| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
Published by A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) in অন্যান্য, ফিচার2, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ on জানুয়ারী 15th, 2013
বাংলাদেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে শক্তিধর দেশগুলোর একটিতে পরিনত হতে পারবে। যার মূল ভিত্তিহবে অর্থনৈতিক সম্মৃদ্ধি । বিপনন, নতুন নতুন শিল্প স্থাপন, কৃষিতে উন্নয়ন এবং তৈরী পোষাক শিল্প হবে এর প্রধানতম হাতিয়ার। যার চিহ্ন এখনই নানা ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশী পন্যের বিশ্বে সমার্দিত হওয়া, কৃষিতে বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের সফলতা এবং তৈরী পোষাক খাতে বড় বড় দেশগুলোকে পেছনে ফেলে শক্ত অবস্থানে যাওয়া অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাফল্যের সূর্যকে নির্দেশ করছে। মন্দা অর্থনীতির মধ্যেও যেভাবে আমাদের দেশের মানুষের কর্ম চাঞ্চল্য, কর্ম পরিধি এবং কর্মের স্পৃহা বৃদ্ধি পাচ্ছে তা আশা ব্যঞ্জকই বটে ।
রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা যদিও আমাদের দেশে অনেক বড় সমস্যা তবুও এখন অনেকেই এই রাজনীতিকে পরিত্যাগ করে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য দেশের প্রতন্ত্য অঞ্চল থেকে কাজ করে যাচ্ছে । এখন সফলতা প্রাপ্তির দিক থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশ অনেক এগিয়ে গেছে । শুনলে ভালো লাগে যখন শুনি আওয়ামী লীগ বিএনপি বা কোন রাজনৈতিক দল আমার ঘরের ভাত এনে দেবে না, আমার কাজ আমাকেই করতে হবে এরকম কথা । বলছিলাম ব্যক্তি সাফল্যের কথা। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে আমাদের আশেপাশেই স্বনির্ভর মানুষগুলো কিভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ ফার্ম করছে, কেউ মৎস চাষ করছে অথবা কেউ ছোট্ট দোকান করেও নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করছে। দেখা যায় পাহাড়ী অঞ্চলেও একক প্রচেষ্টায় কোন নারী গড়ে তুলেছেন একক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান যেখানে গ্রামের ছিন্নমূল নারীরা কাজ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করে ফেলছেন । দেশের মূল অর্থনীতি কৃষিতেও সাফল্য চোখে পড়ার মত ।
নতুন জাত উদ্ভাবন, দিন হিসাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিবর্তন করার কৌশল উদ্ভাবন, পাটের জিনতত্ব উদ্ভাবন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের অনেক বড় সাফল্য । এছাড়াও সারা দেশে মৌসুমী ফল, শাকসবজী চাষ, পুকুরে মাছ চাষে সাফল্য, মুরগী ও ডিম উৎপাদন প্রতিনিয়ত কৃষিখাতকে বাংলাদেশে লাভজনক খাতে পরিনত করার দাঁড় প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে ।অনুরুপ শিল্পখাতেও বাংলাদেশের জাগরন অনস্বীকার্য । যদিও বড় বড় দেশ তাদের নিজেদের শিল্পের উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে তবুও বাংলাদেশের অবস্থান এখানে খারাপ বলা যাবে না । ঔষধে স্বয়ং সম্পূর্ন না হলেও প্রয়োজনের প্রায় ৬০ভাগ ঔষধ বর্তমানে দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে । ইলেক্ট্রনিক শিল্পে ঘাটতি থাকলেও ওয়ালটন দেশীয়ভাবে প্রথম ইলেক্ট্রিক দ্রব্য তৈরি করার ঘোষনা দিয়ে জাগরণ সৃষ্টি করেছে । গৃহস্থালি পণ্য, সিরামিক, রাবার শিল্প, কেমিকেল শিল্পে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ার মত । শুধু দেশের চাহিদা নয় এখন এসব শিল্পের তৈরি পন্য অন্যান্য দেশে দেধার্চে রপ্তানি হচ্ছে । আমাদের দেশের কুটির শিল্প ইতমধ্যেই বাইরের বিশ্বে সমার্দিত ।
