নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবনটা কখনো শুভ্রতার চাদরে জরানো স্নিগ্ধ ভোরের উজ্বল আলোর মত মধুর লাগে। আবারো কখনও অমাবশ্যার নিকষ কালোর মত বিস্বাদ লাগে।\nআপাতত বিদায়।

ওমেরা

শালীনতাই সৌন্দর্য্য

ওমেরা › বিস্তারিত পোস্টঃ

----- পরিবেশ আন্দোলনের \'জোয়ান অফ আর্ক\' গ্রেটা থোনবেরী ----

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫



সারা পৃথিবী জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছে মাত্র ষোল বছরের মেয়ে পরিবেশবাদী গ্রেটা থোন বেরী I তার ডাকে পরিবেশ রক্ষার আন্দলনে জড়ো হয়েছেন বিভিন্ন দেশের নানা বয়স, শ্রেণি ও পেশার কোটি কোটি মানুষ। খুব কম মানুষই এখন পাওয়া যাবে যে ছোট্ট এই মেয়েটির নাম শোনেনি। তার সম্পর্কে বিভিন্ন ভাষায় এত এত লিখা হচ্ছে যে, আমার আর নতুন করে কিছু লিখার নেই। তবুও আমার দেশের ও শহরের (অবশ্য আমি ইমিগ্র্যান্ট সুইডেনের আর সে বর্ন সিটিজেন) বিখ্যাত বাসিন্দা গ্রেটার পরিবেশবাদী আন্দলনের সফলতা আমার মনেও আনন্দের দোলা দেয় । সেই আবেগ থেকেই তার সম্পর্কে লিখার আগ্রহ অনুভব করছি।

গ্রেটার পুরো নাম গ্রেটা টিনটিন এলেনুরা এরমান থোনবেরী ।গ্রেটা থোনবেরী নামেই সে পরিচিতি হয়ে উঠেছে বিশ্ব দরবারে।২০০৩ সালের জানুয়ারীর তিন তারিখ ষ্টকহোম শহরে তার জন্ম । তারবাবা svente Fritz Vilhelm Ernman Thunberg ও মা BeskrivningSara Magdalena Ernman, ( Malena Ernman) |

২০১১ তে গ্রেটার বয়স যখন মাত্র আট বছর তখন স্কুলে সমুদ্রেরপ্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কিত একটি ডকুমেন্টারি ফিল্ম দেখার পর থেকেই গ্রেটার মন পরিবেশ দূষণ এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠে। সে চিন্তিত হয়ে পরে পৃথিবীর ভবিষ্যতের কথা ভেবে I সে অবাক হয়ে ভাবত, এমন গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও কেন বিষয়টি নিয়ে কেউ ভাবছে না ! মাত্র ১১ বছর বয়সে, এই বিষয়গুলির ভাবনা তাকে ভীষণ হতাশায় ফেলে দেয়। সে কথা কম বলতে থাকে ও খাওয়া দাওয়ার প্রতি অনীহা দেখায়।পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মধ্যে ‘অ্যাসপারগার’স নামে একধরনের জটিল রোগের সন্ধান পান ডাক্তাররা।(এক ধরনের অটিজম) শুধু তাই নয় অ্যাসপারগার’স সাথে তার মধ্যে অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার (ওসিডি) এবং সিলেকটিভ মিউটিজমও ধরা পরে। এসব রোগে আক্রান্ত মানুষের শারিরীক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয় ফলে ব্যক্তির সামাজিক আচরণ স্বাভাবিক মানুষের মত হয় না, বাস্তব জীবনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় নানা দক্ষতার অভাব দেখা যায়। তবে, তারা দারুণ প্রতিক্রিয়াশীল হন এবং তাদের চিন্তা করার ক্ষমতাও প্রবল হয়, এমনকি যুক্তিতর্কেও তারা ভালো হন। গ্রেটা থোন বেরী তার জলন্ত প্রমান । নিজের সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েগ্রেটা বলেছে, ‘‘কখনও কখনও আমি সত্যিই অন্যদের থেকেআলাদা ব্যবহার করতাম। কিন্তু আমার এই আলাদা হওয়াটাকে‘সুপার পাওয়ার’ হিসেবেই দেখি।’’

