নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কিচ্ছুটি বলার নাই.......

জটিল ভাই

ঝটট্রিল সব জটিলতা

জটিল ভাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেকুব নম্বর ৪২০ | বেকুবীয় জ্ঞাণ

১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ বিকাল ৫:১২


(ছবি নেট হতে)

বিসমিল্লাহি্'ররাহ্'মানিররাহিম।
আসসালামুআলাইকুম।

বেকুব তুই পালিয়ে যা….

মােতাহের হােসেন চৌধুরী "শিক্ষা ও মনুষত্ব" প্রবন্ধে মানুষের শিক্ষার সঙ্গে পারিপার্শ্বিকতা যে কত নিগূঢ়ভাবে জড়িত তা সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। তাই বর্তমানে সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা সহজলভ্য হওয়াতে সবাই শিক্ষিত হলেও সুশিক্ষিত নন সেটা মানতেই হবে। তরকারি ছাড়া যেমন লবণের স্বাদ তিতোই থাকে তেমনি সঠিক পারিপার্শ্বিকতা ছাড়া শিক্ষাও কুশিক্ষা।

কউকে ছোট না করে উদাহরণের প্রয়োজনে বলছি। যে সন্তান মা-বাবার গালাগালি শুনে বা সেই ধরণের পরিবেশে থেকে পড়ালিখা করবে তার বর্ণমালায় খিস্তি তৈরীর সম্ভাবনাই বেশি। কারণ, ছোট হতেই সে এটাকে স্বাভাবিক জেনে বড় হয়েছে। গরীবের ঘরে জন্ম নিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করা ব্যক্তি আর অভিজাত পরিবারের কেউ একই মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করলেও তাদের আচরণ ভিন্ন হবেই। অভাবে থেকে শিক্ষিত হওয়াদের তাই অভাবহীণদের হতে বেশি স্বভাব নষ্টের সম্ভাবনা থাকে। কারণ, যে অভাবে বড় হয়নি সে টাকাকে সেভাবে মূল্যায়ণ করবে। কিন্তু অভাবগ্রস্তের হাতে হঠাৎ প্রচুর টাকা এলে পূর্বের জেদে সে কি করবে বুঝে পাবেনা। ফলে সে অভিজাতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘর সাজাতে গিয়ে সব খরচ করে সোনার পালঙ্কে বসে পান্তা ভাত খেতেই পারবে, কারণ পান্তা খাওয়ার তার অভ্যাস আছে। কিংবা ভাঙ্গা ঘরে থেকেও বিরানী খেতে পারবে অভ্যাস থাকার কারণে। আবার প্রয়োজনে হাতও পাততে পারবে। কিন্তু অভিজাত্যের মাঝে বড় হওয়া ব্যক্তি সহজে পান্তাও খেতে পারবে না, ভাঙ্গা ঘরেও থাকতে পারবে না, আবার হাতও পাততে পারবে না। তাই, আয় বুঝে ব্যয় তার জন্যে যতোটা কার্যকর ভূমিকা রাখবে তা কিন্তু প্রথম ব্যক্তির ক্ষেত্রে রাখবে না।

যেমন মোবাইল সহজলভ্য হবার কারণে এখন যারা মোবাইলের যোগ্য নয় তাদের হাতেও মোবাইল। এর ফলাফল কি আমরা অনলাইন নিউজ, টিকটক, কিংবা ফেইসবুক খুলে উপলব্ধি করতে পারছি না? আমি বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা বিরোধী নই। তবে তাকে পরিবেশমত ব্যবহারের পক্ষে।

তেমনি ব্লগেও নিশ্চিত এমন সুশিক্ষিতদের পাশাপাশি কুশিক্ষিতরাও রয়েছেন। যিনি দুই লাইন লিখে ব্লগে পোস্ট করতে পারেন তিনি অবশ্যই শিক্ষিত। তবে তার লিখা আর আচরণ প্রমাণ দিবে যে সে কু/সুশিক্ষিত। যার পারিপার্শ্বিকতায় সুন্দর পরিবেশের অভাব ছিলো সে কুশিক্ষিত হবার সম্ভাবনাই বেশি। আর এই শিক্ষা তাকে বিনয়ী নয়, অহংকারী করে ফেলে। যে পরিবারে রবীন্দ্রনাথ রয়েছে সে পরিবারের কেউ উত্তম দুই লাইন লিখে আস্ফালন করবে না, বরং লজ্জিত হবে। কিন্তু যে পরিবারের প্রথম শিক্ষিত সে দুই লাইন খিস্তি লিখতে পারলেই নিজেকে রবীন্দ্রনাথের চেয়ে জ্ঞাণী জাহির করতে থাকবে।

