নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

।। তুই কে, আমি কে, বাঙালি বাঙালি ।।

.....

পীপিলিকা

শাহাদাত হোসেন ধ্রুব ৫১তম ব্যাচ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ। ফেসবুক লিন্ক [email protected]

পীপিলিকা › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্কুল-কলেজগামীরা "ওয়াও_রেটিনা্" এবং আমরা যারা ভুক্তভোগি "ভয়ংকর, কুচক্রী ও ছাগুবান্ধব একটি কোচিং সেন্টার"

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২১

শুরুতেই বলে রাখি, লেখালেখি করার কোন ইচ্ছা/শখ কিংবা অভ্যেস কোনটাই আমার নেই, ছিলও না কখনো।তাছাড়া মেডিকেল লাইফের শত ব্যস্ততা তো আশির্বাদ হিসেবে সাথে আছেই। কিন্তু যখন দেখলাম আমাদের নিরবতাটাকেই জামাত-শিবির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, আর সেই অস্ত্রের আঘাতে আমাদেরই একজন আন্দোলনকারি ভাই শহীদ হয় তখন চুপ থাকার অর্থ দাড়াঁয় তাদের অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানকারি এই আমরাই। তাই নিজ তাগিদ থেকেই জামাতিদের অন্যতম অর্থযোগানদাতা এই স্বচ্ছ(!?) প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করছি।আর টপিকটাতে যাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই, তাদেরকেও আমি অন্তত একবার পড়ার অনুরোধ করবো। হতে পারে আপনি নিজেই আপনার পাশের বাসার মেধাবি মুখটিকে তার স্বপ্নবিচ্যুতির হাত থেকে রক্ষা করলেন।



পাঠকদের মধ্যে_ কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ নয়(!?) এই মহান প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে স্পষ্ট ও পরিস্কার ধারণা দেওয়ার জন্যই একটু বিস্তারিত লিখতে হল___





ছোটবেলা থেকেই আমরা অনেকেই একটি কমন কোয়েশ্চেন শুনে অভ্যস্থ, বড় হয়ে কি হবে বাবা? এক্ষেত্রে কম-বেশি সবার উত্তরটা হত, হয় ডাক্তার না হয় ইঞ্জিনিয়ার। ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যে দিনরাত পড়াশুনা করে এস,এস,সি ও এইচ,এস,সি তে ভাল রেজাল্ট করে একবুক স্বপ্ন নিয়ে একজন স্টুডেন্ট মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতি নিতে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারগামী হয়। এক্ষেত্রে অনেকেই বুঝে অথবা না বুঝে রেটিনাকে বেছে নেয়। ব্যাপারটা এরকম হয়ে দাড়িয়েছে, মেডিকেল এডমিশন কোচিং মানেই রেটিনা।অনেকটা তাদের উদ্দেশ্যেই কুচক্রি এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কিছু বলা___





প্রথমত

এটা মোটামুটি সবারই জানা যে রেটিনা থেকে প্রতিবারই এডমিশন টেস্টের কোয়েশ্চেন পেপার ফাস করা হয় এবং একটি বিশেষ শ্রেণীর মধ্যেই এই বিতরণ সীমাবদ্ধ থাকে।কারা এই আশির্বাদপুষ্ট শ্রেণী তা বুঝতে নিশ্চয়ই আইন্সটাইনের পুনার্বিভাবের প্রয়োজন পড়বে না। কোয়েশ্চেন পেপার সাপ্লাই তাদেরকেই করা হয় যারা সমাজের সবচাইতে মর্যাদাপূর্ণ এই পেশায় নিয়োজিত থেকেও নির্লজ্জের মত সাঈদি-নিজামীদের তাদের বাবা হিসেবে মেনে নেয়, একদিকে এরা আল্লাহ-এর নাম নিয়ে স্লোগান দিবে অপরদিকে কুরআন-হাদীস কে তাদের দলের সম্পত্তি মনে করে খেয়ালমাফিক ব্যাখ্যা দিবে।আবার এরাই মেডিকেলে সদ্য চান্স পাওয়া কোমলমতি ছাত্রছাত্রী যারা আগে কখনই হয়ত জামাত-শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত ছিল না বা ভ্রুণাক্ষরেও চিন্তা করেনি কখনো এরকম পবিত্র পেশায় রগকাটা শিবিরের অস্তিত্ব বিদ্যমান, তাদেরকে শুরুতেই নিজেদের আসল পরিচয় না দিয়ে নিজেদের লোকদেখানো ভন্ডামীতে মুগ্ধ করার চেষ্টা করে। এক্ষেত্রে তাদের ফেরেশতাগিরি টা যে ভন্ডামি, এইটা বুঝতে পারা আর না পারার মধ্যেও ব্যাপার আছে।যারা শুরুতেই এই ভন্ডামি ধরতে পারে তাদের মধ্যে অনেকেই তাদের কুচক্রকে ছিন্ন করার সৎ সাহসটুকু করে না।আমি তাদেরকেও নিঃসঙ্কোচে ভন্ডদের তালিকায়ই ফেলবো, কেননা এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে দুইটা জিনিস কাজ করতে পারে___





