| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট বিশ্ব অর্থনৈতিক পদ্ধতির অন্তর্নিহিত দুর্বলতাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। ব্যবসাবাণিজ্যে পুঁজির যোগান দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই গঠিত হয়েছিল ঋণবাজার ব্যবস্থাপনা।কিন্তু হালে তা গুটি কয়েক ব্যক্তি আর প্রতিষ্ঠানকে অবাস্তব হারে লাভের যোগান দিচ্ছে অর্থনৈতিক জালিয়াতির মাধ্যমে। পরিণতি হিসেবে উন্নত বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতা আঁচ করতে পারলো। তারা চোখের সামনেই দেখলো গ্রিস আর স্পেন কিভাবে নজিরবিহীন বেকারত্বে ধুঁকছে।বেকারত্বের ধাক্কা এসে লাগলো উন্নয়নশীল দেশের শত কোটি লোকের জীবন-জীবিকায়। অথচ ওই বৈশ্বিক সংকট সৃষ্টিতে কোনো ভূমিকাই ছিল না নিরপরাধ উন্নয়নশীল দেশগুলোর।
বাস্তবতা হচ্ছে, বর্তমান বিশ্বে চলমান অনেক সামাজিক সমস্যার সরব উপস্থিতি মূলত পুঁজিবাদ সম্পর্কে আমাদের সম্মিলিত ভুল ব্যাখ্যারই ফসল। এতে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রকৃত লক্ষ্য হয়ে গেছে যতোটা সম্ভব সর্বোচ্চ পরিমাণে ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন। আর মানুষ বিবেচিত হচ্ছে একমাত্রিক মেশিন হিসেবে, যে মেশিন টাকা ছাড়া আর কিছু চেনে না।
একই কায়দায় প্রচলিত অর্থনৈতিক খোলনলচের প্রেক্ষাপটে সামাজিক ব্যবসাকে উপলব্ধি করতে গিয়ে আমরা একরৈখিক সিদ্ধান্তের দিকে ঝুঁকে যাই। সামাজিক ব্যবসাটিকে সামগ্রিকভাবে দেখার সুযোগ পাই না।
সামাজিক ব্যবসা অলাভজনক কোম্পানি। যে কোম্পানির মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট কোনো সামাজিক বা পরিবেশগত সমস্যার সমাধান। সামাজিক ব্যবসায় অংশীদাররা লগ্নিকৃত প্রাথমিক বিনিয়োগ ফেরত পাবেন সময়ের ব্যবধানে। তবে মুনাফা থেকে যাবে কোম্পানিতে। সেটি ব্যবহৃত হবে সেবার আওতা বাড়াতে অথবা প্রদেয় পণ্য ও সেবার মান উন্নয়নে।
সামাজিক ব্যবসার পরিচালন বোর্ড, ব্যবস্থাপনা ও কর্মীরা সব সময় এটা খেয়াল রাখবেন, কোম্পানিটি তার মূল লক্ষ্যের দিকে ছুটছে কিনা। তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও এর সামাজিক প্রভাব নির্ধারণ করবেন বেশ সতর্কতার সঙ্গে। এক্ষেত্রে মুনাফার ভূমিকা হবে প্রতিষ্ঠানের লালনপালন এবং সেটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যকে উঁচিয়ে ধরা। বিনিয়োগকারীর সাধারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে লাভ ঘরে তোলা। কিন্তু সামাজিক ব্যবসায়ে এই বিষয়টি গৌণ। অর্থ বানানোর ইচ্ছায় সহায়তা জোগানো নয়। বিশেষ করে সামাজিক ব্যবসায় উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীর প্রেষণাই হলো নিজের ভালোর চেয়েও মহৎ কিছু করার শেষহীন আকাঙ্ক্ষা।
প্রচলিত অর্থনৈতিক পরিকাঠামোয় এ ধরনের সামাজিক ব্যবসা ব্রাত্য। মুনাফামুখী কোম্পানিগুলোর স্বার্থেই প্রচলিত অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর ভিত গড়ে ওঠেছে।
এটা ঠিক, প্রচলিত মুনাফামুখী মডেল পুঁজি বিশোধনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান তথা সমৃদ্ধি উপহার দিচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বে পরিবেশ, জ্বালানি, খাদ্য ও অর্থসংক্রান্ত গুরুতর সংকটও এই পরিকাঠামো উপহার দিচ্ছে। আয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দারিদ্র্যপ্রবণ অঞ্চলও বিস্তৃত করে দিচ্ছে এই পরিকাঠামো।
ব্যক্তিগত লোভ আর ও সমষ্টিগত অসাম্যের মাঝে মিলনের সেতু গড়ে দেওয়ার একটা পথ রচনা করে দিতে পারে সামাজিক ব্যবসা। এই কারণে কোম্পানিগুলো তাদের মুনাফামুখী ব্যবসার সমান্তরালেই গড়ে তুলতে পারে সামাজিক ব্যবসা।পাশাপাশি তারা বিদ্যমান সামাজিক ব্যবসা বিস্তারের পথ রচনা করে দিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
ব্যক্তিগত অথবা কর্পোরেট সীমানায় অনুদান চলতে পারে। তবে এই অনুদানের রয়েছে একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা। কারণ দানকৃত পয়সার উপযোগিতাই সীমাবদ্ধ, যা একবার ব্যবহার হলে তা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। কিন্তু সামাজিক ব্যবসায় খাটানো অর্থ অবিরত খাটানো সম্ভব। এটি পুনর্ব্যবহার করা যায় কোনো সীমা ছাড়া। বোঝা যাচ্ছে, সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে দানশীলতা সম্পর্কিত লক্ষ্যও অর্জন করা সম্ভব সহজে এবং সামাজিক ব্যবসায়ের লক্ষ্যগুলোও টেকসই পন্থায় অর্জন করা যায়।