তাই বলে অভিজাত পরিবারের মানুষ নষ্ট হয়না তা নয়। সঙ্গদোষে আর পরিবারের সঠিক নজরের অভাবে টিকটক বা ফেইসবুক দেখে শিক্ষা নেওয়া অভিজাত পরিবারের সন্তানও ঘরে বসে বখে যেতে পারে। বাহিরে সঙ্গী বাছাইয়ে ভুল করে বখে যায়। তখন তারা কুশিক্ষিতদের চাইতেও বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠে।

তবে আশার কথা হচ্ছে এই কুশিক্ষিতের ভাগটা সম্প্রতিই খুব বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই বলে পরিমাণে বেশি না। তাই এর লাগাম টেনে ধরার সময় চলে যায়নি। আর সেই লাগাম টেনে ধরবে আমার গত লিখার সিংহভাগেরা।

খায়রুল আহসান ভাইকে এ পর্যায়ে বিশেষ জটিলবাদ জানিয়ে গতকালের লিখার সিংহভাগের লাগাম টেনে ধরার বিষয়টা এবার আরেকটু পরিষ্কারভাবে শেয়ার করি।

আমি প্রথমত পুরো সমাজকে দু-ভাগ করে নিতে চাই। কুশিক্ষিত আর সুশিক্ষিত। এখন এই সুশিক্ষিতদের বেশিভাগই যারা এসব সামাজিক সমস্যা দেখে ও বুঝেও কুশিক্ষিতদের খিস্তির ভয়ে চুপ থাকেন, নিরব থাকেন তারাই সিংহভাগ। ভাবেন চুপ থাকলে খিস্তি হতে বেঁচে নিজের মান বাঁচবে। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। কারণ, সুশিক্ষিত হিসেবে সমাজের প্রতি দায় রয়েছে। আর সেই দায় হচ্ছে সমাজকে কুশিক্ষার বলয়ে আচ্ছাদিত হতে না দেওয়া। সেজন্যে নিশ্চই এই না যে, কুশিক্ষিতের সাথে খিস্তিবাজি করা। তবে আর ফারাক থাকলো কই?

সুশিক্ষিতের সিংহভাগের ভূমিকা হবে কান্ডারির। তারা খিস্তির জবাবে সৌজন্যমূলক প্রতিবাদের ভাষা শিক্ষা দেবেন। বেশি বেশি শিক্ষামূলক আলোচনার মাধ্যমে খিস্তিকে আলোচনায় আসতে দেবেন না। প্রয়োজনে কুশিক্ষিতদের এড়িয়ে কিভাবে চলা সম্ভব, কখন তাদের মন্তব্যের জবাবে চুপ থাকতে হয়, কিভাবে সুশিক্ষাসুলভ জবাব দিতে হয়, কিভাবে তাদের ছাড়া পৃথিবী ভাবতে হয়, চুপ না থেকে এসব আলোচনা বেশি বেশি করতে হবে। দুটো অস্ত্রের ঝংকারে পৃথিবীকে তলিয়ে যেতে না দিয়ে কোটিকোটি ফুল যে পৃথিবীকে মোহিত করে রেখেছে তা তুলে ধরতে হবে। গ্রহন লাগা মানেই যে চাঁদ বা সূর্য হারিয়ে যাওয়া নয়, সেটা বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে। আর এভাবেই সিংহভাগ যদি আলোচনার টেবিল ভরপুর করে রাখে তবে আর কেউ কুশিক্ষিতের কুকর্ম নিয়ে কুআলোচনায় মন দিবে না। ফলে কুশিক্ষিতরাও একসময় কুসমালোচনা ছেড়ে সুআলোচনায় অংশগ্রহণে আগ্রহী হবে নিজের জীবনকে আলোকিত করতে। আর এই ব্রত নিয়েই চুপ থাকা সিংহভাগকে একসাথে মুখ খুলে সাম্যের গান গেয়ে আলোর দিশারী হতে হবে। দল,মত,ধর্ম,বর্ণের লড়াই চলতে পারে কুশিক্ষিত আর আধাশিক্ষিতের মাঝে। সুশিক্ষিতদের এসব গ্রাস করতে পারার কথা নয়। আর এটাই সুশিক্ষার ক্ষমতা আর আভিজাত্য।