আবাসন শিল্পে গত এক যুগে অনেক এগিয়েছে আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলো । বড় বড় ইমারত থেকে শুরু করে হাউজিং এর ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন এনে দিয়েছে তা ঢাকা শহরের বিল্ডিং গুলোর দিকে তাকালেই প্রতিয়মান হয় । যদিও ভূমিকম্প নিরোধক ইমারত তৈরিতে একটু অসচেতনতা তবুও আমি বলবো অনেক আধুনিকভাবেই গড়ে তোলা হচ্ছে বর্তমানের বেশিরভাগ ভবন।
চিকিৎসাতেও আমুল পরিবর্তন। বড় বড় হাসপাতাল, আধুনিক মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবা এবং ডাক্তারের সহজ লভ্যতা আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু যার কারনে এই সেবা জনসাধারন পর্যন্ত পৌঁছেনা তা হল আইনের এবং নিয়মের সঠিক প্রয়োগের অভাব। তারপরও বলবো অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশের চিকিৎসা সেবার মান বেড়েছে। কিন্তু অপ্রাপ্তি আন্তরিকতা এবং জনসেবা হিসাবে চিকিৎসাকে না দেখা।
কৃষিতে উন্নয়ন, শিল্পে বিপ্লব এবং শিক্ষা বিস্তারে অগ্রসরমান ভূমিকা থাকার পরও এখনও অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারছে না । এর পিছনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা যেমনিভাবে দায়ী তেমনি ভাবে আমি দায়ী করবো সরকারের কিছু অপরিকল্পনা এবং অন্য দেশের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তাদের মন রক্ষা করে চলার প্রবনতা দেখানোকে ।
যে যে ক্ষেত্রে আমাদের এখুনি কিছু সিদ্ধান্তে আশা প্রয়োজন এবং সাথে সাথে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা আমি নিজের মত করে বিশ্লেষন করার চেষ্ট করছি। আশা করি সরকার এ বিষয়গুলো তীক্ষ দৃষ্টি দিয়ে দেখবে এবং ব্যবস্থা নেবে ।
কৃষি ক্ষেত্র : বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। উৎপাদিত পন্নের মান এবং এর বিপনন সঠিকভাবে করার ব্যবস্থা করতেই হবে । সাধারনত যে পন্যগুলো আমাদে দেশে উৎপাদিত হয় তা যথাসম্ভব অন্য দেশ থেকে আমদানি করা বন্ধ করতেই হবে । কিছু দিন আগেও ডিমের প্রাচুর্যতা ছিলো অনেক । কিন্তু বার্ড ফ্লুর নাম করে অপরিকল্পিতভাবে মুরগী নিধন, অন্য দেশ থেকে ডিম আমদানি করায় আমাদের দেশের ডিমের দাম কমে যাওয়া ইত্যাদি কারনে আজ পোল্ট্রি শিল্প সম্পূর্ন হুমকির মুখে। এই শিল্পে কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য ব্যংক ঋনের সুবিধা বাড়ানো, পশু চিকিৎসাসেবার মানবৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।
শাকসবজি এখন রপ্তানিযোগ্য পণ্য । তাই এই রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সঠিক বাজার সৃষ্টি করার জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তি করতে উদ্যোগী হতে হবে ।
শিল্প ক্ষেত্র : শিল্প ক্ষেত্রে অন্য দেশের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগে ভাবা উচিৎ এ শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান কেমন। যদি ভালো অবস্থায় থাকে তবে ঐ শিল্প বিকাশেই আরো বেশি করে কাজ করে যাওয়া উচিত। যেমন আবাসন শিল্পের বিকাশের ক্ষেত্রে সাহারা গ্রুপকে অনুমোদন দেওয়া। এখানে বাংলাদেশের যারা আবাসন শিল্পের সাথে ছিলো বা আছে এদের কাজের গতি বা কাজের ধরন কেমন তা দেখে সাহারা গ্রুপকে এই খাতে বিনিয়োগের জন্য অনুমোদন দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিলো। যদি একান্তই খারাপ না হয় তবে দেশীয় কোম্পানিগুলোকে সুযোগ করে দেওয়াই বড় কাজ হবে বলে মনে করি। আমরা যে যে খাতে পিছিয়ে আছি কেবল সেগুলোতেই বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।
