নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পৃথিবীও একদিন হয়ে যাবে শেষ আমাদের প্রেম তবু হবে নাতো ক্ষয়

ইন্দ্রনীলা

ইন্দ্রনীলা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে যাই তোমার খোলা জানালার গ্রীল,
চুপটি করে গিয়ে বসি
তোমার পরিত্যাক্ত কিবোর্ড ছুঁয়ে ঢাউস মনিটরে,
সে ঘরে থাকে না কোনো কিশোর বালক
আর আজকাল.....

পুরোনো কিছু আসবাব জড়ো পড়ে এককোনে
আর আছে সেই সিঙ্গেল বেডখানা,
সাজানো পরিপাটি......
হঠাৎ কোনো অতিথি এসে গেলে থাকে সেই ঘরে..

জানালায় দোলানো ঝুলন্ত ফুল টব,
সজীব কোমল আর আলো ঝলমল,
নিশ্চিৎ কোনো রমনীর হাত ছোঁয়া.....
মৃত মৎস্য-দৃষ্টি নিয়ে ছুঁয়ে যাই প্রতি কোন...

এখন ঝুম বরষায় ক্লান্ত নগরী
মেঘের ঘনঘটা, অবসন্ন চারিদিক.....
তোমাকে একটাবার দেখায় ইচ্ছায়
আমি হয়ে যাই এক টুকরো বিষন্ন মেঘ......

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১২:২৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অসাধারণ সুন্দর কবিতা।

০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: হা হা থ্যাংক ইউ অসাধারণ বলার জন্য। কিন্তু ইহা সাধারণ মনের সাধারন ঘটনাচিত্র .....

ঘটনাচিত্রের একটা আপাতত.....


২| ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ৯:২৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পড়তে ভীষণ ভালোলাগলো।

০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ!!

৩| ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ৯:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতার কোমল কথার আবেগ ও অনুভূতির মোলায়েম সুর স্পর্শ করে গেল! ++

০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: বালিকা তখন ছিলো কোমলমতী.....
বালিকা তখন ছিলো মোলাম সূর.....
অনেক দিনের পথের শেষে এসে
তাকিয়ে দেখে পেছন বহুদূর.....

৪| ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬

কিরকুট বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: থ্যাংক ইউ সো মাচ!

৫| ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মেঘের ঘনঘটা, অবসন্ন চারিদিক.....
তোমাকে একটাবার দেখায় ইচ্ছায়
আমি হয়ে যাই এক টুকরো বিষন্ন মেঘ......

..........................................................................
তোমাকে দেখার আবেগে , আমি হই
বিমূর্ত বসনা নারী;
আমার ইচ্ছে গুলি মেলে ধরিনি : সংকোচে
যা তুমি চেয়েছিলে পাগলের মতো
আমার দ্বিধা গ্রস্হ মনে,
তুলে ছিলে ঝড়, কিন্ত সংগোপনে;
সমুদ্রের ঝড় তুলে সবকিছু বিসর্জন দেয়া,
এসনা আবার আমরা, খেলাচ্ছলে ভুলে
আবার সীমানা ভেঙ্গে দেই দু-হাতে !!!

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ১২:০০

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: নারী সে তখন ছিলো না সঠিক নারী
ছিলো যে তাহার অবুঝ বালিকা বেলা....
কত অনুরাগ, মান অভিমান ঘিরে
ভালোবাসা ছিলো হেলায় ফেলায় খেলা.....

৬| ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ১২:১৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নারী , সে তো প্রস্ফুটিত ফুল
কলি থেকে ফুটে ঊঠে অতি সর্ন্তপণে
সৌন্দর্যে পাগল পুরুষ না বুঝে কখনওবা
একান্ত ভেবে বৃন্তচ্যুত্ত করে, প্রিয়ার খোপায়
দেবে ভালবাসার দুল।
অভিমানের বালিকা তখন শুস্কপাতার
হারিয়ে যাওয়া দূ-কূল !!!

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ১২:৩০

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: বাপরে!!

আপনি কবি সাংঘাতিক!
কাব্য দেখে নিজেরে দিতেছি ধিক
কি লিখেছি কি লিখিবো কাঁদিবো না হাসিবো খিক....


আচ্ছা আবার একটু চেষ্টা করি....
সে বালিকা ছিলো অবুঝ অতল
আপন গন্ধ মম, কস্তরী মৃগ সম....
কিশোর বালক তাহারই দূয়ারে
দুহাত বাড়ায়ে আকুল হৃদয়ে
কাটিয়েছে ক্ষন বেলা....
বালিকা করেছে হেলা.....
হারিয়ে গিয়েছে দূর থেকে বহুদূরে.....