মুনাফাসর্বস্ব ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বিশ্বে আজ যেসব সমস্যা তৈরি করেছে, তা সমাধানের দায়ভার চাপছে সরকারের ঘাড়ে। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে কোনো সরকারের পক্ষেইেএককভাবে এ সব সমস্যার সমাধান দেয়া সম্ভব নয়।
নকশাই তো বলছে, সরকারি পদক্ষেপের গতি হবে শ্লথ এবং কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সৃষ্টিশীলতা দেখাতে পারবে না এগুলো। তাই সরকারের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে নিজেদের কর্মশক্তিকে কাজে লাগানো উচিত। বেসরকারি উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠান অধিক গতিশীল ও সৃজনশীল হয় স্বভাবত। ফলে অনেক সমস্যাই অধিক কার্যকরভাবে মেটানো সম্ভব তাদের পক্ষে। কাজটি তারা সহজে করতে পারে সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে।
এ ধরনের অলাভজনক কোম্পানি পরিচালনার ভাবনাটি অনেকের কাছেই অবাস্তব ঠেকতে পারে। কিন্তু মানুষ যতই জানছে ততই গ্রহণ করছে সামাজিক ব্যবসার ধারণাটিকে। এরই মধ্যে ধারাবাহিকভাবে সামাজিক ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটছে বাংলাদেশে। অন্যরাও গ্রহণ করছে এটি। আলবেনিয়া, হাইতি, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, যুক্তরাজ্য, জাপান, ভারত, চীন ও জার্মানিতেও গড়ে উঠছে সামাজিক ব্যবসা। অন্যান্য দেশেও লক্ষ করা গেছে মানুষের বিপুল আগ্রহ। এগুলো আমাদের দিয়েছে এক অনন্য অভিজ্ঞতার স্বাদ। দেখা যাচ্ছে, কেবল নিজ স্বার্থে অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্য ব্যবসা থেকে বিযুক্ত করা গেলে পুরোপুরি নতুন ধরনের একটি উদ্যোগ বিকশিত হয়; যেটি সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে মানব সভ্যতার সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে পারদর্শী। আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বে এমন কোনো সমস্যা বা সংকট নেই, যা মানুষের কর্মশক্তি ও সৃজনশীলতা দ্বারা সমাধান হওয়ার নয়। তবে এ ঘুমন্ত শক্তি কাজে লাগানোর জন্য চাই যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখা; যা প্রতিটি নির্দিষ্ট সমস্যা ফোকাসে রেখে সব মানুষের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারবে। যেকোনো অর্থনীতিতে সামাজিক ব্যবসাকে স্থান দিয়েই কাজটি করা সম্ভব সহজে।
মরচে ধরা পদ্ধতি দিয়ে আমরা বৈশ্বিক সমস্যাগুলোর সমাধান নির্ণয় করতে পারবো। কারণ প্রচলিত অর্থনৈতিক পদ্ধতি আমরা শুধু সার্জারির জায়গায় বড় জোর ব্যান্ডেজের ব্যবস্থা করতে পারবো। ফলে বিদ্যমান ব্যবস্থার পুনর্নকশা প্রণয়ন ও পুনর্নির্মাণ দরকার একেবারে গোড়া থেকে। এ ক্ষেত্রে কাজটি সম্পন্নের সুযোগ করে দিয়েছে সাম্প্রতিক কালে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনীতির পদ্ধতিগত সংকট। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে এমন এক বিশ্ব বিনির্মাণ সম্ভব, যেখানে বেকারত্বের যন্ত্রণা ও গ্লানি বয়ে বেড়াতে হবে না কাউকেই; যেখানে বেকারত্ব শব্দটির অস্তিত্ব থাকবে কেবল রূপকথার বইয়ে।
এখন সময় হচ্ছে বিশ্বটাকে নতুন করে গড়ার।আর এই সুযোগটি কখনই আমাদের হারানো ঠিক হবে না।
লেখক: নোবেল জয়ী ব্যক্তিত্ব ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
`প্রজেক্ট সিন্ডিকেট' থেকে অনুবাদ করেছেন জিয়াউদ্দিন সাইমুম।
Click This Link
২|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৪০
জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: ডা: মুহাম্মদ ইউনূস মোটামুটিভাবে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন।কিন্তু তাঁর উত্তরসূরী কে হতে পারে?
৩|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৪০
জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: স্যরি ডঃ
৪|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৯
চারু_চারবাক বলেছেন: আইচ্ছা, গ্রামীন ফোনের ৩০% বাংলাদেশের মালিক কে? এর হাজার হাজার কোটি টাকার লাভ্যাংশ কে পায়?
৫|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১৮
এই আমি সেই আমি বলেছেন: স্বপ্নে পোলাও খেলে ঘি কম দিয়ে লাভ কি ? গ্রামীন ব্যাংকের পোলাও খেয়ে দেশের দারিদ্রকে জাদুঘরে পাঠিয়েছি । এখন সামাজিক ব্যবসার পোলাও খেয়ে ওয়াশিংটন , লন্ডন,হিল্লী দিল্লী ঘুরে বেড়াব । রাজা আর রানীদের কিচেনে ঢুকে লাঞ্চ আর ডিনার করব ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৪
মুহাম্মদ আরীফ হোসাইন বলেছেন: Click This Link