| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
পদ্মাসেতু প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রে মামলার পর বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেল যে চিঠি দিয়েছেন, তার বক্তব্য আপত্তিকর বলেছেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।
মঙ্গলবার বাংলানিউজে পাঠানো একটি বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘‘যেহেতু বিষয়টি বিচারাধীন, সেহেতু চিঠির পুরো অংশ সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না। চিঠির ভাষা, শব্দ বিন্যাস ও বক্তব্য আপত্তিকর এবং তারা একটি বিশেষ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে যে তৎপর- তা যে কোনো মানুষের কাছে প্রতিভাত হবে।’’
৯ জানুয়ারি বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান লুই মোরেনো ওকাম্পো দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের কাছে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, ‘‘তদন্ত শেষে এজাহার দেওয়া দুদকের একটি প্রাথমিক ইতিবাচক পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞ দলটি এ এজাহার পরীক্ষা করে দেখেছেন। তবে প্রথম থেকে পর্যায়ক্রমে ঘটনা বিশ্লেষণ করার পর বিশেষজ্ঞ দলটি মনে করেন, এটা প্রতিষ্ঠিত যে, দুর্নীতির অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সর্বোচ্চ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ব্যক্তিগতভাবে জড়িত। যে কোনো ধরনের কার্যাদেশ দিতে মন্ত্রীর অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার অনুরোধে মন্ত্রী কানাডার প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবৈধ লেনদেন নিয়ে দর-কষাকষি করতে বৈঠক করেছিলেন। এ বৈঠকের পরই কাজ পেতে কাকে কি পরিমাণ অর্থ ঘুষ দিতে হবে, তার সিদ্ধান্ত হয় এবং এ ক্ষেত্রে মন্ত্রীকে কার্যাদেশ অনুযায়ী মোট বরাদ্দের ৪ শতাংশ ঘুষ দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তা রমেশ শাহের ডায়েরিতে এই ঘুষের কথা উল্লেখ রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলটি মনে করেন, সম্পূর্ণ ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যাপক তদন্ত এবং অবশ্যই তাকে এজাহারভুক্ত আসামির তালিকায় সংযোজন করতে হবে।’’
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর দাবি, “আমি প্রাথমিক তদন্তের জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিভিন্ন সময়ে মিডিয়ায় বলেছি, পদ্মাসেতু নির্মাণের কোনো অংশে আমার কোনো নেতিবাচক সম্পৃক্ততা নেই। আমি পদ্মাসেতু নির্মাণে দ্রুততর কাজ করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিক কাজ সমাপ্ত করে এনেছি।
সুপারিশের বিষয়ে অস্বীকার
মহাজোট সরকারের সাবেক এ মন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন,‘‘দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুসারেই বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের অনুমোদন অতিক্রম করে দরপত্র মূল্যায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে অগ্রসর হয়েছে। এক্ষেত্রে মন্ত্রী হিসেবে সুপারিশ অগ্রায়ন ছাড়া আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। আমি মূল্যায়ন কমিটির কোনো সদস্যের কাছে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কোনো তদবির করিনি। আমি তদবির করেছি, এ কথা কোনো সদস্য বলেননি, বলতে পারবেন না। মূল্যায়ন স্তরে যদি মন্ত্রীর কোনো ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা না থাকে - তাহলে মন্ত্রীর সম্পৃক্ততা কিভাবে থাকে? কেন আমাকে অহেতুক সম্পৃক্ত করার চেষ্টা- এটা ষড়যন্ত্র বৈ আর কিছু নয়।”
সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাংক প্যানেল চেয়ারম্যান তার চিঠির প্রথমাংশে লিখেছেন- The ultimate award of the contract required his (Ministers) approval. এ কথা ঠিক নয় এবং সত্যকে এড়িয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা এবং আমাকে সম্পৃক্ত করার একটি অপচেষ্টার উজ্বল নমুনা। আমার সততাকে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ, হেয় প্রতিপন্ন করার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ক্রয়নীতি অনুযায়ী যে কোনো প্রকল্পের উপদেষ্টা নিয়োগের ক্ষেত্রে চুক্তি মূল্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগের ক্ষেত্রে চুক্তি মূল্য সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে, তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অনুমোদন দিতে পারেন। চুক্তি মূল্য এর বেশি হলে তা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রীর সুপারিশসহ সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করতে হয় এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হলে তা চুক্তি সম্পাদনের জন্য অনুমোদন দেয়।’’
