| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
সাফল্যের এমন এক মুকুট পরে আছেন শাহরিয়ার মনজুর, যা পুরো এশিয়া মহাদেশে একমাত্র তাঁর মাথাতেই শোভা পাচ্ছে। দুনিয়াসেরা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের বিচারক তিনি। প্রায় নয় বছর আগে ১৪১১ বাংলা (২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ) নববর্ষ উপলক্ষে প্রথম আলোর ‘ছুটির দিনে’ ক্রোড়পত্রের তরুণ সংখ্যায় শাহরিয়ার মনজুরকে এভাবেই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০০৩ সাল থেকে টানা ১০ বছর এশিয়া থেকে তিনিই ছিলেন একমাত্র বিচারক। চলতি বছরের প্রতিযোগিতায় তাঁর সঙ্গে এশিয়া থেকে যোগ হচ্ছেন ইরানের একজন।
যে প্রতিযোগিতার কথা বলা হচ্ছে, সেটা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ‘এসিএম ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট’ (আইসিপিসি)। মাত্র ২৫ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম এশীয় হিসেবে আইসিপিসির চূড়ান্ত পর্বের বিচারক ছিলেন শাহরিয়ার মনজুর। এরপর প্রতিবছরই তিনি বিচারক। একবার বিচারক হলেই যে বারবার হওয়া যাবে, এ আসরে সেই রীতি নেই। শাহরিয়ার মনজুর বললেন, প্রতিবারই আইসিপিসির ওয়ার্ল্ড ফাইনালের (চূড়ান্ত পর্ব) জন্য প্রশ্ন তৈরি করে পাঠাতে হয়, সেগুলো যাচাই-বাছাই করার পর বিচারক হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
শুধু বিচারক হিসেবেই নয়, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার প্রশ্নকর্তা (প্রবলেম সেটার) হিসেবেও ওস্তাদ শাহরিয়ার মনজুর। দেশে-বিদেশে নানা প্রতিযোগিতার জন্য ২৮০টি প্রোগ্রামিং সমস্যা তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর চেয়ে বেশি প্রশ্ন করেছেন মাত্র একজন— রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অ্যান্ড্রু স্ট্যানকোভিচ।
স্পেনের ভ্যালাদোলিদ বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর সবচেয়ে সফল অনলাইন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। ১৯৯৯ সালের একটা প্রতিযোগিতার ফলাফলে দেখা গেল, বাংলাদেশের লাল-সবুজ সবার ওপরে। পাশে শাহরিয়ার মনজুরের নাম। তখন তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের ছাত্র। টানা দেড় মাস তিনি ১ নম্বরে ছিলেন। আর দুই বছর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শীর্ষ দশের মধ্যেই ছিল তাঁর নাম।
এখন যা দাঁড়িয়েছে তাতে ভ্যালাদোলিদের ওয়েবসাইটে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন শাহরিয়ার মনজুরের করা। বললেন, ‘আগে প্রবলেম সলভ করতাম। এখন প্রশ্ন করি।’ তার যৌক্তিক কারণও আছে। শাহরিয়ার মনজুর একজন শিক্ষক, আর এসব প্রতিযোগিতায় তাঁর অনেক ছাত্রছাত্রীই অংশ নেন।
শাহরিয়ার মনজুর জন্মেছেন ১৯৭৮ সালে। বাবা প্রকৌশলী এ এস এম মনজুর, মা শিক্ষক কাজী কামরুননাহার। বুয়েট থেকে স্নাতক হয়ে ২০০২ সালে যোগ দেন ঢাকার সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে। ‘এখন জ্যেষ্ঠ প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা করছি। আসলে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার প্রবলেম সেট করতেই আমি বেশি পছন্দ করি। প্রতিযোগিতার প্রশ্নগুলো গবেষণার মতো হয়। কীভাবে এর সমাধান হবে, তা দেখিয়ে দিতে হয়।’ বললেন শাহরিয়ার মনজুর। প্রোগ্রামিং সমস্যা নিয়ে যাতে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন সে জন্যই তিনি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বাস্তবের বিভিন্ন ঘটনা থেকে প্রশ্ন তৈরি করেন। বললেন, ‘আমার বাবার ৬৮তম জন্মদিনে মোমবাতি কিনতে গেছি। ৬ ও ৮ লেখা দুটি মোমবাতি কিনে আনলাম। তখন মনে হলো, এটাকে তো একটা প্রোগ্রামিংয়ের সমস্যা বানিয়ে দেওয়া যায়।’ ৬৮ বোঝাতে কয়টি কী কী সংখ্যার মোমবাতি ব্যবহার করা যেতে পারে—এমন একটি সমস্যা তৈরি করে দিলেন কোনো এক প্রতিযোগিতার জন্য। জানালেন, ‘যেকোনো সময় যেকোনো আইডিয়া এসে যায়। যানজটে বসেও আমি প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সমস্যা নিয়ে ভাবি।’
তিনি এসিএম আইসিপিসির ঢাকা, থাইল্যান্ড ও স্পেনের আঞ্চলিক বাছাই পর্বের বিচারকাজের পরিচালক (জাজিং ডিরেক্টর) হিসেবে এখন কাজ করছেন। দেশে অনেক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। আর প্রশ্নপ্রণেতা হিসেবে তিনি তো আছেনই।
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের আন্তর্জাতিক আসরে প্রশ্নকর্তা ও বিচারক হিসেবে এগিয়ে চলেছেন শাহরিয়ার মনজুর। আর বিশ্ব তাঁদের মতো মেধাবীদের মাধ্যমে জেনে যাচ্ছে হাইটেক বা উচ্চপ্রযুক্তির মেধায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ।
আমিই বাংলাদেশ নিয়ে পরামর্শ ও তথ্য যোগাযোগ: ab@pৎothom-alo.info
পল্লব মোহাইমেন | তারিখ: ১৬-০১-২০১৩
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৩
চ।ন্দু বলেছেন: বাংলাদেশের কারও সুনাম দেখলে মনটা অনেক বড় হয়ে যায়। নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয়।