তৈরি পোশাক শিল্পকে একটি লক্ষ নিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে হবে । এখানে যারা কাজ করে তাদের নিরাপত্তা, বেতন কাঠামো এবং আনুসাঙ্গিক সুবিধা বারিয়ে প্রয়োজনে সরকারকেই সব প্রতিষ্ঠানের দেখভালের দায়িত্ব নিতে হবে। এ শিল্পের বিস্তারের উপরই নির্ভর করছে আমাদের দেশের সমস্ত অর্থনৈতিক সম্মৃদ্ধি।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বৃদ্ধির একেবারেই দাঁড় প্রান্তে । যে প্রতিবন্ধকতাগুলো আমাদের পুড়িয়ে মারে তা হল মানুষের কিছু অমানবিক আচরন, আইন শৃঙ্খলার অবনতি এবং শিক্ষার মান ঠিক না থাকা। মানবিক অহেতুক বিশৃঙ্খলা আমাদের এ দেশের একটি জাতীয় সমস্যা। আর এটা তৈরিই করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এগুলো থেকে মানুষ আস্তে আস্তে বের হয়েও আসছে। এখন কোন দলের মিছিলে আর ভদ্র মানুষের ঢল দেখা যায় না, দেখা যায় সত্যিকারের ছাত্রদের গাড়ি ভাংচুর করতে। যারা এ কাজগুলো করছে তারা সবাই ভাড়াটে কিছু মানুষ। আর এরাও আসে টাকার জন্য। হয়ত মিছিল করে যে দুশ টাকা পাবে তা দিয়েই সন্তানের অথবা ছোট্ট বোনটির কোন আর্জি মেটাবে। একদিন আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা এদের মত মানুষদেরও তাদের পাশ থেকে হারিয়ে ফেলবেন । কারন কেউই আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের মিছিলে যাবে না, গাড়ি ভাংবেনা বা কোন বোমার বিস্ফোরন ঘটাবেনা।
কোন দেশকে যদি সম্মৃদ্ধশীল করতেই হয় তবে নিজেদের পণ্য নিজেদের উৎপন্ন করতেই হবে। আমরা আগামী বিশ বছরের মধ্যে তা করতে সক্ষম হবোই । সারা বিশ্বে সব বড় বড় কাজে আমাদের বিজ্ঞানী, আর্কিটেক্ট, ইজ্ঞিনিয়ার, ডাক্তার, কেমিষ্টরাই বিপ্লব ঘটাচ্ছেন।
সে দিন বেশি দূরে নয় যেদিন আমরা জাপানের চেয়ে উন্নত গাড়ি বিশ্ববাজারে নিয়ে আসতে পারবো বা সব ধরনের ঔষধ উৎপাদনকারী দেশ হিসাবে বাংলাদেশের নামই প্রথম আসবে । অবশ্যই আগামী ৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর তালিকায় প্রথমদিকের ।
http://www.bodlejaobodledao.com/archives/40888
২|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১২
বল্টু মিয়া বলেছেন: আপনি কি মতিকণ্ঠে নিয়মিত লেখেন?
৩|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৯
রিমন০০৭ বলেছেন: হ! সবকিছু এখন ডলারের দাম দিয়া কিনি- বেগুন ৬০ সেন্ট, আলু ৩০ সেন্ট, মুরগি ২$/ কিলো
৩০ বছর পর পাব্লিকে পাউন্ডের ডাম দিয়া কিনব, ডলার না!
৪|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৪
পাইলট ভয়েচ বলেছেন: আগামী ৩০ বছরে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের অথর্নীতিকেও ছাড়াবে r যুক্তরাষ্ট্রের economics Bangaldesh ar jonno bose bose wait korbe
৫|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৪
বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
যুক্তরাষ্ট্রের কত বছর আগের অর্থনীতি ভাই ? তাইলে তো আমরাও আফ্রিকা হইয়া গেলুম --
৬|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৬
সমানুপাতিক বলেছেন: ভাই, উচ্চাশা থাকা ভাল, কিন্তু সেটা যেন আকাশকুসুম স্বপ্ন না হয় ।
৭|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:১৮
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: তখন কি ব্রাড পিট ও জর্জ ক্লুনিরা হলিউড ছেড়ে ঢলিউডের অভিনয় করতে আসবে
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৯
আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: এতোদিনে একটা সেফটিপিন বানাতে পারলোনা আর গাড়ি বানাবে? কি যে গাড়ি হবে সেইটা আল্লাহই জানে।