কাল্পনিক_ভালবাসাকে আন্তরিক জটিলবাদ আমার গত লিখার মূল্যায়ণস্বরূপ নির্বাচিত পাতায় নেবার জন্যে।

সেইসাথে এরপরও যারা বুঝতে পারেননি তাদের অনুরোধ থাকবে গতকাল ঠাকুর মাহমুদ ভাইয়ের "মানুষ" লিখাটা এবং এর মন্তব্যগুলো পড়ার। ব্লগের ও নিজের উন্নয়নে সিংহভাগের নিকট হতে এমন লিখা আর সুচিন্তিত মন্তব্যই কাম্য।

আর ব্যস্ততার জন্যে ব্লগে তেমন সময় না দিতে পারায় অনেকের লিখা পড়েও মন্তব্য করা বাকি বলে লজ্জিত। সময় করার চেষ্টা করছি মন্তব্যে অগ্রগামী হতে। তবে আমার মাথায় লিখার বিদ্যুৎ চমকায় বলে যখনই মাথায় আসে তখনই লিখে ফেলতে হয়। আর লিখা শেষে পোস্ট না করা পর্যন্ত মাথার ভেতরে বজ্রপাত চলে। তাই লেখক না হয়েও লিখাতে অগ্রগামী। এসব দোষের জন্যে ক্ষমা প্রার্থী।

পরিশেষে আবারও বলি, কাউকে ছোট করতে নয়, উদাহরণের প্রয়োজনে কথাগুলো এসেছে যেনো ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে আমরা পারি একটি নির্মল বসতির ব্যবস্থা করতে। আল্লাহ্ আমাদের সঠিক জ্ঞাণ আহড়নের পথ সহজ করে দিন।

আল্লাহ্ হাফিজ।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ বিকাল ৫:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কিছু কিছু কুত্তা আছে দেখবেন ভদ্র। ভদ্রভাবে বললে কথা এদের মাথায় ঢোকে। আর কিছু কিছু কুত্তা আছে শুয়োর-জাতীয়। যতো ভালো কথাই এদের বলেন না কেন, এরা ঘোৎ ঘোৎ করতেই থাকবে। এদের জন্যই আসলে, ''কুত্তার লেজ কখনও সোজা হয় না'' জাতীয় প্রবাদ বাক্যগুলোর জন্ম হয়েছে।

আশা করছি, আপনার এই পোষ্টে সেই ধরনের কিছু দুর্গন্ধ ছড়ানো বেজন্মা শুয়োরের দেখা মিলবে অচিরেই!! ময়লার গাদায় গড়াগড়িতে অভ্যস্ত এইসব ইতরেরা ব্লগ যে ভদ্রলোকদের জায়গা, সেটাই বোঝে না। যাই হোক, যদি কয়েকটা আসে, তাহলে আপনার যদি সাধ্যে কুলায়, কিছু ট্রিটমেন্ট দিয়েন। ব্লগে এখন ভদ্রভাষায় কথা বলার দিন শেষ। যে ভদ্রভাষা বোঝে, তার সাথে আপনি ভদ্রভাষায় কথা বলতে পারেন। কিন্তু যে বোঝে না, তার সাথে সেই ভাষায়ই কথা বলতে হয় যেই ভাষা সে বোঝে!!

কিছু বিষ্ঠাখোর ইতরদের ইতরামীর জবাব দেওয়াটা জরুরী হয়ে দাড়িয়েছে।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১:০৬

জটিল ভাই বলেছেন:
প্রিয় ভাই, আপনার জ্ঞাণের পরিধি আমি ধারণা করতে পারি। সেই তুলনায় আমার জ্ঞাণ অতি ক্ষুদ্র বলেই জানি আর মানি। পশাপাশি আপনার মনের উপর দিয়ে যাওয়া ঝড় আর সেই পরিস্থিতিতে নমানুষদের আচরণ সম্পর্কেও সম্যক অবগত আছি। তাই আপনার এই মন্তব্যের যথাযথ উত্তর করতে আমি অপারগ বলে ক্ষমাপ্রার্থী। তবে পরবর্তী মন্তব্যে যতোটা সম্ভব আমার মত প্রকাশের চেষ্টা করেছি।

২| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আরেকটা কথা। সিংহভাগের কাছ থেকে খুব বেশী প্রত্যাশা না করাই ভালো। আমাদের সমাজে কিছু সুশীল আতেল আছে। যাদের মূল স্ট্র্যাটেজিই হলো, ধরি মাছ, না ছুই পানি। এনারা শ্যাম রাখি, না কূল রাখি.............ভাবতে ভাবতে দিনশেষে কিছুই রাখতে পারেন না। সঠিক সময়ে, সঠিক জায়গায় সঠিক প্রতিবাদ করাটা যে কতোটা জরুরী, সেটা বোঝার মতো জ্ঞান এনাদের আছে কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

কি আর করবেন! আমাদের এই ব্লগ তো আর সমাজের বাইরে না!! এখানেও এমন মানুষ অহরহ দেখা যায়। নিজেদের উপরে কোন কিছু হুমড়ি খেয়ে না পড়া পর্যন্ত তেনারা বেহুশই থাকবেন। এটাই তেনাদের কৌশলগত ভূমিকা। এনারা ভাবেন, আমার তো কিছু হয় নাই। অন্যরা বলুক না!! প্রতিবাদ করে আমি কেন শুধু শুধু খারাপ হতে যাবো!!!

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:৫৫

জটিল ভাই বলেছেন:
আপনার এই অংশের সঙ্গে যথাযথভাবে সহমত পোষণ করছি প্রিয় ভাই। আমরা অন্যের কষ্ট দেখে মজা নেওয়া জাতি। কিন্তু সেই কষ্ট যে আখ খাওয়া গল্পের মতো নিজের ঘাড়েই এসে পরবে তা বুঝিনা। গল্পটি নিশ্চই জানেন। তবুও বলি। একবার ৪ ধর্মের লোক মিলে এক মুসলমানের ক্ষেত থেকে আখ চুরি করে খায়। তখন মালিক এসে চারজন দেখে ভাবে সাধারণভাবে পারা যাবেনা। টেকনিকে মাইর দিতে হবে। তাই ধীরে সুস্থে কাছে গিয়ে ৪ জনকেই সালাম দিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়ে মুসলমানের উদ্দেশ্যে বলে আপনি জাত ভাই যতো খুশি খান। হিন্দুর উদ্দেশ্যে বলে সম্প্রিতির দেশে বহুকাল ধরে আপনারা আমরা ভাইয়ের মত আছি। বৌদ্ধকে বলে আপনারা নিরামিষ খান তাই আপণার খাওয়া নিয়ে আপত্তি নাই। কিন্তু! যারা যুগে-যুগে জুলুমের নামে আমাদের শোষন করলো সেই খৃষ্টানরা কেন খাবে? এই বলে ৪ জন মিলে খৃষ্টানকে ক্যালালো। ক্যালানি খেয়ে খৃষ্টান চলে গেলে ঠিক আগের মতো মুসলমান আর হিন্দুকে মটিভেট করে বৌদ্ধের উপর খ্যাপিয়ে ৩ জন মিলে বৌদ্ধকে ক্যালালো। তারপর মুসলমানকে কনভেন্স করে ২জন মিলে হিন্দুকে ক্যালালো। পরিশেষে একা পেয়ে মুসলমানকে ধরলো।
সিংহভাগের দশাও এর ব্যতিক্রম মনে হচ্ছেনা প্রিয় ভাই। কিন্তু সিংহভাগ ব্যাপারটাতে সিরিয়াস না। এই সুযোগে অলরেডি সিংহভাগের উত্তর প্রজন্ম কিন্তু অনুপযোগী হয়েই বেড়ে চলেছে! জটিলবাদ।

৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৮

জিকোব্লগ বলেছেন:



সিংহ ভাগের চিন্তা ভাবনাটা এই রকম যে, কর্তৃপক্ষ গার্বেজ পুষছেন, এটা
কর্তৃপক্ষের সমস্যা, আমারতো কোনো সমস্যা না। সিংহ ভাগের মধ্যে
অনেকের আবার কোনো স্ট্রং পার্সোনালিটি নাই , সব জায়গায় গিয়ে
হে হে করে, মানে সব দিকেই থাকতে চায়।

