| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাস হেল্পার সোহাগের জ¦লন্ত শরীর দেখেও যদি রক্ত পিপাসুদের জ¦ালা না মেটে, কচি শিশুর নরম হাত খেয়েও যদি পাষন্ডদের ক্ষুধা না মেটে, যদি সিদ্দিক, বিল্লালের শ্বাসনালি রোধ করেও দানবেরা ক্ষ্রান্ত না হয়, ছোট্ট সাফিরের বাবা মায়ের আর্তনাদ দেখেও যদি সীমারদের রক্তের হোলি শেষ না হয় তাহলে আমি কবি সুকান্তের কবিতার মত ক্ষ্রিপ্ত কন্ঠে বলি, ‘এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না /এ জল্লাদের উল্লাস মঞ্চ আমার দেশ না/ এ বিস্তৃন্ন শশ্মান আমার দেশ না/ এ রক্ত স্নাত কসাইখানা আমার দেশ না।’
দেশ আর এখন দেশ নেই, এ দেশ এখন কারবালা। এজিদেরা এখন নীরিহ হোসেনদের রক্ত নিয়ে খেলছে। আর হোসেনরা চিরকালই অসহায়, চিরকালই বলির পাঠা। এদের কোন দোষ নেই, নেই কোন কলঙ্ক। আর বলির পাঠাকে চিরকালই কলঙ্কমুক্ত হতে হয়, হতে হয় নিখাদ ও ক্রটিহীন। কোন প্রকার দোষ থাকলে যেমন বলি হয়না, ঠিক তেমনি এদেশের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষেরা বলি না হলে পূজাঅর্চনা হয়না এদেশের রাজনৈতিক দেবতাদের। সেকালের এজিদ একজন হাসানকে মারার জন্য জায়েদার হাতে তুলে দিয়েছিল বিষ পেয়ালা আর একালের এজিদেরা নীরিহ হাসানদের মারার জন্য পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে রাইফেল, বন্দুক ও সর্বময় ক্ষমতা আর তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের হাতে তুলে দিয়েছে গান পাউডার ও লগি-বৈঠা। এদের রোল জায়েদার মতো, মিষ্টি কথায় মন ভুলায় আর ভালবেসে পান করায় বিষ। যেই বিষে বিষাক্ত হয়ে নীল হয়ে যাচ্ছে হাসানদের বর্তমান ও ভবিষৎ। সেকালের এজিদ একজন হোসেনকে মারার জন্য সীমারের হাতে তুলে দিয়েছিল নাঙ্গা তলোয়ার আর এদেশের এজিদেরা নীরিহ হোসেনদের শরীর আগুনে জ¦লসে দেবার জন্য শত শত সীমারের হাতে তুলে দিয়েছে পেট্রোল বোমা। এদের আবার দ্বৈত রোল, এরা জনতাকে তাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চায় তারপর সেই জনতার গায়েই আগুন ধরায়। সেকালের এজিদের দ্বন্ধের সূত্রপাত হয়েছিল জয়নব নামক এক নারীকে বিবাহ নিয়ে আর এই কালের এজিদদের দ্বন্ধের সূত্রপাত হলো গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য। একদল বলছেন, গণতন্ত্র রক্ষিত হয়েছে, আরেকদল বলছে গণতন্ত্র কুক্ষিত হয়েছে। একদল বলছে দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন, আরেকদল বলছে তত্তাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন। গণতন্ত্র আর দেশ নিয়ে এমন টানা হেচড় অসভ্যতার আরেক নতুন নিদর্শন। এই বঙ্গীয় কারবালায় হোসেনদের সংখ্যা যেমন কম নয় ঠিক তেমনি এজিদরাও এখন আর একজন নয়। এক থেকে দুই অথবা তার চেয়েও অধিক। আজকে যারা জ¦লসে যাওয়া মানুষের শরীর দেখে সংসদে কেঁদে বুক ভাসায় এরাই আবার কোন একদিন গান পাউডার দিয়ে সোনারগাঁ হোটেলের সামনে ১৪জন মানুষ পুঁড়িয়ে মেরেছিল। এদের হাতেই খুন হয়েছিল বিশ্বজিৎ এর মত অসহায় তরুণ, আবু বকরের মত মেধাবী ছাত্র, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নীরিহ ছাত্র জোবায়ের, এদের গোলাগুলিতেই চট্টগ্রাম সিআরবির মোড়ে নিহত হয় পথ শিশু আরমান হোসেন। এসব খুব পুরনো কোন ঘটনা নয়, এসব সবাই জানে।