৭| ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বালিকা বধুর মুখখানি,
হৃদয়ের ব্যকুলতায়; স্বপনে, শয়নে
দিয়ে যায় হাতছানি;
গোপন ভালোবাসার নিষিদ্ধ গন্ধ মম
করেছে উতালা আমায়,
হেলা ফেলা নয়, বাহু ডোরে মোর
এসো হে. প্রিয়া অনন্তকাল জুড়ে
আদিগন্তর সীমানায় !!!

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৫০

ইন্দ্রনীলা বলেছেন:
হে প্রিয়,
এ স্বপন ভোলো, খোল আঁখি খোলো,
ভূজ বন্ধনে বাঁধা এ বাঁধন খোলো....

লুকানো থাকুক বালিকা বধু সে আপন মনের গোপনে,
সূর্যমুখীর ভালোবাসাসম সুদূর বিহন তপনে।

৮| ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর।

০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৫১

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৯| ০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: লেখিকা বলেছেন: হে প্রিয়,
এ স্বপন ভোলো, খোল আঁখি খোলো,
ভূজ বন্ধনে বাঁধা এ বাঁধন খোলো....
লুকানো থাকুক বালিকা বধু সে আপন মনের গোপনে,
সূর্যমুখীর ভালোবাসাসম সুদূর বিহন তপনে।

.............................................................................
আমি হবো কালবৈশাখী ঝড়,
অগোছালো করবো তোমার বিষন্ন বিকেল।
সাথে থাকবে? নাকি পালায়ে যাবে
তেপান্তর ?
আমি বৃষ্টি ,এই মেঘলা শ্রাবন দিনে,
ছুঁয়ে যাব তোমার পরশ?
ঘুম নেমে আসবে দুচোখে !
হতে পারি তোমার প্রিয় কাব্যগ্রন্থ
কাটাবো তোমার বুকে রাত নির্ঘুম
হবে তুমি আমার কবিতা ?
আবেশ জড়িয়ে চোখে,
বিমোহিত মন তোমার রজনীগন্ধ্যায়।


০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: তুমি যদি হও কালবৈশাখী ঝড়,
আমি হবো নির্জন বটের ছায়া
দমকা হাওয়ায় শান্তি মায়ায়,
হয়ে যাবো একটি সোনালী বিকেল...
তেপান্তরের মাঠে রব অপেক্ষায়...

হও যদি শ্রাবণের বৃষ্টি,
কাঁদামাটি হয়ে শুষে নেবো অবিরল
কবি তুমি হয়ে যেও কবিতার বই
আর আমি হবো তার নিঃশব্দ পাঠক—


১০| ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:১০

করুণাধারা বলেছেন: শাড়িটা খুবই সুন্দর। দেখে মনে হচ্ছে হ্যান্ড পেইন্টেড!

ছবিটাও খুব সুন্দর হয়েছে।

এরপর বলাই বাহুল্য, কবিতাটাও খুব সুন্দর।

১১| ২১ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হও যদি শ্রাবণের বৃষ্টি,কাঁদামাটি হয়ে শুষে নেবো অবিরল।
...................................................................................
তুমি ঝরে পড়ো বুকের গভীরে,
আমি বুনে দেবো একরাশ বিশ্বাসের ফসল।
হও যদি মেঘে ঢাকা নীল আকাশ,
আমি তবে হবো উদাসী সেই হাওয়া;
ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাবো চেনা সীমানা,
তুমিও কি পারবে আমাতে হারিয়ে যাওয়া?

কবি তুমি হয়ে যেও কবিতার বই,আর আমি হবো তার নিঃশব্দ পাঠক

.............................................................................................
প্রতিটি পৃষ্ঠায় ছুঁয়ে যাবো তোমায়,
মুগ্ধতায় মেটাবো হৃদয়ের যত চাতক।
তুমি এঁকে দিও শব্দের মায়াজাল,
আমি খুঁজে নেবো গোপন অনুভূতির মানে;
কেউ জানবে না আমাদের এই নীরব আলাপন,
যা লেখা থাকবে শুধু চেনা লাইনের গানে।
লুকিয়ে রেখো আমায় তোমার প্রচ্ছদে,
বুকের ভাঁজে জমুক না বলা সব কথা;
আমি অক্ষরে অক্ষরে পড়ে নেবো তোমায়,
মুছে দেবো তোমার মনের যত নীরবতা।

১২| ২১ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তুমি যদি হও কালবৈশাখী ঝড়,আমি হবো নির্জন বটের ছায়া—দমকা হাওয়ায় শান্তি মায়ায়,
..............................................................................................................................
বুক পেতে দেবো অসীম মায়ায়।
তুমি আছড়ে পড়ো তীব্র অভিমানে,
ধুলো উড়িয়ে ভাঙো চেনা এই ঘর;
আমি ডালপালা মেলে আগলে রাখবো,
ভাববো না তোমায় কভু , কখনো পর।

১৩| ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:২১

অপ্‌সরা বলেছেন: বাপরে!!

