নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একেক জন মানুষের চিন্তা-চেতনা, ভাবধারা একেক রকম । আর কারো লেখা পড়েই তার চিন্তার অংশীদার হওয়া যায় । তাই নয় কি?

ওয়াসি

বই পড়তে ভালবাসি। মাঝেমধ্যে টুকটাক লেখালেখি করি।

ওয়াসি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্ল্যাক ম্যাজিক ও ইসলাম

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

ইহুদী ধর্মমতে কিং সলোমন একজন যাদুকর ছিলেন। এই কিং সলোমন বা সলোমন দ্য ওয়াইজ ইসলাম ধর্মের নবী হযরত সুলাইমান (আঃ)। অনেকেই জানেন যে, হযরত সুলাইমান (আঃ) জ্বিনদের নিয়ন্ত্রন করতে পারতেন। জ্বিনদের দিয়েই তিনি বিখ্যাত ঝুলন্ত উদ্যান ব্যাবিলন এবং অন্যান্য ইমারত তৈরি করেছিলেন। ইহুদী সম্প্রদায় একে সুলাইমান (আঃ) এর যাদুকরী ক্ষমতা মনে করতো। কিন্তু ইসলাম ধর্মানুযায়ী কোনো প্রকার যাদু করা হারাম। আল্লাহ জ্বিনদের সুলাইমান (আঃ)-এর অনুগামী করে দিয়েছিলেন। তিনি কোনো যাদু করতেন না।

হযরত সুলাইমান (আঃ) মারা যাওয়ার পর কিছু মানুষ তার জ্বিনদের নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা জানার জন্য মরিয়া হয়ে যায়। তারা মৃত রাজার ব্যক্তিগত দ্রব্যাদি ঘাটাঘাটি করা শুরু করে। এ বিষয়টি ইবলিস শয়তানের বংশধরদের চোখে পড়ে। এসব শয়তান জ্বিন তখন প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে এক কাজ করে বসে। সুলাইমানের সিংহাসনের নিচে গর্ত করে বেশ কিছু বই লুকিয়ে রেখে দেয়। এই বইগুলোতে শয়তানকে ও তা অনুসারী জীনদের ডাকার নানা পদ্ধতি ও রিচুয়াল ব্যাখা করা ছিল। উৎসাহী মানুষ যখন সিংহাসনের নিচে এই বইগুলো খুঁজে পায়, তখন তারা ধরে নেয় যে, এই রিচুয়ালগুলোর মাধ্যমেই তাদের মৃত রাজা জ্বিনদের নিয়ন্ত্রন করতো। কিন্তু এগুলো ছিল কালো যাদু ও শয়তানের পূজা করার বই। এভাবেই আবির্ভাব ঘটেছে ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো যাদুর। নেক্রোম্যান্সি, উইচক্রাফট, ভুডু ইত্যাদি হলো কালো যাদুর বিভিন্ন শাখা। আর এসব বইয়ের টাইটেল আসে সলোমন নাম দিয়ে। ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখতে পারেন।

এ ব্যাপারে আল-কোরআনে স্পষ্ট ব্যাখা রয়েছে -
"সুলাইমানের রাজত্বে শয়তানেরা যা আবৃত্তি করত, তারা তা অনুসরণ করত। অথচ সুলাইমান কুফরী করেননি; বরং শয়তানেরাই কুফরী করেছিল। তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত।"
সূরা আল-বাকারাহ - ২:১০২

সূত্র: জ্বিন ও শয়তান জগৎ - ড. উমার সুলাইমান আল-আশকার

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.