নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসই গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের ব্যবস্থা করে রেখেছেন

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসই গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংস করবেন বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকটাকে ধ্বংস করার সব ব্যবস্থা উনি (ইউনূস) করে রেখেছেন। যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনিই এটাকে ধ্বংস করে যাবেন।’

আজ বুধবার সন্ধ্যায় গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের সঙ্গে

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। মোজাম্মেল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন মোজাম্মেল হকের বিষয়ে। জানান, ‘শুরুর দিকে মোজাম্মেল হক গ্রামীণ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ছিলেন। ১৯৮২ সালে তখন এটি একটি প্রকল্প (প্রজেক্ট) ছিল মাত্র। ২০০৩ সালে তিনি অবসরে যান। এই ফাঁকে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করান। মোজাম্মেল হক এসেছিলেন মূলত এ নিয়ে কথা বলতে।’ অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাঁকে বললাম, আরও আগে কেন আসেননি। তাহলে ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক হিসেবে গড়ে তুলে দিয়ে যেতে পারতাম।’

গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস তা আটকে রেখেছেন। মামলা করে বন্ধ করে রেখেছেন।’

মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক দখল করে বসে আছেন বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, ‘উনি এটাকে নিয়ে কোনো কাজ করতে দেবেন না।’

ইউনূসকে উদ্দেশ করে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকটাকে ধ্বংস করার সব ব্যবস্থা উনি করে রেখেছেন। যিনি ব্যাংকটা প্রতিষ্ঠা করেছেন, তিনিই এটাকে ধ্বংস করে যাবেন।’

অর্থমন্ত্রীর কথা শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক। তিনি জানান কিছু নতুন তথ্য। বলেন, গ্রামীণফোনের লভ্যাংশ হিসাবে গ্রামীণ টেলিকমের ৩০ হাজার কোটি টাকার হদিস নেই। এ টাকা গ্রামীণ ব্যাংকের থাকার কথা ছিল। এ টাকার সুবিধাভোগী হওয়ার কথা গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের।

মোজাম্মেল হক প্রশ্ন তোলেন, ‘এ টাকা কোথায় গেল? শোনা যাচ্ছে, গ্রামীণ টেলিকম আরেকটি সংস্থা করেছে। সেটি হচ্ছে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট। এ টাকা হয়তো সেখানেই রয়েছে।’ তবে বিষয়টি গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন খতিয়ে দেখছে বলেও জানান তিনি।

গ্রামীণ ব্যাংকের অবস্থা সম্পর্কে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ব্যাংকের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। এর দুই হাজার ৫৬৭টি শাখা, ২৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ ব্যাংকের টালমাটাল অবস্থা হয়নি। কারও মধ্যে কোনো অস্থিরতা নেই। ২০১১ সালে মুনাফা ছিল ৮৫ কোটি টাকা। আর এবার মুনাফা ১৪০ কোটি টাকা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের যখন ৩০ বছর, তখন স্যার চলে গেছেন। তিনি একটি কাঠামো তৈরি করে রেখে গেছেন। এখন তা ধরে রাখতে পারলেই হলো।’

Click This Link

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৭

দিকভ্রান্ত*পথিক বলেছেন: আমি একমত হতে পারলাম না, সরকার এভাবে পিছে না লাগলেই হত!!! মনির মান আমরা কোনদিনই দেই নি, আজ আর আশা করিনা, আমি ইউনুসকে অনেক শ্রদ্ধা করি, এবং ওই লোকের শুধু অপব্যবহারই করলো বাংলাদেশ! ছিহ!!!

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৭

বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
মুহিত সাহেবের অনেক বয়স হইছে -- আর উনি শিক্ষক আচিল ষাট বছর পর তো জানেনই আদালত শিক্ষক শাক্ষি লয় না -- তাই উনার কথা ধরতে নাই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.