| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
Published by শাহিন (shopnoshiri) in অন্যান্য, ফিচার2, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ on জানুয়ারী 17th, 2013
বাংলাদেশ ! আমার সোনার বাংলা! অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করতে চাওয়া একটি উন্নয়নশীল দেশ। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে আগামীর উন্নত অর্থনৈতিক শক্তির দেশ হিসেবেই দেখানো হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে যে অর্থনৈতিক সুচক গুলি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে তা আমাদের সত্যিকার অর্থেই আশাবাদী করে তুলছে। সবচেয়ে বড় আশার কথা হল এদেশের এই অর্থনীতির চাকা ঘুরাচ্ছে এদেশের মেহেনতি সাধারণ মানুষরাই, আমি সাধারণ বলতে তাদের অসামান্য কৃতিত্বকে ছোট করে দেখছি না আমি তাদের সাধারণ বলছি কারণ তারা অসাধারণ বৃত্তবান আর দুর্নীতির খোলসে বন্দী মানুষদের সাথে উঠা-বসার অধিকার রাখে না। তারা কৃষক, তারা শ্রমিক, তারা মজদুর, তারা দিনমজুর, তারা জীবিকার তাড়নায় বিদেশে পাড়ি জমায়, তাদের মত সাধারণ মানুষরা অসাধারণ বৃত্তবান আর দুর্নীতির খোলসে বন্দী মানুষদের সাথে উঠা-বসার অধিকার কি করে রাখে??
আমাদের দেশ কল্পনার গণতন্ত্রের রাজ্যের ” আমরা সবাই রাজা, আমাদেরই রাজার রাজত্তে” গানের মত নয়, আমাদের সংবিধান বলে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ কিন্তু আমরা দেখি সকল ক্ষমতার মালিক দুইটি পরিবার। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের প্রকৃত দৃশ্যপট “মুক্তির গানে”র মতই সাধারণ জনসাধারণের ত্যাগের ফসল কিন্তু আমরা এতই দুর্ভাগা আমাদের অনেকেই জানি না বীরশ্রেষ্ঠদের নাম, জানি না যুদ্ধে আসলে কারা ছিলেন আসল রুপকার। মুক্তিযুদ্ধের সংবর্ধনা থেকে শুরু করে সব কিছুতেই শুধু পারিবারিক দুইটি নাম ছাড়া আর কিছুই আমরা জানতে পারি না। সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে, না পেয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনে আর বিভিন্ন দিবসে খাবার ভাগাভাগির উৎসব চলে দলীয় দালাল আর চামচাদের মাঝে! সেলুকাস, সত্যিই সেলুকাস।
তারপরও আশার কথা হল আমরা মুক্তিযুদ্ধ পেয়েছি এই খেটেখাওয়া, পরিশ্রমী সাধারণ মানুষদের মাধ্যমে আবার আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এই স্বপ্ন দেখছি এই খেটেখাওয়া, পরিশ্রমী সাধারণ মানুষদের শ্রমের পুজি করেই। আমার সোনার বাংলাদেশ তুমি অবাক বিস্ময়!!! কেউ তোমায় পাপের কালিমা দিয়ে কালো অন্ধকারে ঢেকে দিতে চাইছে আর তোমার এই পবিত্র মাটিতে জন্ম নেয়া পবিত্র কিছু আত্মা তোমায় আশার আলো দেখাচ্ছে।
তবে আমরা যখন স্বপ্ন দেখছি অচিরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বহুদূর। যখন বলছি এদেশের উন্নতির আশারবানী ঠিক তখনই আই এম এফ বিশ্বে তেলের দাম না বাড়লেও বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ানোর জন্য চাপ দিল, আর জ্বালানী তেলের দাম বাড়ল কারণ তারা জানে যদি জ্বালানী তেলের দাম বাড়ে তবে অর্থনীতির চাকায় একটা ব্রেক পড়বে, চাকা সচল হতে আবার সময় লাগবে আবার অর্থনীতি তার কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের স্বাদ পাবে না।
সবাই পদ্মাসেতু সম্পর্কে কম বেশি জানি , দুর্নীতির অভিযোগ তোলে বিশ্ব ব্যাংক সরে দাঁড়িয়েছে , আমরা পিছিয়ে গেলাম আরও পাঁচ বছর । এক সাথে দুর্নীতির বিচার আর পদ্মা সেতুর কাজ কি চালানো যেত না? চালানো যেত কিন্তু চালানো হয় নাই কারণ পদ্মা সেতু হওয়া মানে সরসরি বাংলাদেশ এক নতুন অর্থনৈতিক এক আশার আলোর দেখা পাওয়া।
বি এস এফ যেখানে মানুষ খুন আর ধরে নিয়ে যাওয়ার মত ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছে সেখানে আমরা বিতর্কিত সাহারাকে এদেশের মাটিতে জায়গা করে দিচ্ছি, আমরা মেনে নিচ্ছি ভারতের সব অগনতান্ত্রিক প্রস্তাব, এই প্রস্তাব মেনে নিচ্ছি আমরা কিসের স্বার্থে? কার স্বার্থে?
আমরা সবাই জানি, অতীতের মোড়লদের কথা, তারা মানুষকে ঋণ দিত তবে তার সুধ এবং শর্ত এমন ছিল যে কৃষক তার ভিটে মাটি পর্যন্ত হারাতে হত। আমরা যে সব সংস্থা থেকে ঋণ নেই তারা অতীতের মোড়লের মত শর্ত দেয়া শুরু করেছে, যেখানে উন্নতির ছোঁয়া লাগার সম্ভাবনা সেখানেই অদৃশ্য এক শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলা হচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নত হলে তাদের এমন মোড়লীও ঋণ কি বাংলাদেশ নেবে ? এই ভয় তাড়া করছে নাতো ঋণ সংস্থা গুলিকে?
আমরা যাদের বন্ধু ভেবে এই দেশে অবাদে আস্থানা গাড়ার জায়গা দিচ্ছি, সেই বন্ধুরা ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির মত মীরজাফর তৈরির কারখানা খোলে বসে কিনা তা নিয়েও ভাবা দরকার।আমাদের তরুণদের মেধা আমরা ব্যবহার করতে পারছি না। আমাদের আকাশ সংস্কৃতির আড়ালে কিছু আলসে আর বিলাসিতার হাতছানি আমাদের প্রভাবিত করছে। উঠতি তরুণ, এমনকি স্কুলে পড়ুয়া বাচ্চাদের মাঝেও নিষিদ্ধ ছবি ও ভিডিও পৌঁছে গেছে।
যখন আমরা আশার আলো দেখতে চাই ঠিক তখন আমাদের রাজনীতি, সামাজিক অবক্ষয়, ঋণ দাতাদের অসহযোগিতা আর যাদের বন্ধু ভাবি তাদের অসম বন্ধুত্ব দেখে মনে হয় “আমিই শিকলে বাঁধা বাংলাদেশ”। আর এই শিকল ভাঙ্গার গান যদি আমরা সময় মত গাইতে না প
তাহলে আমাদের উন্নতির স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে।
http://www.bodlejaobodledao.com/archives/42438
©somewhere in net ltd.