আর উপযোগী শ্রেণী যদি কোন একটি বিষয় কর্তৃপক্ষের চোখে আঙ্গুল দিয়ে
ধরে দেওয়ার পরেও কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে পদক্ষেপ না নেন, তখন ধীরে ধীরে
উপযোগী শ্রেণীও সিংহ ভাগের মধ্যে প্রবেশ করবে।

তখন মাঠে থাকবে অনুপযোগী আর বিশেষ শ্রেণী। সিংহ ভাগ পপকর্ন নিয়ে বসে
খেলা দেখবে। তবে খেলাটাও তেমন জমবে না। কারণ বিশেষ শ্রেণী অনুপযোগী
শ্রেণীকে গদাম দিতে পারে না। এইজন্য খেলার ফলাফল আগেই জানা।
অনুপযোগী শ্রেণী এই খেলায় জিতে এবার কোল থেকে মাথায় উঠতে চায়।
আর তখনই কর্তৃপক্ষের হুঁশ হয়। আর সিংহ ভাগ সেই স্রোতে গা ভাসায়।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:৩৮

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাহ্। যথার্থই বলেছেন প্রিয় ভাই। কিন্তু স্ট্রং পার্সোনালিটি না থাকা সুশিক্ষিতদের বৈশিষ্ট্য বলে মনে হয় না। কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হতো যদি সিংহভাগ সঠিক আচরণ করতো। অন্তত সবসময় চুপ থেকে প্রতিবাদ মতান্তরে মৌন সম্মতি না দিলে কর্তৃপক্ষ অনেককিছুই আমলে নিতো। কিন্তু সিংহভাগ পপকর্ন কিনে নিজেও ক্ষতির উর্ধে নয়। দিন শেষে পরাজয়ের গ্লানিটা তাদেরও বরণ করতে হয়। আর এভাবে যে আগাছাকে বাড়তে দিচ্ছে সেটা হতে কি তাদের উত্তর প্রজন্ম রেহাই পাবে? পাবেনা। বরং উপযোগীর উত্তর প্রজন্ম অনুপযোগী হবে। আর হচ্ছেও ঠিক তাই।

৪| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ রাত ৮:৩৪

এম ডি মুসা বলেছেন: শিক্ষা ও মানুষত্য ঐ লেখাটির উপর লেখা হয় না একজন মানুষ হিসেবে তৈরি হতে সেই লেখা একবার পড়া উচিত

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:২৯

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাহ্। যথার্থ বলেছেন প্রিয় ভাই।

৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ রাত ৮:৩৭

এম ডি মুসা বলেছেন: বর্তমান পাঠ্যপুস্তক শিক্ষা ও মানুষত্য লেখা টি নেই আজকাল মানুষ হিসেবেই সঠিক দিক জানবে কি করে?

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:২৮

জটিল ভাই বলেছেন:
দুঃখের বিষয় যারা এ প্রবন্ধ পড়ে মানুষ হলো তারা তুলে দেবার বিপক্ষে কথা বলা দূরে থাকুক, হয়তো খবরই রাখেনি! হয়তো সেটা নিজের দায়িত্বের মাঝে পরে মনে করেনি। যদিও এর ফল এখন সন্তানদের মাধ্যমে নিজেকেই ভোগ করতে হবে। জটিলবাদ প্রিয় ভাই।

৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ রাত ৯:০৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:১৫

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাহ্। কেমন আছেন আপু?

৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২২ রাত ৯:১৪

জ্যাকেল বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন:----------------- এইসব ইতরেরা ব্লগ যে ভদ্রলোকদের জায়গা, সেটাই বোঝে না। যাই হোক, যদি কয়েকটা আসে, তাহলে আপনার যদি সাধ্যে কুলায়, কিছু ট্রিটমেন্ট দিয়েন। ব্লগে এখন ভদ্রভাষায় কথা বলার দিন শেষ। যে ভদ্রভাষা বোঝে, তার সাথে আপনি ভদ্রভাষায় কথা বলতে পারেন। কিন্তু যে বোঝে না, তার সাথে সেই ভাষায়ই কথা বলতে হয় যেই ভাষা সে বোঝে!!