২০১৮ সালে ডিপ্রেশন থেকে নিজেকে মুক্ত করে গ্রেটা পরিবেশ আন্দোলন নিয়ে সক্রিয় হবার কথা ভাবেন । গ্রেটা তার নিজ পরিবার থেকেই শুরু করে তার আন্দোলন। পরিবারের প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে কার্বন বর্জ্য ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে তিনি তার বাবা-মা’কে উদ্বুদ্ধ করেন। নিরামিষভোজী হওয়ার এবং আকাশ পথে সফর বন্ধ করারও দাবী জানান পরিবারের সবার কাছ। গ্রেটা পরিবারের জন্য এটা মেনে নেওয়া অনেক কঠিন ছিল কারন গ্রেটার মা মানেলা একজন থিয়েটার শিল্পী। তাকে প্রচুর আকাশ পথে যাতায়াত করতে হয় শুধু গ্রেটার মতকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে তিনি তার অনেক অফার না করে দেন। গ্রেটার ভাষায়, একটা সময় বাবা-মা তার দাবি মেনে নিয়ে তার বিশ্বাস ও স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছেন।

মেয়ের স্বপ্ল পূরন করতে নিজের ক্যারিয়ার ত্যাগ করেন মমতাময়ী মায়ের কোলে গ্রেটা।

গত বছর (২০১৮) মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তার কঠিন সংগ্রামী জীবন শুরু। কারণ ২০১৮ সালটি ছিল সুইডেনে বিগত ২৬২ বছরের মধ্যে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রার বছর। শুধু সুইডেন নয়, সারা ইউরোপ জুড়ে এমন অসহনীয় তাপমাত্রার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেওয়াকেই দায়ী করেন গ্রেটা। তাই গত বছর সামার ভ্যাকেশনের পর ২০আগস্ট যখন স্কুল শুরু হবে ও ৯ সেপ্টেম্বর সুইডেনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ক্লাসে না গিয়ে সে আন্দোলন শুরু করার সিন্ধান্ত নেয়। কারন তার ধারনা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য রাজনীতিবিদরাই সবচেয়ে বেশি দায়ী। শুরু হয় তার বিখ্যাত ‘স্কুল ধর্মঘট’ কর্মসূচী! সে এ’ব্যাপারে তার স্কুল শিক্ষক আর স্কুলের বন্ধুদের সাথে কথা বল্লে কেউই আগ্রহ প্রকাশ করেনি । তাতে কি ? গ্রেটা নিজের সিন্ধান্তে অটল থেকে একলা পথ চলা শুরু করে ।
“সুইডিস সরকারকে যত শিগগির সম্ভব প্যারিস চুক্তির সঙ্গেএকাত্ম হয়ে দেশে কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে”।এই দাবি নিয়ে গ্রেটা সুইডিশ Riksdag -এর (পার্লামেন্টের) সামনে ২০ ই আগষ্ট থেকে ৯ ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিদিনই স্কুলে না গিয়ে অবস্থান করেন। এ'সময় তার হাতে ছিল 'জলবায়ুর জন্য স্কুলধর্মঘট' (Skolstrejk för klimatet) লেখা প্লাকার্ড। সে সেখান দিয়ে যাওয়া লোকজনদের লিফলেটও বিতরণ করে, যেখানে লেখা ছিল: ‘আমি এটা করছি কারন তোমরা বড়রা আমার ভবিষ্যৎ ধূলিস্যাৎ করে দিচ্ছো।’