‘‘পদ্মাসেতুর পরামর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রে যার আনুমানিক চুক্তি মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। তাই এ চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কোনোভাবেই সর্বোচ্চ অনুমোদনদাতা নন। কাজেই ‘মন্ত্রী চূড়ান্ত অনুমোদনকারী’- এ মতামত থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে, বিশ্বব্যাংক একটি অসত্য তথ্যে আমাকে জড়ানোর অপচেষ্টা করছে এবং বাংলাদেশের ক্রয়নীতি না জেনে আমাকে অভিযুক্ত করাও যথাযথ নয়।”
তিনি বলেন, “পরামর্শক নিয়োগের বিষয়টি যখন সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে যাবে- তখনই একজন মন্ত্রীর সম্পৃক্ত হওয়ার প্রশ্ন আসে। এ বিষয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত কমিটিতে যাওয়ার আগে পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীর নিজস্ব মতামত দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না, এখনও সুযোগ নেই।
‘‘পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত কথিত রমেশ শাহের ডায়েরিতে আমার নাম থাকা প্রসঙ্গে বলতে চাই, আমি কখনো সরাসরি রমেশ শাহ বা ইসমাইল বা এসএনসি-লাভালিনের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে এককভাবে কথা বলিনি। যদি রমেশ শাহ্ তার ডায়েরিতে কিছু লিখে থাকেন- তা তার নিজস্ব ব্যাপার। এ কাজ প্রতারণার নামান্তর, অমূলক এবং অসত্য। পদ্মাসেতু সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আমি কখনো কানাডাসহ বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির সঙ্গে টেলিফোন, ফ্যাক্স, ই-মেইলে যোগাযোগ করিনি, প্রেরণও করিনি, গ্রহণও করিনি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তার সঙ্গে আমি কোনোক্রমেই সম্পৃক্ত নই।”
সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, “গাইডলাইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাদের অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে প্রকল্পের প্রতিটি পদক্ষেপ তাদের সম্মতি এবং আলোচনা সাপেক্ষে করতে হয়। পদ্মাসেতুর ক্ষেত্রে এবং নির্মাণ তদারকি পরামর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আমি পরামর্শক নিয়োগে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ হুবহু বিশ্বব্যাংকে অগ্রায়নের সম্মতি ছাড়া পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করিনি। নথি পর্যবেক্ষণে দেখা যাবে, আমি নথিতে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করিনি।”
“কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার ভাবমূর্তি উন্নয়নে অন্যায়ভাবে, যে কোনো অজুহাতে আমাকে জড়ানোর কথা অব্যাহতভাবে বলা হচ্ছে। বিভিন্ন জনের এসব কথা বলা এবং কতিপয় পত্রিকার অসত্য খবর আমাকে হেয় করেছে, ব্যথিত করেছে। কতিপয় পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে, পরামর্শ নিয়োগে ৩৭ মিলিয়ন ডলার দর প্রস্তাবের মধ্যে ৩৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ লেন-দেনে ব্যয় হয়েছে- এ সংবাদ কতোটা অবাস্তব, ভিত্তিহীন, অগ্রহণযোগ্য, অসত্য- তা সহজেই আপনারা বুঝতে পারেন।
‘‘নিরপেক্ষ ও পক্ষপাতহীন তদন্তের স্বার্থেই আমি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে পদত্যাগ করতে বলেননি। নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার স্বার্থে আমি পদত্যাগ করেছি। আমি সুষ্ঠু অনুসন্ধান চাই, সুষ্ঠু তদন্ত চাই, ন্যায়বিচার চাই, সুবিচার চাই।”
তিনি বলেন, “আমি আশা করি, দুদকের সুষ্ঠু তদন্তে সত্য বিষয় বের হবে এবং আমার সম্পর্কে অসত্য অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে। বিশ্বব্যাংক তাদের ভুল বুঝতে পারবে।”
প্রসঙ্গত, পদ্মাসেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত ১৭ ডিসেম্বর সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলার আসামী মোশাররফ ও সেতু কর্তৃপক্ষের নদীশাসন বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারা হেফাজতে রয়েছেন। অন্য আসামিরা হলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালটেন্ট লিমিটেডের (ইপিসি) ডিএমডি মো. মোস্তফা, এসএনসি-লাভালিনের সাবেক পরিচালক (আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগ) মোহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ ও কেভিন ওয়ালেস। সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে আসামির তালিকায়ে বাদ দেওয়া হয়।
আদিত্য আরাফাত, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলাদেশ সময়: ২০০৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৫, ২০১৩
এডিএ/ আরআর/ সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর- [email protected]
২|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৪
তিক্তভাষী বলেছেন: আবুল ঠিক কথা বলেছে। গুরুজনদের মুখে শুনেছি কানাকে কানা আর খোঁড়াকে খোঁড়া বলতে নেই। অশোভন। বিশ্বব্যাংকের উচিত গুরুজনদের কাছ থেকে শেখা।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৪
রিওমারে বলেছেন: আবুল দেখি নিজেকে বুদ্ধিজীবি ভাবতে শুরু করেছে।। হায়রে আবুল আর কত হাসাবি দেশের মানুষদের।।