না, আমি একমত না। নিজকে সবসময় কুল ডাউন রাখতে হবে। দুস্ট লোকের পাল্লায় পড়ে নিজেও দুস্ট হয়ে গেলে চলবে না।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:২৪

জটিল ভাই বলেছেন:
সহমত। তবে সবসময় কুল থেকে ডাউনে গেলে হবেনা প্রিয় ভাই। সেইক্ষেত্রে ঘাড়ের উপর আরো শক্ত হয়ে চেপে বসবে। তাই সেভেনআপের মত করে এখন কুলআপ হওয়া দরকার। প্রয়োজনে প্রতিবাদ হবে তবে সুশিক্ষিত ভাষায়। আর এটাই ছিল মূলকথা। তবে ভূয়া ভাইয়ের উপর সম্প্রতি যেসব ঝড় গিয়েছে তা আশা করি ব্লগের কল্যাণে জানেন। তাই ভাইয়ের রিএ্যাকসনটা অন্যভাবে না নেওয়াই উত্তম। তবে আমার বিশ্বাস যদি সুবাতাস বয় তখন ভাইদের মতো সবাইকেই পাখার বদলে নিশান হাতে বরাবরের মত সম্মুখ সারিতেই পাবেন ইনশাল্লাহ্। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ভাইয়ের দ্বিতীয় মন্তব্যটাই অপ্রত্যাশিতভাবে যুগে যুগে সত্য হয়ে চলেছে। আর বরাবরের মত কষ্টটা সেখানেই।

৮| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১২:৪৮

জ্যাকেল বলেছেন: উনার ২ নাম্বার মন্তব্য প্রসংগে বলছিঃ

আমি কিন্তু ঝামেলায় না জড়ানো মানুষ, ঝামেলা দেখতে চাওয়া বড়ই বিরক্তিকর+অনিহা। তার মানে এই না যে আমি সুশিল হইয়া ধরি মাছ না ছুই পাবলিক। আমি স্পষ্ট কন্ঠে সত্য কথা বলি বাস্তবে যেমন, অনলাইনেও তেমন। পেশাগত কারণে আসল নাম নিয়ে আসছি না তবে আমি আসল নামে ব্লগিং করতে চাই। দেখি খুলেও ফেলতে পারি।)

তাই গাধা/শিষ্য সিন্ডিকেট বলেন আর নাস্তিক-বৈশ্যাদের নিয়েই বলেন আমি সর্বদাই এদের সাথে সহজ সরল ভাষায় নিজের বয়ান উপস্থিত করে যাব। মাথা গরম হলে ব্লগ থেকে লগআউট করে অন্য কাজে মনোনিবেশ করি।

সরল ভাষায়, নিজের মত প্রকাশে আমি কখনোই আপোস করতে চাহি না। তাই অনেকেই আমাকে ট্যাগ দেন আর আমি উহার থুরাই কেয়ার করি।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১:১৬

জটিল ভাই বলেছেন:
প্রিয় ভাই, আপনি কেমন মানুষ সেটা এতোদিনে কম-বেশি জানি। তাই দয়া করে যেখানে সামষ্টিকভাবে কথাগুলো বলা হয়েছে সেখানে বিষয়টি একান্ত নিজের দিকে নেবেন না। আপনার প্রতিবাদের ধরণ আর এপ্রোচ আমি এপ্রিসিয়েট করি।
তবে স্বনামে ব্লগিং করা জরুরী এটা আমি মনে করিনা। বরং আমার অবস্থান এর বিপক্ষে। সামু লিখার প্ল্যাটফর্ম। যেখানে ইতিহাসের বড় বড় সাহিত্যিক ছদ্মপরিচয় ব্যবহার করেছেন সেখানে আমি কোন ছাড়! বরং স্বনামে লিখলে লিখার মান ও স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনা কে তারচেয়ে বড় পরিচয় আপনি কি লিখছেন।
আর যেই সিন্ডিকেটের এবং ট্যাগের বিষয়ে বললেন, তাদের হতে আমিও মুক্ত নই। তাই বলে তাদের নিয়ে ভেবে তাদের কুখ্যাতভাবে বিখ্যাত করারও প্রয়োজন মনে করিনা। বরং মাথা গরম না করে এদের পাশ কেটে সামনে আগানোই উত্তম মনে করি। কিন্তু কষ্টের বিষয় যে, তাদের শক্ত সিন্ডিকেট বিদ্যমান যেখানে উপযোগীরা পরিমাণে বেশি হয়েও একক একক...

