| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সময় তখন দর্শক সারিতে অচেনা আগন্তুকের বেশে নির্বাক পুতুল আর প্রতিবেশীরা সবার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেপড়ে লাগে এই তখন লাইফ রেসে নতুন খোলোরে মানুষটাও নিজেকে ঘোড়া মনে করে।
ওরা হা হুতাশ করতে করতে করে বেঁচে থাকার কারন খুজে_ সে সময় ওদের কাছে মানের চেয়ে মাইনেটাই বড় হয়ে যায়। বলে বলে এরা গিলে নিতে পারে অনেক অভিশাপ, লাইফ রেসে তারা এক ধরণের রাণার_
এরাই সুখের গোধূলি কবর দিয়ে এক ঝুরি স্বপ্ন কাঁধে নিয়ে ছুটে চলে খালিপায়ে বন্ধুর পথে, খিলখিল শব্দের একটি চিমটি কিনবে বলে
রানারেরা ছুটে চলে রাত থেকে রাতে, অন্ধকার থেকে অন্ধকারে চুপচাপ অবহেলায় একা একা নিজের বুকের জমাট বাধা কফটা নিয়ে হাসি হাসি মুখে দিব্যি মিথ্যে বলে যার_ ওরা আগুনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলতে পারে_ আমি ভালো আছি, হয়তবা সেসময় নিস্তব্ধ নিরেট সময়গুলো জাগিয়ে রাখতে আলগা করে নেয় মনের কোনে গাইতে থাকা প্রিয় কোন সুর_ কিনবা কোন সুপ্ত অভিরুচি
দূর থেকে দেখতে এরা দেখতে অনেকটা অহংকারী রকমের হয়,ভীষণ রকমের জেদী। ওরা ছুটে চলে এক আকাশ সার্থপরতা বুকে নিয়ে
সেই প্রিয় অহংকারি বুকটাতে জমে থাকা এক একটি দীর্ঘস্বাস থামাতে তার হৃদয় নিঙড়ে চুইয়ে বের করে আনে একফোটা ভালোবাসা
এটা সুখ কেনার প্রতিযোগীতা,
এটা জিবন না এখানে মুখের মাধুর্্যটা মাপা হয় পকেটের ভাপা গরম দিয়ে, দেহে্র উষ্ণতা হয়ে যায় এখানে পন্য। সে নজরে ভালোবাসাগুলোকে মনে হবে এক যৌবিক চাহিদার যুগান্তকারী অবক্ষয়, আর নিজস্ব চাহিদা বলতে কিছু থাকে কি না জানিনা, তবে একাকিত্বটাকে চাইই বোধয়।
বাস্তবটা যখন সামনে চলে আসে, তখন দেখা যায় এ দৌড়ে সবাই সবার পিছনে, মনে একটাই সবার প্রত্যয়_তবুও আমি সার্থপর হতে চাই, প্রাপ্তির খাতায় আরো কয়েকটা অপূর্ণ ইচ্ছের নাম লেখাতে চাই।
বাস্তবটা কি আমি জানি না তবে যতটুকো বুঝি তাতে মনে হয়, আবদার মেটানোর পাবলিকগোলো এক একটা মেশিন যেখানে সবাই এসে কমান্ড করবে___ পৃথিবিতে কেউ সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায় বড়সড় বাবার ঘরে_ আর কেউ গোয়াল ঘরের মেঝের পরে জমাট খরকোটূয় জন্মদের সোনার ছেলে।
তবুও__
সোনা হয়ে জন্মনেয়া লোকেদের চাপেই সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মানো মানুষটির মুখের দোরগোড়ায়ই পৃথিবীই এগিয়ে যায়।
আসলে পৃথিবিই স্বার্থপর... রানারেদের কি দ্বোষ?
©somewhere in net ltd.