নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রহমান রিয়াজ

কোন এক প্রচন্ড ঝড়ের রাতে হাটতে হাটতে চলে যাবো তোলপাড় সমুদ্রের কাছে । পিছনে পড়ে থাকবে শুধু খালি পায়ের ছাপ আর কিছু স্মৃতি . . .

রহমান রিয়াজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন- রসাতলে স্বর্গের বাঙালীপল্লী !

১৩ ই জুন, ২০১৪ রাত ৮:২৯

মর্ত্যের মত স্বর্গেও চলছে পশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন,

স্বর্গ থেকে আজ বিলুপ্তির পথে বাঙালীর নিজস্ব সংস্কৃতি ।

স্বর্গ ঘুরে এসে এমনি খবর জানালেন আমাদের স্বর্গ প্রতিনিধি শ্রী শ্রী নারকীয় এডলফ রিয়াজলার !



প্রতিবেদন তৈরি করার সময় আমাদের প্রতিবেদক একাধিক বার টাশকি ভক্ষণ করেন এবং ফিরে আসা অবধি একই বাক্য

বরংবার আবৃতি করে যাচ্ছেন-

"ইহা আমি কি দেখিনু হায়

রবি ঠাকুরও হেথা বসি হিপ-হপ গায় !!"



প্রতিবেদকের কাছ থেকে জানা যায় ঢাকা-স্বর্গ-ঢাকা ড্রিমি এয়ারলাইন্সের টিকিট হাতে পাওয়া মাত্র তিনি স্বর্গ ভ্রমণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন এবং স্বর্গে গিয়ে কার কার সাথে দেখা করবেন তার একটি তালিকাও তৈরি করেন ।



যথাসময়ে আমাদের প্রতিবেদক ড্রিমি এয়ারলাইন্সে চড়ে হাজির হন স্বর্গে,

প্রথমে তিনি বাঙালীপল্লীতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ।



বাঙালীপল্লীর ভিতর দিয়ে হাটার সময়

প্রতিবেদক এক ওভার স্মার্ট বৃদ্ধকে অদ্ভুতভাবে মাথা নাড়তে দেখেতে পায় ।

একটু কাছে এগোতেই বোঝা গেল বৃদ্ধ ভদ্রলোক গান শুনছেন, তার কানে হেডফোন গোজা !

ভদ্রলোকের চুল গুলো স্পাইক করা ,

লম্বা দাড়িতে লাইট ইয়্যেলো কালার,

বা কানে সিলভার রিং ।



"দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে...

দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে "

প্রতিবেদকের মনে বারবার লাইনটি উঁকিঝুঁকি মারতে লাগলো ।

উঁকিঝুঁকি মারতে মারতেই প্রতিবেদক চিনতে পারলেন ভদ্রলোককে ।

ইনিই তো সেই বিশ্ব কবি ।

দ্যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর !



এমন গেটাপ কেন আর মাথা ঝাকাঝাকির মাজেজাই বা কি তা জানার জন্য প্রতিবেদক যখন ব্যকুল তখনই রবিদা প্রতিবেদকের দিকে তাকিয়ে বলে ওঠেন,

'হোয়াজ আপ ডুড ??'



রবি ঠাকুরের মুখে হোয়াজ আপ ডুড শুনে প্রতিবেদক ভূত দেখার মতই চমকে ওঠেন ।

যাই হোক কৌতূহল দমন করতে না পেরে আমাদের প্রতিবেদক রবি ঠাকুরের মাথা ঝাকাঝাকির কারন জানতে চান ।



রবি ঠাকুরের জবাব ছিলো:

"ওহ ম্যান !

হোয়্যাট্টা সং !!

পুররা কাপায়া দিছে মাম্মা....আ'ম জাস্ট ফিদা হো গ্যায়ি ।"



প্রতিবেদক জানতে চান রবীন্দ্রনাথ তার নিজের কোন গান শুনছেন কিনা ।

এমন প্রশ্নে রবি ঠাকুর তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে তাকিয়ে বলে ওঠেন,

'রবীন্দ্রসংগীত !

গিভ মি আ ব্রেক ম্যান !

অইসব ব্যাকডেটেট ক্ষ্যাত সং খেউ শুনে !'

প্রতিবেদক জানতে চাইলেন তাহলে

রবি ঠাকুর কি গান শুনছিলেন ?

রবি ঠাকুর অদ্ভুত একটা হাসি দিয়ে প্রতিবেদকের দিকে হেডফোন বাড়িয়ে দিলেন ।

কয়েক সেকেন্ড পরে কানে হেডফোন নিয়েই আমাদের প্রতিবেদক অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান ।

গানের কথা গুলো ছিল এরকম-

'তোমার মায় আমারে ভালা পায় না,

হ্যায় কয় আমি বোলে ভালা পোলা না ব্লা ব্লা ব্লা. . . .'



সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ

ফানি বিষয়কে সিরিয়াসলি নেয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর !

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:০৫

আহসানের ব্লগ বলেছেন: হা হা হা ।

সামহোয়ার ইন ব্লগে আপনাকে স্বাগতম ।
ব্লগিং করুন ,
পড়ুন ।
অন্যের পোস্টে মন্তব্য করে উত্‍সাহিত করুন ।
আর ভাল থাকুন । :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.