| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা ছাত্রদের সূচনা। আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ কর্তৃক সৃষ্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন তৃতীয় শ্রেণীর নেতা ছিলেন। নিজগুণে তিনি এগিয়ে এলেন এবং ছাত্রদের চেষ্টাতেই তিনি প্রথম শ্রেণীর নেতা হলেন। বঙ্গবন্ধু যতটা না উর্বর মস্তিষ্কের নেতা ছিলেন, তার চেয়েও বড় ছিল তাঁর উপর জনতার বিশাল আস্থা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এবিএম মূসা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের জন্ম দেয়া ছাত্রলীগের এখনকার জীর্ণ ও ভয়াবহ দশা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে। এখনকার ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে সাবেক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিব্রত হন। বর্তমান ছাত্র সংগঠনগুলোর শাখা এখন গণভবন থেকে তৈরি করে দেয়া হয়।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগ শেষ হয়ে গেছে। আমরাও তো একসময় ছাত্রলীগ করতাম। এ থেকে উত্তরণ খুবই জরুরী। প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা প্রতিবাদ করুন। আপনারা বলুন- ছাত্রলীগের নামটাকে তোমরা কলঙ্কিত করও না। প্রয়োজনে তোমরা একে ‘হাসিনালীগ’-‘বামলীগ’ নাম দাও।
এবিএম মূসা বলেন, ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণই হচ্ছে- প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস। সত্যিকারের স্বাধীনতা তিনি সে দিনই ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু জনগণের পালস (নাড়িস্পন্দন) বুঝতে পারতেন।
পাঠ্যপুস্তক থেকে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নাম বাদ দেয়ার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রাপ্তি হিসেবে আমরা পেয়েছি, ইতিহাস থেকে আমাদের নাম মুছে ফেলা আর নিজের অবহেলা।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এখনও ১ বছর সময় আছে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশুন। তাদের আকাঙ্খার প্রতি দৃষ্টি দিন। তাদের উপলব্ধি করতে শিখুন।
তিনি ছাত্রলীগের অতীত ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে প্রাক্তন-বর্তমান ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের লোকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক নুরে আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, আমার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বোঝানো যাবে না। যে ছাত্রলীগ দেশের উন্মেষে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে, সে ছাত্রলীগের এখনকার কর্মকাণ্ড দেখে বিস্মিত হই। আব্দুর রাজ্জাকরা মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন। আমরাও মরতে পারলে বাঁচি।
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৮
সজিব তৌহিদ বলেছেন: লেখাটি ভালো লাগলো । এবিষয়ে স্বচ্ছ ধারণঅ হলো।