এক, ফ্রিতে বই, থাকা-খাওয়া আর রেটিনাসহ বাড়তি টিউশনি তো রেডি আছেই। কারা দিচ্ছে,কেনইবা দিচ্ছে সেটা অপ্রয়োজনীয় বরং এরা যা দিচ্ছে সেটাই মুখ্য। ফ্র্যাঙ্কলি স্পিকিং, এক্ষেত্রে মফস্ব্লের শিক্ষার্থীরাই পারিবারিক দুর্দশার দ্বারগ্রস্থ হয়ে শিবির নামক সন্ত্রাসবাদিতে বিশ্বাসী এই জঙ্গী সংগঠনে জড়িয়ে পরে।তাদেরকেই বলি,”আরে ভাই, তোর যোগ্যতা আছে তুই নিজগুনে টিউশনি খুজে নে না, সেটা না পারলে ভিক্ষাবৃত্তি কর, তাও গো আযমেরটা খাইস না।“ তবে এর ব্যতিক্রমও আছে এবং ঐ সংখ্যাটাই বেশি।





দুই, পারিবারিকভাবেই যাদের জামাতের সাথে আতাত আছে। যার বাবা-মা চায় ছেলে আমার শিবির করবে। সেক্ষেত্রে ঐ পরিবারগুলোকে একরাশ ঘৃণা ও থুথু।



যারা এই জামাতিদের ভয়াল থাবা থেকে নিজেদের সামলে নিয়ে সরে আসতে পেরেছে তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।



আর যারা তাদের এই ভন্ডামি ধরার ক্ষমতাটাই রাখে না, তাদেরকে একটা কথাই বলবো তোরাই শিবির করার যোগ্যতা রাখিস





দ্বিতীয়ত

এই জায়গাটাতে রেটিনা খুব সূক্ষ্ণভাবে আগায়। মেধাবি ছাত্রদের মনোবল ভেঙ্গে দেওয়া এবং পোষা শ্রেণীকে মডেলটেস্টসহ যাবতীয় ক্লাস-পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগেভাগেই সাপ্লাই দিয়ে তাদের মনোবল দৃঢ় করা হয়। এক্ষেত্রে আমার নিজ চোখে দেখা একজন ভুক্তভোগি হচ্ছে আমার এক স্কুলফ্রেন্ড [উল্লেখ্য,আমাদের স্কুলের ফার্স্টবয়] । সে অক্লান্ত পরিশ্রম করেও এক্সামশেষে যখন দেখত,তার চেয়ে অপেক্ষাকৃ্ত কম মেধাবী ছাত্রটি ভাল মার্কস পেয়ে বসেছে তখন মানসিকভাবে খুব ভেঙ্গে পড়েছিল।ফলাফল যা হবার তাই হল, ঐবার সে আর টিকে নি কোথাও। এখন ছাগুবান্ধবরা প্রশ্ন করতে পারেন, মেডিকেলে তো মেয়েরাও চান্স পায়। তাদেরকে জানিয়ে রাখি মেয়েদের ক্ষেত্রে কেবল নামে ভিন্নতা আনা হলেও, এদের আদর্শ ও উদ্দেশ্যে কোন ভিন্নতা নেই। এই ছাগীসংগঠনটি কার্যক্রম চালায় ছাত্রীসংস্থা নামে। এরা দেশ ও জাতির জন্য জামাত-শিবিরের চেয়ে কোন অংশে কম ক্ষতিকারক নয়। তাই সাধু সাবধান!