তবে গ্রেটার একলা পথ চলার এই সময়ে পাশে থেকে গ্রেটাকে সাহস, উৎসাহ দিয়েছেন গ্রেটার স্কুল শিক্ষক আনিতা I উনি প্রায় প্রতিদিন ওখানে আসতেন কখনো শুধু কখনো হাই হ্যালো বলে চলে যেতেন আবার কখনো দুই, চার ঘন্টা গ্রেটার পাশে বসতেন I এ সময়ই গ্রেটার একটা ছবি তোলে পরিবেশকর্মী Ingmar Rentzhog। ছবিটি তিনি তার ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন। এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেইআন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর কাড়েন পনেরো বছরের এই অসামান্য কিশোরী ---আমাদের সমসাময়িক বিশ্বের বিপর্যস্থ পরিবেশ রক্ষার জোয়ান অফ আর্ক গ্রেটা থোন বেরী । এর পরেইস্বল্পতম সময়ের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সচেতনতার ক্ষেত্রে একপোস্টার গার্ল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন এই গ্রেটা থোন বেরী I এর পর গ্রেটা সপ্তাহের প্রতিদিন বাদ দিয়ে শুধু শুক্রবার এইআন্দোলন চালু রাখেন,I ২০১৯ সালের ১৫ ই মার্চ ১২২ টি দেশেরআনুমানিক ১.৪ মিলিয়ন শিক্ষার্থী তার ডাকে সাড়া দিয়েজলবায়ু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। এই আন্দোলনের নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্রাইডেস ফর দ্য ফিউচার'।


একটা গ্রেটা হতে গেলে দেশ, সমাজ,পরিবার, স্কুল সবার সহায়তা, উৎসাহ লাগে । গ্রেটা তার উৎসাহদাত্রী টিচার আনিতার সাথে পার্লামেন্টের সামনে ধর্মঘটের সামনে |

এত অল্প বয়সে জলবায়ু আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার কারনে এবারের জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিট, ২০১৯’-এ বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় গ্রেটাকে।কিশোরী গ্রেটা সম্মেলনে অংশ নিতে রাজিও হন। কিন্তু তার শর্তছিল, সে বিমানে উড়ে যাবে না। এমন কোনো যানে সে যাবে যেখানে কার্বন নিঃসরণ হবে শূন্যের কাছাকাছি। অবশেষে গত আগষ্টের ১৪ তারিখ যুক্তরাজ্য থেকে ‘মালিজিয়া টু’ নামের দ্রুতগতির টার্বাইনপ্রোপেল্ড একটি বিশেষ ইয়ট জাতীয় জাহাজে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেন গ্রেটা। প্রায় ১৫ দিনে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রায় ৩হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান গ্রেটা ২৮ আগষ্ট ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সোমবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার জলবায়ু সম্মেলনে একেবারে শুরুতেই বক্তব্য রাখেন ১৬ বছরের সুইডিস পরিবেশ কর্মী গ্রেটা। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থানিতে ব্যর্থ হওয়ায় কড়া ভাষায় উপস্থিত বিশ্ব মোড়লদের মুখেঝামা ঘসে দেন। টিভি, ও অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ গ্রেটার সেই অসামান্য তেজস্বী আর পৃথিবীর জন্য অসাধারন ভালোবাসাময় বক্তব্য শুনেছে। জাতিসংঘের জলবায়ুসম্মেলনের পর চিলিতে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কপ২৫ জলবায়ুসম্মেলনেও থাকবেন এই কিশোরী এনভায়নরমেন্ট অ্যাক্টিভিস্ট।



