নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নীপা জামান

মানুষ

নীপা জামান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাধ্যমিক শ্রেণী পাঠ্যসূচীতে বাংলাদেশের সংবিধান এবং বেসিক আইন কম্পালসরি পাঠ্য বিষয় হিসেবে সংযোজন করা হোক।

২২ শে জুন, ২০১৪ ভোর ৫:৪২

২০০৮ এ প্রথম আমার মনে হয়েছিলো যে আমরা স্কুল এ পড়ার সময় নানা কিছু পড়ি কিন্তু কিছু অত্যাবশ্যকীয় বিষয় সম্পর্কে আমাদের কে স্কুল কলেজে পড়ানোই হয় না। বি সি এস পরীক্ষায় যারা অংশগ্রহণ করে তারা জানে অনার্স বা মাস্টার্স শেষে সেই বি সি এস জন্য তাদের কে ক্লাস নাইন- টেন এর পড়া প্রিলির জন্য কিভাবে ঝালাই করতে হয় সাথে তখন সংবিধান ও পড়তে হয় এবং কিছু আইন কানুন সম্পর্কেও জানতে হয়। যেই জানা টার শুরু সেই ক্লাস নাইন এবং টেন থেকেই হতে পারে কিন্তু তাতে করে আমাদের গতানুগতিক রাষ্ট্রযন্ত্র গুলোর জন্য একটা বাজে ফল যেটা হতে পারে যে , ছেলে মেয়েরা আর্লি এইজ থেকেই সচেতন হওয়া শুরু হবে দেশ এবং রাষ্ট্র ব্যাবস্থা এবং আইন - কানুন নিয়ে। দেশ ও জাতির কল্যাণ চাই, সু- পরিবর্তন চাই তো তাদের কে তৈরী করার দায়িত্ব ও আমাদের। এই ব্যাপারে আগেও আমি ফেইসবুকেই লিখেছিলাম এবং এখন আবারো আরেকটু বৃহৎ পরিসরে লিখছি। বছর দেড়েক আগে একটি কর্মসূচীতে আমার ডক্টর কামাল হোসেন এবং সাবেক বিচারপতি মরহুম মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান এর সাথে দেখা এবং কথা হয়েছিলো। আমি উনাদের সাথে এই বিষয় টা নিয়ে কথা বলেছিলাম। তার ও আগে একটি গোল টেবিল বৈঠক এ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এর সাবেক উপদেষ্টা দের সামনে ও আমি এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলাম। এসব কথা শুনে সবাই বাহবা তো দেয় কিন্তু কাজ খুব কম মানুষ ই করেন। ডক্টর কামাল হোসেন বলেছিলেন - এটা হলে তার কিছু ব্যাড ইমপ্যাক্ট ও পরবে, আমি বলেছিলাম বেসিক ব্যাপার গুলো আমাদের জানতে হবে, প্রজন্ম কে বুঝতে হবে আর ব্যাড ইমপ্যাক্ট থেকে গুড ইমপ্যাক্ট অনেক বেশী হবে। আমি সাধারণ মানুষ, আমার কথা কেউ কানেও তুলবে না কিন্তু আপনাদের কথা মানুষ আমলে নিবে এবং ভাববে। আপনারা এই বিষয়ে উদ্যোগ নিলে তা একসময় সফল হবে। সাবেক প্রধাণ বিচারপতি সাহেব খুব সুন্দর করে হেসে আমাকে আশাবাদ দিয়েছিলেন এবং উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেছিলেন। আমি যখন সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে মরহুম মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সাহেবের কাছে যাওয়ার কথা ভাবছি তখন থেকেই উনি কম বেশী অসুস্থ এবং ব্যাস্ত ও ছিলেন। উনার সাথে এই বিষয়ে পরে আর বসা হলো না এবং দুর্ভাগ্যবশত উনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। এখন কথা হইলো, আমাদের কে বুঝার বা সাহায্য করার মানুষ এর অভাব অনেক বেশী এই দেশে তাই আমরা নিজেরা ই নিজেদের ভরসা। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পাঠ্যসূচিতে ভয়ঙ্কর সব পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে শুনি তাই মনে হইলো আবার একবার সবাই রে কইয়া দেখি, চিল্লায়া দেখি - এই সংবিধান এবং প্রাথমিক আইন- কানুন বিষয় টা পাঠ্যসূচিতে ঢুকানো যায় কিনা।

একটা দেশে যখন জাতিয় - সামাজিক- পরিবেশগত- সমষ্টিগত - ব্যাক্তিগত যাবতীয় অনিয়ম, অন্যায়, দুর্নীতি, বিচারহীণতার বিরুদ্ধে কথা বলা হয়, লেখালেখি হয়, রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করা হয় এবং সরকার সেসব আমলে নেয় না এবং উক্ত ইস্যু গুলোতে কোন সু- পরিবর্তন আসে না তখন এটা নিশ্চিত যে দেশ স্বৈরাচারীতার অতল গহ্বরে নিমজ্জিত এবং এই বাংলাদেশে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং স্বৈরাচার পতন এর ইতিহাস ও আছে। তাই আশাহত কিংবা নিরাশ কিংবা হতাশার কিছু আছে বলে আমি মনে করিনা। সু- পরিবর্তন একদিন আসবেই, সচেতনতা- মানবতা- মঙ্গলের জয় সুনিশ্চিত- এসব কেবলমাত্র সময় এর ব্যাপার এবং আমাদের সু- উদ্যোগের ব্যাপার মাত্র।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুন, ২০১৪ ভোর ৫:৪৭

রাজিব বলেছেন: যারা মানবিক বিভাগে পড়ে তারা মনে হয় মাধ্যমিকে ও উচ্চ মাধ্যমিকে পৌরনিতি বিষয় অধ্যায়ন করে থাকে। সেখানে আইন ও সংবিধানকে ঢোকান যায় মনে হয়।

২| ২২ শে জুন, ২০১৪ ভোর ৬:৫৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ব্যাপারটি আমলে নেয়ার মত।

২৩ শে জুন, ২০১৪ রাত ২:৫১

নীপা জামান বলেছেন: সকল বিভাগের বাচ্চা দের জন্য ই বিষয় ট দুটো জরুরী তাই একটি আলাদা বিষয় হিসেবেও যদি এটাকে সংযোজন করা যায় তো খুব ভাল হয়।
আপনাকে ধন্যবাদ রাজিব।

২৩ শে জুন, ২০১৪ রাত ২:৫১

নীপা জামান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে সেলিম আনোয়ার।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.