নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সোচ্চার আওয়ামী লীগের সংস্কারপন্থী মাহমুদুর রহমান মান্না

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৯

সংস্কারপন্থীদের তালিকায় নাম লেখানোর পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল শুরু। মনে করা হয়েছিল দল ক্ষমতায় আসার পর অতীত ভুলে আবারও দলে ফিরবেন। কিন্তু দলের হাইকমান্ডের অনাগ্রহে তা আর হয়ে ওঠেনি। সেই থেকে মহাজোট সরকারের সমালোচনায় মুখর হন এক সময়কার তুখোড় ছাত্রনেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। টিভি টক শো থেকে শুরু করে পত্রিকার কলাম, সভা-সেমিনারে বক্তৃতা। সবখানেই সরকারের কঠোর সমালোচক আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। সবশেষে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককেও সরব হয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি। পত্রিকার পাতায় লেখা কলাম বেশিসংখ্যক পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে বেছে নিয়েছেন এই পথ। পাঠকের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াও পাচ্ছেন মান্না।

বুধবার এমনই একটি পোস্ট জুড়ে দিলেন তার ফেসবুকের দেয়ালে। যার শিরোনাম ‘কথা ও বাস্তবতার মধ্যে কোনো মিল নেই।’ সরকারের চারবছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ভাষণকে ঘিরে লেখা এই কলামটি প্রকাশিত হয়েছে দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে।

জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন- বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ‘রোল মডেলে’ পরিণত হয়েছে। মান্না বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তৃতা এবং এখানে উল্লিখিত তাঁর শেষ বাক্যটি আমার আজকের লেখার প্রতিপাদ্য বিষয়। সম্ভবত আমাদের জাতীয় চরিত্রের বৈশিষ্ট্য এ রকম যে আমরা খুব মেপে মেপে হিসাব করে কাজ করতে পারি না, কথা বলতে পারি না। যখন বলি, তখন সব ভালো বলি, সবচেয়ে ভালো বলি। নয়তো সব খারাপ, সবচেয়ে খারাপ বলি।’

মাহমুদুর রহমান তার লেখায় বলেন, ‘রোল মডেল শব্দটির অর্থ অনেক ব্যাপক ও গভীর একটি-দুটি সূচকে ভালো করলেই সব সূচকের কথা বলা যায় না। প্রদীপের নিচে অন্ধকার থাকে। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ বিরোধী দলও যখন কথা বলে তখন মনে হয়, যা কিছু কৃতিত্ব তা তাদেরই প্রাপ্য। কিন্তু বাস্তব হচ্ছে, বাংলাদেশের যেটুকু অগ্রগতি, এর জন্য ৪১ বছরে বিশেষ করে গত দুই দশককে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে একটি লক্ষ্য ছিল, সবার জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের দারিদ্র্যসীমার নিচের মানুষের হার কমেছে কিন্তু সংখ্যা কমেনি। যে উন্নয়নের সূচক আমরা দেখাচ্ছি, তাতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স।’

মান্না অভিযোগ করে বলেন, ‘শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে বিস্তার ঘটলেও এর মান ঠিক থাকছে না। তাই আশানুরূপভাবে সাধারণ মানুষ লাভবান হচ্ছে না। কোনো ক্ষেত্রেই বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়নি, বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষা ও চিকিৎসা খাত পুরোপুরি বাণিজ্যিক হয়ে উঠেছে, যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেখা যাচ্ছে না। ফলে মানুষের দুর্ভোগ-দুর্দশা বেড়ে চলেছে। জনসম্পৃক্ত প্রতিটি খাতেই এমন অবহেলা স্থায়ী হয়ে উঠেছে।’

রাজনীতির দায়িত্ব হচ্ছে বিদ্যমান সংকটের বাধা দূর করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখা উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক ভিপি বলেন, ‘এ লক্ষ্যেই গড়ে উঠেছিল স্বাধীনতাসংগ্রাম ও স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন। এসব আন্দোলনে বিজয়ী হলেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত ফললাভ করেনি। কিন্তু তা হচ্ছে না। বরং সামগ্রিক অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। রাজনীতি যথাযথ দায়িত্ব পালন দূরে থাক, এখন রাজনৈতিক সংকটই প্রকট হয়ে উঠেছে। ফলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট গভীরতর হয়ে মহাসংকটের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলায় ভরে উঠেছে সারা দেশ। সব কিছুই মুখ থুবড়ে পড়ার জোগাড়। ভবিষ্যৎ নিয়ে মানুষ হতাশ ও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। বিনিয়োগ প্রায় বন্ধ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে। কুইক রেন্টালসহ বিভিন্ন খাতে লুটপাটের কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে সরকারের ভর্তুকি। তা পূরণ করতে ব্যাংক ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য; ব্যাহত হচ্ছে শিল্প ও কল-কারখানার উৎপাদন। মূল্যস্ফীতির কারণে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। অন্যদিকে পদ্মা সেতুর মতো প্রকল্প পর্যন্ত দুর্নীতির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। শেয়ারবাজার, রেলওয়ে, হলমার্ক, ডেসটিনি কেলেঙ্কারির মতো সংঘবদ্ধ অপরাধের শেষ নেই। এসবের কারণে অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার কারণে সামাজিক শৃঙ্খলাও ভেঙে পড়েছে।’

মাহমুদুর রহমান মান্না লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ২৯ মিনিটের বক্তৃতায় রাজনীতি নিয়েও কথা বলেছেন। কিন্তু সেটা শুধু তাঁর কথা। আগামী নির্বাচন নিয়ে যে বিরোধী দলের সঙ্গে সংঘাতের অবস্থা, সে সম্পর্কে কিছু বলেননি তিনি। সমাধানের কোনো ইঙ্গিত নেই। মানুষ তাই এখনো অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। সবাই স্বীকার করবেন, এ অবস্থা সুস্থ বিনিয়োগ বা অর্থনীতি বিকাশের কথা বলে না।’

সম্প্রতি আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলা। বামপন্থীদের হরতালে বাধার বিষয়টিও ঠাঁই পেয়ে তার লেখায়। তিনি লিখেছেন, ‘সরকারকে ভয়ানক অধৈর্য মনে হচ্ছে। কোনো রকম বিরোধিতা সহ্য করতে পারছে না। মাধ্যমিক শিক্ষকদের ন্যায়সংগত দাবি পেশ করার জন্য কোথাও বসতে পর্যন্ত দেয়নি। তাঁদের চোখে ঢেলে দিয়েছে বিনষ্টকারী পিপার স্প্রে। বামপন্থীরা যে হরতাল ডেকেছিল তাদের নেতাদের চোখেও একই অমানবিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে তারা। মজার ব্যাপার, এই বামপন্থীরাই গত মাসে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে হরতাল ডেকেছিল। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, এটি একটি দৃষ্টান্তমূলক মডেল হয়ে থাকতে পারে। সেই বামপন্থীরাই যখন ১৬ জানুয়ারি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে হরতাল ডাকল, তখন তাদের মেরে তক্তা বানিয়ে দেওয়া হলো। তেলের মূল্যবৃদ্ধির কি কোনো যুক্তিসংগত কারণ আছে? 'বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে' স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই দাবি যে কতখানি অযৌক্তিক, তা এখন সবাই জানে। পদ্মা সেতু এ সরকারের আমলে যে আর হবে না, সে কথা সরকারেরই অংশীদার এরশাদ বলেছেন। এ কেমন রোল মডেল শেখ হাসিনার।’

Click This Link

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ, ঢাকা টাইমস

(ঢাকাটাইমস/ এইচএফ/ ১৬.২০ঘ.)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.