সবশেষে একটা কথাই বলব, মেডিকেলে চান্স পাওয়ার জন্য প্রয়োজন অদম্য ইচ্ছাশক্তি, প্রোপার গাইডলাইন এবং অবশ্যই টেক্সট বইগুলোকে ভালভাবে আয়ত্ত করে নেয়া। পুনশচ, মেডিকেলে চান্স পেতে হলে টেক্সট বই পড়া ছাড়া অন্য কোন গতি নাই।



তাই সবাইকে জোড়ালোভাবে আহ্বান জানাই, রেটিনা কে নিষিদ্ধ করুন, প্রকৃ্ত মেধাবিদের জায়গা করে দিন ।





মন্তব্য ১০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৫

নিষ্‌কর্মা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১৮

পীপিলিকা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৭

আহলান বলেছেন: এসব কাহিনী দলিল প্রমাণ সহ আদালতে পেশ করুন। মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আজ মসনদে .... না হলে এসব কথার কোন মূল্য নাই। ছাত্রলীগের জসিম ধর্ষনে সেঞ্চুরী করে, সকোনে ছাত্র শিবির নিজেদের সংগঠনের জন্য ফ্রি থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে .... বি অনেষ্ট কোন কাজটা ভালো ?

৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২৮

পীপিলিকা বলেছেন: সমস্যাটাতো ফ্রি থাকা-খাওয়া নিয়ে না, সমস্যাটা হল ঐ সংগঠনটাই কলঙ্কিত।

'এস্সেপশন ইজ নট এন এক্সাম্পল' একজন জসিমের অপকর্ম কোনভাবেই সংগঠনের উপর পড়ে না।

৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩৭

আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন: প্রথমত
রেটিনা থেকে প্রতিবারই এডমিশন টেস্টের কোয়েশ্চেন পেপার ফাস করা হয় এবং একটি বিশেষ শ্রেণীর মধ্যেই এই বিতরণ সীমাবদ্ধ থাকে।


ভাই, মেডিক্যাল এডমিশন টেস্ট কি রেটিনা নেয় , নাকি সরকারি ভাবে নেয়া হয়??????????????????প্রশ্ন তাইলে ওদের কাছে যায় কেমনে?
বড়ই অবাক হইছি,যখন শুনলাম যে আর মেডিক্যাল ভর্তি পরিক্ষা হবে না।
এ যেন মাথা ব্যাথার জন্য মাথা কেটে ফেলা।

তবে, মরার আগে যেন দেখে যেতে পারি যে বাংলাদেশ টা রাজাকার নামক আবর্জনামুক্ত হয়েছে।
রাজাকার নিপাত যাক,
গনতন্ত্র মুক্তি পাক।

৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৫

পীপিলিকা বলেছেন: রাজাকারের বিচার চান, আবার ছাগুলালন কেন্দ্র রেটিনারও সাফাই গান।
আপনি কে রে ভাই?

৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৪

চালাক বাবু বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য লগ ইন করলাম। গাজাঁর ডোজটা মনে হয় একটু বেশীই হইয়া গেছিল ভাইজান। মাথার মধ্যে এত প্যাঁচ নিয়া রোগী চিকিৎসা করেন কেমনে ভাইজান?

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১৮

পীপিলিকা বলেছেন: হা হা। আপনার ছাগুমেয় চিন্তা-ভাবনায় পুলকিত হলাম। ভাল থাকবেন আশা করি।

৭| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৮

দেখি তো পারি কিনা..... বলেছেন: চালাক বাবু বলেছেন: গাজাঁর ডোজটা মনে হয় একটু বেশীই হইয়া গেছিল ভাইজান। মাথার মধ্যে এত প্যাঁচ নিয়া রোগী চিকিৎসা করেন কেমনে ভাইজান?

৮| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৩

পীপিলিকা বলেছেন: কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকবেন আশা করি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.