এই বঙ্গীয় কারবালায় মৃত্যুর মিছিলে প্রতিনিয়ত পতিত হচ্ছে অসহায় মানুষ। গত ৪ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ২৫দিনের সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৩৭জন, আহত হয় ২ হাজারেরও অধিক মানুষ, আগুন দেওয়া হয়েছে ১২৩৮টি এবং ভাঙচুর করা হয়েছে ৯০৭টি যানবাহনে। এদের মধ্যে সীমারদের আগুনে জ্বলসে গেছে ১২ জন মানুষের প্রাণ, তার মধ্যে পাঁচ জনই হলো শিশু। এই শিশুরা ছিল নিষ্পাপ, এদের কোন দোষ ছিলনা, তাই বলির জন্য এরাই যথোপযুক্ত। এদের মগজ, এদের মনন, এদের হাড়-গোড় কোনকিছুই পরিপক্ক হয়নি তবুও পূজাঅর্চনা তো করতে হবে তাই, আগুনে যেনো না জ¦লসালেই নয়। আর নরম শরীর পেয়ে আগুনও আরো বেশি লেলিহান হয়ে ওঠেছে। এই বাঙালিদের সেন্টিমেন্টাল কখন যে টাল আর কখন ঢাল সেটা বুঝা যায়না মাঝে মাঝে। ফিলিস্তিনি শিশুদের মৃত্যু শোকে পোঁড়েনি এমন মানুষ কমই আছে বাংলাদেশে। তার জন্য আন্দোলন হয়েছে, হয়েছে প্রতিবাদ মিছিলও অথচ এদেশের শিশুরা যে আগুনে জ্বলসে আস্ত কাবাব হয়ে যাচ্ছে তার জন্য সুশীল সামাজের প্রতিবাদী মিছিল কোথায়? রংপুরের মিঠা পুকুরে পেট্রোলবোমার আঘাতে যে পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন তারা কেউ আমার কিছুই হয়না, জ্বলে পুঁড়ে ছাই হয়ে যেই সোহাগ বিশ্বাস মৃত্যুর অজানা মিছিলে যোগ দিয়েছে এমন কি সেও না, সাদী নামের দুই বছরের যে শিশুটি আগুনে পুঁড়লো, ইডেন কলেজের যে বোনটি দগ্ধ হলো, সহিংসতার আগুনে ২৫দিনে যেই ৩৭জন মানুষ মারা গেলো, তারাও আমার কিছুই হয়না। এই না হওয়া সম্পর্কের ভিতরেও একটা সম্পর্ক আছে, একটা অনুভূতি আছে আর সেই সম্পর্কের নাম হলো মানবতার সম্পর্ক। যদি কোন মানুষের দুঃখ আরেকটা মানুষকে ব্যথিত না করে, তবে মানুষ হয়েও আমরা মানুষ নই, আমরা অমানুষ। জীব হয়েও আমরা জীব নই, আমরা নির্জীব।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলছে। এই কি তাহলে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নমুনা? এখন যাত্রীবাহী বাসে যারা আগুন দেয় তারা ‘দূর্বৃত্ত’ শব্দের আড়ালে ধামা-চাপা পড়ে যান। কিন্তু এরা যারাই যেই অপকৃর্তি করছেন, তারা কোন না কোন দলের ব্যানারে এসব করছেন। কেউ বেসরকারীদের হুকুমে সরকারকে চাপের মুখে ফেলার জন্য মানুষ মারছে, কেউ বেসরকারীদেরকে দোষী করার জন্য সরকারের হুকুমে মানুষ মারছে। এতদিন জানতাম শুধু বিএনপি এসব করছে কিন্তু সেদিন এক পত্রিকায় দেখলাম মাগুরার পারনান্দুয়ালিতে বাসে আগুন দেওয়ার সময় ছাত্রলীগের তিন নেতা কর্মী পুলিশের হাতে আটক। যে যাই করছেন মানুষ মারার রাজনীতি বন্ধ হচ্ছেনা। এই এজিদেরা এখন পাল্লা দিয়ে মানুষের রক্ত খাচ্ছে। ককটেলের আঘাতে যে শিশুটির হাতের কব্জি উড়ে গেলো, পেট্রোল বোমায় যে মানুষটির শরীর জ¦লসে গেলো, যে মিনহাজুল ও শাহরিয়ার চিরদিনের জন্য চোখের আলো হারালো, এদেশের অসুস্থ রাজনীতি কি পারবে তাদের অপূরণীয় এই ক্ষতির দায় এড়াতে? হয়তো এড়িয়ে যাবে, হয়তো এ ওকে আর ও একে দোষ দিয়ে পার পেয়ে যাবেন। কিন্তু যারা পার পাবেন না, তারা সারাটা জীবনই এই ক্ষতি নিজের শরীরে বয়ে বেড়াবেন। এই হলো আমাদের গণতান্ত্রিক দেশের গণতন্ত্রের সুফল।