এই নৌকায় ভেসে ভেসে গ্রেটা পৌঁছে যান সুদুর আমেরিকায়।

গ্রেটার পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতার জন্য বিভিন্ন সম্মাননা এবং পরিবেশ বিষয়ক স্কলারশিপ পেয়েছেন গ্রেটা থোনবেরী। তবে একাধিক পুরস্কার তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন, কারন সেগুলো পেতে তার আকাশ পথে সফর করতে হবে। এ ছাড়া টাইমম্যাগাজিন তাকে ২০১৮ সালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ২৫ কিশোর-কিশোরীর তালিকায় স্থান দিয়েছে।তাকে চলতি বছরের শুরুতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্যও মনোনীত করা হয়েছিল।শেষপর্যন্ত গ্রেটা নোবেল পুরস্কার না পেলেও তাকে দেয়া হয় বিকল্প নোবেল পুরস্কার অবশ্য গ্রেটা সেই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে গ্রেটার সমালোচনাও করছে কিছু কিছু স্বার্থনেষীমহল। সুইডেনে ১৬ বছর পর্যন্ত স্কুল সব বাচ্চাদের জন্যবাধ্যতামূলক এখানে গ্রেটা স্কুল বন্ধ করে সে আইন ভংগ করেছে, আবার জলপথে আমেরিকা যাওয়াকে অনেকেই তার বাড়াবাড়ি করছেন ।

খুব অল্প বয়সে অল্প সময়ে বিশ্ব দরবারে গ্রেটা একটা পরিচিত নাম। কিন্ত মাত্র ষোল বছরের একটা মেয়ের পক্ষে এটা কি ভাবে সম্ভব হল। একটা সমাজে এ'রকম একজন গ্রেটা এমনি এমনি তৈরী হয়না, তৈরী করতে হয় । এরজন্য প্রয়োজন অনুকূল পরিবেশ,সমাজ,রাষ্ট্র। যার সর্বোচ্চ সহযোগিতা গ্রেটা পেয়েছে বলেই গ্রেটা আজ বিশ্ব দরবারে এতটা দুর আসতে পেরেছেন ।গ্রেটার এই আন্দোলন সফলতার উজ্বল আলোয় আলোকিত হবে কিনা জানি না, কিন্ত আমাদের সবারই প্রত্যাশা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা শুভ্র সুন্দর পৃথিবীর।

আর একটু কথা না বল্লেই নয়, গ্রেটার ভাগ্য ভালো তার জন্ম উন্নত বিশ্বের একটা উন্নত দেশে যার কারনে আজ সে গ্রেটা হতে পেরেছে। আমাদের দেশের বর্তমান জিপিএ ফাইভ পাবার শিক্ষা ব্যবস্থা কখনো একটা গ্রেটা তৈরী করতে পারবে না I কারন আমাদের দেশের মুখস্থ বিদ্যা আর, কোচিং সেন্টার সর্বস্ব শিক্ষাব্যবস্থাতো একটা ছোট ছেলে মেয়েকে স্বাপ্নিক হতে শেখায় না । পারে শুধু ব্রিটিশ আমলের মতো কেরানি হবার পরাধীন স্বপ্ন দেখাবার আয়োজন করতে । তাছাড়া ছেলে মেয়ের প্রকট বৈষম্য তো আছেই । কোন মেয়ে যদি এরকম স্বপ্ন দেখে সামনে এগুতে চায় তাহলে প্রাথমিক পর্যায়েই তার স্বপ্নকে গলা টিপে হত্যা করার জন্য সমাজ, সংস্কারতো রয়েছেই অঢেল !!!

ছবি : গ্রেটার ফেসবুক ও টুইটার পেজ থেকে নেয়া ।
তথ্যসূত্র : [link||view this link]https://www.aftonbladet.se/nyheter/a/0nq4LE/greta-thunberg-tar-inte-emot-miljopris
view this linkview this link
view this link
view this link

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সুন্দর একটা বিষয় জানলাম
ধন্যবাদ আপি

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

ওমেরা বলেছেন: প্রথম কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু । আপু জানলেই শুধু হবে এই আন্দোলনে আমাদেরও করতে হবে আর সেটা শুরু হোক আমাদের সবার ঘর থেকে ।

