিংকে উত্তর আছে" কথা বলতেছেন। পীরের মুরিদদের যদি জিজ্ঞেস করি কোথায় পেলেন আপনাদের এই বক্তব্য। তখন তারা বলে "কিতাবে আছে"। আরে বেটা কিতাব তো অনেক আছে। তোরটা কোন কিতাবে আছে। তখনও আবার বলে, বলেছি না কিতাবে আছে? এতবড় বুজুর্গ কি কম বুঝে?

৪৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৩২

সবুজ সাথী বলেছেন: চার মাযহাব ফরজ যারা বলে ও মানে তারা স্পস্ট কুফরী করে। শুভ জাহিদ সহ সবাই যারা গোমর খুলে দিয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ।

৪৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:০৪

আজমল হক (আজম) বলেছেন: সকল ফেকার কিতাবে যখন কোন আয়াত ও হাদিস উল্লেখ করেছেন তখনই ওই গ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছেন । হাদিসের ক্ষেত্র (বুখারী, মুসলিম, মেশকাত, তিরমিযী, আবুদাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাযাহ......) ইত্যাদি উল্লেখ করেছেন ।
তাহলে আপনি বলুন হাদসি গ্রন্থ ফেকাহ শাস্ত্র অনুসরন করেছে, না ফেকাহ শাস্ত্র হাদিস গ্রন্থ অনুসরণ করেছে ? কোন্টার মর্যাদা বেশি !!
মাযহাবের কোন মাসয়ালা কুরআন হাদিসের বিপরিত হলে ইমামগণ কি তা মেনে চলতে বলেছেন ? মাযহাভ তৈরী করেছেন কে ?
নীচের লিঙ্কটি ভাল করে সম্পূর্ণ পড়ে উত্তর জানাবেন............
http://sonarbangladesh.com/blog/sotter/97430

৪৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩১

শুভ জািহদ বলেছেন: লেখকের যা শিক্ষা হওয়ার হইছে। এখন তার উচিত ভ্রান্ত জিনিস প্রচার না করা এবং সহীহ টা প্রচার করা।

৪৬| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৭

নতুন বলেছেন: @ শুভ জাহিদ>> শিক্ষা হইছে... কিন্তু তাল গাছ কিন্তু লেখকেরই... :D

৪৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪০

বিপ্লবী পথিক বলেছেন: যে কোন একটি মাযহাব মানা ফরয-এটা তো সবারই জানা রয়েছে

৪৮| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১:১০

সিলেক্টিভলি সোশ্যা বলেছেন: কয় বছর আগের কাহিনী..ইসলাম জানতে গিয়ে একটা কিছু পড়তে নিলেই তার পক্ষে বিপক্ষে হাজারো যুক্তি। এই লাইনে পড়াশুনার সৌভাগ্য হয়নি বলে আমার মত অল্প জ্ঞান সম্পন্ন মানুষের জন্যে ব্যাপারটা আরো হতাশাজনক। যারা পড়াশুনা করে জ্ঞানার্জন করেছে তাদের প্রতি অনুরোধ ভুল প্রচার থেকে দূরে থাকুন প্লিজ। এবং যারা সঠিকটা জানেন রেফারেন্স সহ, তারা সেগুলো সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। এই লিখাটা পড়ে কেউ যদি কমেন্টসগুলো না পড়ে তাহলে সে আঁধারেই থেকে যাবে। এধরণের লিখা সরিয়ে নেওয়া উচিৎ নয় কি?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.