তবুও শত বাধা বিপত্তিকে পেছনে ফেলে আমাদেরর দেশের মেধাবী মুখেরা বিশ্ব দরবারে প্রতিনিয়ত আলো ছড়াচ্ছেন। যখন দেখি ক্রিকেটের তিন ক্যাটাগরিতেই এক নাম্বার অলরাউন্ডার আমাদের সাকিব আল হাসান তখন আমাদের গর্বের অন্ত থাকেনা। যখন মূসা ইব্রাহিম-মুহিতরা এভারেষ্ট জয় করে, যখন এভারেষ্ট বিজয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন অ্যান্টার্কটিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ভিনসন ম্যাসিফ জয় করে, যখন বিট্রিস পার্লামেন্টের এমপি হয় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রোশানারা আলী, যখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টা হন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, যখন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রথম বাঙালি হিসেবে সিপিএ’র চেয়ারপার্সন নিযুক্ত হন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা নিযুক্ত হন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী এন নীনা আহমাদ, যখন রয়টার্স ও ক্লাউড ওয়েবসাইট খতিয়ানে প্রভাবশালী ৫০জন উদ্যোক্তার মধ্যে বাংলাদেশের সুমাইয়া কাজি আছেন ১৬ তম অবস্থানে, যখন সিলেটের বিয়ানীবাজারের মেয়ে ব্যারিস্টার স্বপ্নারা খাতুন বিট্রেনের সার্কিট জজ হিসাবে নিয়োগ পান, যখন ড. নাজলি কিবরিয়া বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন, যখন বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত নারী তাহসিন আহমেদ যুক্তরােেষ্ট্রর নিউজার্সির হেলডন নগরের কাউন্সিলর নিবার্চিত হন, যখন জোবেরা রহমান লীনু জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে ১৬বার জিতে গ্রিনেস ওয়াল্ড বুকে নাম লিখায় তখন বিশ্ব দরবারে আমাদের মাথা উঁচু হয়। তখন বিশ্বের সর্ববৃহৎ জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আমরা স্বীকৃতি পাই। তখন বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মান বিশ্বজোড়া খ্যাতি বয়ে আনে।
ইতালি শহরের এক গির্জায় এক পোপ সবসময় মানুষের সততা পরীক্ষা করতেন। তাই তিনি প্রতিদিন সকালে একটি দান বাক্সে কিছু টাকা রাখতেন এবং অপিরিচত কাউকে পেলে সেটা হাতে দিয়ে অপেক্ষা করতে বলতেন। তারপর সেই পোপ দূর থেকে গোপন ক্যামেরায় সবকিছু ধারণ করতেন। দেখতেন সবাই দানবাক্স থেকে সুযোগ পেলেই টাকা চুরি করছে। এভাবে করে অনেক মানুষের সততা দেখার চেষ্টা করেছেন কিন্তু কাউকে সৎ বলে পাননি। একদিন এক যুবকের হাতে সেই বাক্সটি দিয়ে, অপেক্ষা করতে বললেন। দূর থেকে পোপ গোপন ক্যামেরায় দেখলেন যুবকটি টাকা চুরি করছে না। তারপর পোপ আরও লোক পাঠিয়ে, দান বাক্সে অধিক টাকা দান করালেন কিন্তু তবুও যুবকটি একটা টাকাতেও হাত লাগালো না। এই যুবকটির অসাধরাণ সততায় পোপ মুগ্ধ হলেন এবং সেই যুবকটি ছিল বাংলাদেশের বেলাল হোসেন। দুবাইয়ে বাংলাদেশী ট্যাক্সি ক্যাব চালক আবদুল আলিম এক লাখ দিরহাম নগদ অর্থ ও দশ লাখ দিরহাম মূল্যের স্বর্ণ তার গাড়িতে পেয়েও মালিককে ফেরত দিয়েছেন। তার এই নির্লোভ সততার গল্প সত্যিই আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। কামলাখাটা এই আবদুল আলিম, এই বেলালের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে এদেশের আমলাদের।