২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার লেখা পেলাম

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪০

ওমেরা বলেছেন: আপনাকেও তো অনেকদিন পর দেখলাম । ভালো আছেন নিশ্চয়।

৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

হাবিব স্যার বলেছেন: এত কিছুর পরও কি বাঁচবে পরিবেশ? মানুষদের খাই খাই আচরনের কারনেই ধ্বংষ হবে এই পৃথিবী।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

ওমেরা বলেছেন: হয়ত শেষ রক্ষা হবে না , তবুও তো এত ছোট একটা মেয়ে সারা পৃথিবী সারা ফেলে দিয়েছে এখন পৃথিবীবাসী সহযোগিতা করলেই সম্ভব হবে ।অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চমৎকার । কারেন্ট এফেয়ার্স বলে গ্রেটার ওপর এরকম একটা লেখা ব্লগে দরকারি ছিল ।
লেখায় অনেক ভালো লাগা ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩০

ওমেরা বলেছেন: ভাপু আপনাকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ । আপনার ব্যস্ততার মাঝেও এত তারাতারি একটা কমেন্ট করে গেলেন। আপনার ভালো লাগার আবেশ আমার মনে তৃপ্তির দোলা দিয়ে গেল।

৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট আপু।
প্রিয় অঞ্জন দত্তের গানের কয়েক লাইন এই পোস্টের জন্য উপহার :

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০২

ওমেরা বলেছেন: কবিতায় আমাদের পৃথিবীর ভবিষ্যতবানি উনি খুব সুন্দর করেই তুলে ধরেছেন । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

৬| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৫

জাহিদ হাসান বলেছেন: আমেরিকান ইডিয়ট ট্রাম্প এবং তার সমর্থকেরা তার শত্রু। তারা তাকে নিয়ে বার-বার কটাক্ষ করে। তাদের মতে জলবায়ু পরিবর্তন কথাটা পুরোপুরি ভুয়া। পৃথিবীর বাকি সব রাষ্ট্র মিলে আমেরিকার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। থ্রেটা মুসলিমদের পেইড এজেন্ট। নাটুকে মেয়ে।
আগামী২০২০ সালের নির্বাচনের ট্রাম্প এবং তার সমর্থকদের মহাকাশে পাঠানো হবে। হ

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩৩

ওমেরা বলেছেন: যত ভালো কাজই করেন সবার সেটা পছন্দ হবে না তাই সমালোচনাও হবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কমেন্টের জন্য।

৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

এমজেডএফ বলেছেন: সুন্দর একটি তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। গ্রেটা থোনবেরী সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষ তেমন একটা জানে না। আশা করি ব্লগের অনেকেই এখন বিস্তারিত জানতে পারবে।
"থোনবেরী" বা ইংরেজিতে "থোনবার্গ" একশব্দের পারিবারিক নাম। আপনার পোস্টের শিরোনামে এটা সংশোধন করে দিলে ভালো হয়। লেখার শুরুর দিকে "প্রতিক্রিয়াশীল" লিখেছেন, এটা নেতিবাচক শব্দ। আমার মনে হয় আপনি বুঝাতে চেয়েছেন "creative" যার বাংলা প্রতিশব্দ হবে "সৃজনশীল"।
শুভেচ্ছা রইলো, ভালো থাকুন।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

ওমেরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টা খেয়াল করার জন্য , আর আমি সরি আমার বেখেয়ালের ঝন্য।

৮| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ওমেরা,




আলোচিত বিষয়ের উপর সুন্দর লেখা।

ঠিকই বলেছেন, একজন গ্রেটা থোন বেরী হতে হলে দেশ, সমাজ, স্কুল সবার সহযোগিতা লাগে। আমাদের দেশে একজন গ্রেটা তৈরী হবেনা কখনও।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

ওমেরা বলেছেন: জী আমাদের মত দেশে সেটা সম্বব না । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সংবাদ হিসেবে কিছুটা জানা ছিল।

আজ দারুন ভাবে বিস্তারিত জানলাম।
অনেক অনকে ধন্যবাদ সাবলীল সূখপাঠ্য প্রবন্ধের জন্য।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২০