এত কিছু হয়ে গেলো!!

১৪| ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অপ্‌সরা বলেছেন: বাপরে!! এত কিছু হয়ে গেলো!!
............................................................................
কি এমন ঘটে গেল আপুনি ??? ইন্দ্রনীলা তো হারায়ে গেল
কবিতায় মাঠ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ।
তাহলে সৃষ্টিরা কিভাবে প্রস্ফুটিত হবে ???

৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:২৮

ইন্দ্রনীলা বলেছেন: হারাইনি!!
তবে পথ হারিয়ে ফেলি বার বার .....
মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যাই।

১৫| ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৯

মেহবুবা বলেছেন: ঘাস ফড়িং হলে বেশী দূর যেতে পারবে না, মেঘ হলে তোমাকে মানায়।

তোমাকে শুধু একটিবার দেখতে বড় ইচ্ছে করে
ইচ্ছে ঘুড়ি উড়িয়ে দিলাম
বন্ধ চোখের অন্ধকারে তোমায় যেন দেখতে পেলাম
জড়িয়ে নিলে ইচ্ছে ঘুড়ি
আলতো হাতের মৃদু ঘায়ে ছিড়লো সূতো পথ হারাল
তোমার কাছে রয়ে গেল
দৃষ্টিপ্রদীপ আলো জ্বেলে তোমায় দেখায় শান্ত হোল
কল্পনাতে হোক না দেখা,
আমার ক্ষতি আমার জন্য, ভয় হয় যে তোমায় ভেবে
যদি তোমার ইচ্ছে জাগে
দেখবে বলে আকুল হয়ে মেঘ হয়ে যাও আকাশ পারে
সত্যি যদি ভেসে আসো
বিষন্ন মেঘ সেদিন তোমার ব্যকুল প্রহর সইতে হবে
সরিয়ে দিয়ে, সেই ভাবনায়
তোমায় দেখার সাধ সাধনা দূরে রাখি কঠিন আমি।

দেখলে কেমন কাব্যচর্চা হয়ে গেল!

১৬| ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @লেখক বলেছেন: হারাইনি!!
.......................................................
৭১ দিন পর এসে বলছে ... ... উকি দিচ্ছেন
আমার ১১, ১২ কাব্যর কোন উত্তর নাই ?
হারানো পথের কো-অর্ডনেশন কি ?
জানলে তাড়াতাড়ি খুঁজে নিতে সুবিধা হবে ।
=====================================
থাকল এবার হারায়ে যাবার কাব্য :

পথ হারিয়ে সেই আদিম কুয়াশায়,
যেখানে সময় আর ছায়া মিশে যায়।
আমি তো হারাইনি, শুধু দেয়ালগুলো সরে যায় দূরে,
আমি চলি হৃদয়ের কোনো গুপ্ত সুরের নূরে।

হাতে যে মানচিত্র ছিল, তা তো ধুলা দিয়ে গড়া,
মর্ত্যের এক ভঙ্গুর ভরসায় কেবলই তা ধরা।
কিন্তু এই আঁধারে, এক অন্য আলোর কণা,
জ্বালিয়ে দিচ্ছে চেনা পথের অজানা আলপনা।

আমি হেঁটে চলি অবিরাম নিস্তব্ধ শূন্যতার মাঝে,
যেখানে আড়াল আর অদেখা মুখ লুকিয়ে সাজে।
ক্ষণস্থায়ী মায়া আমি, এক বহমান বাতাস,
অনন্তের মহীরুহে যে রেখে যায় দীর্ঘশ্বাস।

উঁকি দিয়ে দেখি আমি সেই পবিত্র ঘরে,
মহাজাগতিক ফুল যেখানে নীরবে ফুটে মরে।
হঠাৎ এক পলক দেখা, ক্ষণিক ফিরে আসা,
যেখানে গোপন বেদিতে জ্বলে মৌন ভালোবাসা।


আমিই সেই পথচারী, আমিই তো সেই চিহ্ন,
স্রষ্টার এক মর্ত্য রূপ, মহাবিশ্ব থেকে অভিন্ন।
আমি সরে যাই দূরে, আবার তাকাই নিজের ভেতর,
যেখানে শেষ আর শুরু মিলেমিশে একাকার।
( পূনশ্চ : কো-অর্ডিনেশন দিন , হারাতে দিবনা, খুঁজে নিয়ে আসব )

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.