৯| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ সকাল ৯:৩৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি গত কয়েকদিন যাবত জ্বর আর গলা ব্যথা। সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১০:৩৮

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাহ্। দোয়া করি আল্লাহ্ আশু শেফা দান করুন। আমিন।

১০| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ সকাল ১০:২৬

রবিন.হুড বলেছেন: এই সমাজটা নষ্ট হচ্ছে শুধু খারাপ লোকের খারাপ কাজের জন্য না ভালো লোকের চুপ থাকার কারনে। সবাইকে সুশিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং সম্মিলিতভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সুন্দর সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। সাদাকে সাদা , কালোকে কালো, সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলা শিখতে হবে।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১০:৪০

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাহ্। অনেক সুন্দর বলেছেন প্রিয় ভাই। বিশেষভাবে "সাদাকে সাদা , কালোকে কালো, সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলা শিখতে হবে।" এই গুণ সবাই আয়ত্ত করলে মনে হয়না আর কোনো সমস্যা থাকতো।

১১| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ সকাল ১১:২৯

জুল ভার্ন বলেছেন: এমন বেকুবীয় জ্ঞান আরো প্রকাশ করুন- আমরা পড়ে সমৃদ্ধ হই।

শুভ কামনা।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১০:৪১

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাহ্। উৎসাহ পেলাম প্রিয় ভাই। আর সমৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে বাস্তবায়নও করতে হবে।

১২| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ বিকাল ৫:১৫

জ্যাকেল বলেছেন: লেখক বলেছেন: -------- দয়া করে যেখানে সামষ্টিকভাবে কথাগুলো বলা হয়েছে সেখানে বিষয়টি একান্ত নিজের দিকে নেবেন না।


না, আমি নিজেকে নিয়ে স্পষ্ট করলাম। কারন সমাজ তা অনলাইন/অফলাইন যেটাই হউক, কমিউনিটির পচন হয় যদি ভাল মানুষগুলা মুখ বুজে খেলা দেখে। আমি এইসকল ভাল মানুষদের কাতারে পরতে চাই না।
আর @ভুয়া মফিজ ভাইয়ের আঞ্চলিক/আন্তর্জাতিক বিষয়ে লেখালেখি আরো চাই। অযথা ইতর শ্রেণির পাবলিককে দাম দিয়ে লাভ নাই।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১১:০৩

জটিল ভাই বলেছেন:
জাজাকাল্লাল্। আপনার মত করে সকল ভাল মানুষদের চোখ খুলে যাক এই দোয়া করি প্রিয় ভাই। সমাজ, দেশ, ব্লগ যাই বলে না কেনো, এটা আমাদের। তাই এর পরিচর্যার দায়ভার আমাদের সবাইকেই নিতে হবে।

১৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২২ ভোর ৪:১৮

অপু তানভীর বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: ব্লগে এখন ভদ্রভাষায় কথা বলার দিন শেষ। যে ভদ্রভাষা বোঝে, তার সাথে আপনি ভদ্রভাষায় কথা বলতে পারেন। কিন্তু যে বোঝে না, তার সাথে সেই ভাষায়ই কথা বলতে হয় যেই ভাষা সে বোঝে!!

ভুয়া মফিজের এই কথার সাথে আসলে আমিও একমত । এতো দিন পর্যন্ত আমি সব যথা সম্ভব নিজেকে নিয়ন্ত্রন করেই মন্তব্য করেছি সব সময় । কেউ মক করলেও উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গেছি । কিন্তু এতে তারা আরও পেয়ে বসেছে । আজ থেকেই তাই ভদ্রতার ভাষা দুরে রাখলাম । যে যেমন ভাবে আচরন করবে ঠিক তাকে তেমন ভাবেই ট্রিট করা হবে । ভাল ব্যবহারের বিপরীতে ভাল এবং খারাপের বিপরীতে খারাপ । হিসাবটা সোজা !

২০ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১১:০৪

জটিল ভাই বলেছেন:
হিসাবটাতো সোজা। কিন্তু এই হিসেবে যে ভুল হয়ে যায় প্রিয় ভাই। কারণ তাদের স্বভাবদোষ কারো চোখে না পরলেও আপনার প্রতিবাদের দোষ সবার চোখে পরে তাদের স্বভাবদোষকেও ছাপিয়ে যাবে। আর তখন তখন না চাইলেও অশালীনতার পুরো দোষটা ঘাড়ে চাপে। কারণ কেউ ঘটনার উৎপত্তিস্থল বিবেচনা করে বিচার করেনা। জটিলবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.