| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটি প্রজেক্টে খুব জরুরি ভিত্তিকে বিজ্ঞান বিষয়ক কিছু আর্টিকেল প্রয়োজন।
আপাতত পাঁচটি টপিকে লেখাগুলো লিখতে হবে। প্রতিটি লেখাই বিজ্ঞানের বিভিন্ন কন্ট্রোভার্শিয়াল ইস্যু/রহস্য নিয়ে। যেমন-
মানুষ সত্যিই চাঁদে গেছে কিনা?
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্য কী?
টাইম মেশিন সম্ভব কিনা?
ভিনগ্রহবাসী সত্যি আছে কিনা?
কৃত্রিম মানুষ তৈরি সম্ভব কিনা?
প্রতিটি লেখার জন্য উপযুক্ত সম্মানি দেওয়া হবে। লেখা ভালো হলে অধিক সম্মানি দিতেও আমরা প্রস্তুত।
যারা আগ্রহী, একটু দ্রুত যোগাযোগ করুন প্লিজ- [email protected]
প্রতিটি লেখা হবে মোটামুটি ~১৮০০ শব্দের মধ্যে। বাকি বিস্তারিত যোগাযোগ করার পর জানিয়ে দেওয়া হবে।
* আগে যারা সায়েন্স নিয়ে লিখেছেন, তাদের অগ্রাধিকার। আপনাদের কোনো লেখার লিঙ্ক দিয়ে দিন/মেইলে সেন্ড করে দিন।
* মিডিয়া/স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ের কাজে অভিজ্ঞ যারা আছেন, তাদেরও অগ্রাধিকার
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪৪
হৃদয় শাহী বলেছেন: হেহে... বুঝলাম, আপনারে দিয়ে চলবে না। আপনাদের মতো পাবলিকরে বুঝানোর জন্যই প্রজেক্টটা তৈরি হচ্ছে। অপেক্ষায় থাকেন।
আর পারলে উইকিডিয়া, ডিসকভারি ইত্যাদি ঘাঁটেন এসব জানার জন্য।
২|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫০
বইয়ের পোকা বলেছেন: আমি করতে পারবো। আপনার কতদিনের মধ্যে লাগবে? পেমেন্ট কি রকম দিবেন?
আমি বই অনুবাদ করি, আমার ব্লগে গেলেই দেখতে পাবেন।
আমার ইমেইল : [email protected]
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৪
হৃদয় শাহী বলেছেন: আপনাকে মেইল করেছি, ধন্যবাদ।
৩|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫৮
ইকথিয়ান্ডর বলেছেন: Click This Link
কাজটি বেশ আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে। আমি বেশ আগ্রহী। আমার একটি লেখার লিঙ্ক দিয়ে দিলাম।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:০৮
হৃদয় শাহী বলেছেন: মেইল করেছি, ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪০
লুকার বলেছেন: আপনার লেখাগুলা এখানেই দিয়া দিলাম:
আর্মস্ট্রংরা চাঁদে যায় নাই, ঐটা নেভাদা মরুভূমিতে শ্যুটিং হইছে। রাশিয়ার মহাকাশ অভিযানের জবাবে এই গল্প বানানো হইছে। ঐসময় চাঁদে নামার টেকনোলজি ছিল না। একটা ছবিতে দেখবেন চারটা ছায়া পড়ছে- কারণ চারদিকে ফ্লাডলাইট ছিল।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে কোন রহস্য নাই। রহস্য কাহিনীর ব্যবসার জন্য এই গল্প বানানো হইছে। ঐ এলাকায় এক্সিডেন্টের হার সমুদ্রের অন্যান্য এলাকার মতই। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও সামুদ্রিক ঘূর্ণি কোন কোন এলাকায় বেশী থাকে।
টাইম মেশিন সম্ভব। প্রমাণও আছে।
ভিনগ্রহবাসী তথা বহির্বিশ্বে জীবন যে আছে, এতে কোন বিজ্ঞানী সন্দেহ করেন না। পৃথিবীর সকল সমুদ্রসৈকতের বালুকণার চেয়েও বেশী নক্ষত্র আছে মহাবিশ্বে। সেখানে শুধুমাত্র ছোট্ট একটা অনুল্যেখ্য গ্রহেই জীবন থাকবে, এমন ভাবাটাই হাস্যকর। আর প্রাণের ধরণ আমরা যেমন দেখি, তার থেকে ভিন্নও হতে পারে।
কৃত্রিম মানুষ তৈরী করা অবশ্যই সম্ভব, ইতোমধ্যে অনুরূপ কিছু ফাংশন তৈরী হয়েছে। ইলেক্ট্রোমেকানিকাল, বায়োলজিকাল- অনেকভাবেই সম্ভব। বরং সেটা প্রাকৃতিক মানুষের থেকে বেশী টেকসই হবে।
নেটে সার্চ দিলে অনেক তথ্যই পাবেন।
কি বুঝলেন??