ওমেরা বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে লিখা পড়েছেন তাই ।

১০| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০৭

সোহানী বলেছেন: খুবই আলোচিত বিষয় সামনে এনেছো। তোমার বর্ননায় আরো প্রানবন্ত হয়ে উঠলো।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৩

ওমেরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নিবেন আপু।

১১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০২

তারেক ফাহিম বলেছেন: গ্রেটা থোন বিষয়ে বিষদ আলোচনা পড়ে ভালো লাগছে।

অনেক দিন পর আপনাকে পেলাম।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৩

ওমেরা বলেছেন: সময় ব্যায় ঘরে পড়েছেন, আবার মন্তব্যও করেছেন, তার জন্য অনেকগুলো ধন্যবাদ আপনার জন্য।

১২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১১

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেটা টিনটিনের জন্য ভালোবাসা।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৪

ওমেরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

১৩| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৬

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: সত্যি বলতে কি কেবল গ্রেটার ব্যক্তিত্ব এবং কৃতিত্বের জন্য না,বরং বিশ্বব্যাপী 'ফ্রাইডেস ফর দ্য ফিউচার'এর খোলসে জলবায়ু বিপর্যয়ে আমাদের আত্মঘাতী ভূমিকার উল্টো টান টানতেই গ্রেটাকে আইকন হিসেবে মিডিয়ার সামনে তুলে ধরা জরুরি।এটা হয়তোবা আন্দোলনে সচেতন এবং কার্যকর সমর্থন যোগাতে সাহায্য করবে।
কিন্তু তাতে আমাদের রঞ্জনবাদী বিশ্বমোড়লদের টনক আদৌ নড়বে কি না,সে বিষয়ে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েই যায়।

পোস্টটা খুব ভালো লাগলো।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪২

ওমেরা বলেছেন: আপনার কথার সাথে আমিও একমত । বিশ্ব মোড়লদের টনক নড়বে না কারন জেগে জেগে ঘুমাইলে তাদের ঘুম ভাংগানো যায় না । অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কমেন্টের জন্য।

১৪| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৪

সোহান পরবাসী বলেছেন: থানবেরি নয় থুনবার্গ। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই গ্রেটাকে নিয়ে লেখার জন্য। ওর ফ্রাইডেস ফর ফিউচারে আমি কাজ করি। শুভকামনা!

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

ওমেরা বলেছেন: জী, আপনি ঠিক বলেছেন, আমিও ভুল বলিনি । তার নাম (greta thunberg) আপনি ইংলিশ উচ্চারণ করেছেন, আমি সুইডিস উচ্চারণ করেছি এটাই শুধু পার্থক্য । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা আপনার জন্য ।

১৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: গত কিছুদিন ধরে টুইটারে ১২১ বছরের পুরোনো একটা ফটো ছড়িয়ে গেছে । সেই ফটোটাতে কানাডায় ইউকাটুন টেরিটোরির তিনটি ছোট ছেলে মেয়েকে দেখা যাচ্ছে ।একজনের ভীষণ মিল গ্রেটার সাথে --এমন কি সেই একশো বছর পুরোনো ছবির মেয়েটার চুলও গ্রেটার মতো ব্রেডেড করে বাধা । এই ফটোটা খুব সম্ভবত ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিনটনের আর্কাইভ থেকে পাবলিশ করা হয়েছিল প্রথম । যাক আপনার গ্রেটার ওপর লেখাটার সাথে নিউজটা খানিকটা সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হলো তাই ফটোটা দিলাম ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৭

ওমেরা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাপু খবরটা জানানোর জন্য।
ভাপু, পাওয়ার আনন্দ, না পাওয়ার কষ্ট নিয়েই জীবন।
ভাপু আপনার জীবন সুখে, আনন্দে ভরে থাক এটাই আমার কামনা সবসময়।
আবারও ধন্যবাদ নিবেন ভাপু।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.