| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে কিছু পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে ।যেমন ২০ সেট প্রশ্ন করে রেখে পরীক্ষার দিন সকালে তা থেকে এক সেট ছাপিয়ে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাবও এসেছে। তবে পরীক্ষার দিন সকালে প্রশ্ন ছেপে তা কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌছানো বলতে গেলে অসম্ভব।
এরচে' ২০ সেট প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষার ছয় মাস আগে বিভাগ, বা বোর্ড অনুযায়ী গেজেট আকারে প্রকাশ করে দিলেই হয় এই ২০ সেটের মধ্য থেকে যে কোন এক সেট হবে পরীক্ষার প্রশ্নমালা।
এই ২০ সেট প্রশ্নমালার প্রশ্নগুলো সবক্ষেত্রে ভিন্ন হতে হবে এমন কোন কথা নেই। কেননা, তাহলে শিক্ষার্থীদের অন্তত ২শ' থেকে আড়াইশ' প্রশ্ন বা 'বিষয়বস্তু'র ওপর অধ্যয়ন করতে হবে। মোটামুটি ১শ' প্রশ্ন বা 'বিষয়বস্তু' নিয়ে অদলবদল করে, একই প্রশ্ন একটু অন্যভাবে দিয়ে প্রশ্নের ক্ষেত্রে বৈচিত্র আনা যেতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়
প্রশ্নমালা সেট: ১
*২ জনের উদাহরণসহ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের অবদান সম্পর্কে লিখুন।
এই প্রশ্নটিই অন্য যে কোন সেটে আসতে পারে অন্যভাবে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়
ধরা যাক একই বিষয় উল্লেখিত হলো প্রশ্নমালার ৬নং সেটে।
সেখানে বিষয়টি এভাবে আসতে পারে।
প্রশ্নামালা সেট: ৬
* শুধু মুক্তিযোদ্ধা বা দেশের মানুষই নয়, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছেন অনেক বিদেশিরাও, এমন দু'জন বিদেশি সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখুন।
শিক্ষার্থীরা ছয় মাস আগে প্রশ্ন সম্পর্কে একটা ধারণা পেলে তারা যথেষ্ট মনোযোগের সাথে পড়াশোনা করবে এবং ভালভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে। বিষয়টি একেবারে নতুন হবে এমনটাও নয়, কেন না আগেও দেখা গেছে ২/ ৩ বছরের প্রশ্নমালার মধ্য থেকেই প্রশ্নগুলো আসে বা পুণরাবৃত্তি ঘটে।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুন, ২০১৪ রাত ৩:৫০
কীর্তনখোলা তীরে বলেছেন: "সাত কোটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে, মানুষ করোনি।" এভাবে ঠেলে ঠেলে মানুষ করা ছাড়া, অন্য উপায় দেখি না।