এসব সুখ্যাতির গর্বে হাসার আগেই খর্বে আমাদের মুখ কালো হয় যখন দেখি এদেশের রাজনৈতিক সহিংসতার আগুনে দেশটা কারবালা হয়ে গেছে। আমাদের সুখ্যাতির অবস্থাটা এখন বানরের তৈলাক্ত বাশ বেয়ে উপরে উঠার মত, দুই ফুট উপরে ওঠলে তিন ফুট নিচে নামে। একদিকে সুখ্যাতি, অন্যদিকে রাজনৈতিক কুখ্যাতির দূষণে সেই সুখ্যাতি ভেসে যাচ্ছে। কুখ্যাতির আড়ালে, সুখ্যাতি ঢাকা পড়ে যাচ্ছে যখন দেখি দুটি বড় রাজনৈতিক দল, কোন সমাধানের পথ না খুঁজে বেছে নিচ্ছেন সংঘাতের পথ। পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ মারা যেমন কোন সুস্থ রাজনীতি বা আন্দোলন নয় ঠিক তেমনি কেউ পেট্রোল বোমা মারলেই তাকে গুলি করে মেরে ফেলতে হবে এটাও কোন সমাধান নয়। সঠিক সমাধানের পথটা ক্ষমতাসীনদেরই ভাবতে হবে, সঠিক সমাধানের জন্য।
২|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:১২
জুলফিকা৩৩ বলেছেন: PTC site থেকে আমার ১ম আয় প্রায় ৩০ ডলার। Payment Proof দেখুন। আপনিও আয় শুরু করুন। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: http://bit.ly/1tI9zAc
৩|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:২২
নিলু বলেছেন: মসজিদে যদি হতে পারে , তাহলে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কেনও হবে না , ধন্যবাদ
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫৪
রেজাউল মুহাম্মাদ করিম বলেছেন: “মসজিদে যদি হতে পারে , তাহলে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কেনও হবে না ”
মন্তব্যটা স্পষ্ট নয়
৪|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৩৫
মো: জহির রায়হান বলেছেন: Click This Link
৫|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:১৪
মঞ্জু রানী সরকার বলেছেন: খুব ভালো লাগলো লেখাটি
৬|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৪৪
রাফা বলেছেন: ৩৭ নয় এখন পর্যন্ত ৪২টি প্রদিপ নিভে গেছে।ভালো লিখেছেন-যদিও সব বিষয়ে আপনার সাথে একমত নই।
আমি সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলতেই অভ্যস্ত।জিবন বাচানো ফরজ কাজ ,আশা করি এটুকু অবশ্যই বুঝেন আপনি।
ধন্যবাদ,রেজাউল মুহাম্মদ।
৭|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫০
রেজাউল মুহাম্মাদ করিম বলেছেন: রাফা, আপনার জন্য দুটো কবিতার লাইন উদ্বৃত করছি,
‘‘জীবনে বাচার মতো বাচতে হয়,
মরার আগে, মরে বেচে থাকা বাঞ্চনীয় নয়।’’
জান বাচানো ফরজ সেটা জানি, কিন্তু যে মরে গেছে তার জান বাচানো ফরজ কিভাবে? আপনিও কি নিজেকে একজন জীবিত মানুষ ভাবেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:২৩
আজকের বাকের ভাই বলেছেন: ভাল লাগল।